নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জীবে প্রেম করে যেজন, সেজন সেবিছে ঈশ্বর

দীপান্বিতা

দীপান্বিতা › বিস্তারিত পোস্টঃ

টিচার

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০

এবার টিচারদের কথা বলি। সেন্ট্রাল গার্লস স্কুলের বড়দি বলতেই চোখে ভাসে-‘অপর্ণাদি'’।

উনি স্কুলের শুরু থেকেই যুক্ত। আমার মনে আছে ভর্তির পরীক্ষা দিলাম, তারপর পাপার সঙ্গে ওনার সাথে দু’তলায় বড় বিল্ডিংএ দেখা করতে গেলাম। উনি খুব গম্ভীর প্রকৃতির ছিলেন। কি কথা প্রসঙ্গে(মনেহয় হোস্টেলে থাকাতাম বলে, হয়ত)বল্লেন- যাও দেখি ওই জানলার পর্দাটা তুলে দাও তো! আমি এমনি তুলে দিলাম। উনি উঠে এসে সুন্দর করে দেখিয়ে দিলেন। নিচের এককোন নিয়ে উপরের উল্টোদিকের এককোনে গুঁজলেন, অন্যদিকটা একই রকম করলেন। শেষে বললেন, -যেটুকু করবে, সুন্দর করে করবে।



নিচে আমরা ক্লাস করতাম। উনি আসছেন শুনলে পিন ড্রপ সাইলেন্ট হয়ে যেত পুর ক্লাস। উনি মাঝে মাঝে নিচে সব ক্লাস ঘুরে দেখতেন। বেশ লম্বা-চওড়া ছিলেন। পিছনে হাত জোর করে, সামনে সামান্য ঝুঁকে ধিরে ধিরে পুর স্কুল ঘুরতেন। একদিন কোন কারণে উনি ক্লাস নেন। আমরা ওনাকে যেমন যমের মত ভয় পেতাম, তেমনি খুব শ্রদ্ধাও করতাম। এত ভয় কেন পেতাম কে যানে! কারণ ওনাকে কখনও উঁচু গলায় কথাই বলতে শুনিনি। খুব ব্যাক্তিত্বময়ী মহিলা ছিলেন। আমরা থাকতেই উনি রিটায়ার করলেন। মাঝে মাঝে আসতেন। নতুন বড়দি অনেক ফ্রেন্ডলি ছিলেন। তবু বড়দি বলতে চিরদিন ‘অপর্ণাদি’ই চোখে ভাসেন।



এ ছাড়া, কৃষ্ণাদি। বাংলা পড়াতেন। এমন ভাবে পড়াতেন ক্লাসেই সব পড়া হয়ে যেত। তবে ওনার স্বভাবটা উৎপল দত্ত টাইপের, রাগলে আর জ্ঞান থাকত না, মারতেন না, কিন্তু খুব চেঁচিয়ে বকতেন।



ছবিদি খুব ভাল ছিলেন। বন্ধুর মত মিশতেন। উনি একবার সীমাকে যে ভাবে নকল করতে গিয়ে ধরেন! শাড়ির কোঁচায় বেটি খাতার পাতা ছিড়ে আনে, খুলে টুকছে আর ছবিদি ধরে খুব বললেন। টুকলি করতে গেলেও বুদ্ধি দরকার-বা এমন কিছু বলেছিলেন। অন্য কেউ হলে সীমার ইতি হয়ে যেত। ও আসলে কিছুই লিখে উঠতে পারে নি, তাই দিদি ছেরে দিলেন।



রুনাদি নামকরা বাড়ির বৌ ছিলেন। মাঝে একটা বছর আমার সব সঙ্গীরাই অচেনা ছিল। আর সে বছর মনে আছে রুনাদি ক্লাস টিচার! খুব ফিট্‌-ফাট থাকতেন। খুব উল-কাটা বুনতে ভালবাসতেন। একটি খুব এঁচোড়ে পাকা মেয়ে ছিল, নাম যতদুর মনে পরছে রাজশ্রী, কালোর উপর মুখশ্রী ভিষণ সুন্দর। তবে প্রচন্ড তর্ক-ঝগরা এসব করতে পারত, পড়া ধরলেই আকাশের দিকে তাকিয়ে উত্তর প্রাণপণে খোঁজার চেষ্টা করত। কি একটা অন্যায় করতে রুনাদি ওকে ঠাস্‌-ঠাস্‌ করে এতো জোরে মারেন যে ওর চুল খুলে যায়। ওই আমার স্কুল জিবনে প্রথম ও শেষ টিচারের পিটুনি দর্শণ। মেয়েটিকে ভাল লাগত না, কিন্তু সেদিন ওর জন্য খুব খারাপ লেগেছিল।



ইংলিশ টিচারের নাম ভুলে গেছি। ভিষণ শান্ত ছিলেন। ওনার ক্লাসে সবাই অন্যমনস্ক থাকত। তবে দিদি আমায় বেশ স্নেহ করতেন।



একবার নতুন লাইব্রেরি টিচার এলেন। ওনার স্বামী মারা গেছিলেন। দু’টি বাচ্চা ছিল। উনি আমাদের ক্লাসে প্রথম দিন এসে আধুনিক কবিতা শুনিয়েছিলেন। কেউ কিচ্ছু বুঝিনি। আমরা ক্লাস সিক্সেই পড়তাম মনে হয়। উনি যেতেই ওনারই পড়া কি একটা কথা নিয়ে হৈ হুল্লোড় শুরু হয়। ওদিকে দিদি তা জানেন না! পরেরদিন উনি নিজের লেখা আধুনিক কবিতা যেই শুরু করেছেন অমনি পেছন দিক থেকে আওয়াজ। ব্যাস তারপর থেকে উনি আর কবিতা পড়ার চেষ্টা করতেন না।



আমি যখন নতুন স্কুলে ভর্তি হলাম একই সঙ্গে একজন খুবই কম বয়সী টিচার এলেন। খুব সুন্দরী! সদ্য কলেজ পাশ করেছেন। আমাদেরই ক্লাস টিচার হলেন। উনিও নতুন ক্লাস টিচার! আমাদের খুব উৎসাহ দিতেন অন্য সেকসনকে টেক্কা দিতেই হবে। নিজের সাবজেক্ট ছাড়াও অন্য বিষয়ও দেখতেন। আমরা ওনাকে বন্ধুর মত পেয়ে গেলাম। কানাঘুসো ছিল ওনাকে একজন স্কুলে ছেরে যায়। উনি বড়দির চেনাশোনা ছিলেন আর ওনার বাবা সম্ভবত প্রফেসর ছিলেন। তো, নতুনদিদিকে নিয়ে খুব আমাদের মধ্যে আলোচনা হত। আমাদের সেকশন ওনার জন্য গর্বও বোধ করত। শেষে যানা গেল যিনি ছেরে যান তিনি একজন শিল্পী, আরো উৎসাহ বেড়ে গেল! উনি খুব তাড়াতাড়ি চলে আসতেন। অতি উৎসাহী কিছু মেয়ে তারও আগে এসে গেটের কাছে দাড়িয়ে থাকত। আমাদের এখানকার মত এত্ত বাবা-মারা স্কুলে দিতে আসত না। রিক্সা থাকত। নয় পাড়ার মেয়েরা দল বেঁধে স্কুলে আসত। বড়দি প্রার্থনার সময় বার বার বলতেন কেউ একা আসবেনা, মেয়েরা দলবদ্ধ ভাবে থাকবে।



বুলবুলদি ভূগোল পড়াতেন। কিন্তু খুব বেশি বোঝাতে পারতেন না। কিন্তু ওনাকে এত সুন্দর আদুরে আদুরে দেখতে ছিল! খুব ভাল লাগত। মাঝে মাঝে দিদিরা তাদের ছেলে-মেয়েকে নিয়ে আসতেন। ওনার বেশ বড় ছেলে দেখে অবাক হয়ে যাই!



আর একজন ছিলেন আমার অতি প্রিয়-‘পর্ণাদি'’।

নাম অপর্ণা কিন্তু বড়দির নাম ধরে কেউ ডাকবেনা বলে বোধহয় স্কুলে নতুন নাম হয়। ওনাকে ক্লাসে পাই নাইনে উঠে কিন্তু বহু আগে থেকে ওনাকে আমার খুব ভাল লাগত। প্রচন্ড গম্ভীর। কেউ কক্ষণ ওনাকে হাসতে দেখেনি। অথচ রাগও করে থাকতেন না। আপন মনে থাকতেন। টিচারদের সাথেও যে খুব ভাব ছিল তা না।

সীমা আবার গসিপ মাষ্টারও ছিল। ও কি সব যেন বলতো। ওনার কিন্তু খুব সুন্দর দুটি বাচ্চা বাচ্চা ছেলে ছিল। আসলেই সারা স্কুল দৌড়ে বেরাত। দিদি শান্ত ভাবে দাঁড়িয়ে দেখতেন।



আগে বিজ্ঞানটা অত ভাল লাগত না। কিন্তু টিচার পছন্দ মত হলে কত কাজ দেয় আমায় দেখতে হত! কেবল উনি আমায় দেখুন এই জন্য আমি খুব ভাল করে প্রতিদিন ওনার পড়া করে যেতাম। কিন্তু কেন যানি, অন্যরা খুব ভয় পেত বলে নাকি ওনাকে বেশি পছন্দ করত না। উনি ক্লাসে আসার থেকেই সবাই কেমন দমবন্ধ করে বসে থাকত। গেলে হাঁফ ছেরে বাঁচত, মনেহত। উনি খুব যে শাস্তি দিতেন তাও না। আসলে ওনার সুন্দর মুখের এক্সপ্রেসন ছিল মারাত্মক! যে পড়া পারত না তাকে আর বসতে বলতেন না। জোর করে কাউকে পড়াও ধরতেন না। প্রশ্ন করতেন। যে পারবে হাত তোল। আমি সব সময় লাফিয়ে লাফিয়ে হাত একরকম তুলেই বসে থাকতাম। উনি প্রথম প্রথম খুব উৎসাহ পেতেন, হ্যা হ্যা, তুমি বল। তারপর কিছু একটা আঁচ করে আমার হাত তোলা দেখলেই অল্প মুচকি হেসে অন্য কাউকে ধরতেন। আমারও অভিমান হত। পরে যদিও আমাকেও মনে হয় ধরতেন।



পরে আমি যখন সদর গার্লসে গেলাম উনিও কিছুদিন পর সেখানের বড়দি হয়ে এলেন। সবাই একটু অবাক হল। বড়দি বলতেই একটু বয়স্ক কেউ মনে হত। উনি কিন্তু খুবই ইয়াং ছিলেন। সদরে ওনাকে ক্লাসে পাইনি। তবে দরকারে ওনার ঘরে গেলে কখনও খুব কিছু উচ্ছাস দেখাতেন না। শুধু ঠোঁট চেপে অদ্ভূত সুন্দর হাসতেন। তাতেই আমরা ধন্য হতাম। স্কুল ছারার পরও বিভিন্ন কাজে সম্পার সাথে যেতাম, আর ঠিক ওনাকেই দরকার হত। সম্পা ঘরে যেত না। আমিও মাথা নিচু করেই যেতাম। খুব ভাল লাগত ওনাকে দেখতে।



এবার আমার বাড়িতে যারা পড়াচ্ছেন তাদের দিকে একটু তাকান যাক। আসাম মোড়ে গিয়ে আমার টিউটার খোঁজা হচ্ছে। পাপার চেনাশোনা কেউ সুমিতদার খবর দিল। উনি একদিন দেখা করতে এলেন। সেদিন আমি আবার শাড়ি পরে বোধ হয় খেলছিলাম। টুকটাক কথা বলেই পরদিন থেকে পড়ান শুরু হল।



সুমিতদা ছোটখাট কিন্তু বেশ সুন্দর মুখশ্রী, প্রচন্ড সৌখিন গোছের ছিলেন। আর টিউশন করে করে কাকে কি করে পড়িয়ে নম্বর তুলে দিতে হবে খুব জানতেন। একদিনেই বুঝে নিলেন আমার মাথায় গোবোর পোড়া। ব্যাস! এরপর শুরু হল শাস্তি। গায়ে হাত তুলতেন না মেয়ে বলে। খালি কান ধরে, নয় এক পা তুলে দাঁড় করিয়ে রাখতেন। আমায় আবার ভয় দেখাতেন না পড়লে রাস্তায় ওভাবে দাঁড় করিয়ে রাখবে। প্রথম প্রথম খুব ভয় লাগত। পরে গা সওয়া হয়ে গেল। উনি এলেই আমি যানতাম কোনদিন কোন শাস্তিটা হবে। বিনদাস টান টান করে কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকতাম। অন্তত অঙ্ক তো করতে হল না! এই লাভ গুনতাম। উনি অবাক হয়ে যেতেন। শেষে হাল ছেরে দিয়ে বাবা-বাছায় এলেন।



এদিকে পাশের বাড়ি এক দিদি থাকত। তাকে ও তার বন্ধুকেও সুমিতদা পড়াত, এদের বাড়িতেই। পাশের বাড়ি যতদুর সম্ভব ইচ্ছে ছিল সেই দিদির সাথেই বিয়ে দেয় সুমিতদার। এদিকে তীর অন্য দিকে ঘুরে বসে আছে। অন্য যে মেয়েটি পড়তে আসত তাদের নাকি অবস্থা খুবই খারাপ। এসব আমরা যানতে পারতাম না। আমাদের বাড়ি দূর্গের মত বড় পাঁচিলে ঘেরা। শেষে শুনলাম সুমিতদার বিয়ে হয়ে গেছে। পাশের বাড়ির সবাই আগ বারিয়ে দাদুর কাছে সুমিতদার নিন্দে করে গেল। সবাই ওনার কাছে পড়াতে বারণ করল। আমি আনন্দে ধেই ধেই করে নাচছি।



সেটা বেশ কিছুদিন পরের কথা। এতদিনে সুমিতদা নিজেই কেমন যেন আমাদের বাড়ির হাওয়া বুঝে পড়ার দায়িত্ব প্রায় নিজেই তুলে নিয়েছে। বাপ্পা মাঝে মাঝে ছুটিতে এলে সেও কাচু-মাচু হয়ে বসত। পরে বড় হতে আর সুমিতদা মুখো হত না।

তো, আমরা খুব ঘুম কাতুরে। ভাবলে অবাক লাগে সুমিতদা একদিন বাড়ি এসে বাপ্পার ঘরে ঢুকে খুব বকছেন, পাশে আমার ছোট্ট ঘর। আমিও তখন শুয়ে, কেউ ডাকেনি। সুর সুর করে এসে দেখি উনি বাপ্পার মশারির দড়ি টেনে টেনে ছিড়ছেন। কতদিন পড়া হয়েগেছে, মানে সুমিতদা ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়াতে পারতেন। কিন্তু আমার আবার পেট ব্যাথা, চোখ ব্যাথা এসব দু’ঘণ্টার বেশি বসে থাকলেই শুরু হত। এদিকে তুমুল বৃষ্টি বাইরে। উনি ওই বৃষ্টিতে যাবেন না। জামা খারাপ হতে পারে বলে হয়ত। হাঃ...হাঃ। আমি ভুলোকে নিয়ে ঘুরে বেরাচ্ছি আর উনি বাপ্পাকে নিয়ে দাবা খেলতেন।



ওই ঘটনার পর সুমিতদা নিজে পাপার কাছে দেখা করে সব বললো। হ্যা, তাদের ভালবাসার সম্পর্ক হয়। এদিকে সুমিতদা শুধু টিউসানি করে তাই জোর করে দিদিটার বিয়ে দিচ্ছিল। সে রাতে বাড়ি পালিয়ে সুমিতদাদের বাড়ি ওঠে। সব শুনে সুমিতদাকে আবার রাখা হল। আমার খুব দুঃখ হল, আবার পড়তে হবে জোর কদমে, এই ভেবে।



একটা রিলিফ ছিল। সুমিতদা সায়েন্সটা দেখত আর আর্টস এর জন্য নিজের বন্ধুকে দিয়েছিল। তিনি আবার আরেক জন! পড়ার ফাঁকি আমি খুব দিতাম। একবার কিন্তু সত্যি খুব জ্বর হল সেই দাদাটা শুনবে না। আমার সত্যি অসুখ হয়েছে কিনা একেবারে আমায় দেখেই যাবে। সেদিন পাপা বাড়ি ছিল। পাপা বলতেও শুনছে না। তখনই সুমিতদাকে ডেকে তাকে আসতে বারন করা হল। সুমিতদা এবার বুড়ো স্যারকে আনলেন। উনি প্রায়ই পড়াতে পড়াতে ঘুমিয়ে পরতেন। আমার তাই ওনার কাছে পড়তে খুব ভাল লাগল। কিন্তু পরীক্ষার সময় খুব রাগ উঠত, আবার ওনার অসহায় অসহায় মুখ দেখে চুপ করে যেতাম। ওনার বাড়ি সরস্বতী পূজোয় গেলে খুব খাতির করতেন।



মাঝে খুব অসুবিধায় পড়ে সুমিতদা পাপাকে আমায় ওনার বাড়ি পড়তে যাবার জন্য অনুরোধ করল। রিক্সা ঠিক হল। সে সময় সুমিতদার বৌকে দেখলাম। একটু ভারি চেহারা কিন্তু খুব সুন্দরী, জমিদার-গিন্নী লাগত। বাড়িতে কোন কাজ করতে হত না। সারাদিন টিভি দেখত। সুমিতদার বাড়ি সুমিতদার মতই একদম পরিপাটি। ওনার বাবা অসম্ভব লম্বা, সুমিতদা ওর মার মত। বোনরাও সুন্দরী। তবে আমার বৌদির সাথে পটে গেল। আমি যেদিন পড়া করে যেতাম না, টুক করে ওর ঘরে ঢুকে আড্ডা দিতাম। সুমিতদা বৌকেও বকতে পারত না, ওনার বাড়ি আমাকেও না! আমার সাথে আমার ক্লাসের দুটি ছেলে আর কিছু অন্য ক্লাসের বাচ্চারা পড়ত।

ছেলে দুটি বোধ হয় মোহিত নগরের ওদিকে থাকত। ফেরার সময় সাইকেলে রিক্সার সাথে সাথেই যেত। আমার বাড়ি থেকে সাইকেল কমপিটিসন শুরু করত। ওরা বেশ ভাল ছিল। একটার নাম বোধহয় গৌতম ছিল। নামটা শুনলেই আমার সেই ছেলেবেলার ভেব্‌লা বন্ধুকে মনে পরত। ওরা খুব শান্ত ছিল। সুমিতদা আমাদের পড়া দিয়ে বাড়িরই কাজে ব্যাস্ত থাকলে আমিও কাট্টি মেরে বৌদির কাছে বসে থাকতাম। পরে সুমিতদা দু’জনকেই বকত। হাতে বেত থাকত, বলত আমি ওনার সব ডিসিপ্লিন ভঙ্গ করছি। আমিও সুর সুর করে আবার সেই পড়ার ঘরে যেতাম!

তো, পরেরদিকে সুমিতদাকে আসতে দেখলেই ছেলে দুটো টুক করে আমায় ডেকে আসত। আমিও খুব ভাল মানুষের মত মুখ করে পড়তাম। আর সুমিতদা ভাবত খুব ওনাকে ভয় পেয়েছি! হাঃ, হাঃ। উনি বলতেন আমার বাড়িতে উনি বোঝেননি আমি এত্ত তিইরিং-বিরিং করি। ওনার বাড়ির চেয়ে আসলে আমার বাড়িতে উনি আমায় বেশ শাস্তি-টাস্তি দিয়ে দাবিয়ে রাখতে পারতেন। সুমিতদা বড় বড় বাসে আমাদের পিকনিক নিয়ে যেতেন।



মাধ্যমিকে আমার ফল তুলনামূলক ভাবে বেশ খানিকটা ভাল হল। স্কুলেও টিচাররা ডেকে আদর-টাদর করলেন। পাপা, সুমিতদা আর বুড়ো স্যার আমায় মোটামুটি পাশ করাতে চেয়েছিলেন। পাপা খুব খুশি হয়। এবার সুমিতদা আমায় পিওর সায়েন্স পড়াবেন বলে উঠে পরে লাগলেন। এসব ব্যাপারে পাপা কখনও কিছু বলত না। আমি একেবারে বেঁকে বসলাম! আবার সুমিতদার কাছে! পরে দেখেছি আমার অনেক বন্ধুর পিওর সায়েন্স নিয়ে নাজেহাল অবস্থা। সুমিতদা খুব বোঝালেন, বকলেন, কিন্তু আমি ঘাঁড় বেঁকিয়েই বসে রইলাম! উনি খুব বিরক্ত হয়েছিলেন। তারপরও আমার ম্যাথস্‌ ছিল। কিন্তু উনি আর করাতে চাইলেন না। তবে পাপা বল্লে আসতেন।



আমি বরাবর সুমিতদার সাথে যোগাযোগ রাখতাম। বিশেষ করে বৌদির সাথে। সুমিতদা খুব ব্যাস্ত তখন। কলেজের কাছে ওনার বাড়ি হওয়ায় প্রায়ই সম্পাকে নিয়ে চলে যেতাম।

বৌদি খুব আপসোস করত ওদের ছেলে-মেয়ে হচ্ছে না বলে। শেষে অনেকদিন পর মেয়ে হল। খবর পেয়ে খুব আনন্দ হল। আমি-সম্পা দেখতে গেলাম। বাচ্চাটা খুব স্বাস্থ ভাল, গোল্লু। কিন্তু বৌদিকে দেখে চমকে গেলাম। যানতে পারলাম এত কম বয়সেই বৌদির শরিরে অনেক রোগ বাসা বেঁধেছে। বৌদি কিন্তু খুব খুশি।



ক’দিন পর সাংঘাতিক খবরটা শুনলাম। বৌদি নেই! শুনেই আবার সম্পার সাথে সুমিতদার বাড়ি গেলাম। কি বলব! সুমিতদা বরাবর আমায় শাসন করেছেন। খুব স্নেহ করতেন। সে দিন কি অভিমান বৌদির উপর! সম্পাকে সেদিনই হয়ত উনি দেখেন। কোন হুস্‌ নেই। কত কথা বলেই চলেছেন! বলছেন, আমায় ছেরে চলে গেল! যান! পঁচিশেও পরল না! তারপর আত্মস্থ হয়ে উঠে চলে গেলেন। মনে হল উনি ডুঁকরে কাঁদতে পারলে হয়ত একটু শান্তি পান।

সেদিন আমি আর সম্পা অভিভূত হলাম সুমিতদাকে দেখে। বৌদিকে কি প্রচন্ড উনি ভালবাসেন!



যদিও বছর ঘুরতেই খবর পেলাম আবার ওনার জন্য মেয়ে খোঁজা হচ্ছে।



মাধ্যমিকের পর সুমিতদাই আমার টিচার ঠিক করে দিতেন। এবার আমার খুব মজার মজার টিচার আসতে লাগল। তখন পাপা টাউনে পড়াতে নিয়ে যেত। অঙ্কের জন্য কেবল টিচার আসত।



প্রথমে একজন শান্ত বয়স্ক টিচার এলেন। কিন্তু প্রথমদিনই ভুলোর প্রচন্ড গম্ভীর মুখ দেখে তিনি আর আসতে চাইলেন না। ওনার চার ছেলেই সোনার টুকরো। সবাই অঙ্ক নিয়েই পড়াশুনা করে।



সুমিতদা বড়জন বাবলাদাকে নিয়ে এলেন। বাবলাদাকে দেখলেই বোঝা যেত সারাদিন পড়াশুনা করে। বেশ একটু ট্যারাও। উনি আপন মনে অঙ্ক করতেন। দেখে মনে হবে আমি বুঝি ওনাকে পড়াচ্ছি। কখনও মুখই তুলতেন না। প্রথম প্রথম চুপ করে বসে উসখুস্‌ করতাম। একটু ঘুরে আসি! জিজ্ঞেস করলে মাথা নিচু করেনই মাথা নারতেন। কারণ জিজ্ঞেস করতেন না। আমিও ভুলোকে নিয়ে বাগান থেকে একটু ঘুরে আসতাম। মাঝে মাঝে দেখে যেতাম টিচার ঠিক ঠিক অঙ্ক করছে তো! হাঃ হাঃ হাঃ!



বাবলাদা আমাদেরই চেনাশোনা আরেকটি মেয়েকেও অঙ্ক করাত। সে অপুরূপা সুন্দরী ছিল। আর খুব টরেটক্কা! মানে কথা শুরু করলে আর থামতোই না! তো, কি মাথায় ব্যামো হল বাবলাদার! তাকে একদিন বিয়ের প্রস্তাবই দিয়ে বসল। আর মেয়েটি তো সে গল্প আমায় বলতে বলতে হেসেই খুন! তবু আমার বাবলাদার জন্য মায়া হচ্ছিল, ওর হাসি দেখে। আহাঃ, নিশ্চয়ই খুবই ভালবেসে ফেলেছিল! নইলে ওই লোক এই কান্ড করে!



লজ্জায় উনি আর এলেন না। তার ভাই এবার আসল। সে অঙ্কে গোল্ড মেডেল পেয়েছিল। কলেজে পড়ত বোধ হয়। এও বেশি কথা বলত না। কিন্তু কি একটা গাম্ভীর্য ছিল। চুপচাপ অঙ্ক করতাম।

(সকল চরিত্রের নাম পরিবর্তন করা হল)

মন্তব্য ১২৬ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (১২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩

সৌম্য বলেছেন: আমাদের হেডস্যারের নাম দিছিলাম জিঙ্গাল দেব। অতি বদ লোক। তার ছেলেও আমাদের স্কুলে পড়তো। বুয়েটে পড়াকালীন পিকনিকে ডুবে মারা যেয়। আমাদের মানুষ করার জন্যে গেমস পিরিয়ড বাতিল করে দিলেন। টিফিন টাইমে তালা মেরে রাখতেন। আমি একদিন কেমেস্ট্রি ল্যাব থেকে স্যারের গায়ে পানি ফেলে দিয়ে ভিজিয়ে পালিয়ে গেছি। খুব রেগে গেলে লাফালাফি করতেন, তখন তাকে আলিফ লায়লার জিঙ্গাল দেব দৈত্যের মতো লাগতো।

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৮

দীপান্বিতা বলেছেন: হাঃ...হাঃ...হাঃ....আপনিতো আরেক কাঠি! ছেলেরা যদিও বেশি দুষ্টু হয়......মনে পড়লে আরও লিখুন......সে সব ঘটনাতো আমরা জানিই না!......খুব ভাল লাগবে......কি মজার ছিল সে সব দিন, তাই না!

২| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৬

বড় বিলাই বলেছেন: খুব ভালো লাগল এই লেখাটা। টিচারদের সাথে অনেক সুন্দর সুন্দর স্মৃতি আছে আপনার।

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৬

দীপান্বিতা বলেছেন: ধন্যবাদ...আপনারো নিশ্চয়ই আছে!..... বলুন না...শুনি....:)

৩| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭

র হাসান বলেছেন: অফটপিকঃ
------------
অনলাইনে দেখা যাবে, পুরনো ভালো বাংলা ছবির এমন কোন লিংক দিতে পারেন?

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪২

দীপান্বিতা বলেছেন: পুরনো বাংলা মুভির সংরক্ষণই সে ভাবে হচ্চে না!......নেটে!......দাড়ান, মেঘদূতকে জিজ্ঞেস করে দেখি ....

৪| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

রাতমজুর বলেছেন: কলেজে দুই টিচার ছিলেন একজনের সারনেম মোগল(!!) আরেকজন পাঠান (!!) লাইফটা ব্যাপক ত্যাক্ত করনের ইচ্ছা আছিলো উনাগো, বাট আমরাই উনাগো দৌড়ের উপরে রাখতাম। ;)

পয়লা প্রেমে পর্ছিলাম কলেজে, এক ম্যাডামের (!!!), ইকোনমিক্স পড়াইতেন উনি।
শেষটা ইউনিভার্সিটিতে :( আর একজন ম্যডাম (!!!) ইংলিশের

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৪

দীপান্বিতা বলেছেন: হাঃ...হাঃ...হাঃ.....আমাদেরও কলেজে এক জিওগ্রাফি ম্যাডাম ছিলেন......তার প্রেমেও বহু ছেলে ধুপ্‌ করে পরে যেত....;)

৫| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৮

রাতমজুর বলেছেন:
দিদি, :( উনারা দুইজনেই ম্যারেড আছিলেন, শুইনা ব্যাপক কষ্ট পাইছিলাম :(

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬

দীপান্বিতা বলেছেন: আরে! আমাদের ম্যাডামও ম্যারেড ছিলেন!......কিন্তু খুবই সুন্দরী ছিলেন ...:)

৬| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮

তামিম ইরফান বলেছেন: বাহ! আপনার স্কুল লাইফটা তো সুন্দর ছিলো............


আমার স্কুল লাইফে সবসময় টিচারদের বেতের বাড়ি উপর থাকতাম।স্কুলে সবসময় লাস্ট বেন্চে বসতাম যাতে প্রথম পিরিয়ডে রোল কলের পর পেছনের দড়জা দিয়ে পালিয়ে যেতে পারি।পালিয়ে যাবার সময় সাথে বেশ ক'জনকে নিয়ে পালাতাম।পুরস্কার স্বরুপ পরদিন ক্লাশে টিচারের হাতে বেতের বাড়ি।পালানো বন্ধ করার জন্য এরপর থেকে টিফিন পরিয়ডের পর আরেকবার রোল কল করা হতো।তখন শিডিউল বদলে টিফিনের পর পালাতে লাগলাম।পালানো বন্ধ করতে একবার আমাকে ক্লাশ মনিটর বানানো হলো।মনিটরের দায়িত্ব পেয়ে ক্লাশের সবকয়টাকে নিয়ে ভাগা শুরু করলাম।যে পালাতে চাইতো না তাকে খানিক উত্তমমধ্যম দিয়ে পাজাকোলা করে স্কুলের বাইরে নিয়ে আসতাম।

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:০২

দীপান্বিতা বলেছেন: হাঃ...হাঃ...হাঃ....পড়তে পড়তে তো পেট ফেটে যাচ্ছে!...বাপ্‌রে! আমি কোনদিন মার খাইনি!

সব ক’টাকে নিয়ে পালালেন, আর পরেরদিন কি হল! ক’টা বেত ভাঙ্গলো! ;)

৭| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:০৭

তামিম ইরফান বলেছেন: পরেরদিন কিছু হয় নাই।শাস্তির ভয়ে সাতদিন স্কুলেই যাই নাই।

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:২২

দীপান্বিতা বলেছেন: বাঃ, বাঃ! গুণধর!

৮| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:১০

রাতমজুর বলেছেন:
@মাংকি ভাই, মনিটর হিসাবে দুই বছর আমি আর আরেক ক্লাসমেট ক্লাস করনের টাইম পাই নাই, স্কুল পলাইন্যা গুলারে ধইরা আননের কাজে "বিজি" থাক্তাম সারা দিন ;)

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:২৪

দীপান্বিতা বলেছেন: হুম্‌! X(

৯| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:১৬

তামিম ইরফান বলেছেন: হা হা হা:):)..........আর আমাদের স্যারেরা বিজি থাকতো ক্লাশের মনিটর কে ধইরা আনার জন্য।একবার স্কুল পালিয়ে ভিডিও গেমসে দোকানে খেলতে ছিলাম বন্ধুরা মিলে এমন সময় হেডস্যার খবর পেয়ে হাজির ঐ দোকানে।সবকয়টাকে বেত দিয়ে আন্ধাগোন্ধা মাইর শুরু করছে দোকানের মধ্যেই।শুধু আমি বেঁচে গেছিলাম ঐদিন।যে ভিডিওগেমস মেশিনটায় খেলতে ছিলাম ঐটা আর দেয়ালের মাঝে একটু ফাঁক ছিলো।স্যারকে দেখে ঐ ফাঁকে ঢুকে মাথা নিচু করে বসে ছিলাম।


রামু ভাই আপনার/আমার ম্যাডাম কে সেদিন দেখলাম একটা শপিং মলে:)@রাতমজুর

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:২৮

দীপান্বিতা বলেছেন: বাবাঃ! মেয়েরাতো দেখছি অনেক অনেক ভাল হয়! :)

ম্যাডাম কে সেদিন দেখলাম একটা শপিং মলে ....এটা কি! X( ...পুর গল্প চাই...

১০| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৪৭

হোদল রাজা বলেছেন: গাজী আজমল স্যার পড়াতেন zoology। এতো জমাতে পারতেন!মোখতার স্যার বাংলা।

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৫৫

দীপান্বিতা বলেছেন: কতো স্মৃতি, তাই না! ...:)

১১| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:১১

ইমন জুবায়ের বলেছেন: সুন্দর

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৫৬

দীপান্বিতা বলেছেন: ধন্যবাদ...কেমন আছেন আজ!

১২| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৩২

জটিল বলেছেন: হুম বেশ ,
নিজের আমলের অনেক ঘটনা মনে পড়ল ,
তবে স্যার আর ম্যাম দের প্রিয়পাত্র হবার কারণে একবার ক্লাস সিক্সে কিছু পোলাপান আমাকে মারার জন্যে স্কুল গেটে হকিস্টিক নিয়ে ছিল , পরে আমার গ্যাং এসে উদ্ধার করে নিয়ে যায় , স্কুল পর্যায় আমার ক্লাস সিক্সেই সমাপ্ত , এরপরে জেলে ছিলাম আর কি ।
স্কুল তো অনেক পাল্টিয়েছিলাম এজন্যে অভিজ্ঞতারও শেষ নেই আর কি ।

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০০

দীপান্বিতা বলেছেন: ওইটুকু বয়সেই হকিস্টিক নিয়ে মারামারি! :|......আমিও অনেকগুলো স্কুলে পড়ি.....জেল মানে হোস্টেলে! :D

১৩| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৫৬

বৃত্তবন্দী বলেছেন: প্রথম পর্বে মাঝপথে জায়গা শেষ হয়ে যাওয়ায় মনে হচ্ছিলো যেনো ক্লাইম্যাক্সে এসে বইয়ের শেষ পৃষ্ঠা গুলো নেই। এখন এইটুকু পড়তে পেরে শান্তি লাগছে...

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০৫

দীপান্বিতা বলেছেন: ধন্যবাদ....তখনতো ধরল না, তাই! :)

১৪| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:০২

রাতমজুর বলেছেন:
@ মাংকি ভাই, লগে উনার কইন্যা ছিলো নাকি? কেমন হৈছে মেয়েটা? শুনছিলাম উনার কণ্যা হৈছে।

দীপা আপু,

মাংকি ভাইয়ের ইউনির বারান্দায় কিছুটা সময় কাটাইছি, ইংলিশের এক ম্যডাম এর ফিদা আছিলাম আমি, উনিও জানতেন, একবার উনার ছোটবইন আমারে ঝাড়ি দিছিলেন :(

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০৬

দীপান্বিতা বলেছেন: ;)

১৫| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১৭

অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: টিচারদের সাথে আমার তো দুই রকমের স্মৃতি আছে .... হয় উনারা আমারে দৌড়ের উপরে রাখতো নাইলে আমরা উনাদের দৌড়ের উপরে রাখতাম ... নাইলে স্টুডেন লাইফের মজাই কৈ থাকেন বলেন ?

আপনার স্মৃতিচারন খুব ভাল লেগেছে ...

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০৮

দীপান্বিতা বলেছেন: দৌড়ের উপরে রাখা .....সেটাই তো মজা! :P

অনেক ধন্যবাদ...

১৬| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৩২

আইরিন সুলতানা বলেছেন: একদম পুরো স্কুল জীবনকেই লেখায় বন্দী করে ফেললেন দেখি !!!

বিশাল স্মৃতিচারণ।

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১০

দীপান্বিতা বলেছেন: না, না! স্কুল পর্ব এখনো শেষ হল কৈ!.:(....কেমন লাগল!...সেই অনুসারে আবার লিখব....

১৭| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১২

পাথুরে বলেছেন: আহারে কি মজার ইসকুল।

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১৫

দীপান্বিতা বলেছেন: আপনার কেমন ছিল!

১৮| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:২৬

পাথুরে বলেছেন: বর্ষার ঝরঝরে ঝরণা......কান পাতলে নেশা ধরানো শব্দ পাই...

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩০

দীপান্বিতা বলেছেন: !!! ঠিক বুঝলাম না...:D

১৯| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩৪

পাথুরে বলেছেন: হাহাহা....হেয়ালী করলাম..
দুশ্চিন্তাহীন গতিময় জীবন ছিলো.... মনে পড়ে.. :)

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪২

দীপান্বিতা বলেছেন: সে আর বলতে!...বড় হলেই চারদিকে গুঁতোগুঁতি!...ইদুর দৌড়!..:(

২০| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩৯

সায়েম মুন বলেছেন: শিক্ষাজীবনের আপাদমস্তক স্মৃতিচারণ। এত কিছু মনে রাখলেন কেমনে। আমার তো মনে হয় ১০ লাইনের বেশী মাথায় আসবে না।

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

দীপান্বিতা বলেছেন: হাঃ...হাঃ!.....আমার ভাইও তাই বলে...আমিও যে খুব মনে রেখেছিলাম, তা না... ‘সাতকাহন’ পড়তে পড়তে টুকরো টুকরো ছবি ভেসে উঠল......আর কি বা লিখি! তাই আপনাদের শুনিয়ে দিলাম...:)

২১| ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫২

আহমেদ রাকিব বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে ভালতো লাগলোই সব সময়ের মতন। সাথে রাত্মজুর আর তামীম ভাইয়ের কাহিনী পইড়াও মজা পাইতাছি। চলুক দুইটাই। :)

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

দীপান্বিতা বলেছেন: ধন্যবাদ...ধন্যবাদ..:)

২২| ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৬

নিবিড় অভ্র বলেছেন: ঔ!!!!! সুপার পোস্ট!!!!! :)

আমার স্কুলবেলাটাও ঝাক্কাস ছিল....... রেগুলার টিচারদের প্রেমে পড়াটা মনে হয় আমার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে সেই সময় থেকেই :#)

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৩

দীপান্বিতা বলেছেন: হাঃ...হাঃ...হাঃ.....নির্ঘাত কোয়েড স্কুল ছিল! :P

নন্দিতা দাসের ‘রক ফোর্ড’ দেখেছেন! পরিচালক নাগেস কুকনুর ....

২৩| ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩৫

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: বিশাল লেখা, পড়ছিলাম আর মনে আসছিলো কলেজিয়েটের সেই স্যারদের কথাঃ ডাষ্টার , দেড় ব্যাটারি , উডি ঊডপেকার, আর আর ? রুমি আপা ....
আলাদা করে আর লিখলাম না, এই ব্লগে কলেজিয়েটের দিনগুলো নিয়ে কমপক্ষে দশটা পোষ্ট আছে ...

আহারে দিন ছিলো একদিন , আমাদের।:(

আপনার স্মৃতিশক্তি ব্যাপক, এর আগে হল জীবন নিয়ে লেখা একটা পোষ্টেও দেখলাম, প্রায় শ খানেক নাম (!)...

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:২৭

দীপান্বিতা বলেছেন: লিখুন...লিখুন!......আমার পড়তে বেশ লাগে......কত রকম অভিজ্ঞতা! :)

আরে, আজকের দিনটাও দেখবেন ভবিষ্যতে ভেবে আনন্দ পাবেন ....:D

দুঃখ কি যানেন! কাজের ক্ষেত্রে স্মৃতিশক্তি সাথ দেয় না! :(

রবীন্দ্রনাথও অমন কিছু বলেছিলেন বোধ হয়- কত বড়োকে ছোটো করে, ছোটোকে বড় করে তোলে......

তেমনই আর কি!

২৪| ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩৭

নিবিড় অভ্র বলেছেন: না না ........ মোটেই কো-এড ছিল না...... /:)

নন্দিতা দাসের ‘রক ফোর্ড’ দেখি নাই :|

তবে ক্লাস নেওয়ার সময় টিচারদের দিকে হা করে তাকিয়ে থাকা আর আড়ালে তাঁদের দিকে নিত্য উড়ন্ত চুমো ছুঁড়ে দেওয়ায় সু(!)খ্যাতি ছিল আমার.... ;)

তবে সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল.... বড় হবার পর টিচারদের পটিয়ে তাঁদের সামনেই অনেক অপকর্ম করেছি..... স্কুল ক্যাপ্টেন হওয়ায় হেনতেন হাবিজাবি বুঝিয়ে টিচারের সামনে দিয়ে স্কুল তো ফাঁকি দিয়েছিই.... সাথে সাথে রোলকলের খাতায় ১০০% উপস্হিতিও হাসিল করেছি... :P

তবে শাস্তিভরা ছোটবেলাটা না হয় বাদ থাকল.... :|

সত্য স্বীকারে দোষ নাই..... অল অফ মাই টিচারস আর রকিং :) :D :D

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩২

দীপান্বিতা বলেছেন: নিবিড় অভ্র! আপনাদের স্কুলে উচু ক্লাসে লেডি টিচার ছিল! ভালতো! তাহলেতো ওমন হবেই! ;)...... তবে আমাদের ৮০% দিদিমণিই কিন্তু বয়স্ক হতেন! :(

২৫| ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৪

মনির হাসান বলেছেন: বিশাল স্মৃতিচারণ। আপনার লেখা পড়তে পড়তে আমারো হাজার স্মৃতি মনে পরল ।

আহ ! কি সব স্মৃতি । খালি মাইর খাইতাম । একবার অ্যাসেম্বলির পরে স্কুলে ঢুকছিলাম বলে ২৫/৩০ জনকে একসাথে মাঠের মধ্যে নিয়ে আমাদের হেড স্যার পিটাইল । মাইর খাওয়ার পর ব্যাথা বা অপমান বোধ কোন ব্যাপার না ... বাঘের বাচ্চার মত সবাই ক্লাসে ঢুকলাম ... হেড স্যারের কাছে মাইর খাওয়ার মজাই হইলো যে যত বেশি মাইর খাবে তার তত ভাব । জুনিয়র'দের কাছে সে সেলিব্রিটি । হা হা হা হা ।



অ.ট. পোস্ট দিছেন এইজন্য হালুম দিয়া আসলেন নাকি ?

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪০

দীপান্বিতা বলেছেন: ছেলেরা বোধহয় এত মার খায় বলে কাঠ-খোট্টা হয়ে যায়!..

হেড স্যারের কাছে মাইর খাওয়ার মজাই হইলো যে যত বেশি মাইর খাবে তার তত ভাব। জুনিয়র'দের কাছে সে সেলিব্রিটি । ;)....হা হা হা হা ।

অ.ট. করবো না! পুরানো পোস্ট পড়েছি বলে ক্ষেপে আছেন কিনা, একবার গর্জে দেখে এলাম! B-))

২৬| ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৪১

নিবিড় অভ্র বলেছেন: প্রেমে পড়তে টিচারের ব্যক্তিত্ব দেখেছি আমি..... বয়স কিংবা কে পুরুষ কে মহিলা তা নয় :|







এত চমৎকার পোস্টে সিরিয়াস মন্তব্য করায় স্যরি.... :(

কিন্তু আপনার পোস্ট পড়ে সেই সুহানা দিন গুলোর কথা মনে পড়ে গেল :(

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৪

দীপান্বিতা বলেছেন: খুব ভাল কথা তো! মুখ ব্যাজার কেন!...আহা! তোমাদের মন্তব্যের জন্য সব সময়তো বসে আছি! যা মনে আসে বলবে...আমার ভালই লাগে...কত কিছু যানাও যায়...মন খারাপ একদম নয়! :)

২৭| ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:৫০

মে ঘ দূ ত বলেছেন: "উনি এলেই আমি যানতাম কোনদিন কোন শাস্তিটা হবে। বিনদাস টান টান করে কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকতাম।" - :)

তামিমের মন্তব্যটা পড়ে এখনো হাসছি। স্কুল পালানোর কি মজা বুঝার জন্য গুটি কয়েকবার আমিও অন্যদের সাথে টিফিনের পর পালিয়েছিলাম। :)

সাতকাহন কেমন লাগছে?

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৩

দীপান্বিতা বলেছেন: আমার আপনাদের পালানোর কথা শুনে খুব দুঃখ হচ্ছে! আমাদের খুব বিচ্চু মেয়েটিও বোধহয় এ আনন্দ পায়নি!:(.....তবে, হোমের মেয়েগুলো শুনতাম ফুরুত্‌ ফুরুত্‌ একদম আশ্রম ছেরেই কেটে পরত...;)

অপুর্ব লাগল...আসলে খুব ছোটবেলা এগুলো গোগ্রাসে গিলেছিলাম, ঠিক হজম হয় নি......কেবল ওই শিউলি তলায় ফুল কুরোনো আর পেছন থেকে সুচিত্রা সেনের মত লাগছে- এ মন্তব্য শুনে রাগ হওয়ার ঘটনাটাই মনে ছিল।

২৮| ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:৫৭

মে ঘ দূ ত বলেছেন: দিপা এখন কি করছেন?

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৬

দীপান্বিতা বলেছেন: ব্লগ করছি ;)

২৯| ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:২১

ফেরারী পাখি বলেছেন: হুম কিছ কিছু শিক্ষক নিয়ে আমারও মজার স্মৃতি আছে। সব মনে করিয়ে দিলেন।

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৭

দীপান্বিতা বলেছেন: একটু একটু বলুন!...শুনতে চাই ....

৩০| ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৩

ভাঙ্গন বলেছেন: আমাদের এক টিচারের নাম ছিল বাঘা স্যার!

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৯

দীপান্বিতা বলেছেন: আমাদের স্কুলে এক টিচারকে পেছনে আমরা কুট্টি পিসি বলতাম ...:P

৩১| ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১৯

ভাঙ্গন বলেছেন: দিদি! অনেকদিন মন্ডা-মিঠাই খাইনা!
ইফতারের পর আজকে....

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮

দীপান্বিতা বলেছেন: ঠিক আছে....:)

৩২| ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৩৬

ভাঙ্গন বলেছেন: কোচ ভরে নিলাম বাসায়...!

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪১

দীপান্বিতা বলেছেন: :)

৩৩| ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯

কাব্য বলেছেন:
স্ক্রল কইরা হাত ব্যাথা বানাইয়া ফেল্লাম, মাগার ফুস্ট শেষ হয়না !! :-*

এইডা পড়লেতো মাথা আউলাইয়া যাইবোগা? :-& :|

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১৯

দীপান্বিতা বলেছেন: :(( ....:((..../:) .....(;))

৩৪| ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৪

ইমন জুবায়ের বলেছেন: Click This Link

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২১

দীপান্বিতা বলেছেন: দেখলাম......কতো খাবার! খুব মজা! :D

৩৫| ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৪

অপ্‌সরা বলেছেন: তামিম ভাইয়ার স্কুল পালানো গ+প শুনে হাসতে হাসতে শেষ আমি। তামিম ভাইয়ার উচিৎ এইবার একটা স্কুল ধারাবাহিক লেখা।

তোমার লেখাটা অনেক সুন্দর হয়েছে আপুনি।

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৬

দীপান্বিতা বলেছেন: আরে কি খবর অপসরা!......অনেক ধন্যবাদ...:)

তামিম ভাই! সবাই বলছেন! শুরু করে দিন....:)

৩৬| ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:১১

ইমন জুবায়ের বলেছেন: Click This Link

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:০৮

দীপান্বিতা বলেছেন: :(( ....:(( ....:(( ....লেখাগুলো বাংলাতে দেখাচ্ছে না!

KvRx bRi‚j Bmjvg (1899-1976) evsjvG`Gki RvZxq Kwe ‰es Awefî× evsjvi mvwnZÅ, mgvR I msÕ•‡wZ ˆÞGòi AbÅZg .............দেখাচ্ছে ....:(( ....:(( ....:(( ....

৩৭| ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৮

ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: এই রে, ব্যাপক মিল এবং অমিল পাওয়া যাচ্ছে কিন্তু ! ;)

১. আপনাদের কৃষ্ণাদি বাংলা পড়াতেন, চেঁচিয়ে বকতেন। আর আমাদের কৃষ্ণাদি কেমিস্ট্রি পড়াতেন, আর একটুও বকতেন না ! কি যে মজার মজার সব কথা বলতেন, শুনে আমরা হেসে গড়িয়ে পড়তাম। টিচার হলেও আমাদেরকে উনি বিভিন্ন রকম দুষ্টুমি করার বুদ্ধি শেখাতেন। ;)

২. আপনাদের ছবিদি বন্ধুর মত মিশতেন, আর আমাদের ছবিদি দারুণ কড়া ছিলেন। উনি অবশ্য দিবা বিভাগের টিচার ছিলেন, আমি প্রাতঃ বিভাগে ছিলাম বলে উনার ক্লাস পাইনি কখনও, অন্যদের মুখে শুনেছি কেবল। :D

৩. আপনাদের ছিলেন রুনাদি, আর আমাদের ছিলেন রীনাদি, ইনিও কিন্তু খুব ফিটফাট ছিলেন, আবার স্বভাবেও সিম্পল ছিলেন।

৪. আপনাদের লাইব্রেরি টিচার ছিলেন যাঁর স্বামী মারা গেছিলেন। আমাদের গীতাদি ছিলেন, অনেক বয়স্ক কিন্তু বেশ সুন্দরী, হঠাৎ একদিন ওনার স্বামী মারা যান। তারপর যেদিন উনি স্কুলে এলেন, আমরা হতবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলাম, সিঁদুর নেই, শাখা-পলা নেই, বিবর্ণ শাড়ি... আহা, বড় কষ্ট হয়েছিলো সেদিন।

সত্যিই স্কুলের দিনগুলো বড় নস্টালজিক করে দেয়, না? :)

২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০

দীপান্বিতা বলেছেন: সেই, স্কুলের দিনগুলো বড় নস্টালজিক! ..... দিদিরা মোটামুটি একই ধরনের হন......আমি আরো কৃষ্ণাদিকে টিচার রূপে পাই...সদর গার্লস-এ......উনি খুবই ইয়াং ছিলেন এবং আমাদের খুব হেল্প করতেন......ইচ্ছে আছে ওনার সম্পর্কেও যানাবার... :)

..................
(এটা আপনার ছবি! ভাল লাগছে...কিন্তু ব্লগে দিলেন!!!...মানে, কাল একটু অন্যদের ব্লগ ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম...কি সব ব্যাপার বুঝলাম না, কি মেয়ে নিক নিয়ে ছেলে, ছেলে নিক নিয়ে মেয়ে!:|…আমি তো একটু ঘাবরেই গেছি!)

৩৮| ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৪

বিপ্লব কান্তি বলেছেন: আমি পড়াশোনা করি নাই , তাই কোন স্মৃতি নেই

২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০

দীপান্বিতা বলেছেন: বল্লেই হল!......আচ্ছা খেলাধূলা তো খুব করেন! সেই টিচারদের মনে নেই!................................আমার মনে আছে লক্ষণদাকে। শুনতাম ওনার বয়স ৮৫+। কিন্তু লম্বা, রোগা, টান টান শরীর – হেমন্ত মুখ্যার্জী যদি রোগা হতেন, ঠিক ওমন।
লক্ষণদাকে মাঝে মাঝে আমাদের স্কুলে স্পোরসের সময় আসতেন। দেখলেই এক ধরনের শ্রদ্ধা হবে, প্রণাম করতে ইচ্ছে করবে। যেন আজকের সন্যাসী......একটু রাগী রাগী দেখতে ছিলেন, যদিও!
উনি একটা ব্যায়ামাগার চালাতেন। খুব ছোটতে যেতাম। সবাই লাইন দিয়ে যোগ-ব্যায়াম করতাম।
যানিনা লক্ষণদা এখন কেমন আছেন। কিন্তু আপনাকে বলতে বলতে ওনাকে যেন সামনেই দেখছি। গট্‌ গট্‌ করে হেঁটে যাচ্ছেন, মাথা একদম সোজা!

৩৯| ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৩৭

ইমন জুবায়ের বলেছেন: আচ্ছা আমি অন্য ব্যবস্থা করব।

২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৪

দীপান্বিতা বলেছেন: হ্যা, ওই লিংকটা মনে হল বেশ ভাল!...অপেক্ষা রইল।

৪০| ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:১৫

ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: হ্যাঁ, এটা আমারই ছবি, আগে দেয়ার সাহস ছিলো না কিন্তু কয়েকজন ব্লগারকে দেখে (এই ধরুন গোয়েবলস, নুশেরা আপা, নির্ঝরিনি আপা) শেষ পর্যন্ত সাহস করে দিয়েই ফেললাম। :D

তবে এটা ঠিক বলেছেন, আজকাল ব্লগে ছেলে-মেয়ে জাতীয় সমস্যা খুব দেখা দিয়েছে। নাম ছেলের কিন্তু আসলে মেয়ে, আবার নাম মেয়ের ছবিও মেয়ের কিন্তু আসলে ছেলে (এটাই বেশি দেখা যায়), এগুলো আগেও ছিলো কিন্তু এখন বড্ড বেড়েছে। বিরক্তিকর লাগে দেখলে।

দোয়া করুন যেন আমাকে এগুলোর মাঝে পড়তে না হয়। আপনি এগুলো থেকে গা বাঁচিয়ে চলুন, ভালো থাকুন আর এভাবেই চমৎকার সব লেখা দিতে থাকুন, এটাই কামনা করি। :) :)

২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৩০

দীপান্বিতা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ...যদিও ওরকম ছদ্মবেশ নিয়ে কি হবে বুঝলাম না! যাক্‌ গে! যার যা ইচ্ছে! ভাল থাকলেই হল ওন্যের অসুবিধা না করে! আমি এটা জানতাম না, কাল দেখে ঝট্‌পট্‌ লগ অফ করে কেটে পরেছিলাম...:D

আপনার ছবিতে কিন্তু একটু আলো–আঁধারের ব্যাপার আছে, পস্ট বোঝা যাচ্ছে না..:)....(আমার কমপিউটর স্কিনের প্রবলেম থাকলে যানি না!:(()

বলছেন আবার লিখবো! আমি তো এক পায়েই খাঁড়া!;)...... উৎসাহ পেলাম, ধন্যবাদ...:)

৪১| ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:২২

আকাশ অম্বর বলেছেন: এটা আজ রাতেই শেষ করবো। শুভরাতি।

২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:২৯

দীপান্বিতা বলেছেন: ঠিক আছে.:).....শুভরাত্রি।

৪২| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:০৮

আকাশ অম্বর বলেছেন:

খুব ছোট করে বলতে এলাম, অসাধারণ!

কিভাবে লিখো এমন সহজ-সরল as it is লেখা?

মঙ্গলম।

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯

দীপান্বিতা বলেছেন: ধন্যবাদ, আকাশ-অম্বর দা!

এই লেখায় কোন ভাবনা–চিন্তাই নেই :)...যা দেখে গেছি, তাই বলে চলেছি :D...বরং মুখে বল্লে হয়ত শেষই হতো না! ;)...

আপনাদের মঙ্গল কামনা সব সময় যেন আমার সাথে থাকে...শুভেচ্ছা নেবেন।

৪৩| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:১৯

ইমন জুবায়ের বলেছেন: আসলে ঐ লিঙ্কটা ছিল কাজী নজরুল এর জীবনী। এবার অন্যভাবে দিলাম। এবারও কয়েকটি কথা কেন যেন এল না-তারপরও অনেকটাই বোঝা যাবে।

Click This Link

ডাউনলোড করে নিতে হবে।

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭

দীপান্বিতা বলেছেন: লিংক দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ, ইমনভাই!...কিন্তু ডাউনলোড করেও দেখছি "evsjvG`Gki RvZxq Kwe ‰es Awefî× evsjvi mvwnZÅ, mgvR I msÕ" এমন আসছে...:(

এটা কোন পত্রিকা থেকে নেওয়া কি! যেমন আনন্দবাজার নেটে খুলতে হলে ওদের একটা সফটওয়্যার লোড করলে তবেই বাংলা লেখা দেখা যায়, এটাও ওমন ব্যাপার মনে হচ্ছে!

৪৪| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:১১

সিউল রায়হান বলেছেন: পরীক্ষা দিয়ে ব্লগে এসেই আপনার পোস্ট পড়লাম....... :)

দি আপনারতো সেইরকম অভিজ্ঞতা, আমি সারাজীবন পড়ছি ক্যান্ট পাবলিকে ( সেভেন পর্যন্ত) আর তারপর ক্যাডেট কলেজে......(মাত্র ২ জায়গায়) তাই বন্ধু, টিচার এগুলো তেমন সংখ্যায় বাড়েনি...... তারপরেও আপনার তুলনায় আমার অভিজ্ঞতা এত কম :( নিজেরেই মাইনাস.....


একটানে পড়লাম লিখাটা........ বরাবরের মতই সাবলীল এবং চমৎকার.... :) দ্বিতীয় পর্বটাও লিখুন তাড়াতাড়ি.....


আপনার স্কুল লাইফেই যত বাঁদরামী, ভার্সিটি লাইফে যে কি দেখব :D

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৬

দীপান্বিতা বলেছেন: কি পরীক্ষা দিলে? কেমন হল! :)

হু, হু! দেখেছো! আমি মোট ছয়টা স্কুলে পড়েছি!(কলার তোলার ইমোসন হবে, নেই তাই দেওয়া গেল না!;) )...

ধুর্‌! আমার কাজ ছিল না তাই, সবাইকে লক্ষ্য করতাম বসে
বসে...তোমাদের মত জ্ঞান-বুদ্ধিও নেই! কি লিখি! ব্লগ খুলেছি কিছু তো দিতেই হয়! তাই......:D

যাক্‌, তুমিও বল্লে! আবার কোমড় বাঁধা শুরু করেই দিয়েছি! B-)

ইউনিতে দেখবে আররো ভাল লাগবে! :)

৪৫| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০৬

ইমন জুবায়ের বলেছেন: সফটওয়্যার না- ফন্টের সমস্যা।

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:১৬

দীপান্বিতা বলেছেন: ডাউনলোড করেছি, কি করা যায়!

৪৬| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:১৯

বৃত্তবন্দী বলেছেন: নতুন কিছু ছবি দিয়েছিলো এই অধম...
(মার্কেটিং ;))

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩

দীপান্বিতা বলেছেন: হাঃ...হাঃ...হাঃ..অল রাইট!...খেতে বসছি! উঠে দেখতে যাব...:D

৪৭| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৩

আকাশ অম্বর বলেছেন:

হুম! ৪৩ নং কমেন্ট দেখলাম। ইমন ভাইয়েরটা। আচ্ছা, তোমার কি 'বিজয়' ফন্টগুলো ইন্সটল করা আছে?

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৯

দীপান্বিতা বলেছেন: ও বাবা! ওসব আমি কিছুই জানি না! এটা আসলে ভায়ের কম্পিউটর! ভুল ভাল কিছু ইনস্টল করলে পরে......:D

'বিজয়' ফন্টগুলো ইন্সটল করতে হবে! ওই লিংকটা আমি ডাউনলোড করে সেভ করেই রেখেছি...

৪৮| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৭

আকাশ অম্বর বলেছেন:

হ্যাঁ, তাহলে তোমার ভাইকে (বাপ্পা?) বলে দাও ফন্টগুলো ইন্সটল করে দিতে। নষ্ট হলে সব দোষ ওর !

http://mehediazam.tripod.com/downloads.htm

True Type Fonts for 'Bijoy' আর Bangla fonts গুলো নামালেই হবে। তোমার কাছেও ওগুলো থাকতে পারে। তারপর Control Panel - Fonts এ পেষ্ট করে দিলেই খেল্‌-খতম! (অবশ্যই জানো, তাও জ্ঞান কপচালাম আর কি!)

:)

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৩

দীপান্বিতা বলেছেন: লিংকটায় ক্লিক করেছি...:D

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৫

দীপান্বিতা বলেছেন: হল না!...:((……বহুত কসরৎ করলাম!...:((

যাক গে! ওখানেও যা যা ছিল সব ডাউনলোড করে নিয়েছি! ;) .......বাপ্পা এসে ঠিক করে দেবে! :)

৪৯| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৮

সুফিয়ান ডট কম বলেছেন: আমাদের দেশে স্যার মানেই হাতে খ্যাক খ্যাক করা, রাগী রাগী চেহারা, আর হাতে বেত.... তাই সম্মান খালি ছাত্রজীবনেই দেখায়...স্কুল ছাড়লে স্যারদের কেউ আর দাম দেয় না

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩২

দীপান্বিতা বলেছেন: আর্‌রে আপনি! :D .......

তা কেন! আপনারা বেশি বিচ্চুপনা করেন তাই! :P…… কই আমাদের তো কেউ কখনও মারে নি!

৫০| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯

আকাশ অম্বর বলেছেন:

দুটো ব্যাপার। এক হলো, সবগুলো ফন্ট Control Panel - Fonts এ কপি-পেষ্ট করা। আর Control Panel - Regional and Language Option - Supplemental language support এ দুটো অপশন ক্লিক হয়ে থাকা। কোন সমস্যা হবার কথা না কিন্তু! বিজয় না থাকলে ডাউনলোড করেও অনেক লেখা পড়া যায় না। বাপ্পা জানবে।

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এ পড়ে দেখো তারপর।

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫

দীপান্বিতা বলেছেন: সব ডাউলোড করেই রাখলাম! বাপ্পা এলে দেখালেই ও ঠিক করে দেবে...তারপরেই পড়ে নেব...আপনাকে আবার ধন্যবাদ....:)

৫১| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০০

সুফিয়ান ডট কম বলেছেন: আমাদের স্যারদের খ্যাক খ্যাক করার কারণ আছে। আমাদের প্রাইমারী স্কুলের স্যারদের বেতন সরকারী অফিসের পিয়নের থেকেও কম .... :(

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৯

দীপান্বিতা বলেছেন: আমাদের এখানের অবস্থাও তাই!...সরকারীদের তাও বেতন পাচ্ছে; বেসরকারীগুলোর অবস্থাও আরো করুন!......তবে বড় বড় স্কুলগুলোর কথা আলাদা!

৫২| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:১২

ইমন জুবায়ের বলেছেন: Click This Link

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৫১

দীপান্বিতা বলেছেন: খুব সুন্দর লিংক দিলেন তো! .....অনেক ধন্যবাদ...:)

৫৩| ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪২

ন হন্যাতে বলেছেন: অসম্ভব ভালো লিখেছেন। বহুদিন পরে একটা ভালো লেখা পড়লাম।
অত্যান্ত প্রাসঙ্গিক ও সময়ঊপযোগী লেখা।

একেবারে সমস্যার মূলে হাত দিয়েছেন। লেখকের বক্তবের সাথে পুরোপুরি একমত। লেখাটিকে স্টিকি করা হোক..





আমিও আপ্নের মত একটা গোবেষনা মুলক লেখা লিকচিলাম Click This Link

৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:০৫

দীপান্বিতা বলেছেন: ধন্যবাদ..:)

'অত্যান্ত প্রাসঙ্গিক ও সময়ঊপযোগী লেখা।

একেবারে সমস্যার মূলে হাত দিয়েছেন। লেখকের বক্তবের সাথে পুরোপুরি একমত। লেখাটিকে স্টিকি করা হোক..' --এটা ঠিক কেন বল্লেন বুঝলাম না!

আচ্ছা পড়বো :)

৫৪| ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:১১

জুল ভার্ন বলেছেন: অনেক লম্বা স্মৃতিচারণ পড়ে কিন্তু ক্লান্ত হইনাই। বরং পড়তে পড়তে মোহাচ্ছন্ন হয়ে পরেছিলাম!

আপনার লেখাটা আমার অসম্ভব ভাল লেগেছে-তাই প্রিয়তে রেখেদিলাম।

আমাদের একন স্যারকে আমরা পিছনে ডাকতাম-"হোলা বিলাই"। কারনটা উল্লেখ করা যাবেনা..................

৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৫৯

দীপান্বিতা বলেছেন: এত ভাল লাগলো কথাটা শুনে!

অনেক ধন্যবাদ... :)

আমরা মেয়েদেরস্কুলেও টিচারদের অদ্ভুত মজার মজার নাম দিতাম!......কলেজ়ে গিয়ে তো সেটা আরো বারাবারি হয় :P

৫৫| ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৯

ইমন জুবায়ের বলেছেন:
Click This Link

৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৫২

দীপান্বিতা বলেছেন: দেখছি..:)

৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:০৭

দীপান্বিতা বলেছেন: অপুর্ব সুন্দর! .....আপনাকে আবারো ধন্যবাদ... :)

৫৬| ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪

সিউল রায়হান বলেছেন: সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা দিলাম............ :|

পরের পোস্ট তাড়াতাড়ি দিন :)

৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৪৯

দীপান্বিতা বলেছেন: আরে! চিন্তা কোরো না! রেজাল্ট ভালই হবে। :)

একটা দিয়েছি, দেখ...লেখা কিছু পরে দিচ্ছি......এতো বেশি লিখে ফেলি! নিজেই পড়তে পড়তে হাঁফিয়ে যাই ;)

৫৭| ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০৯

মুক্ত বয়ান বলেছেন: বিশাল পোস্ট।
অর্ধেক আজ পর্লাম। বাকিটা কাল পর্ব নে।
আপাতত, + নেন।

৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৪৪

দীপান্বিতা বলেছেন: ঠিক আছে ....:) ....অনেক ধন্যবাদ।

৫৮| ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:০৮

পীরসাহেব বলেছেন:

৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:২২

দীপান্বিতা বলেছেন: :)

৫৯| ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:২৩

পীরসাহেব বলেছেন: :P:P:P

৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৩০

দীপান্বিতা বলেছেন: /:) ...:(( ....:(( ..........(:P)

৬০| ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪০

সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
সুন্দর স্মৃতিচারণ.........
মনে পড়ে গেলো সেইসব দিন.......

শুভেচ্ছা দীপা।সাতকাহন তাহলে পড়া চলছে?

৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫৩

দীপান্বিতা বলেছেন: আপনাকে অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ... :)

"সাতকাহন" পড়লাম, পড়ে চোখের সামনে আমার বাড়ির স্মৃতি ছারাও বন্ধুরা সব ভিড় করে এলো আর আনন্দে লিখতে বসে মহাভারত গড়ে ফেললাম! :D

আপনি কেমন আছেন!

৬১| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯

তাজা কলম বলেছেন: বেশ উপভোগ্য লাগছে আপনার স্মৃতিচারণ। সবার জীবনই একেটি ধরাবাহিক উপন্যাস। কিন্তু সবাই তো আপনার মতোন গুছিয়ে বলতে পারে না জীবন-চরিত। ++

Click This Link

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৮

দীপান্বিতা বলেছেন: বলছেন!...অনেক ধন্যবাদ..

আপনাদের প্রশংসা শুনেতো নেট ছিল না বলে মনের সুখে আরও লিখতে বসেছিলাম......কিন্তু একটু চিন্তায় পরলাম!......আর কি আগের মত মুক্ত মনে সব লিখে যেতে পারবো! কে যানে!

৬২| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪১

তারার হাসি বলেছেন:
টিচার শব্দটা পড়েই স্মৃতিকাতর হয়ে পড়লাম।
উনারা কি জানেন তাঁরা কিভাবে আমাদের জীবনে প্রবেশ করেন এবং থেকে যান সারাজীবন?
শ্রদ্ধা আমার শিক্ষকদের জন্য।
অনেক ধন্যবাদ, চমৎকার লেখাটার জন্য।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

দীপান্বিতা বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ, তারার হাসি!..

কথাটা যে কি সত্যি!...আমিও তাদের যেন মাঝে মাঝে পথে-ঘাটেও দেখি! হয়ত অন্য রূপে......
পর্ণাদিকে আবিষ্কার করলাম বেনারস যেতে যেতে ওখানের লোকাল ট্রেনে......অবিকল পর্ণাদি! কিন্তু খুব সাধারণ গ্রামের হিন্দুস্থালী ঘরোয়া বধূ! যে কিনা নিজের অসুস্থ ড্রাইভার স্বামীকে নিয়ে চলেছে চিকিৎসার আশায় শহরে!...গ্রামের বৌ আশ্চর্য চোখে আমাদের দেখছিল কিন্তু সেই অদ্ভূত এক ব্যাক্তিত্বও চোখে পরার মত!

আপনার সঙ্গে আমিও সকল শিক্ষক-শিক্ষিকাদের শ্রদ্ধা জানাই ....

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.