| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সেদিন খবরের কাগজগুলোতে দেখলাম অরুন নন্দীর মৃত্যু সংবাদ।কলকাতায় বোনের বাসায় বসেই তিনি প্রয়াত হয়েছেন ।এই কলকাতায় বসেই তিনি ৯২ ঘন্টা ৫ মিনিট সাঁতার কেটে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিলেন ।নিজের ক্যারিয়ার গড়ার জন্য নয় ,একটি বাংলাদেশ গড়ার জন্য ,বিশ্ববাসীকে পাকবাহিনীর বর্বরতা সম্পর্কে অবহিত করার জন্য । চিরকুমার অরুন নন্দী চাঁদপুরের ছেলে । ছোটবেলা থেকেই সাঁতারের মোহ ছিলো তার । প্রমত্তা ডাকাতিয়া নদীতে তিনি সাঁতার অনুশীলন করতেন।মুক্তিযুদ্ধে তার অংশ গ্রহনও ছিলো সাঁতার নির্ভর । কলকাতায় গিয়েছিলেন চিকিৎসা করাতে । ওখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন । তার মৃত্যুর খবরটার পরিবেশনা ছিলো একদম সাদামাটা।বুদ্ধিজীবিরাও এ মৃত্যুকে গুরুত্ব দিয়েছেন বলে মনে হয়নি।অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধ নির্ভর ব্যক্তি,প্রতিষ্ঠানগুলো ছিলো নিঃশ্চুপ । আর একই দিনে প্রথম পৃষ্ঠায় ছিলো একাত্তরের ঘাতক যুদ্ধাপরাধী মতিউর রহমান নিজামী ও মুজাহিদের মুক্তির খবর । ফলাও করে ছাপা হওয়া এ খবরের মধ্যে হারিয়ে গিয়েছিলো বিশ্বজয়ী বাঙালী অরুন নন্দী। কী অদ্ভুত আমাদের চেতনা,মূল্যবোধ দেশপ্রেম .....
২|
২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৩
প্রমিত কুমার বলেছেন: আমরা আসলেই অকৃতজ্ঞ।
৩|
২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩১
মেঘবালক অর্ভনীড় বলেছেন: ধিক্কার জানাই সব পত্রিকাকে
৪|
২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: সত্যি বলতে কি , উনি মারা যাওয়ার পরেই উনার নাম শুনিছি।এতো বড় কীর্তি, জানলাম এতো পড়ে।
অকৃতজ্ঞ এক জাতি আমরা!
৫|
২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২৭
বাইত যামু বলেছেন: আমরা আসলেই অকৃতজ্ঞ। ধিক্কার জানাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রয়কারী মুষ্ঠিমেয় বুদ্ধিজীবিদের। জাতির এই ত্যাগীর সন্তানকে স্যালুট।
ধন্যবাদ দাদা খুবই অনিয়মিত যে ব্লগে।
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৯
দীপংকর গৌতম বলেছেন: একটা গবেষণা কাজে ব্যস্ত ছিলাম।এখন নিয়মিত হবো।
৬|
২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫৫
ফারহান দাউদ বলেছেন: অথচ এই অরুণ নন্দীর নাম কোনদিন পত্রিকায় দেখেছি বলে মনে পড়ে না। এমন আজব জাতি আমরা।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১০
নাজনীন খলিল বলেছেন:
++++++++
অনেক অনেক শুভেচ্ছা।