| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সাধারণত ড্রোন বললেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে মানুষ ছাড়া একটা বিমান, বিভিন্ন জায়গার উপর বোমা হামলা করে মানুষ মারছে।
তবে ড্রোন মানুষ মারার জন্য আবিস্কার হয় নি, ড্রোন বহু ভালো কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
পৃথিবীর শীর্ষ ১০টি ড্রোনের মধ্যে ২টি হচ্ছে স্কাইবটিক্স কোক্স ইউএভি ড্রোন ও ডিজেআই ফ্যাণ্টম জিপিএস ড্রোন।
স্কাইবটিক্স কোক্স ইউএভি ড্রোন

অটোনোমাস এই ড্রোনটি দুই রটারবিশিষ্ট মাইক্রো-হেলিকপ্টার। রটার বলতে আমরা হেলিকপ্টারের পাখাকে বুঝি।
ব্লুটুথের মাধ্যমে এর সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা হয়। এছাড়াও অপশনাল ওয়াই-ফাই মডিউল আছে। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা ও সাউণ্ড রেকর্ডার বিদ্যমান। ২.৪GHZ রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে এটাকে পরিচালনা করা হয়।
শুল্কবিভাগে পাহারার কাজে, রাস্তার যানবাহন নিয়ন্ত্রণে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে অথবা কোথাও আগুন লাগলে এটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
শিক্ষাক্ষেত্রে, গোয়েন্দাগিরিতে, ব্রিজ অথবা বাঁধ নির্মাণে ব্যবহৃত হয়।
বর্তমান বাজারমূল্য ৪০০০০০টাকা।
ডিজেআই ফ্যাণ্টম জিপিএস ড্রোন

ফ্যাণ্টম খুব সহজেই বহনযোগ্য। রেডিও ফ্রিকুয়েন্সির সাহায্যে এটা ৩০০ মিটার কভার করতে পারে। এর ভিতর শক্তিশালী বিল্ট-ইন ক্যামেরা ইন্সটল করা আছে। ব্যাটারি লো হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মাটিতে নামতে পারে।
হারিয়ে যাওয়ার ভয় নেই, এটা শেষ যে স্থান থেকে ওড়ানো হয়েছে সেখানেই যাতে ফেরে সেভাবেই প্রোগ্রাম করা।
আকর্ষণীয় ডিজাইন, দ্রুত অভিযোজন ক্ষমতা, লো ভোল্টেজ প্রটেকশন, ১০ মিটার পার সেকেন্ড স্পিডের কারনে এটা দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে।
এর বর্তমান বাজারমূল্য ৫৬০০০ টাকা।
বাংলাদেশেও অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ড্রোন তৈরি হচ্ছে, আশা করি বানিজ্যিকভাবে ড্রোন নির্মাণ বেশি দূরে নয়।
ঢাকার আকাশে ফ্যান্টম
©somewhere in net ltd.