| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জনাব এ কে খন্দকার, দেখলাম একটা বই লিখেছেন। সব কিছু দেখে শুনে পড়ার রুচি হয় নি।
না পড়তে চাইলেও সারাদিন অনলাইনে থাকার কারনে বিভিন্ন পত্রিকার সংবাদ দেখে জানতে পারলাম আপনার বেশকিছু অভিযোগের কথা। অনেকগুলো বিষয়ে তর্ক বিতর্ক করে প্রমাণ করা যায় আপনি কেবলমাত্র বইয়ের কাটতি বাড়াতে, এবং সারা জীবনে রাষ্ট্রদূত এবং মন্ত্রী হয়েও যখন স্টার হতে পারলেন না তখন শেষ বয়সে কাঁপিয়ে দিতে বইটি প্রকাশ করেছেন।
স্বল্প পরিসরে দুইটি বিষয়ের কথা না বললেই নয়।
আপনি বলছেন বঙ্গবন্ধু
স্বাধীনতা ঘোষণা করে যান নি, তাহলে কেন ২৬ মার্চ ১৯৭১ ৫:৩৪ মিনিটে আমেরিকার CBS টিভিতে কেন যে বলা হলো শেখ মুজিব কারাবন্দী, তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন, পাকিস্তানে যুদ্ধ শুরু।
বঙ্গবন্ধু কেন ২৫ মার্চ ১৯৭১ নিজের বাড়ির সম্মুক্ষে বললেন আমি স্বাধীনতা চাই, স্বরাজ চাই, অধিকার চাই, বন্ধনমোচন করতে চাই, স্বাধীনতা চাই। আমিই বাংলার জনগণের প্রতিনিধি,আমিই সেই লোক যে কিনা আইনত এবং নৈতিকভাবে এই দেশ শাসন করতে পারে।
ইংলিশ ত বোঝেন তাহলে নিচের CBS টিভির নিউজটা দেখুন
আপনি বলেছেন বাংলাদেশে সেনাবাহিনীতে আমাদের লোক বেশি ছিল বঙ্গবন্ধু কেন আগে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন না, তাহলে আমরা আরো আগেই জয়ী হতে পারতাম!
আপনি একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন, স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সরকার যদি আপনার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে না
চায় আপনি যুদ্ধ ঘোষণা করবেন, নাকি আলোচনা করে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চাইবেন?
যখন আলোচনায় সমাধান হচ্ছে না, তখন আপনি যুদ্ধ ঘোষণা করে দেশের পরিস্থিতি অরাজকতার দিকে নিয়ে যাবেন, নাকি নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবি চালিয়ে যাবেন?
আপনার প্রবল জনসমর্থন আছে, প্রচুর নিরস্ত্র লোক আপনার পক্ষে, দেশের পক্ষে যুদ্ধ করার জন্য কিন্তু রাষ্ট্রযন্ত্রে বসে আছে আপনার বিরোধী পক্ষ আপনি কি যুদ্ধ ঘোষণা করবেন, নাকি শক্তি সঞ্চয় করার জন্য সময় নিবেন।
আগে যুদ্ধ ঘোষণা করে সারা দুনিয়ার কাছে বিচ্ছিন্নতাবাদি হিসেবে প্রমাণিত হবেন, নাকি যৌক্তিক উপায়ে দুনিয়ার সব দেশের কাছ থেকে জনসমর্থন আদায়ের চেষ্টা করবেন?
যেখানে আগে থেকে যুদ্ধ ঘোষণা করাটা কত বড় বোকামি হতো, আমার মতো একজন বাচ্চা ছেলেও বুঝতে পারে, সেখানে বইয়ের কাটতি বাড়ানোর জন্য আপনার মতো একজন বৃদ্ধ লোক বুঝতে চাইছেন না এটা ত হতে পারে না।
২|
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৫৬
এস্কান্দার তারেক বলেছেন: মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন @ অনেক ধন্যবাদ, আপনার একেকটা প্লাসকে মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে একেকটা প্রতিবাদলিপি হিসেবে গ্রহণ করলাম।
৩|
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:২৭
ইলি বিডি বলেছেন: জনাব এ কে খন্দকার! আমার মতো একটা বাচ্চা ছেলে বুঝতে পারলো, আর আপনি বুঝতে পারলেন না।
দারুণ। পেলাস লন।
৪|
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৩৩
দখিনা বাতাস বলেছেন: সবার শেষ কথা বন্গবন্দু ঐ সময় যা যা করছে তার সব কিছু সঠিক ছিল বলেই মাত্র ৯ মাসে আমরা দেশের স্বাধিনতা পেয়েছি। এই এ, কে খন্দকার, তাহের, জিয়া, খালেদ মোশাররফ, ওসমানী, ভাসানি- ওনেক তালেবরই ছিলো ঐ সময়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, পাকিস্তানীরা একজন লোককে নিয়েই টেনশনে ছিলে, ঐটা বন্গবন্দু শেখ মুজিবর রহমান। ঐসব তালেবরের মাঝে ভাসানি ছাড়া আর কাউকে পাকিস্তানীরা তো দুরের কথা, দেশের মানুষই এদের নাম জানতো না ঠিকমত
৫|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:১৬
এস্কান্দার তারেক বলেছেন: ইলি বিডি @ ধন্যবাদ, আপনার পেলাস মিথ্যাচারের প্রতিবাদ হিসেবে আনন্দের সাথে গ্রহণ করলাম।
দখিনা বাতাস@ ১০০% সহমত মুক্তিযোদ্ধারা ত
আমার দেশ তোমার দেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ।
আমার নেতা তোমার নেতা শেখ মুজিব শেখ মুজিব।
স্লোগান দিয়েই বাংলাদেশ স্বাধীন করেছেন।
এরপর কি আর কাউকে কিছু বোঝাবার দরকার আছে?
৬|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ৭:৪৮
ম.র.নি বলেছেন: শেখ মুজিব কারাবন্দী, তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন, পাকিস্তানে যুদ্ধ শুরু নিউজের কোন জায়গায় এটা বলা হলো? ঐ অংশের ইংরেজীটা 'কোট' ('quote) করেন প্লিজ।
৭|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:২২
এস্কান্দার তারেক বলেছেন: ম.র.নি @
A civil war in Pakistan………..
In radio broadcast President Yahia Khan accused East Pakistan leader Sheikh Mujibur Rahman ……
National radio station calling itself The Voice Of Independent Bengal broadcst that Rahman has declared East Pakistan an independent nation.
৮|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:২৬
ম.র.নি বলেছেন: শেখ মুজিব কারাবন্দী, তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন, পাকিস্তানে যুদ্ধ শুরু এর ট্রান্সলেসান কি A civil war in Pakistan………..
In radio broadcast President Yahia Khan accused East Pakistan leader Sheikh Mujibur Rahman ……
National radio station calling itself The Voice Of Independent Bengal broadcst that Rahman has declared East Pakistan an independent nation. এটা???
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩৯
এস্কান্দার তারেক বলেছেন: ম.র.নি@ আমি ২মিনিট ১২ সেকেন্ডের পুরো নিউজটার বাংলা অনুবাদ করিনি।
আমি আমার লেখায় সংক্ষিপ্ত অনুবাদ তুলে ধরেছি। এবং আমার মতে আমি উপরের ৬ লাইনের ইংলিশের সঠিক সংক্ষিপ্ত বঙ্গানুবাদ করেছি।
বোঝাই যাচ্ছে আপনি সংক্ষিপ্ত অনুবাদে সন্তুষ্ট হতে পারেননি।
আপনার বাংলা অনুবাদের পারদর্শিতা আমার চেয়েও বেশি, তাও আপনার কমেন্ট থেকে অবগত হয়েছি।
আপনাকে সন্তুষ্ট করতে না পারার জন্য অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করছি।
আপনি দয়া করে ২মিনিট ১২সেকেন্ডের পুরো সংবাদটা অনুবাদ করে আমাকে বলেন বঙ্গবন্ধু কোথায় বলেছেন আমি স্বাধীনতা চাই না, আমি বাংলাদেশ চাই না।
মনে রাখবেন ১৯৭০ সালের ৬জুন বাংলাদেশের পতাকা বানানো হয়েছিলো। ৭ জুন ১৯৭১ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই পতাকা ছাত্র-জনতার সামনে তুলে ধরেন। ২রা মার্চ সেই পতাকা ঢাকা বিশ্বাবিদ্যালয়ে উত্তোলিত হয়। ২৩ মার্চ,১৯৭১ পাকিস্তান দিবসে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তানের পতাকা ওড়ানো হয়নি, উড়েছিল লালসবুজের বাংলাদেশেরে পতাকা।
৯ নাম্বার কমেন্টটা পড়েন, বিদেশের প্রত্যেকটা পত্রিকায় ছাপা হয়েছে- অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
পুরো ২মিনিট ১২সেকেন্ডের বাংলা অনুবাদ করার মত সময় যদি আপনার না থাকে শুধু এই একটা বাক্য অনুবাদ করে দেখান- Voice Of Independent Bengal broadcst that Rahman (Sheikh Mujibur Rahman)
has declared East Pakistan an independent nation.
আশা করি আপনি ২মিনিট ১২ সেকেন্ডের পুরো নিউজটার বাংলা অনুবাদ করার যোগ্যতা আপনি
দেখাবেন। আমাদের জ্ঞানভান্ডারকে সমৃদ্ধ করবেন।
৯|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:১১
াহো বলেছেন:
বই / ভিডিও প্রয়োজন নেই .বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক কে, প্রথম রাষ্ট্রপতি কে এসবই বলা আছে .
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
মুজিবনগর, বাংলাদেশ ১০ এপ্রিল ১৯৭১(কার্যকর ১৯৭১ সনের ২৬শে মার্চ থেকে ১৯৭২ ডিসেম্বর ১৬ তারিখে যখন দেশের নতুন সংবিধান)
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিব নগর থেকে স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র জারি করা হয় এবং এর মাধ্যমে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়। শপথ গ্রহণ করেন ১৭ এপ্রিল।
স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র ১৯৭১ সনের ২৬শে মার্চ থেকে কার্যকর । যতদিন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলেছে ততদিন মুজিবনগর সরকার পরিচালনার অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান হিসেবে এই ঘোষণাপত্র কার্যকর ছিল। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হওয়ার পরও এই ঘোষণাপত্র সংবিধান হিসেবে কার্যকর ছিল। ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর ১৬ তারিখে যখন দেশের নতুন সংবিধান প্রণীত হয় তখন সংবিধান হিসেবে এর কার্যকারিতার সমাপ্তি ঘটে।
সেদিন মুজিবনগরে শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম সরকার। তবে পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে করা হয় অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।
এপ্রিল ১৭ তারিখে গণপরিষদের সদস্য এম ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন.
========================
২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষনার বিষয়ে ১৯৭১ সালের অনেক আন্তর্জাতিক নিউজ-মিডিয়া, আমেরিকান বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের নানা রিপোর্ট রয়েছে। যা রিপোর্ট করা হয়েছিল সেটা অবিকৃতভাবে দেয়া হলো
এখানে ।
লিস্টের কয়েকটি নাম উল্লেখ করা হল রিপোর্টিং ডেইটসহ:
১. আমেরিকান ডিফেন্স ইনটেলিজেন্স এজেন্সী (২৬শে মার্চ, ১৯৭১)
২. আমেরিকান ডিপার্টমেন্ট অব স্টেইট টেলিগ্রাম (৩১শে মার্চ, ১৯৭১)
৩. আমেরিকান সিনেট রিপোর্ট (জুলাই ২৭, ১৯৭১)
৪. নিউ ইয়র্ক টাইমস ,The Times UK(২৭শে মার্চ, ১৯৭১)
৫. ওয়াল স্ট্রীট জার্নাল (২৯শে মার্চ, ১৯৭১)
৬. টাইম, নিউজউইক (৫ই এপ্রিল, ১৯৭১)
৭. বাল্টিমোর সান (৪ই এপ্রিল, ১৯৭১)
৮. আমেরিকান ডিপার্টমেন্ট অব স্টেইট- রিসার্চ স্টাডি (ফেব্রুয়ারী ২,১৯৭২)
9-Times of India 27 March 1971
===========================
শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন,
যেহেতু উল্লিখিত বিশ্বাসঘাতকতামূলক কাজের জন্য উদ্ভূত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার অর্জনের আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন, এবং বাংলাদেশের অখণ্ডতা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান; এবং
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
মুজিবনগর, বাংলাদেশ
তারিখ: ১০ এপ্রিল ১৯৭১
=======================
তাজউদ্দীনের ভাষণ ও তার মেয়ের লেখায় গড়মিল
২৫শে মার্চ মাঝরাতে ইয়াহিয়া খান তার রক্তলোলুপ সাঁজোয়া বাহিনীকে বাংলাদেশের নিরস্থ মানুষের ওপর লেলিয়ে দিয়ে যে নরহত্যাযজ্ঞের শুরু করেন তা প্রতিরোধ করবার আহ্বান জানিয়ে আমাদের প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীনের যুদ্ধকালীন প্রথম ভাষণ
জিয়া সহ পাঁচ সেনা কর্মকর্তার নাম উল্লেখ তাদের যুদ্ধের জন্য
তাজউদ্দীনের ভাষণ link---http://www.samakal.net/2013/07/23/7512
Click This Link
তাজউদ্দীনের ভাষণ ও তার মেয়ের লেখায় গড়মিল
=========================
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
(কার্যকর ১৯৭১ সনের ২৬শে মার্চ থেকে ১৯৭২ ডিসেম্বর ১৬ তারিখে যখন দেশের নতুন সংবিধান)
(১০ এপ্রিল, ১৯৭১)
যেহেতু ১৯৭০ সালের ০৭ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত একটি শাসনতন্ত্র রচনার অভিপ্রায়ে প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশে অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল
এবং
যেহেতু এই নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণ তাদের ১৬৯ জন প্রতিনিধির মধ্যে ১৬৭ জনই আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত করেছিলেন
এবং
যেহেতু জেনারেল ইয়াহিয়া খান একটি শাসনতন্ত্র রচনার জন্য ১৯৭১ সালের ০৩ মার্চ জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অধিবেশন আহ্বান করেন
এবং
যেহেতু আহূত এ পরিষদ স্বেচ্ছাচার ও বেআইনিভাবে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়
এবং
যেহেতু পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী তাদের প্রতিশ্রুতি পালনের পরিবর্তে বাংলাদেশের গণপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলাকালে একটি অন্যায় ও বিশ্বাসঘাতকতামূলক যুদ্ধ ঘোষণা করে
এবং
যেহেতু উল্লেখিত বিশ্বাসঘাতকতামূলক কাজের জন্যে উদ্ভূত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার অর্জনের আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং বাংলাদেশের অখণ্ডতা ও মর্যাদা রক্ষার জন্যে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান
এবং
যেহেতু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী একটি বর্বর ও নৃশংস যুদ্ধ পরিচালনাকালে বাংলাদেশের অসামরিক ও নিরস্ত্র জনসাধারণের বিরুদ্ধে অগুনতি গণহত্যা ও নজিরবিহীন নির্যাতন চালিয়েছে এবং এখনো চালাচ্ছে
এবং
যেহেতু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী অন্যায় যুদ্ধ, গণহত্যা ও নানাবিধ নৃশংস অত্যাচার চালিয়ে বাংলাদেশের জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের একত্র হয়ে একটি শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করতে ও নিজেদের সরকার গঠন করতে সুযোগ করে দিয়েছে
এবং
যেহেতু বাংলাদেশের জনগণ তাদের বীরত্ব, সাহসিকতা ও বিপ্লবী কার্যক্রমের দ্বারা বাংলাদেশের ভূ-খণ্ডের উপর তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে
সেহেতু
সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী বাংলাদেশের জনগণ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের পক্ষে যে রায় দিয়েছে, সে মোতাবেক আমরা, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আমাদের সমবায়ে গণপরিষদ গঠন করে পারস্পরিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের জন্যে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা আমাদের পবিত্র কর্তব্য বিবেচনা করে আমরা বাংলাদেশকে সার্বভৌম গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি এবং এতদ্বারা পূর্বাহ্নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা অনুমোদন করছি
এবং
এতদ্বারা আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে, শাসনতন্ত্র প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপ্রধান ও সৈয়দ নজরুল ইসলাম উপ-রাষ্ট্রপ্রধান পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন
এবং
রাষ্ট্রপ্রধান প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনীসমূহের সর্বাধিনায়ক হবেন,
রাষ্ট্রপ্রধানই ক্ষমা প্রদর্শনসহ সর্বপ্রকার প্রশাসনিক ও আইন প্রণয়নের ক্ষমতার অধিকারী হবেন,
তিনি একজন প্রধানমন্ত্রী ও প্রয়োজনবোধে মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্য নিয়োগ করতে পারবেন,
রাষ্ট্রপ্রধানের কর ধার্য ও অর্থব্যয়ের এবং গণপরিষদের অধিবেশন আহ্বান ও মুলতবির ক্ষমতা থাকবে এবং বাংলাদেশের জনগণের জন্যে আইনানুগ ও নিয়মতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য অন্যান্য সকল ক্ষমতারও তিনি অধিকারী হবেন।
বাংলাদেশের জনগণের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি, যে কোনো কারণে যদি রাষ্ট্রপ্রধান না থাকেন অথবা কাজে যোগদান করতে না পারেন অথবা তাঁর দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে যদি অক্ষম হন, তবে রাষ্ট্রপ্রধানকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা ও দায়িত্ব উপ-রাষ্ট্রপ্রধান পালন করবেন।
আমরা আরও ঘোষণা করছি যে, বিশ্বের একটি জাতি হিসেবে এবং জাতিসংঘের সনদ মোতাবেক আমাদের উপর যে দায়িত্ব ও কর্তব্য আরোপিত হয়েছে তা আমরা যথাযথভাবে পালন করব।
আমরা আরও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছি যে, আমাদের স্বাধীনতার এ ঘোষণা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে গণ্য হবে।
আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে, আমাদের এই সিদ্ধান্ত কার্যকরী করার জন্যে আমরা অধ্যাপক ইউসুফ আলীকে ক্ষমতা দিলাম এবং রাষ্ট্রপ্রধান ও উপ-রাষ্ট্রপ্রধানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করলাম।
==================================
নিউ ইয়র্ক টাইমস
(২৭শে মার্চ, ১৯৭১)
Click this link for online archive of
নিউ ইয়র্ক টাইমস
Click This Link
LEADER OF REBELS IN EAST PAKISTAN REPORTED SEIZED; Sheik Mijib Arrested After a Broadcast Proclaiming Region's Independence DACCA CURFEW EASED Troops Said to Be Gaining in Fighting in Cities -Heavy Losses Seen
The Pakistan radio announced today that Sheik Mujibur Rahman, the nationalist leader of East Pakistan, had been arrested only hours after he had proclaimed his region independent and after open rebellion was reported in several cities in the East.
New York Times - Mar 27, 197
---------------------====================================================================================================================
1971/1972 সংবাদপত্রে
বিএনপি নেতার নাম খুঁজে পাচ্ছি না.
নিউ ইয়র্ক টাইমস
নিউজউইক
টাইম ম্যাগাজিন ইউএসএ
টাইমস সংবাদপত্র ইউকে
===================
বিশ্ব বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন ইউএসএ
1) পাকিস্তান এখন শেষ --শেখ মুজিব---15 মার্চ 1971
2)শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন --Apr. 05, 1971
--The World: Pakistan: Toppling Over the Brink
3)গত মার্চে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পর বিশ্বব্যাংকের পরিদর্শকদের একটি বিশেষ টিম কিছু শহর প্রদক্ষিণ করে বলেছিলেন, ওগুলোকে দেখতে ভুতুড়ে নগরী মনে হয়। এরপর থেকে যুদ্ধ শেষ হওয়া পর্যন্ত এহেন ধ্বংসলীলার ক্ষান্তি নেই। ৬০ লাখ ঘরবাড়ি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং ২৪ লাখ কৃষক পরিবারের কাছে জমি চাষের মতো গরু বা উপকরণও নেই। পরিবহনব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পুল-কালভার্টের চিহ্নও নেই এবং অভ্যন্তরীণ নৌ-যোগাযোগেও অনেক বাধাবিঘ্ন। ---শেখ মুজিবুর রহমান : বন্দি থেকে বাদশা / টাইম সাময়িকী ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২
4)Bangladesh have suffered three consecutive years of natural or man-made disasters—a calamitous cyclone in 1970, the civil war in 1971, and a crop-crippling drought this year. Jan. 01, 1973
5)শেখ মুজিবের সময়কালে ৬০০০ হাজারের ও বেশী মানুষ সহিংসতা নিহত (মুজিব।। স্থপতির মৃত্যু Time Magazine USA আগষ্ট ২৫,১৯৭৫).
6)বাংলাদেশ. "বাস্কেট কেস", নয়, Jan. 01, 1973
লন্ডনের টাইমস পত্রিকায় ২৭শে মার্চ, ১৯৭১
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষনার খবর
নিউ ইয়র্ক টাইমস
(২৭শে মার্চ, ১৯৭১)
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষনার খবর
-Times of India 27 March 1971
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষনার খবর
এটা 75 এর 07 November পত্রিকা.Where it said Zia announce 27 March 1971
এটা 75 এর 07 November পত্রিকা.Where it said Zia announce 27 March 1971
১০|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:১৪
াহো বলেছেন:
Zafar Wazed's status.
https://www.facebook.com/zafar.wazed
১৯৭১সালের ৩জানুয়ারি
শব্দটা জয় নয়-জিয়ে=উর্দূ শব্দ। অর্থ বেঁচে থাক।
শেখ মুজিবসহ আওয়ামীলীগের নির্বাচিত সংসদরা ' জিয়ে' শব্দটা
উচ্চারণ করেন ১৯৭১সালের ৩জানুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে।
জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ শেষ
হয় জয় বাংলা-জিয়ে সিন্ধ-জিয়ে পাখতুনিস্হান-জিয়ে বেলুুচিস্হান-
জিয়ে পান্জাব ও জিয়ে পাকিস্হান উচ্চারণে।
১১|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:২১
শেলী বলেছেন: আপনার মত বাচ্চা ছেলে এটা কেন বুঝেনা যে স্বাধীনটা ঘোষনা করলে শেখ মুজিবেরপুরা ফয়ামিলিকে ৭১ ের পুরাটা সময় ১৫০০ টাকা মাসিক ভাতা কেন পাকিস্তান দিল। এটা কেন তাজুদ্দিন আহমেদ বুঝেননি,যিনি ২৫ সে মার্চ রাতে শেখ মুজিবের বাসায় বসেছিলেন স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রে উনার একটা সা ইন নেবার জন্য,যা উনি নিতে পারেননি। ইন্দিরা গান্ধীকে যখন বলা হল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে তখন উনি বলেছিলেন আমরা শেখ মুজিবের মনোভাব এখনো জানতে পারিনি। উনারা কথাবাতায় অনেক কন্ট্রাডিকশন ছিল যার ফলভোগ করেছে দেশের মানুষ।এগুলি সব ভাল রেফারেস আছে। সত্য কথা হল যারা ভারতে থেকেছে মজা করেছে তারা বানিয়ে বানিয়ে অনেক কথাি বলে,যারা সম্মুখ সমরে যুদ্ধ করেছে তারাই জানে কে কি বলেছে।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৪৭
এস্কান্দার তারেক বলেছেন: শেলী@ আপনি তো জানেন ৭১ সালে নয় মাস শেখ পরিবারকে বন্দুকের নলের মুখে বন্দি রাখা হয়।
এত বাধাবিপত্তি সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধুর দুই ছেলে শেখ কামাল এবং শেখ জামাল মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
শেখ কামাল যুদ্ধের শুরুতেই ২৫ মার্চ রাতেই যুদ্ধে অংশ নিতে চলে গিয়েছিলেন। শেখ জামাল বন্দিদশা থেকে পালিয়ে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন।
শেলী আপনি তো জানেন মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী বাংলাদেশে বিভিন্নজন নিজ নিজ স্বার্থে, বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ ও বাংলাদেশের স্থপতি প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের
বিরুধে অনেক অপপ্রচার চালিয়েছে।
আমাদের বাইরের লোকের মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী কথা বিশ্বাস করার দরকার কি!
চলুন আমরা মুক্তিযুদ্ধের সময় ১০ এপ্রিল,১৯৭১ স্বয়ং তাজউদ্দীন আহমেদের নির্দেশে রচিত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে
কি বলা হচ্ছে তা দেখি-
এখানে বলা হয় বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
নিম্নে আপনার সুবিদার্থে আমি পুরো ঘোষণাপত্রটি তুলে দিলাম-
মুজিবনগর, বাংলাদেশ
তারিখ: ১০ এপ্রিল ১৯৭১
যেহেতু ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে শাসনতন্ত্র রচনার উদ্দেশ্যে প্রতিনিধি নির্বাচিত করা হয়েছিল; এবং
যেহেতু এই নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণ ১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ দলীয় ১৬৭ জন প্রতিনিধি নির্বাচিত করেছিল;
এবং
যেহেতু জেনারেল ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সনের ৩রা মার্চ তারিখে শাসনতন্ত্র রচনার উদ্দেশ্যে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অধিবেশন আহ্বান করেন; এবং
যেহেতু তিনি আহূত এই অধিবেশন স্বেচ্ছার এবং বেআইনীভাবে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন; এবং
যেহেতু পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিশ্রুতি পালন করার পরিবর্তে বাংলাদেশের জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে পারষ্পরিক আলোচনাকালে ন্যায়নীতি বহির্ভূত এবং বিশ্বাসঘাতকতামূলক যুদ্ধ ঘোষণা করেন; এবং
যেহেতু উল্লিখিত বিশ্বাসঘাতকতামূলক কাজের জন্য উদ্ভূত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার অর্জনের আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন, এবং বাংলাদেশের অখণ্ডতা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান; এবং
যেহেতু পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ বর্বর ও নৃশংস যুদ্ধ পরিচালনা করেছে এবং এখনও বাংলাদেশের বেসামরিক ও নিরস্ত্র জনগণের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন গণহত্যা ও নির্যাতন চালাচ্ছে; এবং
যেহেতু পাকিস্তান সরকার অন্যায় যুদ্ধ ও গণহত্য এবং নানাবিধ নৃশংস অত্যাচার পরিচালনার দ্বারা বাংলাদেশের গণপ্রতিনিধিদের পক্ষে একত্রিত হয়ে শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব কে তুলেছে; এবং
যেহেতু বাংলাদেশের জনগণ তাদের বীরত্ব, সাহসিকতা ও বিপ্লবী কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের উপর তাদের কার্যকরি কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে;
সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী বাংলাদেশের জনগণ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের প্রতি যে ম্যান্ডেট দিয়েছেন সে ম্যান্ডেট মোতাবেক আমরা, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা, আমাদের সমবায়ে গণপরিষদ গঠন করে পারষ্পরিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে
বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র ঘোষণা করছি এবং এর দ্বারা পূর্বাহ্নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা অনুমোদন করছি; এবং
এতদ্বারা আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে শাসনতন্ত্র প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম উপ-রাষ্ট্রপ্রধান পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন; এবং
রাষ্ট্রপ্রধান প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনীসমূহের সর্বাধিনায়ক পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন; ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতাসহ সর্বপ্রকার প্রশাসনিক ও আইন প্রণয়নের ক্ষমতার অধিকারী থাকবেন; এবং
তাঁর কর ধার্য ও অর্থব্যয়ের ক্ষমতা থাকবে; এবং
বাংলাদেশের জনসাধারণের জন্য আইনানুগ ও নিয়মতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য অন্যান্য প্রয়োজনীয় সকল ক্ষমতারও তিনি অধিকারী হবেন।
বাংলাদেশের জনগণ দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসাবে আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে, কোন কারণে যদি রাষ্ট্রপ্রধান না থাকেন অথবা যদি রাষ্ট্রপ্রধান কাজে যোগদান করতে না পারেন অথবা তাঁর দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে যদি অক্ষম হন, তবে রাষ্ট্রপ্রধান প্রদত্ত সকল দায়িত্ব উপ-রাষ্ট্রপ্রধান পালন করবেন। আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে, বিশ্বের একটি জাতি হিসাবে এবং জাতিসংঘের সনদ মোতাবেক আমাদের উপর যে দায়িত্ব ও কর্তব্য বর্তেছে তা যথাযথভাবে আমরা পালন করব। আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে, আমাদের এই স্বাধীনতার ঘোষণা ১৯৭১ সনের ২৬শে মার্চ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে। আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে, আমাদের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য আমরা অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলীকে যথাযথভাবে রাষ্ট্রপ্রধান ও উপ-রাষ্ট্রপ্রধানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য দায়িত্ব অর্পণ ও নিযুক্ত করলাম।
স্বাক্ষর: অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী
বাংলাদেশ গণপরিষদের ক্ষমতা দ্বারা
এবং ক্ষমতাবলে যথাবিধি সর্বাধিক ক্ষমতাধিকারী।
আমি আপনার পড়ার সুবিদার্থে ১৩ নাম্বার কমেন্টে এই কথাগুলোই পুনরায় উল্লেখ করছি।
১২|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:২৯
কলাবাগান১ বলেছেন: @শেলী,
পাকিদের ক্যান্টমেন্টে থাকা খালেদা জিয়ার কথা এখন স্বাধীনতার ইতিহাস বলে গন্য হবে??
রাজাকারের দল চায় সব সময় কিভাবে স্বাধীনতাকে প্রশ্ন বিদ্ধ করা যায় আর আপনি এসেছেন মনগড়া কাহিনি বানিয়ে সেই মিথ্যাচারকে বাতাস দিতে
আপনাদের মত লোকেরা ৭৫ এর আগে কোন কথা বলতে পারতেন না স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে
১৩|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:০০
এস্কান্দার তারেক বলেছেন: শেলী@ আপনি তো জানেন ৭১ সালে নয় মাস শেখ পরিবারকে বন্দুকের নলের মুখে বন্দি রাখা হয়।
এত বাধাবিপত্তি সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধুর দুই ছেলে শেখ কামাল এবং শেখ জামাল মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
শেখ কামাল যুদ্ধের শুরুতেই ২৫ মার্চ রাতেই যুদ্ধে অংশ নিতে চলে গিয়েছিলেন। শেখ জামাল বন্দিদশা থেকে পালিয়ে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন।
শেলী আপনি তো জানেন মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী বাংলাদেশে বিভিন্নজন নিজ নিজ স্বার্থে, বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ ও বাংলাদেশের স্থপতি প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের
বিরুধে অনেক অপপ্রচার চালিয়েছে।
আমাদের বাইরের লোকের মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী কথা বিশ্বাস করার দরকার কি!
চলুন আমরা মুক্তিযুদ্ধের সময় ১০ এপ্রিল,১৯৭১ স্বয়ং তাজউদ্দীন আহমেদের নির্দেশে রচিত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে
কি বলা হচ্ছে তা দেখি-
এখানে বলা হয় বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
নিম্নে আপনার সুবিদার্থে আমি পুরো ঘোষণাপত্রটি তুলে দিলাম-
মুজিবনগর, বাংলাদেশ
তারিখ: ১০ এপ্রিল ১৯৭১
যেহেতু ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে শাসনতন্ত্র রচনার উদ্দেশ্যে প্রতিনিধি নির্বাচিত করা হয়েছিল; এবং
যেহেতু এই নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণ ১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ দলীয় ১৬৭ জন প্রতিনিধি নির্বাচিত করেছিল;
এবং
যেহেতু জেনারেল ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সনের ৩রা মার্চ তারিখে শাসনতন্ত্র রচনার উদ্দেশ্যে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অধিবেশন আহ্বান করেন; এবং
যেহেতু তিনি আহূত এই অধিবেশন স্বেচ্ছার এবং বেআইনীভাবে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন;
এবং
যেহেতু পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিশ্রুতি পালন করার পরিবর্তে বাংলাদেশের জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে পারষ্পরিক আলোচনাকালে ন্যায়নীতি বহির্ভূত এবং বিশ্বাসঘাতকতামূলক যুদ্ধ ঘোষণা করেন; এবং
যেহেতু উল্লিখিত বিশ্বাসঘাতকতামূলক কাজের জন্য উদ্ভূত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার অর্জনের আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন, এবং বাংলাদেশের অখণ্ডতা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান; এবং
যেহেতু পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ বর্বর ও নৃশংস যুদ্ধ পরিচালনা করেছে এবং এখনও বাংলাদেশের বেসামরিক ও নিরস্ত্র জনগণের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন গণহত্যা ও নির্যাতন চালাচ্ছে; এবং
যেহেতু পাকিস্তান সরকার অন্যায় যুদ্ধ ও গণহত্য এবং নানাবিধ নৃশংস অত্যাচার পরিচালনার দ্বারা বাংলাদেশের গণপ্রতিনিধিদের পক্ষে একত্রিত হয়ে শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব কে তুলেছে; এবং
যেহেতু বাংলাদেশের জনগণ তাদের বীরত্ব, সাহসিকতা ও বিপ্লবী কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের উপর তাদের কার্যকরি কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে;
সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী বাংলাদেশের জনগণ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের প্রতি যে ম্যান্ডেট দিয়েছেন সে ম্যান্ডেট মোতাবেক আমরা, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা, আমাদের সমবায়ে গণপরিষদ গঠন করে পারষ্পরিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে
বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র ঘোষণা করছি এবং এর দ্বারা পূর্বাহ্নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা অনুমোদন করছি; এবং
এতদ্বারা আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে শাসনতন্ত্র প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম উপ-রাষ্ট্রপ্রধান পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন; এবং
রাষ্ট্রপ্রধান প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনীসমূহের সর্বাধিনায়ক পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন; ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতাসহ সর্বপ্রকার প্রশাসনিক ও আইন প্রণয়নের ক্ষমতার অধিকারী থাকবেন; এবং
তাঁর কর ধার্য ও অর্থব্যয়ের ক্ষমতা থাকবে; এবং
বাংলাদেশের জনসাধারণের জন্য আইনানুগ ও নিয়মতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য অন্যান্য প্রয়োজনীয় সকল ক্ষমতারও তিনি অধিকারী হবেন।
বাংলাদেশের জনগণ দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসাবে আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে, কোন কারণে যদি রাষ্ট্রপ্রধান না থাকেন অথবা যদি রাষ্ট্রপ্রধান কাজে যোগদান করতে না পারেন অথবা তাঁর দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে যদি অক্ষম হন, তবে রাষ্ট্রপ্রধান প্রদত্ত সকল দায়িত্ব উপ-রাষ্ট্রপ্রধান পালন করবেন। আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে, বিশ্বের একটি জাতি হিসাবে এবং জাতিসংঘের সনদ মোতাবেক আমাদের উপর যে দায়িত্ব ও কর্তব্য বর্তেছে তা যথাযথভাবে আমরা পালন করব। আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে, আমাদের এই স্বাধীনতার ঘোষণা ১৯৭১ সনের ২৬শে মার্চ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে। আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে, আমাদের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য আমরা অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলীকে যথাযথভাবে রাষ্ট্রপ্রধান ও উপ-রাষ্ট্রপ্রধানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য দায়িত্ব অর্পণ ও নিযুক্ত করলাম।
স্বাক্ষর: অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী
বাংলাদেশ গণপরিষদের ক্ষমতা দ্বারা
এবং ক্ষমতাবলে যথাবিধি সর্বাধিক ক্ষমতাধিকারী।
১৪|
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ ভোর ৬:৪৪
ম.র.নি বলেছেন: স্যার, পোস্টটা এডিট করলেন কেন!!
।CBS নিউজের কোথাও বলা হয়নি শেখ মুজিব কারাবন্দী, তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন, পাকিস্তানে যুদ্ধ শুরু আপনি এখানে চালাকি করছেন।যা যে কোন আওয়ামী দালালের ডিফল্ট প্রপার্টিজে পাওয়া যাবে,শুধু রাইট ক্লিক করলেই হবে
। তাই আর কিছু বল্লুম না।
১৫|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:০৭
এস্কান্দার তারেক বলেছেন: ম.র.নি@ পোস্টটা আমার আরও চমৎকার করে এডিট করার ইচ্ছা ছিল, আপনার জন্যই করছি না।
আপনি বোধ হয় দেখেন নাই যে আপনি আপনার মন্তব্যে আমার পোস্ট থেকে যে বাক্যটা কোট করেছেন, তার একটা অক্ষরও আমি এডিট করি নাই।
আমি আবারো বলছি ২৬ শে মার্চ ১৯৭১ বিকাল ৫টা ৩৪মিনিটের CBS নিউজ বলছে ২৬শে মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন।
আপনি পুরো নিউজটা বাংলা অনুবাদ করেন, করলে আমরা সবাই বুঝতে পারব সত্যটা কি।
আপনি আপনার ৮ নাম্বার কমেন্টে আমার দেওয়া রিপ্লাইটা দয়া করে আরেকবার ভালো করে পড়বেন। তারপর পুরো নিউজটা বাংলা অনুবাদ করে, এরপর কমেন্ট করবেন।
নিউজটা অনুবাদ করতে আপনি কি ভয় পাচ্ছেন? নাকি যোগ্যতা নাই?
১৬|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ৭:৪১
ম.র.নি বলেছেন: হ যোগ্যতা নাই।পেমেন্ট কি পার পোস্টে না এককালিন?
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:২৬
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
+++++++++++++++++++++++