| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
১৯৭১ সালের ২ জুন সকাল ১০টার দিকে সাঈদীর নেতৃত্বে সশস্ত্র দল পিরোজপুরের উমেদপুর গ্রামের হিন্দুপাড়ার ২৫টি ঘরে আগুন দেয় এবং এরপর সাঈদীর ইন্ধনে বিসাবালিকে নারিকেলগাছের সঙ্গে বেঁধে গুলি করে হত্যা করার অভিযোগে সাঈদীকে বাকি জীবন কারাগারে থাকার দণ্ড দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।

সাঈদীর নেতৃত্বে ১০-১২ জনের রাজাকার দল পারেরহাট বন্দরের একটি বাড়ি থেকে তিন বোনকে ধরে পাকিস্তানি সেনাক্যাম্পে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁদের তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়। এই অভিযোগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে সুপ্রিম কোর্ট রাজাকার সাঈদীকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন।
জোর করে পারেরহাটসহ অন্য গ্রামের ১০০-১৫০ হিন্দুকে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগে দেইল্লা রাজাকার সাঈদীকে দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ আদালত তাকে স্বাভাবিক মৃত্যু হওয়ার আগ পর্যন্ত কারাগারে থাকার দণ্ড দিয়েছেন।
সর্বোচ্চ আদালতে সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত নারী ধর্ষণকারী, অসহায় নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের বাড়িতে অগ্নিসংযোগকারী, নির্বিচারে সহায়সম্বলহীন মানুষ হত্যাকারী দেলোয়ার সাঈদীকে সর্বোচ্চ আদালত আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন।
১০০-১৫০মানুষকে জোর করে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগে রাজাকার সাঈদীকে সর্বোচ্চ আদালত আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন। যদিও আমাদের শান্তির ধর্ম, মানবতার ধর্ম, সারা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম ইসলামে, এতগুলো অপরাধের যে কোনও একটির প্রমাণ পেলেই তাকে জবাই করে হত্যা করার নির্দেশনা দেওয়া আছে, তার পরও এই দেশের নাগরিক হিসেবে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল।
শুধু একটাই দাবি, যেখানে স্বয়ং আল্লাহপাক ধর্ম নিয়ে জোর জবরদস্তি করতে মানা করেছেন সেখানে লোকটা মহান আল্লাহপাকের নির্দেশ অমান্য করে, ১০০-১৫০ মানুষকে জোর করে ধর্মান্তর করে, আমাদের পবিত্র ধর্মকে অসম্মান করেছে, নির্বিচারে মানুষ হত্যা করেছে, সেই লোকটার আমাদের টাকায় খাবার খেয়ে বাকী জীবন বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই।
এত আইন করতে পারে, সরকার আইন করুক দেইল্লা রাজাকারকে এখন থেকে সপ্তাহে একদিন পাব্লিক প্লেসে এনে বেঁধে রাখতে হবে, আমরা প্রচুর পরিমাণে তার মুখে থুতু মেরে আসব, সেই থুতু সারা সপ্তাহ ভরে সে চেটে চেটে খাবে। লোকটার শুধুমাত্র আমাদের থুতু খেয়ে বাকী জীবন বেঁচে থাকার অধিকার আছে। সরকারের এই ব্যবস্থা করার মত মেরুদন্ড থাকুক আর না থাকুক, প্রতিদিন দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে কোটি কোটি মানুষের অদৃশ্য থুতু মিশ্রিত ভাত খেতে হয়। এই ভাত কি সাঈদীর গলা দিয়ে নামে? অবশ্যই নামে! রাজাকারের গলা দিয়ে সবই নামতে হয়, না হলে যে রাজাকার হওয়া যায় না।
শরীফ নেওয়াজ খান
লেখকঃ সাংবাদিক, কলাম লেখক।
সূত্র বাংলাদেশ বিবরণ
২|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:১০
রানার ব্লগ বলেছেন: আমাদের থুথু ও তার জন্য অনেক বেশি, কফ, মুত্র তার জন্য বরাদ্দ হয়া উচিৎ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৫২
আমি ব্লগার হইছি! বলেছেন: আপনি ঠিক কথা বলেছেন। জুতো মেরে সাঈদি শালার পাছার ছাল তুলে দেয়ার দরকার।