| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শয়তান হন্তারক
লজ্জা আদিত্য অনীক পাখিটা উড়ে গেল নির্বিঘ্নে সীমানা পেরিয়ে বনের বাঘ বা হরিণও যেতে পারে পাসপোর্ট ভিসার প্রয়োজন হয় না। সারি বাঁধা পিপড়া বা দল বাঁধা হাতিও পারে, অথচ মানুষ পারে না সীমানা পেরোতে। অতীতে পোড়া লোহায় দাগিয়ে ক্রিতদাস চিহ্নিত করা হতো , পালিয়ে যাবার ভয়ে। এখনো হচ্ছে- ধর্মে , বর্ণে , ভাষায় , অবস্থানে; কতিপয় চতুর লোক শাসন করার জন্য সীমানা পেতে তোমাকে দাগিয়ে দিচ্ছে বিদ্বেষ আর মিথ্যা বিভেদের কালি দিয়ে, বোকার মত তুমি তা মেনে নিচ্ছ। হে মানুষ , বনের একটা পশুর সমান স্বাধীনতাও তুমি অর্জন করতে পারো নি, তোমার লজ্জা হওয়া উচিত।
![]()
ইহুদি ধর্মে নারীকে “পুরূষের প্রতারক” বলে অভিহিত করা হয়েছে। তবে অনেকে মন্তব্য করতে পারে " ইহুদি না হয়ে আপনার এইসব লেখা উচিৎ হয় নি "।
সে যাই হোক , Old Testament এর ভাষ্যমতে আদমের স্বর্গ থেকে বহিস্কৃত হওয়া মানবজাতির পক্ষে অভিশাপ বিশেষ এবং এ অভিশাপের মূল কারণ হচ্ছে নারী অর্থাৎ আদমের স্ত্রী হাওয়া (Eve)| এজন্য স্ত্রীলোক ইহুদি সমাজে চিরলাঞ্ছিত এবং জাতীয় অভিশাপ, ধ্বংস ও পতনের কারণ বলে মনে করা হত। এজন্য পুরুষ সবসময়ই নারীর উপর প্রভূত্ব দাবী করার স্বাভাবিক অধিকারি। এ অধিকার আদমকে হাওয়া কর্তৃক নিষিদ্ধ ফল খাওয়ানোর শাস্তি বিশেষ। যদ্দিন নারী বেচেঁ থাকবে ততদিনই এ শাস্তি তাকে ভোগ করতে হবে। ইহুদি সমাজে নারীকে চাকরাণীর পর্যায়ে নামিয়ে দেয়া হয়েছিল। অবশ্য অনেকের আপত্তি থাকতে পারে যে আজকালকার ইহুদীরা তা করে না। কারণ অধিকাংশ ইহুদিরাই এখন নাস্তিক তাই ধর্ম নিয়ে তারা অতটা মাথা ঘামাননা। তাতে অবশ্য নারীদের জন্য ভালই হয়েছে। মূল প্রসঙ্গে ফিরে আসি, ইহুদি সমাজে বাপ নিজ কন্যাকে নগদ মূল্যে বিক্রি করতে পারত। মেয়ে কখনো পিতার সম্পত্তি থেকে ভাগ পেতো না। অবশ্য পরে নবি মুহাম্মদ সেই আইনের পরিবর্তন করে পিতৃ সম্পত্তিতে নারীদের অংশ বরাদ্দ করেন , ঈশ্বরের নির্দেশনা অনুযায়ী। অবশ্য এতে অনেক ইহুদীরা ক্ষিপ্ত হয়ে মুহাম্মদের সাথে ঘোরতর শত্রুতা আরম্ভ করেছিল। যাই হোক, তা এখানে অপ্রাসঙ্গিক।
“ফিতুম” নামক এক ইহুদি বাদশা আইন জারি করেছিল “ যে মেয়েকেই বিয়ে দেয়া হবে স্বামীর ঘরে যাওয়ার আগে তাকে বাধ্যতামূলকভাবে এক রাত্রি তার কাছে যাপন করতে হবে।” বাদশার ফরমান অনুযায়ী-ই মেয়েরা তা করতো । জনৈক ইহুদি পণ্ডিত মন্তব্য করেছিলেন
“মৃত্যু, নরক, বিষ, সর্প, আগুন এর কোনটিই নারী অপেক্ষা খারাপ ও মারাত্মক নয়”
২৬ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪২
শয়তান হন্তারক বলেছেন: যা বললেন ভাই!
২|
২৬ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪৫
ডিএইচ৫০০ বলেছেন: নারীদের বুঝা দায়
২৬ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪৯
শয়তান হন্তারক বলেছেন: আপনি কি ইহুদী পণ্ডিতের সাথে একমত নাকি!
৩|
২৬ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫৩
মানুষ বলেছেন: যেভাবে সব ধর্মের সমালোচনা করতেছে, দেইখা শুইনা মনে হইতেছে নাস্তিক হওয়ায় ভাল।
২৬ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫৭
শয়তান হন্তারক বলেছেন: সেটা অবশ্য আপেক্ষিক।
৪|
২৬ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫১
মো মুজাহিদ আলম বলেছেন: ইসলাম ধর্মের মত নারীর মর্যাদা আর কোন ধর্মে দেয়নি ।
৫|
২৬ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫২
মো মুজাহিদ আলম বলেছেন: কিন্তু আমাদের কিছু নরী তা বুঝতে পারেনি ।
২৬ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫৭
শয়তান হন্তারক বলেছেন: মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
৬|
২৬ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫৭
নাজিম উদদীন বলেছেন: পুরুষতান্ত্রিক সব ধর্মেই নারীর মর্যাদা ক্ষুন্ন করা হয়েছে, কিন্তু এখনকার প্রাকটিসে সেসব মানা হয় না, ধার্মিকরা মানতে না চাইলেও ধর্ম প্রতিনিয়ত বিবর্তিত হচ্ছে।
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:০১
শয়তান হন্তারক বলেছেন: হেগেলের তত্ত্ব অনুযায়ী আপনার মত সঠিক।
৭|
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:০৩
নাজিম উদদীন বলেছেন: শয়তান মারতে পারছেন?
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:১০
শয়তান হন্তারক বলেছেন: ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৩৭
ফারুক৫৫ বলেছেন: “মৃত্যু, নরক, বিষ, সর্প, আগুন এর কোনটিই নারী অপেক্ষা খারাপ ও মারাত্মক নয়”
যারা ছ্যকা খেয়েছে , তারা অন্তত এই বক্তব্যের সাথে ভিন্নমত হবে না।