নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জয় বাংলা

প্যাঁক বাবু

দেশকে ভালবাসি।

প্যাঁক বাবু › বিস্তারিত পোস্টঃ

জয় বাংলা

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৬

আমরা বাঙালী। এই নিয়ে অনেক গর্ব আমাদের। অনেক গৌরবময় ইতিহাস আমাদের। আমরা গাইতে জানি,নাচতে জানি,লিখতে জানি... আবার অস্ত্রও ধরতে জানি। কিন্তু আমাদের মধ্যে বদভ্যাসও আছে অনেক। আমরা অন্য কে নিয়ে আলোচনা করতে অনেক পছন্দ করি। আলোচনা করা অবশ্যই খারাপ কিছু না। আলোচনা করলে জটিলটা দূর হয়। তবে যেই আলোচনা বোঝাতে চাই এই আলোচনা সেই আলোচনা না। শুদ্ধ বাংলায় বললে পরনিন্দা। আর সহজে বললে চুগলখোরি। আমরা সবাই মোটামোটি শিক্ষিত। সবাই জানি ভালো কোনটা খারাপ কোনটা। কিন্তু কেউ সাহস করে অন্যায়ের প্রতিবাদ করি না। বলি..."আমার যাওয়ার কি দরকার?? সমাজে আরও দশটা লোক আছে... ওরা যাবে প্রতিবাদ করতে। আমার ঝামেলায় জড়ানোর দরকার কি??? ” কিন্তু সমস্যাটা হচ্ছে আমরা যেই বাকি দশটা লোকের কথা বলি তারাও আমাদের মতই চিন্তা করে। আমরা অন্নায় করি। বলি,দেশের নেতারা হাজার হাজার লাখ লাখ কোটি কোটি টাকা মেরে খাচ্ছে। আমারটা তো সামান্য। কিন্তু একথা চিন্তা করি না দেশের ১৬ কোটি মানুষ যদি এমনি করে ভাবে তাহলে তার থেকে বড় দুর্নীতি আর সম্ভব না। তাই তো আমরা বিশ্ব রাঙ্কিং এ ক্রিকেটে প্রথম হই না হই ,উন্নত দেশের তালিকায় থাকি আর না থাকি, দুর্নীতির তালিকায় সেরা ২৫ এর মধ্যে থাকি। এসব শুনে অনেকে আমার সাথে সম্মত হয়ে জাতিকে গাল পারবেন “হায় বাঙালি” বলে। যেই জাতি এত সংগ্রাম করে টিকে আছে তাকে গালি দেওয়া মানে মানবতাকে গালি দেওয়া। দেখুন, আমরা যারা তরুণ প্রজন্ম, মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানার ইচ্ছা আমাদের অনেক। আমরা সেই সময় থাকতে পারি নি। দেশের জন্য ত্যাগ করতে পারি নি। এজন্য আমাদের আফসোস হয়। কিন্তু আমাদের আফসোস এর কিছু নেই। আমাদের এর থেকেও বেশি করার সুযোগ আছে। না, আমি আবার যুদ্ধ বাঁধানোর কথা বলছি না। যুদ্ধ ছাড়াও দেশের জন্য অনেক কিছু করার আছে। আমদের দেশকে ভালবাসতে হবে। আমরা যদি চাই তাহলে আমরা প্রতিজ্ঞা করতে পারি, আমরা পুরো সেট তাকে বদলে দিব। এখন চাকুরীজীবীদের যেই প্রজন্ম চলছে টা শেষ হলে আমরা এমন প্রজন্ম নিয়ে আসব যারা দেশকে ভালবাসবে। যাদের চিন্তাভাবনা এমন থাকবেনা যে ওরা দুর্নীতি করছে,আমিও করি। তাদের চিন্তা থাকবে ওই লোকটা দেশের জন্য এতোটা করেছে,আমি আরও বেশি করব। জাফর ইকবাল স্যারকে আমরা সবাই চিনি। উনি আমাদের প্রজন্ম নিয়ে অনেক আশাবাদী। আমদেরকে অনেক সাপোর্ট করেন। আমাদের বোঝেন। তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় আপনি এদের নিয়ে এত আশাবাদী কেন? উনি উত্তর দেন, “ আমরা যারা ’৭১ এর ভেতর দিয়ে এসেছি তারা মৃত্যু কে দেখে এসেছি। মৃত্যু থেকে কিভাবে বেঁচে উঠতে হয় টা দেখছি। তাই আমরা কখন আশা হারাই না। আমার বিশ্বাস আমদের নতুন প্রজন্ম ভালভাবে পড়াশুনা করবে, মানুষের মত মানুষ হবে। তারা দেশকে ভালবাসবে। আমি জানি ভালো করে পড়ালেখা করলে কেউ বেকার থাকেনা। ”আমরাও ভালো করে পড়াশুনা করব। এবং সবচেয়ে বড় কথা আশাবাদী হব।একটা উদাহরণ দেই। ধরুন আপনার কাছে একটা গ্লাস আছে। সেই গ্লাসটি অর্ধেক দুধে ভর্তি। এখন আপনি গ্লাসটার দিকে তাকান। আপনি যদি চিন্তা করেন গ্লাসটা অর্ধেক খালি তাহলে মন খারাপ হয়ে যাবে। আর যদি আপনি চিন্তা করেন তাহলে মনে হবে...বাহ... অর্ধেক গ্লাস দুধ পেয়েছি। এমনি আমাদের কি কি ত্রুটি আছে তা না দেখে যদি দেখি আমাদের কি কি গুন আছে তা দেখি তাহলে আমরা আশা দেখতে পাব। মুক্তিযুদ্ধের সময় যেমন কোন দল ছিলনা। ছিল শুধুই বাঙালি, আমাদেরকে এখনও শুধু বাঙালি হতে হবে। যুদ্ধের সময়ের “জয় বাঙলা” স্লোগান নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের উদ্দেশ্য থাকবে যে আমাকে দেশ কে ভালবাসতে হবে। কেমন করে সেটা বের করব আমরাই।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.