নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাসূলের (সা.) সুন্নাতের পর আখারিনের মাযহাবের কথা আল্লাহ নিজেই বলেছেন

০৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০৭



সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।

সহিহ আল বোখারী, ২৮৮৯ নং হাদিসের (জিহাদ অধ্যায়) অনুবাদ-
২৮৮৯। হযরত মুয়াবিয়া (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহ যাকে কল্যাণ দানের ইচ্ছা করেন, তাঁকে তিনি দীন সম্পর্কে ফিকাহ (গভির জ্ঞান) দান করেন। আল্লাহ প্রদানকারী আর আমি বন্টনকারী। আমার এ উম্মত তাদের বিরোধীদের উপর চিরদিন বিজয়ী হবে। এ অবস্থায় আল্লাহর চূড়ান্ত সমাধান এসে যাবে।

* রাসুল (সা.) ওহীর বাইরে কিছুই কিছুই বলেন না। ওহীতে ফিকাহের মাধ্যমে ভয় প্রদর্শন করতে ও সাবধান হতে বলায় ফিকাই রাসূলের (সা.) সুন্নাত। আল্লাহ ফিকাহ প্রদানকারী এবং রাসূল (সা.) এর বন্টনকারী। রাসূলের (সা.) ফিকাহ পালনকারী উম্মত কেয়ামত পর্যন্ত বিজয়ী থাকবে। হযরত মুয়াবীয়া (রা.) তাঁর অনুসারীদেরকে সেই উম্মত মনে করতেন। কারণ হযরত আলী (রা.) ও ইমাম হাসানের (রা.) অনুসারীগণ তাঁকে হারাতে পারেননি।কিন্তু তাঁর অনুসারীদেরকে আব্বাসীয়রা পরাজিত করায় হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) অনুসারীগণ চিরজয়ী নয় এবং তারা ফিকাহ পালনকারী উম্মত নয় প্রমাণিত হয়েছে। তাহলে রাসূলের (সা.) চিরজয়ী ফিকাহপালনকারী উম্মত কারা?

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।

* রাসূলের (সা.) চিরজয়ী ফিকাহ পালনকারী উম্মত হলো আখারিন (অন্যান্য), যাদের শুরা প্রধান রাসূলের (সা.) সাথে মিলিত না হওয়া তাবেঈ এবং যাদের শুরা সদস্যগণ হলেন সাহাবায়ে কেরামের (রা.) সাথে মিলিত না হওয়া তাবে তাবেঈ। রাসূল (সা.) ব্যাসায় ও সামরিক হিকমাত শিক্ষা দিয়েছেন।এ হিকমাতকে আল্লাহর অনুগ্রহ বলা হয়েছে। সুতরাং আখারিনের সূরা প্রদানের মধ্যে ব্যবসায় হিকমত থাকা জরুরী। কারণ তাদেরকে আল্লাহর অনুগ্রহ প্রদানের কথা আল্লাহ বলেছেন।নবুয়ত পাওয়ার পূর্বে রাসূল (সা.) এটি প্রাপ্ত ছিলেন। সুতরাং যিনি রাসূলের (সা.) সুন্নাত ফিকাহ পাবেন তাঁর মধ্যে ব্যাবসায় হিকমাত থাকতে হবে। কোরআনের শর্ত সমূহে গঠিত আখারিনের ফিকাহ সংকলনের সূরা হলো ইমাম আবু হানিফা (র.) ও তাঁর ছাত্রদের শুরা। ইমাম আবু হানিফা (র.) ব্যবসায় হিকমাত সমৃদ্ধ তাবেঈ ছিলেন। তাঁর ছাত্রগণ ছিলেন তাবে তাবেঈ। তাঁদের সংকলিত হানাফী ফিকাহ যা হানাফী মাযহাব নামে পরিচিত এর অনুসারীগণ চির জয়ী অবস্থায় বিদ্যমাণ। ইমাম আবু হানিফা (র.) হিকমাত সমৃদ্ধ ফিকাহ প্রাপ্ত বিধায় তিনি আল্লাহ দ্বিগুণ অনুগ্রহ প্রাপ্ত ছিলেন।একথার হিদায়াত সূরা জুমুয়ার ৪নং আয়াতে দেখুন।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ২ বাকারা, ৩৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৪। আর যখন আমরা ফেরেশতাগণকে বলেছিলাম, তোমরা আদমকে সিজদা কর তখন ইবলিশ ছাড়া সবাই সিজদা করে ছিল। সে অগ্রাহ্য করলো, আর অহংকার করলো এবং কাফেরদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেল।

* ইমাম আবু হানিফার (র.) ফিকাহ ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আমির হারুনুর রশিদের শুরায় পরিশোধীত হয়ে আমির হারুনুর রশিদ কর্তৃক অনুমোদীত হয়ে এটি রাসূলের (সা.) সুন্নাত থেকে আল্লাহর সুন্নাতে পরিণত হয়।যারা এটি অস্বীকার করে তারা অহংকারী ও কাফের।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

* আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতে গঠিত হানাফী ফিকাহের পরিবর্তে উপস্থাপিত আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল। যারা এর বাইরে থাকে তারা আল্লাহর সিরাতাম মুসতাকিমের বাইরে থাকে। এরা বিভিন্ন পথের অনুসারী হয়ে জাহান্নামের যাত্রী হয়।

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৫৪

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:


আল্লাহ এবং রাসূল (সা.) কি কোরআন ও হাদিস মানতে বলেছেন?

সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ২ বাকারা, ৩৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৪। আর যখন আমরা ফেরেশতাগণকে বলেছিলাম, তোমরা আদমকে সিজদা কর তখন ইবলিশ ছাড়া সবাই সিজদা করে ছিল। সে অগ্রাহ্য করলো, আর অহংকার করলো এবং কাফেরদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেল।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

সূরাঃ ৫৪, কামার ১৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৭। কোরআন আমি সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।

* রাসূল (সা.) তো ওহীর বাইরে কথা বলেন না, আর ওহীতে আল্লাহ ফিকাহ দিয়ে ভয় প্রদর্শন করতে ও সাবধান হতে বলেছেন।সুতরাং রাসূল (সা.) যে কিতাব শিক্ষা দিয়েছেন সেটা ছিল ফিকাহ। সেটা ছিল সংকলিত ছিল না। আখারিনের শুরা যে ফিকাহ সংকলিত করেছেন এবং আমিরের শুরা যে ফিকাহ পরিশোধন করার পর আমির অনুমোদন করেছেন সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ৪ নং আয়াতে আল্লাহ সেই ফিকাহকে তাঁর অনুগ্রহ বলেছেন। আমির কর্তৃক অনুমোদীত হওয়ার পর সেই ফিকাহ আল্লাহর সিরাতাম মুসতাকিম ও তাঁর সুন্নাত সাব্যস্ত হলো। যারা সেই ফিকাহ অস্বীকার করলো তারা অহংকার করে কাফের হয়ে গেলো। আল্লাহ এবং তাঁর আয়াতে সাব্যস্ত সেই ফিকাহের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ হয় এবং হাদিস বাতিল হয়। যারা সেই ফিকাহের পথ ছেড়ে অন্য পথে যায় তারা তাদের পথ সমূহ দিয়ে জাহান্নামে চলে যায়। তাদের ইবাদত আল্লাহর দরবারে গৃহিত হয় না। আমি এ পোষ্টে হাদিস উপস্থাপন করতে চেয়ে ছিলাম, উপদেশ গ্রহণের জন্য আল্লাহ কোরআন সহজ বলায় আমি তাঁর অসন্তুষ্টির ভয়ে এ পোষ্টে আর হাদিস উপস্থাপন করিনি। কোরআন মনযোগ দিয়ে পড়লে উপদেশ গ্রহণের জন্য কোরআন সুনিশ্চিতভাবে সহজ। কারণ আল্লাহ সত্য বলেন। মনোযোগ দিয়ে কোরআন পড়লে কোরআন থেকে উপদেশ গ্রহণ সহজ থাকে। কোরআন পড়তে গিয়ে মনোযোগ ছুটে গেলে কোরআন পড়েও লোকে বিভ্রান্ত হয়। এসব লোক আবার মানুষকেও বিভ্রান্ত করে। রাসূলের (সা.) অলিখিত ফিকাহের বিষয়টি এখন কি অবস্থায় আছে?

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০১। মরুবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে তাদের কেউ কেউ মুনাফিক। মদীনাবাসীদের মধ্যেও কেউ কেউ মোনাফেকী রোগে আক্রান্ত। তুমি তাদের সম্পর্কে জান না। আমরা তাদের সম্পর্কে জানি।আমারা সিগ্র তাদেরকে দু’বার শাস্তি দেব। এরপর তারা মহা শাস্তির দিকে যাত্রা করবে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছে তার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য, তারা শপথ করেই বলবে তারা ভাল কিছু করার জন্যই ওটা করেছে; আর আল্লাহ সাক্ষি দিচ্ছেন নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।

* ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মোনাফেক রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের নামে মিথ্যা হাদিস প্রচার করে রাসূলের (সা.) অলিখিত ফিকাহ ক্ষতিগ্রস্থ্য করেছে। সেজন্য আখারিনের ফিকাহ পরিশোধনের পর অনুমোদীত হলে রাসূলের (সা.) অলিখিত ফিকাহ মানসুখ হয়।তখন থেকে আমিরের অনুমোদীত ফিকাহ আল্লাহর সুন্নাত হিসাবে আল্লাহর বিধান। আল্লাহর কোন বান্দার আল্লাহর এ বিধানের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নাই।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৩৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: পোষ্ট বুঝার জন্য পোষ্টের সাথে এ মন্তব্য পড়লে ভালো হবে।

২| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:১৫

অগ্নিবাবা বলেছেন: যে সমাজে প্রশ্ন মানেই:
– অবমাননা
– ষড়যন্ত্র
– শয়তানের কাজ

সেখানে মানুষ জানতেই পারবে না

ইতিহাসে যত মুক্ত চিন্তা এসেছে:
– প্রশ্ন করা থেকে
– দ্বিধা স্বীকার করা থেকে
– ‘আমি ভুলও হতে পারি’ বলা থেকে

যেখানে প্রশ্ন নিষিদ্ধ, সেখানে জ্ঞান বন্দি

০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপনার কথার সাথে ইসলামের অমত নেই। রাসূলকে (সা) যে যা প্রশ্ন করতো রাসূল (সা) এর উত্তর দিতেন। তবে সব উত্তর দাতা সবজান্তা নয়। সুতরাং কোন কোন উত্তর দাতা উত্তর দিতে অপারগ হলে তার প্রদি উত্তেজিত হওয়া কোন দরকারী বিষয় নয়।

৩| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:১৮

অগ্নিবাবা বলেছেন: সবচেয়ে বিপজ্জনক ধারণা হলো:
“ভালো মানে ধর্ম যা বলেছে”
আধুনিক মুক্ত চিন্তার ভিত্তি:
ভালো = ক্ষতি না করা
ন্যায় = সম্মতি ও সমতা
অপরাধ = জোর ও দমন

এই মানদণ্ড ধর্মের বাইরেও দাঁড়াতে পারে
যে মানুষ এটা বোঝে, সে আর অন্ধ বিশ্বাসী থাকে না

০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ধর্মবিহীন ভালো কাজের উপকার ইহকালে পাওয়া যায়। পরকালে ধর্ম মানার উপকার পাওয়ার জন্য ধর্ম মানার কথা বলা হয়।

৪| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:৩৬

আলামিন১০৪ বলেছেন: সহিহ আল বোখারী, ২৮৮৯ নং হাদিসের (জিহাদ অধ্যায়) অনুবাদ-২৮৮৯। হযরত মুয়াবিয়া (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহ যাকে কল্যাণ দানের ইচ্ছা করেন, তাঁকে তিনি দীন সম্পর্কে ফিকাহ (গভির জ্ঞান) দান করেন। আল্লাহ প্রদানকারী আর আমি বন্টনকারী। আমার এ উম্মত তাদের বিরোধীদের উপর চিরদিন বিজয়ী হবে। এ অবস্থায় আল্লাহর চূড়ান্ত সমাধান এসে যাবে।

আপনি এই হাদিস কোথায় পেলেন?

আামি পেয়েছি অন্যরূপ

মুআবিয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ যার মঙ্গল চান, তাকেই দ্বীনী জ্ঞান দান করেন।

(বুখারী ৭১, ৩১১৬, ৭৩১২, মুসলিম ২৪৩৬, ২৪৩৯, ইবনে মাজাহ)

আর বুখারী শরীফের যে হাদিস নম্বর দিয়েছেন তা হলো

৮৮৯. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে খায়বার যুদ্ধে গিয়ে তাঁর খিদমত করছিলাম। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখান থেকে ফিরলেন এবং উহুদ পর্বত তাঁর দৃষ্টিগোচর হলো, তিনি বললেন, ‘এই পর্বত আমাদের ভালবাসে এবং আমরাও তাকে ভালবাসি।’ অতঃপর তিনি হাত দ্বারা মদিনার দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, ‘হে আল্লাহ্! ইব্রাহীম (আঃ) যেমন মক্কাকে হারাম বানিয়েছিলেন, তেমনি আমিও এ দুই কংকরময় ময়দানের মধ্যবর্তী স্থান (মদিনা্)-কে হারাম বলে ঘোষণা করছি। হে আল্লাহ্! আপনি আমাদের সা‘ ও মুদে বরকত দান করুন।’



০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৩৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:



মুসলিমদের ৭৩ দলে বিভক্ত হওয়ার প্রধান কারণ হাদিস। হাদিস দিয়ে কেউ ঝামেলা পাকাতে পারে মরে করে আমি এ পেষ্টের সমর্থনে হাদিস ছাড়া একটি পোষ্ট লিখে মন্তব্য আকারে উপস্থাপন করেছি। আপনি কি সেটি পড়েছেন?

https://www.facebook.com/groups/1817981205012931/user/100011924479022

উপরের লিংকে গেলে আপনি দেখবেন আমার গ্রুপের পয়েন্ট ৩৮২৬৩৮ । ঐ গ্রপের এডমিন আমাকে মডরেটর বানিয়েছে। প্রায় ৬ লক্ষ সদস্যের গ্রুপ টিতে আপনি আমার কোন বিরোধীতা পাবেন না। আমি তামিরুল মিল্লাতের ছাত্র। ঐ মাদ্রাসার কোন শিক্ষক অথবা ছাত্র কেউ আমার বিরোধিতা করে না। আল্লাহর কথাও সবাই সঠিক বলেনি। সুতরাং আপনার আমাকে সঠিক মনে না করা হিসাবযোগ্য কোন বিষয় নয়। সব ব্লগারের সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া ব্লগ নীতিমালার মধ্যে নাই। তবে ইচ্ছা করলে আমি আপনার মন্তব্য মুছে দিতে পারি।

৫| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৩২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:






মুল্যবান পোস্টির জন্য ধন্ংবাদ । আমি এখানে
সুরা জুম‘আ (৬২) এর ৩ নং আয়াত-এর সার্বজনিন দিকটির উপর আমার মন্তব্য সীমাবদ্ধ রাখাব ।

এই আয়াতটির শাব্দিক ও ভাবার্থভিত্তিক তর্জমা আপনি সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন । আমার আলোচনার সুবিধার্থে
সেটিকে আমি আবার পুলনুক্তি করলাম ।
“এবং (তিনি রাসূল পাঠিয়েছেন) তাদের মধ্য থেকে অন্যদের জন্যও, যারা এখনো তাদের সঙ্গে মিলিত হয়নি।
আর তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।”
আয়াতটির শব্দভিত্তিক বিশ্লেষণ হলোوَآخَرِي এবং অন্যদের مِنْهُمْ তাদের মধ্য থেকে لَمَّا يَلْحَقُوا بِهِمْ যারা এখনো
তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়নিَ আর তিনি الْعَزِيزُ পরাক্রমশালী الْحَكِيمُ প্রজ্ঞাময় ।

আয়াতটির প্রেক্ষাপট সুরা জুম‘আর ২ নং আয়াতে নিহীত, যেখানে আল্লাহ বলেন যে, তিনি “উম্মীদের মধ্যে”
(অশিক্ষিত আরবদের মধ্যে) একজন রাসূল পাঠিয়েছেন যিনি: (১)আল্লাহর আয়াত তিলাওয়াত করেন(২)মানুষকে
পরিশুদ্ধ করেন (৩)কিতাব ও হিকমাহ শিক্ষা দেন।
আলোচ্চ ৩ নং আয়াতটি সেই বক্তব্যের বিস্তৃতি; যে এই রাসূলের রিসালাত শুধু প্রথম যুগের আরব সাহাবিদের জন্য নয়।
এখন প্রশ্ন হলো “وَآخَرِينَ مِنْهُمْ” ‘তাদের মধ্য থেকে অন্যরা’ কারা? এখানে “অন্যরা” বলতে বোঝানো হয়েছে;
পরবর্তী যুগের মুসলমানরা, অনারব জাতিগোষ্ঠী, কিয়ামত পর্যন্ত আগত সমস্ত মুমিন, যারা সাহাবিদের যুগে জন্ম নেয়নি
অর্থাৎ, রাসূল (স.) এর রিসালাত সার্বজনীন ও কালোত্তীর্ণ। لَمَّا يَلْحَقُوا بِهِمْ” এখনো তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়নি এর তাৎপর্য
হল তারা তখনো জন্মগ্রহণ করেনি. তারা সাহাবিদের সময়কাল পায়নি কিন্তু ঈমান, আমল ও আদর্শে তারা সাহাবিদের
সঙ্গে যুক্ত হবে এটি ভবিষ্যতের মুসলিম উম্মাহর জন্য এক মহান সুসংবাদ।

সহিহ হাদিসে আয়াতের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে বলা হয় ৯বুখারি ও মুসলিম)যখন এই আয়াত নাযিল হলো, সাহাবিরা
জিজ্ঞেস করলেন:
“ইয়া রাসূলাল্লাহ, এই ‘অন্যরা’ কারা?” রাসুল(সা,) তখন সালমান ফারসি (রা.) এর কাঁধে হাত রেখে বললেন:
“যদি ঈমান আকাশের তারার কাছেও থাকে, তবু এই (ফারসিদের) মধ্য থেকে কেউ তা এনে নেবে।”
এর দ্বারা বোঝা যায় অনারব জাতি (বিশেষত ফারসি/আজমি) পরবর্তী যুগের জ্ঞানী, আলেম ও মুজাদ্দিদরাও
এই আয়াতের অন্তর্ভুক্ত।

আয়াতের শেষাংশের তাৎপর্য আল-‘আজিজ (পরাক্রমশালী): আল্লাহ তাঁর রাসূলের দাওয়াতকে বিজয়ী করবেন
জাতি, ভাষা, যুগ অতিক্রম করে।আল-হাকিম (প্রজ্ঞাময়): কার কাছে কখন হিদায়াত পৌঁছাবে তা আল্লাহর নিখুঁত
প্রজ্ঞার অংশ।

এই সুরার ৩ নং আয়াতটির মৌলিক শিক্ষা হল ইসলাম কোনো নির্দিষ্ট জাতির ধর্ম নয়, রাসুল (সা.) এর রিসালাত
কিয়ামত পর্যন্ত সকল মানুষের জন্য আর সাহাবিদের পরেও উম্মাহর জন্য জ্ঞান ও হিদায়াতের দরজা খোলা।
সেই মাথে রয়েছে অনারব মুসলমানদের মর্যাদা ও ভূমিকার স্বীকৃতি।

এই আয়াতটি উম্মতে মুহাম্মাদীর বিশ্বজনীনতা ও চিরন্তনতার এক শক্তিশালী ঘোষণা।
আপনি, আমি, আজকের ও ভবিষ্যতের সমস্ত ঈমানদার এই আয়াতের সরাসরি অন্তর্ভুক্ত।

দোয়া করি মহান রাব্বুল আলামীন আল্লা যেন সকলের জন্য হিদায়েতের দরজা খোলা রাখেন । আমীন

০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপনার মন্তব্য থেকে পাঠক উপকৃত হবে বলে মনে করি।

৬| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৫৯

রাজীব নুর বলেছেন: ওকে। জানলাম।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩২

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ঠিক আছে।

৭| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:০৬

আলামিন১০৪ বলেছেন: লেখক বলেছেন
সুতরাং আপনার আমাকে সঠিক মনে না করা হিসাবযোগ্য কোন বিষয় নয়।

আপনি হাদিস বানিয়ে লিখে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন, আপনি আমার উপরের প্রশ্নের উত্তর দেন নি...আপনি তামিরুল মিল্লাতের ছাত্র হোন আর যেই হোন, আপনার হাদিস বানানোর অধিকার নেই..

০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আমি কোন হাদিস বানাই নাই। আপনি আমার বাসায় আসলে আমি আপনাকে হাদিসের কিতাব খুলে দেখাব। আমি প্রমাণ সংগ্রহে রেখেই পোণ্ট দেই। যেন হাঙ্গামা থামাতে পারি। আমার এক পাশে নেছারাবাদ কামিল মাদ্রাসা এবং অন্য পাশে ওয়াজেদিয়া কওমী মাদ্রাসা। যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসার জবরদস্ত হুজুরও আছে আমার বাসার পাশে। আমি জনে জনে আমার কথা শুনাই। কেউ আমার বিরোধীতা করে না।

৮| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:০৯

আলামিন১০৪ বলেছেন: @অগ্নি বাবা আপনি ভারতবাসী, মৃত্যুর পর আগুন দিযে পবিত্র করা হবে আপনাকে তবে লাভ হবে না...

০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৮

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: কে কোন দেশের ব্লগার সেটা আলচ্য বিষয় নয়। আমি তাঁর বাক স্বাধীনতার বিরোধীতা করি না। শালিনভাবে সবাই সবার মত প্রকাশ করতে পারা উচিত।

৯| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:২৮

আলামিন১০৪ বলেছেন: @লেখক

আপনি দুই হাদিস একত্র করে ফেলেছেন,

মুআবীয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, আমার উম্মাতের একটি দল সর্বদা আল্লাহর দীনের উপর অটল থাকবে। তাদেরকে যারা অপমান করতে চাইবে অথবা তাদের বিরোধিতা করবে, তারা তাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না। এমনকি কিয়ামত আসা পর্যন্ত তারা এ অবস্থার উপর থাকবে

সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬১; মর্যাদা ও গুণাবলী, অধ্যায় ২৮, হাঃ ৩৬৪১; মুসলিম, পৰ্ব ৩৩: ইমারাত বা নেতৃত্ব, অধ্যায় ৫৩, হাঃ ১০৩৭

মুআবীয়ার বিষয়ে আমার আপত্তি আছে, সে আলী (রাঃ) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল..

০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আমি কোন সাহাবার (রা) সমালোচনা পছন্দ করি না।

১০| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আলামিন১০৪@মুআবীয়ার বিষয়ে আমার আপত্তি আছে, সে আলী (রাঃ) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল.. । আপনার এই বিষয় নিয়ে লেখা উচিত ।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪১

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: হযরত মুয়াবিয়া (রা) রাসূল (সা।) কর্তৃক পুরস্কার প্রাপ্ত। তার সবটাই দোষ ঘপনা এমন নয়।

১১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪১

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:


প্রচারিত কোন হাদিসের ইসলামের দলিল (প্রমাণ) হওয়ার যোগ্যতা নাই

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

* হাদিস ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আমিরের শুরায় সংকলিত ও পরিশোধীত হয়ে এবং ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আমির কর্তৃক অনুমোদীত হয়ে প্রচারিত হলে এটি ইসলামের দলিল (প্রমাণ) হওয়ার যোগ্যতা লাভ করতো। ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় ৭৭ বিশ্ব আমির থাকলেও কোন হাদিসের কিতাব উক্ত আমিরগণের কারো দ্বারা অনুমোদীত নয় বিধায় প্রচারিত কোন হাদিসের ইসলামের দলিল (প্রমাণ) হওয়ার যোগ্যতা নাই।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০১। মরুবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে তাদের কেউ কেউ মুনাফিক। মদীনাবাসীদের মধ্যেও কেউ কেউ মোনাফেকী রোগে আক্রান্ত। তুমি তাদের সম্পর্কে জান না। আমরা তাদের সম্পর্কে জানি।আমারা সিগ্র তাদেরকে দু’বার শাস্তি দেব। এরপর তারা মহা শাস্তির দিকে যাত্রা করবে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছে তার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য, তারা শপথ করেই বলবে তারা ভাল কিছু করার জন্যই ওটা করেছে; আর আল্লাহ সাক্ষি দিচ্ছেন নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।

* ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মোনাফেক মহানবি (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) নামে মিথ্যা হাদিস প্রচার কারায় এবং কে মোনাফেক সেটা আল্লাহ ছাড়া কেউ না জানায় হাদিসের কোন রাবীকে সহিহ বলার সুযোগ নাই। সুতরাং হাদিস বিষয়ে আমির ও আমিরের শুরার শর্ত যোগ না করে উপায় নাই। তাহলে ইসলামের দলিল (প্রমাণ) কি?

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ২ বাকারা, ৩৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৪। আর যখন আমরা ফেরেশতাগণকে বলেছিলাম, তোমরা আদমকে সিজদা কর তখন ইবলিশ ছাড়া সবাই সিজদা করে ছিল। সে অগ্রাহ্য করলো, আর অহংকার করলো এবং কাফেরদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেল।

* আল্লাহ ফিকাহ দ্বারা ভয় প্রদর্শন করার এবং ফিকাহ দ্বারা সাবধান হওয়ার হুকুম জারি করায় আখারিনের শুরায় সংকলিত এবং আমিরের শুরায় পরিশোধীত ও আমির কর্তৃক অনুমোদীত ফিকাহ ইসলামের দলিল (প্রমাণ)।আল্লাহ এবং তাঁর আয়াতে সাব্যস্ত এমন ফিকাহের পরিবর্তে উপস্থাপিত আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল। এমন ফিকাহ অস্বীকার অহংকার ও কুফুরী।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

* এমন ফিকাহ বিরোধীরা বিভিন্ন পথ অনুসরন করে জাহান্নামে চলে যায়। আল্লাহ এবং তাঁর আয়াতে গঠিত ফিকাহ হলো হানাফী ফিকাহ। এটি আখারিন ইমাম আবু হানিফা (র.) ও তাঁর ছাত্রদের শুরায় সংকলিত হয়ে ইব্রাহীম (আ.) বংশীয় আমির হারুনুর রশিদের শুরায় পরিশোধীদ হয়ে ইব্রাহীম (আ.) বংশীয় আমির হারুনুর রশিদ কর্তৃক অনুমোদীত হয়। হানাফী ফিকাহ ছাড়া বিভিন্ন পথ দেখানো অন্যান্য ফিকাহ এবং হাদিসের কিতাব ইব্রাহীম (আ.) বংশীয় কোন আমির কর্তৃক অনুমোদীত নয় বিধায় সেসব ফিকাহ ও হাদিসের কিতাব বাতিল। সেই সব ফিকাহ ও হাদিসের কিতাবে বিভিন্ন পথে যারা চলে তারা তাদের সেই সব বিভিন্ন পথে জাহান্নামে চলে যায়।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪২

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: পোষ্টের সহায়ক হিসাবে এ মন্তব্যটিও যোগ করলাম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.