| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৯৬ আলাক, ১ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন
২।সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ হতে
৩। পড় তোমার রব মহামহিমাম্বিত
৪। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
* আল্লাহ ফিকাহ দিয়ে ভয় প্রদর্শন করতে ও সাবধান হতে আদেশ দিয়েছেন। কলমের দ্বারা এর শিক্ষার ব্যবস্থা করা জরুরী ছিল। যেন লিখিত ফিকাহ দেখে দেখে আল্লাহর বান্দাগণ আল্লাহর আদেশ পালন করতে পারেন। রাসূলের (সা.) জন্য রেসালাতের দায়িত্ব কঠিন ছিল বিধায় আল্লাহ লিখিত ফিকাহের দায় থেকে তাঁকে দায়মুক্তি দিয়েছেন। কিন্তু সাহাবায়ে কেরামের (রা.) এ বিষয়ে দায়মুক্তি না থাকায় লিখিত ফিকাহ উপন্থাপনের দায়িত্ব পালন না করায় রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের সময় থেকেই তাঁরা মতভেদে লিপ্ত হন।পরবর্তী একশত বছর তাঁরা এ মতভেদের চক্রভেদ করতে পারেননি।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
* রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের চব্বিশ বছরেও লিখিত ফিকাহ উপস্থাপিত হয়নি। এতে সাহাবায়ে কেরাম (রা.)পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজরে নিহত হন। আল্লাহ তাঁদের পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত না হওয়ার ইচ্ছ করেননি। এতে সাহাবায়ে কেরাম (রা.) মুমিন থাকলেও তাঁদের উপর অস্ত্র ধারণ করা অন্যান্যরা কাফের হয়ে গেছে। রাসূলের (সা.)ইন্তেকালের বায়ান্ন বছর পর কারবালায় রাসূলের (সা.) প্রিয়তম নাতি হযরত ইমাম হোসেন (রা.) তাঁর প্রতিপক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি। তারা তাঁর মাথা কেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়। আল্লাহ ইমাম পরিবারের সাহায্যে কোন ফেরেশতা পাঠাননি। পাক পাঞ্জাতনের পাঁচ জনের রাসূল (সা.) ছাড়া আর চার জন অপমৃত্যুর শিকার হন।রাসূলের (সা.) প্রিয়তমা স্ত্রী উম্মুল মুমিনিন হযরত আয়শাও (রা.) জঙ্গে জামালে পরাজয়ের গ্লানির মধ্যে পড়েন।
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।
সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।
* সাহাবা (রা.) যুগ শেষ হওয়ার পরক্ষণেই আখারিনের শুরা ফিকাহ লিখনের কাজ সমাধা করেন। শুরা প্রধান ইমাম আবু হানিফা (র.) রাসূলের (সা.) সাথে মিলিত হননি। তিনি তাঁর খাদেম হযরত আনাস বিন মালেকের (রা.) সাথে মিলিত হয়েছেন। তাঁর শুরা সদস্যগণ সাহাবায়ে কেরামের (রা.) সাথে মিলিত হননি।আখারিনের শুরা প্রধান ইমাম আবু হানিফাকে (র.) ফিকাহ প্রদানের পূর্বে ব্যবসায় হিকমাত প্রদান করেন। রাসূলকে (সা.) ফিকাহ প্রদানের পূর্বেও আল্লাহ ব্যবসায় হিকমাত প্রদান করেছেন।অন্য যারা ফিকাহ উপস্থাপন করেছে তারা ব্যবসায় হিকমাত প্রাপ্ত ছিল না।
সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।
* ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আহলে বাইত আব্বাসীয় আমির হারুনুর রশিদের শুরা ইমাম আবু হানিফার (রা.) শুরার ফিকাহ পরিশোধন করলে আমির তা’ অনুমোদন করেন। ইমাম আবু হানিফার (রা.) শুরার প্রধান সদস্য ইমাম আবু ইউসুফ (র.) ছিলেন আমিরের শুরার প্রধান।
সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।
সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
* আল্লাহ এবং তাঁর আয়াতে সাব্যস্ত হানাফী ফিকাহ আল্লাহর সুন্নাত। এর পরিবর্তে আয়াত মানসুথ এবং হাদিস বাতিল।
সূরাঃ ২ বাকারা, ৩৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৪। আর যখন আমরা ফেরেশতাগণকে বলেছিলাম, তোমরা আদমকে সিজদা কর তখন ইবলিশ ছাড়া সবাই সিজদা করে ছিল। সে অগ্রাহ্য করলো, আর অহংকার করলো এবং কাফেরদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেল।
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।
* পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে যারা আল্লাহর সুন্নাত হানাফী ফিকাহের অনুসরন না করে মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিসের অনুসরন করে তারা তাদের অহংকারের কারণে কাফের হয়ে আল্লাহর সিরাতাম মুসতাকিম ছেড়ে বিভিন্ন পথে জাহান্নামে চলে যায়।আমি আইসিটি হিকমাত প্রাপ্ত এবং আমি এর শিক্ষক। আল্লাহ আমাকেও ফিকাহ দান করেছেন। আমি একটা শুরা প্রাপ্ত হলে এবং মুসলিমগণ আমাকে প্রয়োজনীয় টাকা সরবরাহ করলে আমি আমার ফিকাহের লিখিত রূপ উপস্থাপন করতে সক্ষম হব- ইনশাআল্লাহ।এটা তাদের ঈমানের হেফাজতে জরুরী। আমি আমার ফিকাহের নাম দিয়েছি- জান্নাতের পথ। শুরা দ্বারা এর পরিশোধন ব্যয় হবে অনেক টাকা। টাকা না পেলে এটি অপরিশোধীত থেকে যাবে।আর একজনের কথা ফিকাহ হয় না। এটা ফিকাহ হতে পরিশোধন লাগবেই।একাজে বড় আলেমগণের সহায়তা পেতে কি পরিমাণ টাকার প্রয়োজন সেটা সবার ভেবে দেখা দরকার। আর বড় টাকা ছাড়া তো বড় আলেম পাওয়াও যায় না। আর অনেক বড় আলেমতো বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন। শুরা যদি বলেন, তাঁদের মত ছাড়া ফিকাহ হবে না, তাহলে তাঁদের মতামত গ্রহণ না করে উপায় কি? আর এ সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ব্যয়ও অনেক হবে। আলেমগণের থাকা থাওয়ার ব্যবস্থা করা না গেলে তাঁদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা পাওয়া যাবে না। কেউ কি অনুমাণ করতে পারেন এতে কতটাকা লাগতে পারে। গাজা ধ্বংস হলো আল্লাহ ফেরেশতা পাঠালেন না। এভাবে আল্লাহর ক্রোধ বাড়িয়ে তুললে সেটা মুসলিমের জন্য মঙ্গল জনক হবে না।
©somewhere in net ltd.