| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৬ আনআম, ১১৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৬। যদি তুমি দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কথামত চল তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ হতে বিচ্যুত করবে। তারা তো শুধু অনুমানের অনুসরন করে: আর তারা শুধু অনুমান ভিত্তিক কথা বলে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৬। দীন গ্রহণের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি নেই। নিশ্চয় হিদায়াত স্পষ্ট হয়েছে ভ্রষ্টতা থেকে। অতএব, যে ব্যক্তি তাগূতকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, অবশ্যই সে মজবুত রশি আঁকড়ে ধরে, যা ছিন্ন হবার নয়। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।
সূরাঃ ৯৬ আলাক, ১ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন
২।সৃষ্টি করেছেন মানুষকে আলাক হতে
৩। পড় তোমার রব মহামহিমাম্বিত
৪। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।
* অধিকাংশ লোকের কথা আল্লাহর পথ হতে বিচ্যুত করে বিধায় অধিকাংশ লোকের কথা গণতন্ত্রের মাধ্যমে শরিয়া আইন চালু করা শরিয়ত সম্মত নয়। ওহী অনুযায়ী কাজ করা রাসূল (সা.) লিখিত সনদের (মদীনা সনদ) মাধ্যমে শরিয়া আইন চালু করেছেন। শরিয়া আইন ইসলাম ধর্মীয় বিষয় এবং ইসলাম ধর্মীয় বিষয় অন্য ধর্মের লোকদের উপর জোর করে চাপানো যায় না বিধায়। মদীনা সনদে মদীনার ইহুদী ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সম্মতি স্বাক্ষর গ্রহণ করেছেন। রাসূল (সা.) শরিয়া আইন চালু করেছেন রেসালাতের মাধ্যমে। এখন শরিয়া আইন চালু করতে হবে খেলাফতের মাধ্যমে। আর খেলাফতে রাষ্ট্রের বিশিষ্ট জনের বায়াত লাগে। হযরত আবু বকরের (রা.) খেলাফতে হযরত আলীর (রা.) বায়াত বাকী থাকায় হযরত ওমর (রা.) তাঁকেও হযরত আবু বকরের (রা.) হাতে বায়াত করিয়েছেন। শরিয়া আইন চালু করতে চরমোনাই পীরকে আগে বাংলাদেশের খলিফা হতে হবে। খলিফা হতে তাঁকে বাংলাদেশের বিশিষ্ট জনদের বায়াত গ্রহণ করতে হবে। বর্তমাণ পরিস্থিতিতে তিনি প্রথমে প্রধান উপদেষ্টা, রাষ্ট্রপতি ও সেনা প্রধানের বায়াত গ্রহণ করবেন। তারপর নিবন্ধিত সকল রাজনৈতিক দলের বায়াত গ্রহণ করবেন। হযরত আলীর (রা.) মত রাষ্ট্রের কোন পক্ষ তাঁর খেলাফতের বিরোধীতা করলে তিনি তাদেরকেও বুঝিয়ে-শুনয়ে তাদের বায়াত গ্রহণ করবেন। এভাবে খলিফা নিযুক্ত হয়ে বাংলাদেশ সনদ তৈরী করে তাতে বাংলাদেশের হিন্দু, বোদ্ধ ও খ্রিস্টানদের সম্মতি স্বাক্ষর নিবেন। সবকাজ শেষে তিনি দশে শরিয়া আেইন চালু করবেন। বায়াতের মাধ্যমে খলিফা না হয়ে গণতন্ত্রের হারাম পদ্ধতিতে চরমোনাই পীর কোন শরিয়া আইন চালু করার কথা বলছেন? শরিয়া আইন তো চরমোনাই তরিকায় চালু করলে হবে না। এটা করতে হবে শরিয়ত সস্মত পদ্ধতিতে। হারাম পদ্ধতিতে শরিয়া আইন চালুর কথা বলছে বিধায় চরমোনাই পীরের দলকে ভোট দেওয়া হারাম।
২|
২৮ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার লেখাটা পড়ে বুঝলাম আপনি চরমোনাই পীরকে ডিবাঙ্ক করতে চাইছেন। কিন্তু সমস্যা হলো, আপনি নিজেই ভুল তথ্য দিয়ে ফেলেছেন। প্রথমত, আপনি বলেছেন খেলাফত ছাড়া শরিয়া চালু করা যায় না- এটা কোন ইসলামী স্কলার বলেছেন? কোন কিতাবে আছে? বাস্তবতা হলো সৌদি আরবে ১৯৩২ সাল থেকে শরিয়া চালু আছে অথচ কোনো খেলাফত নেই। পাকিস্তানে ১৯৫৬ সাল থেকে ইসলামী সংবিধান চালু, সেখানেও খেলাফত নেই। ইরান, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, UAE সহ আরো অনেক দেশে শরিয়া আছে কিন্তু খেলাফত নেই।
দ্বিতীয়ত, আপনি বলেছেন হারাম পদ্ধতিতে শরিয়া চালু করা যায় না। তাহলে বর্তমান গণতন্ত্র, সংসদ, আদালত কি হালাল পদ্ধতিতে এসেছে? এই যুক্তি দিলে তো দেশে কিছুই করা যায় না! তৃতীয়ত, আপনি বলেছেন বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ আছে - এটা ঠিক, কিন্তু এখনই তো হিন্দু আইন, খ্রিস্টান আইন, বৌদ্ধ আইন আলাদা চালু আছে পারিবারিক বিষয়ে, তাহলে সমস্যা কোথায়? আর চরমোনাই পীরের রেফারেন্স দিয়ে আইনি-রাজনৈতিক বিষয় ব্যাখ্যা করা তো একদম হাস্যকর।
আসল কথা হলো, চরমোনাই পীর যদি ভুল বলে থাকেন, তাহলে সরাসরি বলুন যে বাংলাদেশ একটা বহুত্ববাদী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, জোর করে ধর্মীয় আইন চাপানো সংবিধানবিরোধী, এবং ধর্ম ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয়, রাষ্ট্রীয় জবরদস্তির নয়। কিন্তু মনগড়া খেলাফত থিওরি বানিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না। একটা ভুলকে আরেকটা ভুল দিয়ে কাউন্টার করা যায় না।
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:২৫
আলামিন১০৪ বলেছেন: আল্লাহকে ভয় করুন-
যে ব্যক্তি অণু পরিমাণ সৎকর্ম করবে তা সে প্রত্যক্ষ করবে আর অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তা সে দেখবে-
আপনি মুসলিমদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করছেন নিজের মনের মাধুরী মিশিয়ে-
সাবধান
বাইয়াত আর ভোট/সমর্থনের পার্থক্য কী? আপনাকে জনগণের সমর্থন/প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতির বাইরে গিয়ে শরীয়া কায়েম করতে হলে সশস্ত্র সংগ্রাম করতে হবে আর এতে ফিতনার সৃষ্টি হবে- বোকো হারাম হতে চান? ফিতনা হত্যা অপেক্ষা গুরুতর
গণতন্ত্র/এদেশের সংবিধান বহির্ভূত পদ্ধতিতে শরীয়া কায়েম করতে হলে ফিতনা অবশ্যম্ভাবী- আপনারা নিশ্চয়ই গর্দভ