| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৩। তোমরা একত্রে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে ধর! আর বিচ্ছিন্ন হবে না। তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর।যখন তোমরা শত্রু ছিলে তখন তিনি তোমাদের অন্তরে প্রীতি সঞ্চার করেছেন, ফলে তাঁর দয়ায় তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে গেলে।তোমরাতো অগ্নি কুন্ডের প্রান্তে ছিলে, আল্লাহ উহা হতে তোমাদেরকে রক্ষা করেছেন। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নিদর্শনসমূহ স্পষ্টভাবে বিবৃতকরেন যাতে তোমরা সৎপথ পেতে পার।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।
* উপরোক্ত তিনটি আয়াতের ভিত্তিতে চতুর্থ আয়াতের সত্যকথাটি হলো-হাবলিল্লাহ বা আল্লাহর রজ্জু বা দড়ি হলো অভিন্ন ফিকাহ। সুতরাং যে কোন একটি ফিকাহ মেনে জান্নাতে যাওয়া যাবে এটা মূলত মিথ্যা কথা।
সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
সূরাঃ ৯৬ আলাক, ১ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন
২।সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ হতে
৩। পড় তোমার রব মহামহিমাম্বিত
৪। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৮৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮৬। আল্লাহ কারো উপর এমন কোন কষ্ট দায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না যা তার সাধ্যাতীত।সে ভাল যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। সে মন্দ যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। হে আমাদের প্রতিপালক যদি আমরা ভুলে যাই অথবা আমাদের ত্রুটি হয় তবে আমাদেরকে পাকড়াও করো না। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের পূর্ববর্তিগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করবেন না।হে আমাদের প্রতিপালক এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই।আমাদের পাপ মোছন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে জয়যুক্ত করুন।
* কোরআনে মানসুখ থাকায় কোরআন পড়বেন, কিন্তু মানবেন কলমের সাহায়্যে শিক্ষা দেওয়া অভিন্ন ফিকাহ। কারণ এটা আল্লাহর সুন্নাত। এটি লিখিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত যাঁরা রাসূলের (সা.) অলিখিত ফিকাহ মেনেছেন তাঁরা ক্ষমাপ্রাপ্ত।
সূরাঃ ২৫ ফুরকান, ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৩। উহারা তোমার নিকট এমন কোন সমস্যা উপস্থিত করে না যার সঠিক সমাধান ও সবচেয়ে সুন্দর তাফসির আমরা তোমাকে দান করি না।
সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?
* কোরআনের সবচেয়ে সুন্দর তাফসির আল্লাহ করেছেন বিধায় মানব রচিত তাফসির থেকে দূরে থাকুন। নিজের ইবাদত বাতিল করতে না চাইলে আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের গঠিত অভিন্ন ফিকাহের পরিবর্তে কোন হাদিসে বিশ্বাস করবেন না।
সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।
সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।
* ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আমির হযরত ওসমানের (রা.) শুরায় লিখিত কোরআন পড়ুন। আখারিন ইমাম আবু হানিফার (র.) শুরায় লিখিত ফিকাহ পাঠ করুন।কারণ আমির ওসমান (রা.) ও আখারিন ইমাম আবু হানিফার (র.)মধ্যখানে আর কোন ফিকাহ নাই।
সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।
* আব্বাসীয় আহলে বাইত হারুনুর রশিদের শুরায় পরিশোধীত ও আব্বাসীয় আহলে বাইত হারুনুর রশিদ অনুমোদীত অভিন্ন ফিকাহ মানবেন। কারণ আল্লাহ অভিন্ন ফিকাহের জন্য যাঁকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করলেন তাঁর অনুমোদীত অভিন্ন ফিকাহ অমান্য করার মূলত কোন কারণ নাই। আর আখরিনের শুরার প্রধান সদস্য আদিল ইমাম আবু ইউসুফ (র.) আব্বাসীয় আহলে বাইত হারুনুর রশিদের শুরার প্রধান হওয়ায় উভয় শুরায় যোগূত্র আছে।
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।
* অভিন্ন ফিকাহের হিকমাত হলো- রাসূলের (সা.) উম্মী অনুসারী সাহাবায়ে কেরাম (রা.)। তাঁরা কিতাব ও সামরিক হিকমাত সম্পন্ন ছিলেন। রাসূল (সা.) ছিলেন, পশুপালন, ব্যবসায়, সামরিক ও চিকিৎসা হিকমাত ও কিতাবের জ্ঞান সম্পন্ন। হযরত ওসমান (রা.) ছিলেন, ব্যবসায় ও সামরিক হিকমাত ও কিতাবের জ্ঞান সম্পন্ন। ইমাম আবু হানিফা (র.) ছিলেন, ব্যবসায় হিকমাত ও কিতাবের জ্ঞান সম্পন্ন। ইমাম আবু ইউসুফ (র.)ছিলেন বিচারিক হিকমাত ও কিতাবের জ্ঞান সম্পন্ন। হারুনুর রশিদ ছিলেন সামরিক হিকমাত ও কিতাবের জ্ঞান সম্পন্ন। পাঁচ জনের প্রথম জন রাসূল (সা.)। দ্বিতীয় জন আমির। তৃতীয় জন ফকিহ। চতুর্থ জন আদিল।পঞ্চম জন আমির। প্রথম জন রাসূল (সা.)। দ্বিতীয় জন উম্মী। অবশিষ্ট তিনজন আখারিন। পাঁচ জনই শুরা প্রধান। প্রথম জন রেসালাতের শুরা প্রধান। দ্বিতীয় জন ইমারাতের শুরা প্রধান। তৃতীয় জন ফিকাহাতের শুরা প্রধান। চতুর্থ জন আদালতের শুরা প্রধান। পঞ্চম জন ইমারতের শুরা প্রধান। প্রথম জন উপস্থাপন করেছেন অলিখিত কোরআন ও ফিকাহ। দ্বিতীয় জন উপস্থাপন করেছেন লিখিত কোরআন। তৃতীয় জন উপস্থাপন করেছেন লিখিত ফিকাহ। চতুর্থ জন জন লিখিত ফিকাহের পরিশোধক। পঞ্চম জন লিখিত ফিকাহের অনুমোদক। প্রথম, দ্বিতীয় ও পঞ্চম জন ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় বিশ্ব ইমাম। প্রথম জন রাসূল (সা.)। দ্বিতীয় ও পঞ্চম জন আমির। পাঁচ জন একসূত্রে গাঁথা। সেইটা হলো হাবলিল্লাহ বা আল্লাহর দড়ি। যা ছেড়ে দিলেই জাহান্নাম। হাবলিল্লাহ বিষয়ে আমি সত্য বলে থাকলে এ বিষয়ে আমার সাথে থাকা সকল মুসলিমের জন্য ফরজ।
©somewhere in net ltd.