| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরাঃ ১৬ নাহল, ১২৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৫।ডাক তোমার রবের পথে, হিকমাত ও উত্তম ওয়াজের মাধ্যমে। আর তাদের সাথে তর্ক কর উত্তম পন্থায়। নিশ্চয়ই তোমার রব খুব জানেন কে তাঁর পথ ছেড়ে পথভ্রষ্ট হয়। আর তিনি খুব জানেন কোন সব লোক হেদায়াত প্রাপ্ত।
* উত্তম ওয়াজ হলো অভিন্ন ফিকাহ মানতে বলার ওয়াজ। এটি আল্লাহর ওয়াজ বিধায় এটি উত্তম ওয়াজ। কোরআন-হাদিস মানার ওয়াজ ভুল ওয়াজ কেন?
সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।
সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?
* কোরআন এবং এর বিবরণ হগাদিসে মানসুখ থাকায় আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতে গঠিত অভিন্ন ফিকাহের পরিবর্তে কোরআন মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়। সেজন্য অভিন্ন ফিকাহ মানার ওয়াজের পরিবর্তে কোরআন-হাদিস মানতে বলার ওয়াজ একটি ভুল ওয়াজ। সেই সাথে বিভিন্ন ফিকাহের যে কোন একটি মানতে বলার ওয়াজও ভুল ওয়াজ।
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।
সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।
সূরাঃ ২৮ কাসাস, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। আমরা মুসার মায়ের নিকট ওহী পাঠালাম তাকে দুধপান করাতে। যখন তুমি তার বিষয়ে কোন আশংকা করবে তখন তাকে দরিয়ায় নিক্ষেপ করবে। আর ভয় করবে না ও দুঃখ করবে না।আমি অবশ্যই তাকে তোমার নিকট ফিরিয়ে দেব।আর তাকে রাসুলদের একজন করব।
* উম্মী শুরার অলিখিত ফিকাহের পর আখারিনের লিখিত ফিকাহ মানা হলো আল্লাহর বিধান। আখারিন শুরার লিখিত ফিকাহের প্রধান ইমাম আবু হানিফা (র.) আল্লাহর অনুগ্রহ হিসাবে ব্যবসায় হিকমাত প্রাপ্ত ছিলেন। অলিখিত ফিকাহের প্রধান মহানবিও (সা.) ফিকাহ পাওয়ার পূর্বে আল্লাহর অনুগ্রহ হিসাবে ব্যবসায় হিকমাত প্রাপ্ত ছিলেন। অলিখিত ফিকাহের শুরার প্রধান রাসূল (সা.) ওহীয়ে মাতলু ও ওহীয়ে গাইরে মাতলু প্রাপ্ত ছিলেন। লিখিত ফিকাহের শুরা প্রধান ইমাম আবু হানিফাও (র.) হযরত মুসার (আ.) মায়ের মত অলিখিত ফিকাহ প্রাপ্ত ছিলেন। সূরা জমুয়ার ৩ নং আয়াত অনুযায়ী আখারিনের শুরা প্রধান ইমাম আবু হানিফা (র.) উম্মীগণের শুরা প্রধান রাসূলের (সা.) সাথে মিলিত হননি। আর উম্মীগণের সাথে মিলিত হননি আখারিনের সূরা সদস্যগণ। আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতে গঠিত শুরা বিধায় এটি লিখিত ফিকাহের সঠিক শুরা। কোরআনের সাথে শতভাগ মিলের আর কোন আখারিনের শুরা না থাকায় এ শুরায় লিখিত ফিকাই আল্লাহর বিধান লিখিত ফিকাহ।
সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।
* ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় বিশ্ব ইমাম আমির হারুনুর রশিদের শুরায় ইমাম আবু হানিফার (র.) শুরায় লিখিত ফিকাহ পরিশোধীত হয়ে আমির হারুনুর রশিদ কর্তৃক অনুমোদীত হলে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এর অনুসারী হয়। একতৃতীয়াংশ মুসলিম অন্য যে ফিকাহ ও হাদিসের অনুসারী হয়ে হানাফিদের সাথে মতভেদে লিপ্ত তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে। তারা বিভিন্ন পথে চলে আল্লাহর সিরাতাম মুসতাকিম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে জাহান্নামের যাত্রী হয়। প্রায় সকল মুসলিম কোরআন-হাদিস মানার কথা বলে। কিছু সংখ্যক কোরআন মানার কথা বলে। তথাপি তাদের বিভিন্ন দলে বিভক্ত থাকার কারণ তারা আখারিনের অভিন্ন ফিকাহ মানে না। মুসলিমের এখন সবচেয়ে ভাববার বিষয় এ অভিন্ন ফিকাহ। আর তাদের ওয়াজের বিষয়ও হলো এ অভিন্ন ফিকাহ মানার ওয়াজ। কোরআন ও হাদিসের ওয়াজ হলো জানার ওয়াজ। অভিন্ন ফিকাহের ওয়াজ হলো মানার ওয়াজ। আর এটাই হলো উম্মম ওয়াজ। যারা ওয়াজ করে তারা এ ওয়াজ করলে মুসলিম জাতি সবচেয়ে বেশী উপকৃত হবে।
২|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৩৩
রানার ব্লগ বলেছেন: বাংলাদেশের কোন ওয়াজ শুদ্ধ বা সহীহ না। সব ধান্দাবাজির খেলা।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:১৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: কোরআন-হাদিস মানার ওয়াজ ভুল ওয়াজ কেন?
.............................................................................
কোরআন বুঝলে এবং এর সঠিক অর্ন্তনিহিত কথা বুঝলে
আবার হাদিস কেন ?
আমার জ্ঞান মতে হাদিস এক একজন তার মতো করে ব্যাখ্যা
করেছে, সেখান থেকে কিছু বিষয়ে সাপোর্ট হিসাবে
দেখা যেতে পারে , তবে কোরআনের বক্তব্যই সর্বত্তোম
তাই ওয়াজকে আমি কখোনই গুরুত্ব দিতে পারছিনা ।
................................................................................
হাদিস মানুষের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করতে পারে,
তাই সব হাদীস পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিলো যা
পরবর্তী ২০০ বৎসর পর আবার আবির্ভাব হয় !!?