| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।
সূরাঃ ২৫ ফুরকান, ৭৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭৪। আর যারা প্রার্থনা করে, হে আমাদের প্রতি পালক! আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি দান কর যারা হবে আমাদের জন্য নয়ন প্রীতিকর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্য ইমাম কর।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।
সূরাঃ ১০১ কারিয়া, ৬ নং ও ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। তখন যার (নেকের)পাল্লা ভারী হবে
৭। সেতো লাভ করবে সন্তোষ জনক জীবন।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৬। দ্বীনের মধ্যে কোন জবরদস্তি নেই। নিশ্চয়ই ভ্রন্তি খেকে সঠিক পথ প্রকাশ হয়েছে। অতএব যে লোক তাগুতের বিরোধিতা করবে এবং আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করবে সে দৃঢ়তর রজ্জুকে শক্ত করে ধরলো যা কখনো ছিঁড়ে যাবে না এবং আল্লাহ হলেন সর্বশ্রোতা মহাজ্ঞানী।
সূরাঃ ৪ নিসার ৭৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭৫। তোমাদের কি হলো, তোমারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করছো না? অথচ নারী-পুরুষের এবং শিশুদের মধ্যে যারা দূর্বল তারা বলে, হে আমাদের রব আমাদেরকে অত্যাচারী অধিবাসীদের এ নগর থেকে বের করে দিন। আর আপনার কাছ থেকে আমাদের জন্য ওলী (অভিভাবক) এবং আপনার কাছ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী পাঠান।
সূরাঃ ৪২ শূরা, ১৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৩। তিনি তোমাদের জন্য বিধিবদ্ধ করেছেন দ্বীন। যার নির্দেশ তিনি দিয়েছিলেন নূহকে। আর যা আমি ওহী করেছি তোমাকে। আর যার নির্দেশ দিয়ে ছিলাম, ইব্রাহীম, মূসা ও ঈসাকে, এই বলে যে, তোমরা দ্বীনকে কায়েম কর। আর তাতে মতভেদ করবে না।তুমি মুশরিকদেরকে যার প্রতি আহবান করছ তা’ তাদের নিকট দূর্বহ মনে হয়। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা দ্বীনের প্রতি আকৃষ্ট করেন। আর যে তাঁর অভিমুখী তাকে তিনি দ্বীনের দিকে পরিচালিত করেন।
সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?
সূরাঃ ১০ ইউনুস, ৬২ থেকে ৬৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬২। সাবধান! আল্লাহর আওলিয়াদের কোন ভয় নেই।আর তারা দুঃখিতও হবে না।
৬৩। যারা ঈমান আনে এবং তাকওয়া অবলম্বন করে
৬৪। তাদের জন্য আছে সুসংবাদ দুনিয়া ও আখিরাতে। আল্লাহর বাণীতে কোন পরিবর্তন নেই; উহাই মহাসাফল্য।
* ইসলামের শুদ্ধ সূত্র হলো- আল্লাহ + রাসূল + আমির + ওলামা + শুরা + ইমাম + আউলিয়া + সত্যবাদী + বিপরীত হাদিস ও এর অনুসারী বাতিল। শুদ্ধ সূত্রের বক্তা আল্লাহ এবং এর উপস্থাপক আউলিয়া।
কে রাসূল (সা.) সেটা আল্লাহ বলেছেন। কে আমির সেটা বলেছে ওলামার শুরা। তাঁরা হলেন সাহাবা। তাঁদের মধ্যে কিতাব এবং সামরিক হিকমাত ছিল। সাহাবার পর ওলামা হলেন মোত্তাকীদের ইমাম। তাঁদের মধ্যে কিতাব এবং ইমামাত হিকমাত আছে। হিকমাত ছাড়া কেউ আলেম হয় না। কিতাবের সাথে হিকমাত যোগ হলে কেউ আলেম বা জ্ঞানী হয়। তখন তারা কোনটা সঠিক সেটা বুঝতে পারে। সাহাবার পর তাঁরা বলবেন কে আমির? ইসলামের সঠিক তথ্যের উপস্থাপকের থাকবে কিতাবের সাথে আইসিটি হিকমাত।তারা আউলিয়া।আগে আইসিটির স্থানে ছিল কাশফ। আইসিটি আসারপর কাশফ উঠে গেছে। সেজন্য এখন যারা আউলিয়া দাবিদার তারা অনেক ভুল-ভাল কথা বলে।যেমন চরমোনাই। তারা বলল, তাদের একশত তেতাল্লিশ সীট এ গ্রেড। অথচ তাদের এ গ্রেডের অনেক আসনে তারা জামানত হারিয়েছে।
এখন কে আমির সেটা বলবে মোত্তাকীদের ইমাম গণের শুরা। তারা দেশের তিনশত আসনে একজন করে সাংসদ নির্বাচিত করে শুরা গঠন করবে।শুরার পাল্লাভারী জামায়াত আমির পদে মননীতগণ থেকে একজন আমির নির্বাচিত করবেন। সেই আমির নিরপেক্ষ জাতীয় সংনদ নির্বাচনে ইসলামের পক্ষে প্রার্থী মননয়ন দেবেন। ইসলামে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নাই। নিরপেক্ষ নির্বাচনে জরবদস্তি না থাকায় ইসলাম এটি অনুমোদন করে। অধিকাংশ ভোটার আমির মনোনীত প্রার্থীকে ভোট না দিলে তাদেরকে এরজন্য জবাবদিহি করতে হবে। যারা নিরপেক্ষ নির্বাচনকে হারাম বলে তারা তাদের মতে যেইটা হালাল সেইটা তারা করে না। এরা মিথ্যাবাদী। মুসলিমগণ এদের সঙ্গ ত্যাগ করবেন। জনগণ আমির মনোনীত প্রার্থীগণকে সরকার গঠন করার মত সংখ্যায় নির্বাচীত করলে তারা প্রথমে ইনসাফ কায়েম করবে।কারণ জুলুমে দ্বীন কায়েম করা যায় না। জুলুম রোধ করা না যাওয়ায় আল্লাহ যাদেরকে দ্বীন কায়েম করতে বলেছেন তাঁদের অনেকে দ্বীন কায়েম না করেই পৃথিবী ছেড়েছেন। দ্বীন কায়েম করতে না পারলেও এর চেষ্টা করলে আল্লাহ দ্বীন কায়েমের দায়মুক্তি প্রদান করেন। আল্লাহ এবং তাঁর আয়াতে সাব্যস্ত কথার পরিবর্তে যারা অন্য কথা বলে তারা এবং তাদের অনুসারিরা বাতিল।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:১৫
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: মূলনীতি- কোরআন, হাদিস, ইজমা, কিয়াছ এবং সূত্র -আল্লাহ, রাসূল (সা), আমির, ওলামা, শুরা, ইমাম, সাদেকিন (সত্যবাদীগণ)।
২|
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:৪১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কায়কোবাদের চেয়ে আপনাকে ধর্মমন্ত্রী করলে বেশি ভালো হতো। উনাকে আমার পছন্দ না।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:১৬
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: তিনি জনাব তারেক রহমানের পছন্দ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:৩৯
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মুল্যবান পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ ।
শিরোনামের সাথে মিল রেখে একটু আলোচনা শেয়ার করে যেতে চাই। ভুল হলে দয়া করে ঠিক করে দিবেন।
ইসলামে শুদ্ধ সূত্র বলতে বুঝে থাকি সেই সব মূল উৎস, যেগুলোর উপর ভিত্তি করে ইসলামের বিশ্বাস
(আকীদা), আইন (শরীয়াহ), নৈতিকতা ও জীবনব্যবস্থা নির্ধারিত হয়।
জানা মতে ইসলামী শিক্ষাবিদদের মতে ইসলামের প্রধান ও গ্রহণযোগ্য সূত্রগুলো হলো:
১. আল-কুরআন সর্বপ্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ শুদ্ধ উৎস।এটি আল্লাহর বাণী, যা নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর উপর ওহীর
মাধ্যমে নাযিল হয়েছে। ইসলামের সব বিশ্বাস ও বিধানের মূল ভিত্তি।এতে কোনো পরিবর্তন বা বিকৃতি নেই
মুসলমানরা এটিকে সম্পূর্ণ সংরক্ষিত গ্রন্থ মনে করেন। তাই কোনো বিষয়ে প্রথমে কুরআনের নির্দেশ দেখা হয়।
২. সহীহ হাদিস এটি দ্বিতীয় প্রধান শুদ্ধ উৎস।রাসুল মুহাম্মদ (সা.)-এর কথা, কাজ, অনুমোদন ও জীবনাচরণ।
কুরআনের ব্যাখ্যা ও বাস্তব প্রয়োগ হাদিসের মাধ্যমে বোঝা যায়।তবে সব হাদিস সমান নয় যাচাই করা সহীহ
(বিশুদ্ধ) হাদিস গ্রহণযোগ্য।বিশেষভাবে নির্ভরযোগ্য হাদিসগ্রন্থ যেমন:সহীহ আল বুখারীসহীহ মুসলিম।
৩. ইজমা তথা উলামাদের ঐকমত্যও সুদ্ধ সুত্রের মধ্যে গন্য ।কোনো বিষয়ে কুরআন ও হাদিসে সরাসরি
নির্দেশ না থাকলে,যুগের বিশিষ্ট আলেমদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তকে ইজমা বলা হয়।
এটি ভুল ব্যাখ্যা থেকে মুসলিম সমাজকে রক্ষা করে।
৪. কিয়াস তথা তুলনামূলক যুক্তিকেই গন্য করা যায়। যেখানে কোন নতুন সমস্যার সমাধান কুরআন-হাদিসের
মূলনীতির সাথে তুলনা করে নির্ধারণ করা।
শুভেচ্ছা রইল