| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।
* আল্লাহর পূর্ব বিধান রাসূলের (সা.) প্রতি আল্লাহর ক্ষমা। তথাপি আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে রাসূলের (সা.) তেত্রিশ বছর বয়সি হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলায় আল্লাহ মাওলা আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইতকে মানুষের হাত থেকে রক্ষা করেননি।হযরত আলী (রা.), তাঁর স্ত্রী হযরত ফাতেমা (রা.), হযরত ইমাম হাসান (রা.) ও হযরত ইমাম হোসেন (রা.) নিহত হয়েছেন।তাঁদের আহলে বাইতের একটি ধারা বিভিন্ন শিয়ায় বিভক্ত হয়েছে। আল্লাহ তাঁদের হত্যার ব্যবস্থা করেছেন। ইদানিং তাঁদের আহলে বাইত আলী খামেনী নিহত হয়েছেন। আল্লাহর মাওলা এক লক্ষ অথবা দুই লক্ষ পয়গম্বর চল্লিশ বছর বয়সে মাওলার দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছেন। শুধু হযরত ঈসা (আ.) চল্লিশের কম বয়সে মাওলার দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছেন এবং তাঁকে আল্লাহ নিজের কাছে তুলে নিয়েছেন। হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইতকেও আল্লাহ নিজের কাছে তুলে নিচ্ছেন।
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ৪০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪০। যদি তোমরা তাঁকে সাহায্য না কর, তবে আল্লাহতো তাঁকে সাহায্য করেছিলেন যখন কাফিরগণ তাঁকে ধাওয়া করেছিল (হত্যা করার জন্য), আর তিনি ছিলেন দু’জনের মধ্যে দ্বিতীয় জন। যখন তাঁরা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিলেন, তিনি তখন তাঁর সঙ্গিকে বলেছিলেন, তুমি বিষণ্ন হয়ো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।অতঃপর তাঁর উপর আল্লাহ তাঁর প্রশান্তি নাজিল করেন এবং তাঁকে শক্তিশালী করেন এমন সৈন্যবাহিনী দ্বারা যা তোমরা দেখনি।আর তিনি কাফেরদের কথা তুচ্ছ করে দেন।আর আল্লাহর কথাই সুউচ্চ। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী সুবিজ্ঞ।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৮৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮৬। আল্লাহ কারো উপর এমন কোন কষ্ট দায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না যা তার সাধ্যাতীত।সে ভাল যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। সে মন্দ যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। হে আমাদের প্রতিপালক যদি আমরা ভুলে যাই অথবা আমাদের ত্রুটি হয় তবে আমাদেরকে পাকড়াও করো না। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের পূর্ববর্তিগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করবেন না।হে আমাদের প্রতিপালক এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই।আমাদের পাপ মোছন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে জয়যুক্ত করুন।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
* পশুদের প্রধানের খেতাব প্রাপ্ত (আসাদুল্লাহ) হযরত আলীকে (রা.) সাহাবায়ে কেরাম (রা.) মাওলা স্বীকার না করে তাঁরা মাওলা স্বীকার করেছেন সত্যবাদী খেতাব প্রাপ্ত হযরত আবু বকরকে (রা.)।তিনি আল্লাহর করা তিনজনের তালিকার একজন ছিলেন। তালিকার অপর দু’জন ছিলেন রাসূল (সা.) ও আল্লাহ স্বয়ং নিজেই।তাঁর হাতে বাইয়াত গ্রহণে হযরত আলী (রা.) বিলম্ব করেছেন। তিন দল মুসলমান হযরত আলীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে এবং এক দল তাঁকে হত্যা করেছে। তবে হযরত আলী (রা.)আল্লাহর পূর্ব বিধানে ক্ষমাপ্রাপ্ত ছিলেন বিধায় তাঁর হত্যাকারী দল কাফের হয়েগেছে। আল্লাহ ইচ্ছা করলে হযরত আলীর (রা.) বিরুদ্ধে করা যুদ্ধ থামাতে পারতেন কিন্তু তিনি হযরত আলীর (রা.) বিরুদ্ধে করা যুদ্ধ থামাননি। কারণ হযরত আলী (রা.) হযরত ওসমানের (রা.) হত্যাকারী কাফেরদের মাওলা ছিলেন। হযরত আলী (রা.)আল্লাহর পূর্ব বিধানে ক্ষমাপ্রাপ্ত ছিলেন বিধায় তাঁর বিষয়ে বিরূপ আলোচনার অনুমতি নাই। আমি যতটুকু করেছি সত্য প্রকাশে ততটুকু না করে উপায় ছিল না। তবে এর থেকে সামনে বাড়ালেই বিপদ।- আসতাগফিরুল্লাহ। আল্লাহ কারবালায় হযরত ইমাম হোসেনের (রা.) পক্ষে এক দল ফেরেশতা পাঠালে তিনি মানুষ হতে রক্ষা পেতেন। কিন্তু হযরত ইমাম হোসেনের (রা.) পক্ষে যুদ্ধ করেছে হুসেনী ব্রাহ্মন। তাতে তাঁর রক্ষা হয়নি। আল্লাহ ইয়াজিদকে ক্ষমতা প্রদান করলেও হযরত ইমাম হোসেনকে (রা.) ক্ষমতা প্রদান করেননি। সেটা তাঁর ইচ্ছা। তার জন্য তিনি কারো কাছে কৈফিয়ত দিতে বাধ্য নন। কারন তিনি মালিকাল মুলকি। হযরত ইমাম হোসেন (রা.) জান্নাতের যুবদের নেতা হবেন, এরজন্য তাঁর ভক্তদের সন্তুষ্ট থাকা উচিত। তথাপি বাড়াবাড়ি করলে আল্লাহ তাদের সাথে যা করার করবেন। আল্লাহর কাজে বাধা দেওয়ার সাধ্য কারো নাই।
©somewhere in net ltd.