| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।
* রেসালাতের সহচর কাফের প্রতিপক্ষে নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল থাকেন। হযরত নূহের (আ.) স্ত্রী ও পুত্র এবং হযরত লুতের (আ.) স্ত্রী কাফের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করে রেসালাতের আহলে বাইত থেকে খারিজ হয়েছেন। আল্লাহর পূর্ব বিধান হযরত ওসমানের (রা.) প্রতি ক্ষমার কারণে তাঁর হত্যাকারী দল কাফির ছিল। তাদের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করে রেসালাতের আহলে বাইত থেকে খারিজ হয়েছেন হযরত আলী (রা.)।আল্লাহর পূর্ব বিধান হযরত আলীর (রা.) প্রতি ক্ষমার কারণে তাঁর হত্যাকারী দল কাফির ছিল। রেসালাতের আহলে বাইত থেকে খারিজ হওয়ায় হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইতের উপর থেকে আল্লাহ নিরাপত্তা তুলে নিয়েছেন। তিনি তাঁদেরকে মানুষ হতে রক্ষা করেননি। তারা বিভিন্ন শিয়ায় বিভক্ত হয়েছে। আল্লাহ তাঁদেরকে হত্যার ব্যবস্থা করেছেন। এ ঘটনায় যুক্ত আছে তাঁদের বহু জন। ইদানিং হযরত আলীর (রা.) আহলে বাইত আলী খামেনী নিহত হয়েছেন।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ৪০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪০। যদি তোমরা তাঁকে সাহায্য না কর, তবে আল্লাহতো তাঁকে সাহায্য করেছিলেন যখন কাফিরগণ তাঁকে ধাওয়া করেছিল (হত্যা করার জন্য), আর তিনি ছিলেন দু’জনের মধ্যে দ্বিতীয় জন। যখন তাঁরা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিলেন, তিনি তখন তাঁর সঙ্গিকে বলেছিলেন, তুমি বিষণ্ন হয়ো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।অতঃপর তাঁর উপর আল্লাহ তাঁর প্রশান্তি নাজিল করেন এবং তাঁকে শক্তিশালী করেন এমন সৈন্যবাহিনী দ্বারা যা তোমরা দেখনি।আর তিনি কাফেরদের কথা তুচ্ছ করে দেন।আর আল্লাহর কথাই সুউচ্চ। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী সুবিজ্ঞ।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
সূরাঃ ১৯ মারিয়াম, ১২ নং ও ১৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২। হে ইয়াহইয়া! এ কিতাব দৃঢ়তার সাথে গ্রহণ কর। আমি তাকে শৈশবেই দান করেছিলাম জ্ঞান।
১৩। আর আমার নিকট হতে হৃদয়ের কোমলতা ও পবিত্রতা; সে ছিল মুত্তাকী।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।
সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।
* রেসালাতের সাহায্যকারীগণকে লানত প্রদান রেসালাতের আহলে বাইতের জন্য অশোভন। তাঁরা তাঁদের হেদায়াতের জন্য দোয়া করবেন। কারণ রেসালাত হেদায়াতের জন্যই। কিন্তু হযরত আলী (রা.) পক্ষের আহলে বাইতের রেসালাতের সাহায্যকারীগণকে লানত প্রদানের বিষয় পরিলক্ষিত। যা তাঁদের রেসালাতের আহলে বাইত থেকে খারিজ হওয়ার জন্য যথেষ্ট। আল্লাহ তাঁদেরকে মানুষ হতে রক্ষা করেননি। হযরত আব্বাস (রা.) পক্ষ রেসালাতের সহচরগণের সাথে অশোভন আচরণ থেকে বিরত থেকে রেসালাতের আহলে বাইতে বিদ্যমাণ ছিলেন। আল্লাহ তিনি ও তাঁর আহলে বাইতকে মানুষ হতে রক্ষা তাঁদেরকে আটশত বছর মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমতা প্রদান করেছেন। হযরত যাকারিয়ার (আ.) আহলে বাইত হযরত ইয়াহইয়ার (আ.) মত হযরত আব্দাসের (রা.) আহলে বাইত আব্দুল্লাহকে (রা.) আল্লাহ শৈশবেই জ্ঞান দান করেছেন। নবুয়ত বন্ধ হওয়ায় তিনি নবি না হয়ে মোফাসসিরে কোরআন হয়েছেন। রেসালাতের অন্য কোন সহচর তাঁর মত মুফাসসির ছিলেন না। জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ আল্লাহর পথের সুদৃঢ় অবস্থানে না থাকায় তিনি রাজতন্ত্রের বিপক্ষে অস্ত্র ধারণ করেননি। তবে তাঁর বংশধর আবুল আব্বাস (রা.) সামরিক শক্তি সঞ্চয় করে উমাইয়া শাসনের অবশান ঘটিয়েছেন। তবে জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ আল্লাহর পথের সুদৃঢ় অবস্থানে না থাকায় তিনিও খেলাফতের বদলে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করেছেন। হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও রাসূলের (সা.) এ আহলে বাইত গুষ্ঠি রেসালাতের আহলে বাইতের রহমত ও বরকত প্রাপ্ত হয়ে আটশত বছর মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েছেন। তাঁদের অনুসারী হানাফী দুই তৃতীয়াংশ মুসলীম। তুর্কী হানাফিরা চারশত বছর মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েছে। তাঁদের অনুসারী পাক হানাফী আনবিক শক্তিতে শক্তিশালী। তাঁদের অনুসারী বাংলাদেশী হানাফী গেরিলা যুদ্ধে দক্ষ। হযরত আলী (রা.) পক্ষের আহলে বাইতে চিৎকার যতটা আছে যোগ্যতা ততটা নাই। সালাফী ও ইবাদীর তেমন কিছুই নাই। তারা ইহুদী ও খ্রিস্টানের সেল্টারে ক্ষমতা ভোগ করে থাকে। হানাফীরা হিন্দুস্থানে টিকে আছে নিজেদের যোগ্যতায়।
২|
২০ শে মে, ২০২৬ সকাল ৮:২৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ইদানিং হযরত আলীর (রা.) আহলে বাইত আলী খামেনী নিহত হয়েছেন।
.......................................................................................................
এ কথা দ্বারা কি প্রমান হয় ?
তিনি কি মুসলিম ছিলেন না ?
তার এই যুদ্ধ ক্ষেত্রের মৃত্যু, শহীদি মর্যাদা পাবেনা ?
হাদীস বয়ানের ক্ষেত্রে আপনাদের ত্রুটি হলে তা
ক্ষমার যোগ্য হবেনা ।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে মে, ২০২৬ সকাল ৭:৩০
কাছের-মানুষ বলেছেন: তথ্যবহুল লেখা! আয়াতের পাশাপাশী তাফসীর-সহ দিলে ভাল হত!