নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নয় শতাধীক সনেটের কবি

ফরিদ আহমদ চৌধুরী

বিষয় যতই জটিল হোক,ভাবতে ভালো লাগে

ফরিদ আহমদ চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

মানুষ কেন সেরা?

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:২২




আল্লাহ আদমকে (আ.) যাবতীয় নাম জিজ্ঞাস করলেন। তিনি তা’ বলতে পারলেন। ফেরেশতাদেরকে যাবতীয় নাম জিজ্ঞাস করলেন। তারা তা’ বলতে পারলোনা। আর তাতে আল্লাহ ফেরেশতাদেরকে বুঝালেন যে আদম (আ.) সেরা। কিন্তু ইবলিশ এটা মানতে পারলোনা। কারণ আল্লাহ নামগুলো ফেরেশতাদেরকে শিক্ষা দেননি বরং আদমকে (আ.) শিক্ষা দিয়েছিলেন। কাজেই আদমের (আ.) সেরা হওয়ার কারণ আল্লাহ, আদম (আ.) নিজে নয়। কাজেই আদমকে (আ.) সেরা বলা হলেও মূলত আদম (আ.) সেরা নয়।অতি জ্ঞানী ইবলিশ আল্লাহকে অভিযুক্ত করে এমনটাই মনে করেছে। সে আগুনের তৈরী হিসেবে নিজেকেই সেরা মনে করেছে। আর মাটির তৈরী হিসেবে আদমকে (আ.) সে অধম মনে করেছে। কিন্তু তার মনে করা সঠিক ছিলনা। কারণ আদমকে (আ.) নামগুলো শিক্ষা দেওয়া হয়েছে আদমের (আ.) নাম গুলো শিখার যোগ্যতা ছিল বলে। ফেরেশতাদেরকে নামগুলো শিক্ষা দেওয়া হয়নি তাদের সেগুলো শিক্ষা গ্রহণের যোগ্যতা ছিলনা বলে। আর আল্লাহ বেদরকারী কাজ করেন না। আদমের (আ.) যোগ্যতার কারণ তাঁর স্মৃতি শক্তি। আদমের (আ.) নামগুলো মনে রাখার মত স্মৃতি শক্তি ছিল কিন্তু ফেরেশতাদের নামগুলো মনে রাখার মত স্মৃতি শক্তি ছিলনা। আদমের (আ.) স্মৃতি শক্তি থাকার কারণ তাঁর গঠন উপাদান মাটি কিন্তু ফেরেশতার গঠন উপাদান আলো।মাটির স্মৃতি ধারণ সক্ষমতা বেশী কিন্তু আলোর স্মৃতি ধারণ সক্ষমতা কম। উল্টো আলোর গতি বেশী মাটির গতি কম। ফেরেশতা গতি বেশী পেয়েছে স্মৃতি কম পেয়েছে। আদম (আ.) স্মৃতি বেশী পেয়েছে গতি কম পেয়েছে। ফেরেশতা গতি দিয়ে জীবনকে সহজ করেছে। আর আদম (আ.) স্মৃতি দিয়ে জীবনকে সহজ করেছে।ফেরেশতা কেন ফেরেশতা হয়েছে? আদম (আ.) কেন আদম হয়েছে? সম্ভববত নেচারাল সিলেকশন বা প্রকৃতিগত নির্বচন। ফেরেশতার আত্মা ধীরগতি নিয়ে বাঁচতে চায়নি। আদম আত্মা কম স্মৃতি নিয়ে বাঁচতে চায়নি। সংগত কারণে আদম আত্মার বিবর্তন হয়েছে মানুষে আর ফেরেশতার আত্মার বিবর্তন হয়েছে ফেরেশতায়।আর সেটা হয়েছে আল্লাহর ক্রিয়েটিং প্রোগ্রাম অনুযায়ী। সেজন্যই আল্লাহ কিয়েটর বা সৃষ্টিকর্তা।

আদমের (আ.) ইচ্ছার কারণে আদমকে আদম (আ.)আর ফেরেশতার ইচ্ছার কারণে ফেরেশতাকে ফেরেশতা করা হয়েছে। আর তাদের গঠন উপাদানের কারণে কেউ সেরা হতে পেরেছে আর কেউ সেরা হতে পারেনি। আবার উপাদানগত কারণেই আদমের (আ.) জীবন কষ্টকর কিন্তু সে সেরা। আর উপাদানগত কারণেই ফেরেশতার জীবন সহজ কিন্তু সে সেরা নয়। কাজেই সেরা হতে হলে কষ্টের বিকল্প নেই। আপনাকে কষ্ট করেই সেরা হতে হবে।

আদমের (আ.) নিকট গতির চেয়ে স্মৃতি সেরা ছিল আর ফেরেশতার নিকট স্মৃতির চেয়ে গতি সেরা ছিল। কিন্তু বাস্তবতা হলো গতির চেয়ে স্মৃতি সেরা। স্মৃতি অধিক পেয়ে আদম (আ.) বেশী জ্ঞানী হলেন। তাঁর জিনের বাহক সন্তানেরা আজ কত বিস্ময়কর কান্ড ঘটাচ্ছে। সে দিক থেকে অন্য সবার অবস্থান বহু দূরে। আদম সন্তানেরা আজ প্রমাণ করেছে গোষ্ঠিগত ভাবে তারা অনেকবেশী সেরা। আর এটা এখন প্রমাণীত সত্য।কাজেই কেউ যদি আল্লাহকে ন্যায় বিচারী মনে না করে তবে সেটা তার ভুল ধারণা।মূলত আল্লাহর ন্যায় বিচারে বিন্দুমাত্র ত্রুটি নেই।আর ইবলিশ আল্লাহকে অমান্য করে বড় ভুল করেছে। আল্লাহ আদমের (আ.) পক্ষে কোন পক্ষপাতিত্ব করেননি। এমন কথা কেউ প্রমাণ করতে সক্ষম হবেনা।

বিঃদ্রঃ ‘ইসলামের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ’ গ্রন্থের একটি অধ্যায় হিসেবে লেখাটি লেখা হয়েছে।

মন্তব্য ৩৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৩৩

ঝিগাতলা বলেছেন: তাহলে তো বুঝা যাচ্ছে সব পরিকল্পনা আল্লাহর..... আল্লাহ নিজেই বানালেন কিন্তু একজনকে কম বেশি দিয়ে ..... আল্লাহ কি এতে পক্ষপাতিত্ব করেননি?

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৩৫

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: কম বেশীর কারণ থাকলে পক্ষপাতিত্ব হয়না।

২| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:০৪

দূর আকাশের নীল তারা বলেছেন: ১) মাটির স্মৃতি ধারণ ক্ষমতা বেশী, আলোর কম - আপনার এই কথার রেফারেন্সটা একটু জানাবেন দয়া করে।
২) ফেরেশতা কেন ফেরেশতা হয়েছে, আদম (আ:) কেন আদম (আ:) হয়েছে, সম্ভবত নেচারাল সিলেকশন। - কথাটি ভুল, কারণ কোরানে আল্লাহ বলেছেন, "আমি যখন কিছু সৃষ্টির ইচ্ছা করি, তখন আমি বলি, হও, আর সেটা হয়ে যায়।" অতএব এটা কোন নেচারাল সিলেকশন না। সব সৃষ্টিই আল্লাহর ইচ্ছা অনুযায়ী হয়েছে, ফেরেশতা বা মানুষের মনমত নয়। একই কারণে দ্বিতীয় প্যারার কথাগুলোও ভুল।
আল্লাহ আপনাকে সঠিক জ্ঞান অর্জনের পথ বলে দিন, আমীন।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:১০

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: সব কিছু আল্লাহর ইচ্ছাতেই হয়। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছা কি খামখেয়ালী? আল্লাহর ইচ্ছার পিছনে কোন কারণ থাকেনা সেটা আপনাকে কে বলল? যেহেতু আল্লাহ ন্যায় বিচারী সেহেতু আল্লাহর ইচ্ছার পিছনে কো না কোন কারণ থাকা স্বাভাবিক। সঠিক জ্ঞানতো আপনারো থাকা দরকার। আর ভুলটা আপনার কি না সেটাও একটু পরখ করে দেখা দরকার। মুখস্ত কথা বলে দিলেই সেটা সঠিক হয়না।

৩| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: মানুষ সেরা তার বুদ্ধির জন্য। মহৎ কর্মকান্ডের জন্য।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:১১

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: এটাই ঠিক যে কেউ যোগ্যতা ছাড়া সেরা হয়না। সেরা হওয়ার পিছনে যোগ্যতা অবশ্য বিবেচ্য।

৪| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:১০

হাবিব স্যার বলেছেন: মানুষকে আল্লাহ জ্ঞানের জন্যই শ্রেষ্টত্ব দিয়েছেন

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:১৫

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: জ্ঞানে মানুষের চেয়ে সেরা কেউ নেই।

৫| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:২৫

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন বলেছেন: এই জন্য আমাদের শুকরিয়া জ্ঞাপন করা দরকার।। আলহামদুলিল্লাহ

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:১৪

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: কৃতজ্ঞতা খুবই জরুরী বিষয়।

৬| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:১৬

ভিন্নচিন্তা ভিন্নমত ভিন্নপথ বলেছেন: @ ফরিদ আহমদ চৌধুরী - জনাব , মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব, তবে সবাই নয় ।

অতি ...অতি ক্ষুদ্র অংশই সেরা জীব। যারা সর্বোচ্চ মেধা ও বুদ্ধিশক্তি ব্যবহার করছে তারাই সেরা জীব ।

তারাই মহাকাশ জয় করছে, অতল সমুদ্র জয় করছে , নতুন নতুন আবিষ্কার দিয়ে মানব সভ্যতার কল্যাণ করছে।

যারা তিন হাজার /দেড় হাজার বছরের অতীত নিয়ে পড়ে আছে তারা কিন্তু সেরা নয় । সংখ্যায় বেশি হলেও ।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:১৩

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: আপনি যাদেরকে সেরা মানতে নারাজ তারাও সৃষ্টির অন্যদের তুলনায় সেরা।

৭| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:২৪

বিপ্লব০০৭ বলেছেন: আপনার লেখাটির এক জায়গায় পাচ্ছি, "মাটির স্মৃতিধারণ ক্ষমতা বেশি, আলোর কম।" এটা নি:সন্দেহে একবিংশ শতকের একটি বিশাল আবিষ্কার! যদিও "মাটি" আর "আলো"- এই দুই ক্ষেত্রে "স্মৃতি"- কিভাবে প্রযোজ্য হয় আমার বুঝে আসছে না। বিশেষ করে "আলো" মূলত কি?- এই প্রশ্নটাই যখন খোদ বিজ্ঞানে (বিশেষ করে পদার্থবিজ্ঞানে) একটি বহুল আলোচিত বহুল বিতর্কিত ইতিহাস পাড়ি দিয়ে এসেছে। আমাদের সর্বশেষ তথ্যমতে আমরা যতটুকু বুঝি, আলো হল কোয়ান্টাইজড্ ফোটনের সমষ্টি। এমনকি বিজ্ঞানের (প্রকৃতিবিজ্ঞানের) তত্ত্বে যদি আমাদের সন্দেহও থাকে, তারপরও বলা যায়, মাটি আর আলো একই প্রকারের জিনিস নয়। "স্মৃতি" - জিনিসটাও একটু ব্যাখ্যার দাবি রাখে। মানুষের স্মৃতি থাকতে পারে, ইলেকট্রনিক সার্কিটের স্মৃতি থাকতে পারে যেমন কম্পূটারের হার্ডডিস্কে বা মোবাইলের র‍্যামে যে স্মৃতি সংরক্ষিত থাকে...কিন্তু মাটি কিভাবে স্মৃতি ধারণ করে বা আলো কিভাবে স্মৃতি ধারণ করে- এইটা ঠিক পরিষ্কার হল না। আর এই ব্যাপারটা পরিষ্কার না করেই, বলা হচ্ছে- মাটির স্মৃতিধারণ ক্ষমতা বেশি, আলোর কম! আপনার সহজ বুদ্ধি, সহজ ভাবনা-চিন্তা কি বলে আপনাকে?

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:১০

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: স্মৃতিমানে তথ্য ভান্ডার। প্রতিটি প্রোগ্রামেই একগাঁদা তথ্য থাকে। এবার সেটা বিবাহের প্রোগ্রাম হোক অথবা কম্পিউটার প্রোগ্রাম হোক। প্রোগ্রামের তথ্যের ভিত্তিতেই ক্রিয়া সম্পাদিত হয়। মাটিতে বিবিধ ক্রিয়া সম্পাদিত হয়। আলোতেও বিবিধ ক্রিয়া সম্পাদিত হয়। এতে এটা পরিস্কার যে উভয়টাতে তথ্যভান্ডার বা স্মৃতি রয়েছে। মাটিতে অধিক ক্রিয়া সম্পাদিত হয় আর আলোতে কম ক্রিয়া সম্পাদিত হয়। সংগত কারণে একটার স্মৃতি বেশী অন্যটার স্মৃতি কম হিসেবে সাব্যস্ত হবে।

৮| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:১৭

ফেইরি টেলার বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম ফরিদ আহমেদ ভাই, কেমন আছেন ? আমি বরাবরই আপনার লেখার ফ্যান । "ইসলামের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ " বইটি কি অলরেডি বাজারে আছে ? থাকলে কোথায় পাবো

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:২৩

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: বইটির কাজ চলছে। সে জন্যই প্রত্যেকটি অধ্যায়ে ব্লগারদের মতামত নিচ্ছি। এমনকি অনেক মন্তব্য হয়ত ব্লগারের নিকসহ পুস্তকে স্থান পাবে। তবে কেউ তার মন্তব্য পুস্তকে রাখার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করলে তাঁর মন্তব্য পুস্তকে দেব না।

৯| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:২৫

বিপ্লব০০৭ বলেছেন: "মাটি"-তে বিবিধ ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, আপনার এ কথা থেকে ধরে নিচ্ছি বুঝাতে চাচ্ছেন যে, মাটির অভ্যন্তরে বিভিন্ন ক্রিয়া সম্পাদিত হয়। কোন পদার্থের অভ্যন্তরে বা সিস্টেমে ক্রিয়া সম্পাদিত হলেই সেই পদার্থের বা পদার্থের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমের স্মৃতি আছে- আপনার বক্তব্য এটাই। যেহেতু পদার্থবিজ্ঞান বলে- আলো হল ফোটনের প্রবাহ, এখানে স্মৃতির কোন ব্যাপার-স্যাপার নেই। আপনার প্রস্তাবিত বক্তব্য মানলে, পদার্থবিজ্ঞানের তত্ত্বকে নতুনভাবে সাজাতে হবে। তারপরও আপনি মাটির ক্ষেত্রে যেভাবে স্মৃতির সংজ্ঞা দিয়েছেন একই ভাবে আলোতে (আলোর অভ্যন্তরে) ঠিক কি ধরনের ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তার একটি উদাহরণ দিন।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৪৫

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: আপনি বলছেন ফোটনের প্রবাহ। এটা একটা ক্রিয়া। ক্রিয়া সম্পাদিত হয় প্রোগ্রামের মাধ্যমে। প্রোগামে থাকে বিবিধ তথ্য। তথ্য একটু বেশী হলেই সেটা তথ্য ভান্ডার। ভান্ডার বড় ছোট হতে পারে। তো তথ্য ভান্ডারের অপর নাম স্মৃতি। এখন আলোর ক্রিয়া সম্পাদনের প্রোগ্রামে একাধিক তথ্যের সন্নিবেশ থাকলে তা’ স্মৃতি হিসেবে সাব্যস্ত হবে। এখন আলোর ক্রিয়া সংক্রান্ত প্রোগামে একটি ক্রিয়া সাব্যস্ত রয়েছে কি? যদি না থাকে তবে তাতে স্মৃতি নেই সেটা কি করে বলা যায়? স্মৃতি না থাকলে আলোর ক্রিয়া সচল না থেকে চট করে বন্ধ হয়ে যেত। স্মৃতি আছে বলেই এর প্রবাহ স্মৃতি ভর করে চলমান থাকে।

১০| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৪২

বিপ্লব০০৭ বলেছেন: আপনার প্রোগ্রাম সম্পর্কিত ধারণায় গন্ডগোল আছে। আপনি যদি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নিয়ে পড়াশোনা করেন, তবে দেখবেন যে প্রতিটা প্রোগ্রামে আসলে একগাঁদা তথ্য (information) থাকে- ব্যাপারটা এইরকম নয়। ব্যাপারটা হল, প্রোগ্রাম মানে এটা নির্দিষ্ট কিছু সাংকেতিক ভাষা (code) এক্সিকিউট করে এক বা একাধিক নির্দিষ্ট কাজ (function) সম্পন্ন করবে। আর এই কাজে প্রোগ্রামটি তার কোডের ভেতর লিখিত ইন্টার্নাল তথ্য (কোড নয়) ব্যবহার করেও কাজটি করতে পারে। প্রোগ্রামের সাথে তথ্যের সম্পর্ক নয়, সম্পর্কটা হল কোডের। কোডগুলো কিন্তু তথ্য নয়। কিন্তু আপনি যদি কখনো কোডগুলো প্রথমবার শিক্ষার্থী হয়ে শিখতে থাকেন, তখন কিন্তু কোডগুলো একপ্রকারের তথ্যরূপেই হাজির হয়ে আসছে আপনার সামনে। আপনার বয়ানে, তখন সবই তথ্য, তথ্যভান্ডার! সমস্যা হল, এইভাবে ভাবতে থাকলে সবকিছুই সবকিছু, সবকিছুর ভেতর সবকিছু আছে, মাটিরও স্মৃতি আছে- এই ধরনের ভাবের কুতর্ক চলতেই থাকবে।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৪৯

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: স্মৃতি বা মেমরির ব্যাপক জ্ঞান মানুষের জ্ঞানকে আরো সমৃদ্ধ করবে। কাজেই এটা নিয়ে ভয়ের কোন কারণ নেই। আর কোডকে গাণিতিক বা সাংকেতিক তথ্য না বলে উপায় কি?

১১| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১:০৯

বিপ্লব০০৭ বলেছেন: কোড অবশ্যই গাণিতিক বা সাংকেতিক তথ্য- সেটা আমার মন্তব্যেই আমি বলেছি, আপনি যখন শিক্ষার্থী হয়ে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে পড়াশোনা করবেন তখন প্রোগ্রামিং কোডগুলো আপনার জন্য একধরনের তথ্য। কিন্তু তারমানে এই নয়, কোড আর তথ্যের মধ্যে ফানাফিল্লা হয়ে গেল। আমি যখন কম্পিউটারে একটা প্রোগ্রাম লিখি তখন আমি কিন্তু তথ্য লিখি না, আমি কোডই লিখি। আমাদের ভাষাগত জটিলতা এড়ানোর জন্য, কুতর্ক এড়ানোর জন্য সবকিছুর এক একটি নির্দিষ্ট সংজ্ঞা প্রয়োজন যাতে বিভিন্ন ধারণা কিংবা বস্তুসমূহের মধ্যে পার্থক্যটা বোঝা যায়।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৩৭

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: কোডকে তথ্য না বলার কোন সুযোগ নেই।

১২| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১:১৯

বিপ্লব০০৭ বলেছেন: আপনার যুক্তিমতে,- "আলোর ক্রিয়া সম্পাদনের পেছনে অবশ্যই এক ধরনের প্রোগ্রাম রয়েছে, আর প্রোগ্রাম মানেই তথ্যভান্ডার" (যদিও কথাটি পুরোপুরি ঠিক নয়)। তারপরও আপনার বক্তব্য এতটুকু মানলেও আলোর ক্রিয়ার জন্য দায়ী যে প্রোগ্রাম, স্মৃতি রয়েছে সেই প্রোগ্রামটির। আলো নিজে হল, সেই প্রোগ্রামটি সম্পন্ন (execution) হবার ফল (result)। বড়জোর, আলোসৃষ্টিকারী প্রোগ্রামটির স্মৃতি থাকতে পারে; কিন্তু আলোর স্মৃতি রয়েছে- বক্তব্যটি এখনো প্রতিষ্ঠিত হল না।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৪৩

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: কি হলে আলো তৈরী হবে? কিভাবে আলো ছড়াবে? এর সংকোচন মাত্রা ও প্রসারণ মাত্রার পদ্ধতি সংক্রান্ত তথ্য না হলে এসব ক্রিয়া কিভাবে সংগঠিত হবে? আমরা এর স্মৃতি দেখছিনা বা এটা পড়তে পারছিনা বলে এটা নেই এটা বলা যায় না বরং পরিস্থিতি বলে এ সংক্রান্ত স্মৃতি না থাকলে এ ক্রিয়া এভাবে সুচারুরূপে সম্পন্ন হওয়ার কথা নয়।

১৩| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১:৫৭

বিপ্লব০০৭ বলেছেন: আলর বদলে পানির একটা উদাহরণ টানি। ধরুন, কোথাও পানির প্রবাহ হচ্ছে। আপনার যুক্তি ধরে এগুই। এই পানির প্রবাহ মানেই ক্রিয়া। এবার আমরা এই ক্রিয়ার পেছনে গিয়ে দেখলাম এর কারণ হল, একটা পানির পাম্প-মেশিন। আপনার যুক্তি অনুযায়ী পাম্প মেশিনটি এক ধরনের প্রোগ্রাম সম্পন্ন করছে যেই প্রোগ্রামের কাজ হল, পানির প্রবাহ সৃষ্টি করা। এখন প্রোগ্রামিং-এর কারবারতো শুধু পাম্প-মেশিনের, ফলে মেমরি যদি থেকেও থাকে সেটা প্রোগ্রামিং-এর, কিংবা মেশিনের মেমরি হয়ে আছে...এইটা পানির উপর আরোপিত হয় কিভাবে? পানির প্রবাহটাতো (বা আলোর ক্রিয়া) হল, প্রোগ্রাম এক্সিকিউশনের ফল।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৪৮

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: পানি কি হলে কঠিন হবে, কি হলে তরল হবে, কি হলে বায়বিয় হবে ইত্যাদি বিষয়ে এর মেমরী থাকা অস্বাভাবিক নয়।

১৪| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৩

বিপ্লব০০৭ বলেছেন: আপনি বিভিন্ন ধারণাগুলোকে একটাকে অপরটার সাথে গুলিয়ে ফেলছেন। আপনার পড়াশোনার বা জানাশোনার ক্ষেত্র যদি আরেকটু বিস্তৃত করতেন তবে এইভাবে আপনি ভাবতেনই না। আলো কি?- এই প্রশ্নটি নিয়েই কথা বলা যাক। এ প্রসঙ্গে পদার্থবিজ্ঞানে প্রচুর বিতর্ক হয়েছে, একেকজন একেক থিওরি দিয়েছে। এইসব থিওরির পেছনে যেমন: মানুষের চিন্তা কাজ করছে একইভাবে পরীক্ষালব্ধ ফলাফলও কাজ করছে। কোন থিওরি বা তত্ত্বই আকাশ-থেকে-উড়ে-আসা বা আপনার মতন শুধু ধারণার উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। আলো, স্মৃতি, প্রোগ্রাম- এইসব নিয়ে বিস্তারিত পড়াশোনা করলে আপনি এসবের পেছনকার ইতিহাস সম্বন্ধে জানতেন, তখন এইসব ভুল ধারণা আপনার আসতো না। আপনার তত্ত্বমতে, তাহলেও পানিরও মেমরি আছে! আপনি যেটাকে মেমরি বলছেন, সেটা আসলে সিম্পল ভাষায় পানির আণবিক লেভেলে গাঠণিক অবস্থার পরিবর্তন। সমস্যা হল, আপনি বিষয়টা না জেনেই এটাকে আখ্যা দিচ্ছেন পানির "স্মৃতি" নামে। আপনি যেভাবে ভাবেন সেভাবে ভাবলে, পৃথিবীরই সবই তথ্য, আবার সবই মেমরি; ছাগলও মূলা, লাউও কদু।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩১

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: র‌্যাম ও রম কম্পিউটারের স্মৃতি। আপনি এ দু’টো বাদ দিয়ে কম্পিউটার চালাতে পারবেন কি? কম্পিউটার মানুষের তৈরী মানুষ এর স্মৃতি বুঝতে ও বুঝাতে পারে। মানুষ যা তৈরী করেনি মানুষ তা’ বুঝতে ও বুঝাতে পারে না। তবে কেউ কেউ বুঝতে পারলেও বুঝাতে পারে না। যেমন আমি আপনাকে বুঝাতে পারছি না। আচ্ছা ছাগল মূলা লাউ কদুতে এসব থাকলে ক্ষতি কি? নাকি তুচ্ছ বলে এসেবের এসব থাকতে নেই? দেখুন মানুষের যেমন প্রাণ আছে তেমন কিন্তু মাছিরও প্রাণ আছে। মাছি বলে আপনি এর প্রাণকে অস্বীকার করতে পারবেন না। টিকে থাকা সব কিছুর স্মৃতি থাকা সম্ভব। এবার আমিও ভাবি আর আপনিও ভাবুন।

১৫| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:০৮

বিপ্লব০০৭ বলেছেন: পানির ফ্লো -এর ক্ষেত্রে আমি যে উদাহরণ টানলাম সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনি কথা বলেননি। আমার বক্তব্য ছিলো, আলো বা পানি সৃষ্টি হতে কিংবা আলো/পানি-এর প্রবাহ-ক্রিয়া সম্পন্ন হতে একটা বহি:স্থ উৎস লাগে যা নিজে আলো বা পানি থেকে পৃথক। যেমন: পানির প্রবাহের জন্য আমাদের প্রয়োজন একটা পানির পাম্প মেশিন। দেখুন, আপনার যুক্তি অনুযায়ী পানির ফ্লো ঠিকই হচ্ছে, কিন্তু পানির মেমরি কি আছে? নেই। মেমরি যদি থাকে, বা প্রোগ্রাম যদি সম্পন্ন হয়ে থাকে; তবে সেটা পানির পাম্পের; পানির নয়। অথচ পানির প্রবাহ-ক্রিয়া কিন্তু ঠিকই হচ্ছে। আপনি এই উদাহরণকে পাশ কাটিয়ে গেলেন। বললেন, গাঠণিক অবস্থার পরিবর্তনের কথা। আমার উদাহরণে গাঠণিক অবস্থার পরিবর্তনের কথা বলা হয়নি। আপনার "ক্রিয়া" থেকে "প্রোগ্রাম" নামক যুক্তি দিয়েই আপনার ধারণাকে খন্ডন করা হয়েছে।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৬

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: পানির পাম্প প্রভাবক। কিন্তু প্রভাবকের প্রভাব মানার যোগ্যতা থাকতে হয় নতুবা প্রভাবকের প্রভাবে কাজ হয় না। পানির প্রবাহের ক্ষেত্রে সহায়কের দরকার হয়েছে এই যা। এখানে কথা হলো প্রভাবক হলে কাজ হবে নতুবা হবেনা। এখানে প্রোগ্রামের ভিন্নতা এখানে। আমার কথা বুঝতে হলে আপনাকে আরো গভীরে যুব দিতে হবে। ভাসমান অবস্থায় আমার কথা আপনার বোধগম্য নাও হতে পারে।

১৬| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৬

বিপ্লব০০৭ বলেছেন: আপনার সমস্যাটা বিশেষ আর সার্বিকের মধ্যে পার্থক্য না করতে পারার কমস সমস্যা। ধরুন, একজন সর্বেশ্বরবাদী- এই মানুষ পৃথিবীর কিংবা মহাজগতের সবকিছুতেই ঈশ্বরকে দেখে, কিংবা সবকিছুকেই ঈশ্বরের একটা প্রকাশ হিসেবে ভাবে। এজন্যই সে সর্বেশ্বরবাদী। তার কাছে মহাজগতের কোন কিছুর সাথে কোন কিছুর ভেদ নেই। সবই এক ও অভিন্ন এক মহান ঈশ্বরের বহি:প্রকাশ কিংবা সবই আসলে তিনি নিজেই। কিন্তু সর্বেশ্বরবাদী যখন বাস্তব জীবনে পাঁ মাড়ায় তখন দেখে এতে নানান সমস্যা। কারণ তার তত্ত্বানুযায়ী তাহলে আবর্জনা, মল-মূত্রও ঈশ্বরেরই অংশ; এমনকি যে খাবার সে খাচ্ছে তাওতো ঈশ্বর! ফলে সর্বেশ্বরবাদ টিকে না, ফলে আমাদের মানুষ হিসেবে চলতে হলে, পৃথিবীর যাবতীয় প্রাণী ও বস্তুর মাঝে ভেদরেখা টানতে হয়; একেকটিকে একেক "নাম" দিয়ে চিহ্নিত করে রাখতে হয় নিজেদের বোঝার, চলার সুবিধার জন্য। আপনি সর্বেশ্বরবাদী টাইপের যুক্তির ধাঁচে জগতের সবকিছুর মাঝে একই ধারণা আমদানি করছেন। প্রথমে আপনার বক্তব্য ছিলো, "আলো" যেহতু একধরনের "ক্রিয়া" সেহেতু এর মেমরি আছে, এরপর আমি পানির উদাহরণ টানায় আপনি দেখলেন, পানির ক্ষেত্রে উক্ত যুক্তি খাটছে না। কারণ পানির ফ্লো-এর কারণ পানি নিজে নয়, কারণটা পানি থেকে পৃথক একটা বহি:স্থ উৎস...কী করা যায়? এবার আপনি গেলেন, পানির গাঠণিক তথ্যে, সেখান থেকে সিদ্বান্ত টানলেন তথ্য মানেই আবার মেমরি- এভাবে নিজের বক্তব্য প্রতিষ্ঠা করলেন। অথচ এর আগে আপনার যুক্তি কিন্তু নিশ্চল বস্তুর গাঠণিক তথ্যের উপর দাঁড়িয়ে ছিলো না। আপনার যুক্তির ভিত ছিলো, ক্রিয়া হচ্ছে মানেই মেমরি আছে- এই বক্তব্যের উপর।

আপনার মধ্যে যুক্তির প্রাধান্যের চেয়ে যেভাবে হোক, নিজের বক্তব্য প্রতিষ্ঠা করার প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। এইটা একজন ঈমানদার ব্যক্তির প্রতিক্রিয়া- আমার যদি ভুল না হয়ে থাকে। সমস্যা হল, আপনি পদার্থবিজ্ঞান যা পদার্থের এইসব ব্যাপার-স্যাপার যেমন ধরেন, স্মৃতি, আলো, তথ্য, পদার্থের রূপান্তর, আলোর গতি--- ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে সেসব নিয়ে পড়াশোনা না করে নিজের কল্পনাপ্রসূত ধারণার উপর ভর করে আজগুবি তত্ত্ব দিচ্ছেন। স্মৃতি, আলো, তথ্য, ডাটা, বিট, বাইট, প্রোগ্রাম, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, কোড, ফাংশন- এসব নিয়ে ন্যূনতম ধারণা থাকলেও কেউ এভাবে বলতো না যে পাণির আণবিক গঠন যেহেতু একধরনের তথ্য, তাই পানিরও মেমরি আছে

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৩

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: আমার কথা যে সঠিক সেটা আর ক’দিন পর আপনার বিজ্ঞানই প্রমাণ করে দেবে। অপেক্ষায় থাকুন। আপনি যা তুলে এনেছেন আমি এ পোষ্টে এ বিষয়ে এত বিস্তারিত আলোচনা করতে চাইনি। পাঠকের সহজবোধ্য হওয়ার জন্য বিষয়টি প্রমাণে আমি বিকল্প ভাবনাও ভাবছি। কারণ এ জটিল বিষয় এখানে বিশ্লেষণ করতে গেলে মূল বিষয় পাঠকের ব্রেন থেকে বেরিয়ে যাবে। তবে আপনি যে বিষয় সনাক্ত করেছেন এ বিষয়ে আমি আলাদা পোষ্টও দিতে পারি। তখন না হয় সে পোষ্ট আপনার বোধগম্য করে উপস্থাপন করব। মন্তব্যের আলোচনা অনেক সময় একজনের জন্য হয়ে যায়। এজন্য আমি এখানে সংক্ষেপে সারতে চাচ্ছি। আর আপনি সেটাকে আমার অজ্ঞতা ভাবছেন। সে আপনি ভাবতে পারেন। তবে এখানে আমি বিস্তরিত এর পথে হাঁটতে নারাজ।

১৭| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৫৫

বিপ্লব০০৭ বলেছেন: আমি বিজ্ঞানের বড়াইকারী, বা বিজ্ঞানের একক দাবিদার- এরকম কোন কেউ নই। আমার কাছে বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা সহজ ও যৌক্তিক মনে হয়, এ কারণে বিজ্ঞানে আমার আস্থা। আমার বক্তব্য হল, আমরা এমন একটা শতক বা যুগ পার করছি যেখানে বিজ্ঞানের ব্যাখ্যাগুলো বেশ জনপ্রিয়, যৌক্তিক এবং আস্থা-অর্জনকারী। এর মানে এই-ই নয় যে, বিজ্ঞানই শেষ কথা, এরপরে আর কোনকিছু থাকতে পারে না। বিজ্ঞান আর ধর্মীয় বিশ্বাস আলাদা, আর আমি মনে করি- বিজ্ঞানের শত-সহস্র প্রমাণের পরেও ধর্মীয় বিশ্বাস নিজের অবস্থানে অটল থাকতে পারে। এতে আমার সমস্যা নেই। সমস্যা হচ্ছে, আপনার মতন কেউ যখন তার ধর্মীয় বিশ্বাসের জায়গায় অবস্থিত থেকে এই বিজ্ঞান দিয়ে নিজের বিশ্বাসকে "প্রমাণ" করতে চায়। যেমন : আপনার বক্তব্যই ধরুন। আপনি বলছেন, "আমার কথা যে সঠিক তা ক'দিন পর আপনার বিজ্ঞানই প্রমাণ করে দেবে।" এই প্রেডিকশন আপনি কিসের ভিত্তিতে দিচ্ছেন? এতে আপনার কথাই বলা হলো, কোনকিছু কিন্তু প্রমাণ হল না। আপনি নিজেই স্বীকার করে নিলেন, "ক'দিন পর বিজ্ঞান প্রমাণ করবে!"- মানে আপনার বক্তব্য এখনো "প্রমাণিত" নয়- এটা স্বীকার করে নিয়ে শেষপর্যন্ত গায়ের জোরে মন্তব্য চাপিয়ে দিলেন যে সেটা "ক'দিন" (ঠিক কতদিন সেটা বলতে পারেন কি?) তা প্রমাণ হবে। ততদিন আমি হয়তো নাও থাকতে পারি।

ভালো থাকবেন।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৫৮

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: আপনার কথার জবাব দিতে আমাকে পৃথক পোষ্ট দিতে হলো-

স্মৃতি ও ইসলাম

১৮| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২০

ফারিহা হোসেন প্রভা বলেছেন: আশরাফুল মাখলুকাত তো আল্লাহ্‌ তায়ালা মানুষজাতিকেই বলেছেন।
চমৎকার পোষ্ট।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ভোর ৬:৫৮

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: কিন্তু অনেকের আব্দার সেটা কিভাবে? সেটা তাদেরকে বুঝিয়ে দিতে হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.