নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শব্দকবিতা : শব্দেই দৃশ্য, শব্দেই অনুভূতি [email protected]

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই

দুঃখের কবিতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা। ভালোবাসা হলো দুঃখ, এক ঘরে কবিতা ও নারী।

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই › বিস্তারিত পোস্টঃ

গতানুগতিক দুঃখ

১৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:১৪


সন্ধ্যা হলেই সারা বাড়ি ভরে লুকোচুরি খেলার ধুম পড়ে যেতো। পিয়ারীবুবু আমার ছোট্ট শরীরের সবটুকু তার বুকের ভিতর লেপ্টে পেলব হাতে আমার চোখ বাঁধতেন। পোলাপানেরা দৌড়ে কোনাকাঞ্চিতে লুকিয়ে চিকন ও লম্বা ‘টুউউউ’ শব্দ করলে বুবু আমাকে কোল থেকে ঠেলে দিয়ে বলতেন— ‘যা, ছু‌’। হাওয়ার বেগে ভোঁ ভোঁ ছুটে গিয়ে যে কাউকে ছুঁয়ে ফেললেই সে ‘গাভি’।
পিয়ারীবুবুর বিয়ে হয়ে গেলে অনেকদিন অমন মজা করে লুকোচুরি খেলা হলো না। পিয়ারীবুবুর বিরহে আমার খুব কান্না পেতো।
যুদ্ধের সময়ে পাখিবুবুরা গ্রামে চলে এলেন। আমাদের তখন কী অস্থির সময়; কিছু বুঝি, অনেকখানিই বুঝি না।
কিছুদিন পর আবারো আমাদের সন্ধ্যাগুলো মুখর হলো। আঁধার নামলেই তড়িঘড়ি জড়ো হই। পিয়ারীবুবুদের সেই ঘরের দাওয়ায়, যেখানে বুবু আমাকে খুব ঘনিষ্ঠ করে কোলে চেপে বসতেন, সেখানে এখন পাখিবুবু বসেন। বুবুর কাছে দৌড়ে ছুটে যাই ‘গাভি’ হবো বলে; কিন্তু তাঁর কৃপানজরে পড়ি না, ‘গাভি’ও হতে পারি না; ‘গাভি’ হতে কোনো গর্ব নেই, সবচেয়ে নিঃস্ব, অপারগ ও ছাপোষা পোলাপানই ‘গাভি’ হবার যোগ্যতা রাখে। ‘গাভি’ হবার যন্ত্রণা, কষ্ট ও বিড়ম্বনা সবচেয়ে বেশি; ‘গাভি’র কোনো আনন্দ নেই; ‘গাভি’কে সবাই খাবলে-খামচে ঘা করে দেয়; আমি পিয়ারীবুবুর কোল থেকে লাফিয়ে নেমে একদৌড়ে সবাইকে তাড়া করেও কাউকে ছুঁতে পারি নি; আমি সারাজীবন খামচিখাওয়া ‘গাভি’ই হতে চেয়েছি।
একদিন ‘গাভি’ হবার বাসনায় পাখিবুবুর কোলে বসতে উদ্যত হতেই বুবু ভর্ৎসনা করে বলে উঠলেন, ‘বুইড়া পোলা...., যা সর্‌।’
পিয়ারীবুবুর জন্য আমি অনেক কেঁদেছি। পাখিবুবুর জন্যও গোপনে গোপনে কেঁদেছি অনেকদিন। আমি ‘বুড়ো’ হতে হতে অনেক বড়ো হয়ে গেছি, বুবুরা আমাকে মনে রাখেন নি; আমিও তাঁদের ঠিকানা জানি না।
যে মেয়েটি আমাকে জীবনে প্রথম ফুল দিয়েছিল, আর অপূর্ব কিছু হাসি, ভাঙা কয়েকটি শব্দে একটা চিঠি, আর বলেছিল আমাকে তার ভালো লাগে, আমি তাকে সুদীর্ঘ কিছু চিঠি লিখে কৃতজ্ঞতার কথা জানিয়েছিলাম। অনেক অনেক দিন পর ধলেশ্বরী নদীর তীর ধরে ধু-ধু দূরে একটা মেয়েকে হেঁটে যেতে দেখে মনে হয়েছিল— ওর নামই হতে পারে আফরোজা।
পারুল আপা একদিন অ্যালবাম ঘেঁটে আমার সবচেয়ে ফুটফুটে ছবিটা হাতে নিয়ে বললেন, ‘এটা আমি নিলাম। ঘরে ঝুলিয়ে রাখবো, বুঝলি খোকা?’ আর আদর করে আমার নাক টিপেছিলেন। আমি তিনদিন চুরি করে পারুল আপার ঘরে ঢুকেছিলাম। আমার বুক আজও পুড়ে যায়। পারুল আপা আমায় ফাঁকি দিয়েছিলেন।
আরো একটা ঘটনা জীবনে প্রথম ঘটলো, এই সেদিন, এই অর্ধ প্রৌঢ়ে এসে। মহীয়সী বললেন, ‘আপনি চিরকালই আমার মন জুড়ে থাকবেন।’ ... তারপর তিনিও তাঁর কথা রাখতে পারেন নি।


নূরপুর মাঠে পৌষসংক্রান্তির মেলা। সারা বছরের সমস্ত সাধ জমা করে রাখি, কবে আসবে পৌষসংক্রান্তির দিন। তুমুল ঘোড়দৌড়, পাগলা ষাঁড়ের তেঁজ, মুরলি-চানাচুর— কী যে নেশা।
মেলার দিন ভোর হতেই অস্থির হয়ে উঠি। পাড়ার সাথিরা মিলে জটলা করি, সময় কাটে না কখন বিকেল হবে।
আবুল, নুরু, জসিম, আরো অনেকে। আমি দুপুর হতে না হতেই প্রস্তুত হয়ে ওদের জন্য অপেক্ষা করি।
‘নু, যাবি না?’ আমি, আবুল আর নুরুকে তাড়া দিই।
নুরুদের গরুগুলো তখনো চকের ক্ষেতে ঘাস খায়; আবুলেরও দেরি হয়ে যায় কী কারণে জানি না। আমি ওদের জন্য অপেক্ষা করতে থাকি। দুয়ারে অস্থির পায়চারি।
আবুল আর নুরু, ... ওরা কখন আমাকে ফেলে মেলায় চলে যায়, আমাকে ডাকেও না।


ছোটো খালা আমাকে খুব আদর করতো ছোট্টবেলায়। প্রতিবারই আমাদের বাড়িতে আসবার কালে কোঁচড়ভর্তি মোয়া আর রঙ্গিন নেবুনচুষ নিয়ে আসতো আমার জন্য। নানাবাড়িতে গেলে সারাদিন আমাকে নিয়েই মেতে থাকতো ছোটো খালা। আমি ছোটো খালার কলজের টুকরো ছিলাম।
ছোটো খালার বিয়ে হয়ে গেলে বেশি সময় আমি খালাদের বাসায়ই থাকতাম। খালা আমাকে কত আদর করতো!
আমার খালাতো ভাইবোনেরা বড়ো হতে হতে খালার আদর কমতে থাকলো না।
একদিন খালা আমাকে খুব কষ্ট দিল। আমার চোখ বেয়ে পানি পড়ে গেলো। খালা তা বুঝলো না বলে আমার বুক ফেটে যেতে থাকলো। খালু সেদিন বাজার থেকে অনেক বড়ো একটা ইলিশ মাছ এনেছিল। ডিমে ইলিশটার পেট ভর্তি ছিল। ডিম আমার অনেক ভালো লাগে। সব ভাইবোন মিলে খেতে বসলাম। খালা দু টুকরো ডিম দু খালাতো ভাইবোনের পাতে তুলে দিয়ে আমাকে দিল পিঠের কাঁটাঅলা মাছটা। আমি মনে মনে খুব কেঁদেছিলাম। আমি তো খালার হাতের ডিমের টুকরো চাই নি, খালা আমার কথা আর আগের মতো ভাবে না— কেবল এটাই আমার বুকে তোলপাড় ঢেউ তুলতে লাগলো।
এরপর খালার আদর ভুলে যেতে থাকলাম।


গালিমপুরে আমার এক ধর্মবোন থাকতো। পাখির মতো তার কণ্ঠে ‘ভাইয়া’ ডাকটি কী যে ভালো লাগতো! আমার জন্য সে জান দিত।
একদিন বিকেলে না বলে-কয়ে হীরাদের বাড়িতে গিয়ে দেখি মহাধুমধাম। হীরার ছেলের মুসলমানি। অনেক আত্মীয়স্বজন। আমাকে দেখে হীরা যে বেজার হলো তা নয়, তবে আন্দাজ করলাম সে বিব্রত হয়েছে; এমন একটা উপলক্ষ্যে আমাকে দাওয়াত করে নি, হয়ত সেজন্য।
খেতে বসে আমাকে দেখে কেউ একজন ‘এই কুটুমকে ঠিক চিনতে পারলাম না’ বললে হীরা শুকনো স্বরে যখন জানালো, ‘উনাদের বাড়ি পদ্মার পাড়ে’, আমি তখন খুব আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছিলাম সে এখনই বলবে, ‘উনি আমার অতি প্রিয় বড়ো ভাইয়া’। আমি আরো ভাবছিলাম, এই বুঝি হীরা অন্তত ‘ভাইয়া’টুকু সম্বোধনে ডেকে উঠে সবাইকে বুঝিয়ে দেবে, আমি এ বাড়িতে অতি সম্মানীয় একজন, নিদেনপক্ষে অপ্রত্যাশিত কেউ নই।
ধর্মবোনের কথাও আমাকে ভুলে যেতে হয়েছে।

২৮ এপ্রিল ২০১০


মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:২৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



অকারণে, খুঁজে খুঁজে দু:খগুলোর যোগফল বের করছেন?

মুক্তিযুদ্ধের সময় কোথায় ছিলেন, কোন এলাকায়?

১৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:৩৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: কিছু দুঃখ অকারণেই মনে পড়ে। সেগুলো ভুলতে চাইলে আরো গভীর হয়ে অন্তরে ভিড় করে।
জীবনে কিছু দুঃখ পেতে হয়। কিছু দুঃখ বুকের ভিতর জিইয়ে রাখতে হয়। এই দুঃখগুলো মনে করিয়ে দেয়- এর নামই জীবন, যা ফুল ও কাঁটা, দুটোর সমন্বয়ে গড়া।

মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার গ্রামেই ছিলাম। দোহারে।

শুভেচ্ছা প্রিয় চাঁদ্গাজী।

২| ১৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:২৫

মোহাম্মদ সোহেল আহমেদ বলেছেন: পড়ে ভাল লাগলো।

১৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:৩৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩| ১৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:২৭

জুন বলেছেন: হায় ছাই ভাই আপনার গতানুগতিক দুঃখ পড়ে আমার চোখ ছল ছল করে উঠলো । বিশেষ করে ইলিশ মাছের ডিম নিয়ে ছোটখালার ঘটনাটি । এমন অনেক হয় দেশী ভাই । আমাদের দেশী ডায়লেক্টগুলো ( নু যাই) ফিরিয়ে নিল আমার গ্রামে থাকা আত্মীয়দের কাছে ।
অনেক ভালোলাগা রইলো দেশী ভাই।
+

১৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:৪১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আমি সারা বাংলাদেশ ঘুরছি, কিন্তু আমার এলাকা ছাড়া আরো কোনো জায়গার ডায়ালেক্ট আমি আদৌ বলতে পারি না। এর ফলে, আমার সব গদ্য আমার নিজ এলাকা ঘিরেই লেখা হয়েছে, আর ডায়ালেক্টগুলোও আমাদের এলাকারই।

অনেক ধন্যবাদ দেশি আপু। শুভেচ্ছা।

৪| ১৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:৩০

আরণ্যক রাখাল বলেছেন: আপনার গদ্য খুব সুন্দর।
ভুলে তো যেতেই হয়, নিজেরাও ভুলে গিয়েছি কত!

১৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:৫৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: বিরাট কমপ্লিমেন্ট। অনেক অনেক ধন্যবাদ। এবং শুভকামনা।

৫| ১৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:৩৬

অতঃপর হৃদয় বলেছেন: অনেক সুন্দর লাগল। আপনার লেখাটি পড়ে অনেক পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে গেল। চোখের কোণে জল এসে জমা হয়েছে।

১৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:৫৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ অতঃপর হৃদয়। শুভেচ্ছা।

৬| ১৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:৩৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই ,



গতানুগতিক দুঃখের ভেতরেও স্বতঃসিদ্ধ সত্য --- "কেউ মনে রাখেনা "।
কষ্টাক্রান্ত টুকরো টুকরো ঘটনা । হয়তো একদিন , কোনও একদিন তাদেরও মনে পড়বে পদ্মার পাড়ের ছেলেটির কথা ! ছেলেটি তখন সময়ের পথ ধরে হেটে গেছে অনেক অনেক দূর ... নাগালের বাইরে !

১৭ ই মার্চ, ২০১৭ দুপুর ২:০০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: প্রিয় আহমেদ জী এস ভাই, আপনার কমেন্ট পড়ে মনটা খুব উদাস হয়ে গেলো।


হয়তো একদিন , কোনও একদিন তাদেরও মনে পড়বে পদ্মার পাড়ের ছেলেটির কথা ! ছেলেটি তখন সময়ের পথ ধরে হেটে গেছে অনেক অনেক দূর ... নাগালের বাইরে !

৭| ১৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:৫৬

শায়মা বলেছেন: এত দুঃখ কেনো মনে রেখেছো ভাইয়া?

১৭ ই মার্চ, ২০১৭ দুপুর ২:৪৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আমার প্রতিটি গল্পের একটা পটভূমিকা আছে; গল্প দাঁড়িয়ে গেলে হয়ত পটভূমিকার সাথে মিল পাওয়া যায় না, বা সামান্যই মিল থাকে।

আমার যদ্দূর মনে পড়ে, এখানকার একটা সিকোয়েলের পেছনে তোমার অবদান আছে, যদিও আমার মাথা কেটে ফেললেও তা এখন মনে পড়বে না :(

এত দুঃখ কেন মনে থাকে তা প্রথম কমেন্টের রিপ্লাইয়ে আলোকপাত করেছি।

ভালো থেকো। শুভেচ্ছা।

৮| ১৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১১:৫২

ওমেরা বলেছেন: শুধু দুঃখের স্মৃতি গুলো বল্লেন ভাইয়া এবার কিছু সুখের স্মৃতি শেয়ার করেন ভাইয়া ।

১৭ ই মার্চ, ২০১৭ দুপুর ২:৫০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: মানুষের দুঃখের স্মৃতিগুলোই বেশি করে মনে পড়ে, কারণ, এগুলো বুকের ভিতর ক্ষতের সৃষ্টি করে, যা নিরন্তর যন্ত্রণা দিতে থাকে। সুখস্মৃতিরও কমতি নেই, ব্লগে অনেক বলা হয়েছে, হয়ত ভবিষ্যতেও বলবো।

শুভেচ্ছা।

৯| ১৬ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১২:৫৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: গতানুগতিক দুঃখগুলোর কথা গতানুগতিক ভাবেই ভুলে যেতে পারলে ভাল হয়, কিন্তু তা যায় না। তবে মাঝে মাঝে এভাবে স্মৃতিচারণ করলেও মন্দ হয় না।
কয়েকটা ব্যাপারে আপনার সাথে আমারও কিছু স্মৃতির মিল রয়েছে। আমারও এক খালা ছিলেন যিনি আমাকে খুব আদর করতেন। তিনি গান গেয়ে আমাকে খুব ছোট্টবেলায় ঘুম পাড়াতেন, এ কথা মনে আছে। যে দুটো গান উনি বেশী গাইতেন সেগুলো হলো "ও আমার ছোট্ট পাখি চন্দনা" আর "একটা গান লিখো ও আমার জন্য"। সে সময় এ গান দুটো মনে হয় সবার হট ফেভারিট ছিল। যেকোন অনুষ্ঠানে এগুলো বাজানো বা গাওয়া হতো।
ইলিশ মাছের ডিম, মাছের চেয়ে আমার কাছে অনেক বেশী প্রিয় ছিল। ইলিশ মাছের ডিমের লোভ দেখিয়ে আম্মা আমাকে দিয়ে অনেক বেশী পড়া আদায় করে নিতেন, আবার অনেক গৃহস্থালী কাজও করিয়ে নিতেন। আমি খুশী মনে তা করতাম। ইলিশ মাছের ডিম আজীবন আমার প্রিয় তালিকায় রয়ে গেছে, আজও।

১৭ ই মার্চ, ২০১৭ দুপুর ২:৫৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আপনার কিছু স্মৃতি আর ভালো লাগার কথা শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ স্যার। আপনার কমেন্ট খুব ভালো লাগে।

শুভেচ্ছা।

১০| ১৬ ই মার্চ, ২০১৭ দুপুর ২:০৫

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: অনেক ভাল লিখেছেন।

১৭ ই মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৩:০৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

১১| ১৬ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:৩৭

জেন রসি বলেছেন: দুঃখগুলো এভাবেই লেগে থাকে। গোপনে।

১৭ ই মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৩:১১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ঠিক। অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

১২| ১৭ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ১০:০৯

সোহানী বলেছেন: দু:খগাথা পড়ে সত্যিই দু:খিত হয়েছি.... এরকম হাজার দু:খের পোস্টমর্টেম করতে গেলে ব্লগের ডায়রী পাতা শেষ হয়ে যাবে......... সরি দু:খ দিলাম নাতো...!!!!

১৭ ই মার্চ, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: হাহাহাহাহাহা। দুঃখকে আসলে পোস্টমর্টেম করে ফেলাই ভালো, তাহলে আর কোনো স্মৃতি জমা হয় না।

ধন্যবাদ আপু। শুভেচ্ছা।

১৩| ১৭ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:৩৯

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: সুখ আর দু:খ সেতো অনুধাবনের বিষয় যখন ঘটে তখন মনে হয় ঘটনাটা ঘটমান ই। যা ঘটে গেছে তা নিয়ে তেমন হুতাস ও থাকেনা। পরে সেই স্মৃতীগুলো ব্রেইনের যেখানে দখল করে থাকে তা শুধুই কেবল ইমেজ ইফেক্ট হসিবে নিরব সময়কে কিল করে। কষ্টের ভেলা চড়ে অথৈই নদী পাড়ি দেওয়া।

১৭ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:২৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

১৪| ১৮ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৩:৫০

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: চারটি দুঃখ।। ভিন্নতর।।
বয়সের সাথে হারিয়ে যায় শৈসব আর কৈশরের স্বপ্ন।। কিন্তু তাতে আছে শুধু বঞ্চনার যন্ত্রনাই।।
পুরোই বাস্তব।। খালাতো দুরের কথা, মা ই উপার্জনক্ষম সন্তানকে পেটি/মুড়োটা দেন।।
মানুষ এভাবেই পরিবেশের খাতিরে বদলে যায়!!

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৫০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: অনেক সুন্দর করে বলেছেন। ৪টি ৪ ধারার দুঃখ, আপনি যথার্থই চিহ্নিত করতে পেরেছেন।

অনেক ধন্যবাদ সচেতনহ্যাপী।

১৫| ১৮ ই মার্চ, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩১

বর্ষন হোমস বলেছেন:
চারটি চার সময়ের দুঃখ।সবগুলোই অনকে আগে ঘটে যাওয়া।সুতরাং ভুলে গেলেই ভাল ছিল।যত তাড়াতাড়ি এসব ভোলা যায় ততই ভাল।

শুভকামনা রইলো।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৫১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ধন্যবাদ বর্ষণ হোমস। দুঃখকে ভোলা খুব কঠিন।

ভালো থাকবেন।

১৬| ২৪ শে মে, ২০১৭ রাত ১২:৩৯

তপোবণ বলেছেন: "পারুল আপা একদিন অ্যালবাম ঘেঁটে আমার সবচেয়ে ফুটফুটে ছবিটা হাতে নিয়ে বললেন, ‘এটা আমি নিলাম। ঘরে ঝুলিয়ে রাখবো, বুঝলি খোকা?’ আর আদর করে আমার নাক টিপেছিলেন। আমি তিনদিন চুরি করে পারুল আপার ঘরে ঢুকেছিলাম। আমার বুক আজও পুড়ে যায়। পারুল আপা আমায় ফাঁকি দিয়েছিলেন।"
এটাতো আমার জীবনের গল্প! কখনো ভাবিনাই যে এই গল্প একদিন আপনি লিখবেন! আপনার ব্লগে আমি নুতন, অসম্ভব রকমের প্রিয়তে আছেন। ধন্যবাদ

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৫৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: প্রথমত আপনার গল্পটা লিখে ফেলতে পেরেছি জেনে গর্ব বোধ হচ্ছে। আর আপনার লাস্ট কথাটায় অনেক আপ্লুত। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.