নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শব্দকবিতা : শব্দেই দৃশ্য, শব্দেই অনুভূতি \n\[email protected]

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই

দুঃখের কবিতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা। ভালোবাসা হলো দুঃখ, এক ঘরে কবিতা ও নারী।

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই › বিস্তারিত পোস্টঃ

রবীন্দ্রনাথের একটি ভুল পঙ্‌ক্তি, আমি যেটি সংশোধন করলাম

২৩ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৫৮

জীবনে অহরহ আওড়ানো নীচের পঙ্‌ক্তিটি কে লিখেছিলেন, তা যদি আপনি এখনো না জেনে থাকেন, তাহলে দয়া করে আজই ডায়েরির পাতায় সুরম্য হরফে লিখে রাখুন যে, এটি লিখেছিলেন আমার কাকা শ্রীশ্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর :

যাহা চাই তাহা ভুল করে চাই, যাহা পাই তাহা চাই না

একদা আমার রবিকাকা ধবধবে শাদা পাঞ্জাবিতে সুগন্ধি মেখে তার গন্ধে পাগল হয়ে হরিণের মতো দীর্ঘলম্ফে লাফিয়ে লাফিয়ে সুন্দরবন, বান্দরবন, পলাশীর আম্রকাননসহ দিগ্বিদিক ছুটতে ছুটতে বর্ষা-শ্রাবণ-হেমন্ত-শীত পার হয়ে ফাল্গুন রাতের অন্ধকারে দিশা হারিয়ে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ে স্বপ্নের ভেতর আবোল-তাবোল বলে ওঠেন : যাহা চাই তাহা ভুল করে চাই, যাহা পাই তাহা চাই না। এটা আপাত বিরাট হাই-সাউন্ডিং, গভীর তাৎপর্যপূর্ণ পঙ্ক্তি মনে হলেও বিদগ্ধ বিশ্লেষণে এটিকে একটি চমকদার কিন্তু অসাড় চরণ বলেই আমার কাছে মনে হয়।

চরণের প্রথম অংশটার কথাই ধরুন- 'যাহা চাই তাহা ভুল করে চাই'- একেবারে শিশুশুলভ কথা এবং কথাটা একেবারেই ভুল, অশুদ্ধ। এমনটা কখনোই ঘটে না যে, আমরা হুটহাট করে কিছু একটা চেয়ে বসলাম, যেটার দরকার সেটা না চেয়ে অন্য অদরকারি একটা জিনিস চাইলাম। আমরা যা-কিছুই চাই না কেন, তা ভেবেচিন্তে, খুব বুঝেশুনেই চেয়ে থাকি। যেমন, আমরা যদি মাছ কিনতে চাই, তাহলে মিষ্টির দোকানে যাই না। আবার, যদি চমচম খেতে চাই, তাহলে চমচম না চেয়ে মিষ্টিওয়ালাকে চানাচুর দিতে বলি না। যদি সিনেমা দেখতে চাই, তাহলে সিনেমা হলেই যাই, স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে যাই না।

কিন্তু এই যে আমাদের এত চাওয়া, আমরা কি তার সবই পাই? আমি টেংরা মাছ কেনার জন্য বাজারে গেলাম। ছোটোবেলায় ওড়া দিয়ে আরায়, মজা পুকুরে এই টেংরা অনেক মেরেছি। বর্ষার শেষে দোহার খালের মাথায় আড়িয়াল বিলে মাছ-গাবানোর সময় ঝাঁকিজাল দিয়ে এই টেংরা ধরে বিরাট বিরাট পাতিল ভরে ফেলেছি, খেয়ে শেষ করতে না পেরে শুটকি করে রেখেছি। তো, হঠাৎ একদিন বাজারে গিয়ে টগবগে টসটসে বড়ো সাইজের লোভনীয় টেংরা দেখলাম, যা ছিল আমার দেখা জীবনের সেরা টেংরা। এইচডি কোয়ালিটির রেজ্যুলেশন দেখে মনে হচ্ছিল ফটোশপ করা, এত উজ্জ্বল ও সতেজ! এবং আরো পরিষ্কার করে বললে বলতে হয়- থ্রি-ডি টেংরা, রেজ্যুলেশন এতটা ক্লিয়ার। ওগুলো দেখেই আমার জিভের মাথায় লুল জমে গেলো। বয়স কম হলে হয়ত কাঁচাই খেয়ে ফেলতে চাইতাম। আমি জানি, টেংরা মাছও চাষ হচ্ছে দেশে অনেক আগে থেকেই। এই চাষ করা টেংরাই খাচ্ছি কমপক্ষে বিগত ১০ বছর ধরে। কিন্তু অন্যান্য চাষ করা হাইব্রিড মাছের মতো টেংরাকে কখনো স্বাদহীন মনে হয় নি, এবং এগুলো খেয়ে বোঝার উপায় নেই যে এগুলো চাষের টেংরা। মনে মনে ঠিক করে ফেললাম, কেজি দুয়েক নিয়ে যাব আজ। দাম আর কতই বা হবে, বড়োজোর ২/৩ শ, বা ৪শ টাকা কেজি।
মাছওয়ালার আরেক ডালিতে ছিল গুলশা মাছ। এটাও চাষের গুলশাই। সাইজও মাশা'ল্লাহ সেই রকম; ছোটো ছোটো আইড় মাছের মতো। কেজিখানেক নিয়ে নেব, ভাবলাম।
তিন নম্বর ডালিতে পুঁটিমাছ। এত বড়ো সাইজের পুঁটিমাছও এর আগে দেখি নি। এগুলো পুকুরে চাষ করা পেট-ছড়ানো হাইব্রিড পুঁটি না, খাঁটি দেশি পুঁটি, যা আমাদের আড়িয়াল বিলের পুঁটির মতো। শীতের দিনে বেগুন দিয়ে হালকা ঝোল করে পুঁটিমাছ রাঁধতো আমার মা, শুকনো শুকনো বেগুনের উপর ধনেপাতাগুলো সরের মতো জেগে থাকতো। খাওয়ার সময় মুখ দিয়ে ভাত চিবোতাম আর ঘন ঘন নাক টেনে ধনেপাতার তরতাজা ঘ্রাণ নিতাম- পুঁটিমাছগুলোর দিকে একধ্যানে তাকিয়ে থাকতে থাকতে আমার কিশোরবেলায় মায়ের রান্না করা পুঁটিমাছের তরকারির হাঁড়িতে গিয়ে চোখ আটকে থাকলো কিছুক্ষণ।
ধ্যানভোঙ্গ হলে খুব আবেগ আর উৎসাহের সাথে মাছওয়ালাকে জিজ্ঞাসা করি-
টেংরা কত টাকা কেজি ভাই?
-এক হাজার টাকা কেজি।
ভরা বাজারের মধ্যে কোথাও মনে হয় একটা বেলুন ফেটে চুপসে গেলো, কানে শব্দ এলো। আমার গলার স্বরটা কেন যেন একটু নেমে এলো। জিজ্ঞাসা করি, গুলশার দর কত, ভাই?
- সাড়ে আট শ টাকা কেজি।
আমার জিভে কিছুক্ষণ আগে লুল জমা হয়েছিল, তা শুকিয়ে বিরাণ হয়ে গেছে, টের পেলাম।
-আর, পুঁটিমাছ কত কইরা ভাই?
-নেন, সাড়ে ৬শ টাকা কেজি।
মাত্র একটু আগে ঝাঁকা থেকে মাছ নামানো হয়েছে। কেউ কেউ ইতিমধ্যে মাছওয়ালার হাঁকানো দরেই মাছ কিনতে শুরু করে দিয়েছে। এই মাছ দরদাম করে আর কয় টাকাই বা কমানো যাবে, একশ, দুইশ, তিনশ। তারপরও তো এই মাছের দর আমার নাগাল থেকে আরো কয়েক মাইল দূরে থাকবে। এখান থেকে চলে যাওয়াই শ্রেয়, তবে কিছু একটা না বলে যাওয়া যায় না, মান-সম্মানের ব্যাপার আছে তো!
মিনমিনে গলায় বললাম- দাম কমানো যায় না!
'একদাম।' আমার কথা শেষ হবার আগেই মাছওয়ালা দৃঢ় স্বরে বলে দিলেন। আমি মনকে বললাম, মন শান্ত হও। আপ্লুত হইয়ো না। পুঁটিমাছ তো পুঁটিমাছই, ইলিশ মাছ তো আর না। টেংরা গুলশা তো টেংরাই, হাঙ্গর বা তিমি মাছ তো আর না, তাই না? তো, অত মন খারাপ করিও না। এসব আজেবাজে মাছ না খাইলেই বরং জীবন বেশি তৃপ্তিময় হয়ে ওঠে।
সারা বাজার ঘোরাঘুরি করে অবশেষে বোয়াল মাছ কিনলাম। সাড়ে চারশ টাকা কেজি। ইলিশ মাছ ১৪ শ টাকা কেজি। বেলে মাছ, যেটাকে ছোটোবেলায় সবচেয়ে অলস ভাদাইম্যা মাছ মনে হতো, এখনো তাই মনে হয়, দাম ৮শ টাকা কেজি। পাবদা মাছ- সবচাইতে নরম মাছ। আমার কাছে কোনোদিনই এটাকে স্বাদের মাছ মনে হয় নি। বড়োটা ১২শ টাকা কেজি, ছোটোটা ১ হাজার টাকা কেজি। চিংড়ি- ৫ শ থেকে ১১ শ টাকা কেজি। বোয়াল মাছের দাম সবচাইতে কম হওয়ায় খুশি মনে ওটা কিনে বাসায় চলে এলাম। মাছটি কষানো হলো। খাওয়ার সময় মনে হলো, অনেকদিন পর রাজ-রাজড়ার খাবার খাইলাম, এত স্বাদের রান্না হয়েছিল।
তো, এবার বুঝুন, আমি যা চেয়েছিলাম, তা কি পেয়েছি? আমি চেয়েছিলাম ৩ কেজি টেংরা, ২কেজি গুলশা এবং খাঁটি দেশি পুঁটিমাছ কিনতে। তা কি কিনতে পেরেছি? না। পারি নি। অর্থাৎ, আমি যা চাই, তা পাই না। এরকম ব্যবহারিক ও সাংসারিক জীবনে অহরহই দেখতে পাবেন, আপনি যা চাইছেন, তা কোনোদিনই পাচ্ছেন না। এই যে আপনি টেংরা-পুঁটি কিনতে চাইছেন, তা কিনতে চাইলে সংসারের সব খয়খরচসহ আপনার বেতন চাই ৬৫ হাজার টাকা। কিন্তু আপনার বেতন মাত্র ২৯ হাজার টাকা। আপনি চান গুলশান-বনানীর একটা বিলাশবহুল অ্যাপার্টমেন্টে পরিবার-পরিজন নিয়ে থাকতে; কিন্তু আপনার বেতন কম হওয়ায় আপনাকে বাসা নিতে হয়েছে বুড়িগঙ্গার ওপারে কালিগঞ্জে বা জিঞ্জিরায়। আপনি চান দামি একজোড়া লাউঞ্জ স্যুট ফেরদৌস টেইলর থেকে বানাতে; কিন্তু আপনাকে বঙ্গবাজার থেকে অনেক যাচাই-বাছাই-পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর একটা 'নিশ্ছিদ্র' কোট, আর তার সাথে রঙ ম্যাচ করা একটা প্যান্ট কিনতে হচ্ছে।
আপনি হয়ত আশা করে আছেন, ঘাতক ড্রাইভারের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে সংসদে 'সড়ক পরিবহন' আইন পাশ হবে; হয়ত আশা করে আছেন, খুন ধর্ষণ, অপহরণের আসামিকে ৭দিনের মাথায় জরুরি ট্রাইব্যুনালে ট্রায়াল করে 'ক্রস ফায়ারে' মৃত্যুদণ্ডের বিধান করে আইন করা হবে। আপনি মুক্তিযোদ্ধার নাতি; কোটার বদৌলতে একটা সরকারি চাকরি অবশ্যই পাবেন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশে- আপনি আশায় আশায় দিন গুনছেন।
এসব চাইতে চাইতে শেষ পর্যন্ত দেখতে পেলেন আপনার প্রাপ্তির ভাণ্ডার শূন্য।


এই যখন অবস্থা, তখন আমরা কি বলতে পারি না যে, গুরুকবি এই লাইনটা লেখার সময় মরীচিকার ধু-ধু দেখছিলেন, অথবা অন্যকিছু ভাবতে ভাবতে এলেবেলে এই লাইনটা লিখে ফেলেন; আর আমরা কিছু না ভেবেই এটাকে একেবারে সুমহান, অনন্য, অতুলনীয় দার্শনিক পঙ্‌ক্তি হিসাবে, জীবনের সাথে মিশে যাওয়া এক অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গ করে ফেলি। অথচ, একবারও খতিয়ে দেখি নি, কথাটায় কী ফাঁকি লুকিয়ে আছে। সত্যি বলতে কী, কথাটা একেবারেই অর্থহীন। সারবত্তাহীন।
আমি এখন নিশ্চিত, রবীন্দ্রনাথ কথাটা বলতে চেয়েছিলেন এক ভাবে, কিন্তু বলে ফেলেছিলেন অন্যভাবে। কিংবা, তিনি হয়ত সঠিকভাবেই লিখেছিলেন, কিন্তু কোনোভাবে টাইপিং মিস্টেক হয়ে লেখাটা এইভাবে চলে এসেছে।
রবীন্দ্রকাব্যে এ ধরনের ভুল সারাজীবন চলতে থাকবে, তা হয় না। আমরা গুণিজন তাহলে কীজন্য আছি? এসব ভুল সংশোধন ও পরিমার্জন করা আমাদেরই কাজ। এ এক পবিত্র দায়িত্ব বটে।

সংশোধিত কথাটি হবেঃ 'আমি যাহা চাই তাহা পাই না'। অর্থাৎ, আপনি যা চেয়েছেন তা পান নি- সহজ বাংলায় এই হলো কথাটা।

এভাবে চরণের পরের অংশ 'যাহা পাই তাহা চাই না' কথাটাও ব্যবহারিক ও ব্যকরণগত দিক থেকে ভুল। আমাদের জীবনে কখনো কি এমনটা ঘটে যে, আমরা একটা জিনিস পেয়ে গেলাম, অথচ ওটা নিতে চাই না, বা খেতে চাই না, বা ব্যবহার করতে চাই না? আমার জন্মদিনে আপনি আমাকে একটা দামি আইফোন গিফট করলেন, আমি কি এতই বোকা যে ওটা আমি পানিতে ফেলে দেব? অফিসের ৫ কোটি টাকার একটা ফাইল ক্লিয়ার করে দিলাম; আমাকে মাত্র লাখ তিনেক টাকা স্পিড মানি দিয়ে আমার কাজের স্পিড তিনগুণ বাড়িয়ে দিলেন, এটা আমি চাই, বার বার চাই, প্রতিদিনই চাই। পায়ে ঠেলে এই সোনা কেউ নর্দমায় ফেলে দেয়, বলুন? এজন্য, এই কথাটা ভুল। তারপর ধরুন, খুব আশা ভরসা নিয়া পরীক্ষা দিলেন যাতে গোল্ডেন জিপিএ ফাইভ পান। তো, সেটা পাওয়ার পরই কি আপনার আক্ষেপ শুরু হইয়া যায়- হায় হায়, গোল্ডেন না পাইয়া সিলভার পাইলে অনেক বেশি ভালো লাগতো! অর্থাৎ, আপনি যা চান, তা পাইলেই খুশি হন, না পাইলে আপনিসহ আপনার চৌদ্দ গুষ্টি বেজার হোন।

অথচ দেখুন, ব্লগে বা ফেইসবুকে স্টেটাস দেয়ার পর আপনি চান মুহূর্তে 1K লাইক, শ খানেক কমেন্ট আর অর্ধশত শেয়ার হয়ে যাক। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় গোটা দশেক লাইক, হয়ত 'বাহ', 'হুম' ধরনের এক-আধটা কমেন্ট নিয়ে পুরো স্টেটাসটাই দিনভর ঝিমোচ্ছে। অন্যদিকে, আপনি বার বার মেসেজ অপশন ব্লক/ডিসএবল করে দিচ্ছেন, কিন্তু তা সত্ত্বেও কোন অলৌকিক শক্তিতে কীভাবে যেন ঘণ্টায় ঘণ্টায় ডজন ডজন ভিডিও/অডিও শেয়ার ইনবক্সে এসে জমা হচ্ছে, যা আপনি ইহজনমে খুলেও দেখেন না। টিভি দেখতে বসে বিরতিহীন একটা চমৎকার নাটক বা সিনেমা দেখতে চান। কিন্তু ১০ মিনিট পর পর ১০ মিনিট কাল ধরে বিজ্ঞাপন চলতে থাকে। আপনি চান মেসি বিশ্বকাপ জিতুক, কিন্তু সে আব্দুল কুদ্দুস হিসাবে আলু খেতে খেতে দেশে ফিরে গেল।

অর্থাৎ, আপনি চান আনন্দ, কিন্তু পান হতাশা। আপনি হতাশা না চাইলেও খালি এটাই বার বার পেতে থাকেন। আপনি চান, খুন, ধর্ষণ, সড়ক দুর্ঘটনা বা অপহরণের কোনো ঘটনা এ দেশে আর না ঘটুক। কিন্তু তা ঘটছে, গতানুগতিক ঘটনা যেন এসব। আপনি কোনো গুজব চান না; কিন্তু বাতাসের আগে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। দুর্বৃত্তরা মাথায় হেলমেট পরে, লাঠি, রাম দা, অস্ত্র হাতে নিরস্ত্র শিক্ষার্থীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ুক- এটা কি আপনি চান? কিন্তু এসব এখন খুব সাধারণ দৃশ্য হয়ে গেছে। এসব আরো অনেক উদাহরণ আছে, যেগুলো আপনি শুনতে চান না, দেখতে চান না, পড়তে চান না, কিন্তু ওসব অনবরত পেতেই থাকেন। আপনি সায়েদাবাদ থেকে ৩০ মিনিটে উত্তরা যেতে চান? পারবেন না। কমপক্ষে ৩ ঘণ্টা, ভাগ্য ভালো থাকলে ৫ ঘণ্টাও লাগতে পারে। আপনি যানজটমুক্ত ঢাকা শহর চান, কিন্তু প্রতিদিন এখানে পাল্লা দিয়ে জ্যাম বাড়ছে। ফ্রেশ ফলমূল, শাকসবজি, মাছমাংস চান, কিন্তু ফরমালিনের বিষে সবকিছু মাখানো, আপনার কিডনির বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছে।

রবীন্দ্রনাথের মতো নোবেলজয়ী গুরুকবির কাব্যে এমন ভুল কি আশা করা যায়? তিনি কীভাবে এতবড়ো ভুল করেও নোবেল প্রাইজ পেলেন, তা আমার কাছে এক বিরাট বিস্ময়।
এই ভুল আজ যদি আমি সংশোধন না করে যাই, আমার মৃত্যুর পর আর কারো চোখে এই ভুল ধরা পড়ার কোনো সম্ভাবনা দেখছি না। অতএব, এই গুরুদায়িত্ব পালন না করে থাকা গেলো না।

শুদ্ধ ও সার্থক কথাটা হবে, যাহা চাই না তাহা খালি পাই

এবার দেখুন, পূর্ণ চরণটা কীরকম হবেঃ

আমি যাহা চাই তাহা পাই না, যাহা চাই না তাহা খালি পাই।

***

পাগল হইয়া বনে বনে ফিরি আপন গন্ধে মম
চঞ্চলা হরিণী সম
ফাল্গুনরাতে ফেসবুক লাইভে একটুখানি সুখ চাই
আমি যাহা চাই তাহা পাই না, যাহা চাই না তাহা খালি পাই॥

মূল কবিতা

৭ আগস্ট ২০১৮


**


ওড়াঃ বেতের বা বাঁশের চটা/চটলা দিয়ে তৈরি এক ধরনের ছোটো ঝাঁকা।
আরাঃ ডোবা/পুকুর

মন্তব্য ৪৮ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৪৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:০৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
গুরুদেব সব সময়ই গুরুদেব।
এক মাত্র সাহিত্যের নোবেল বিজয়ী।

২৩ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:২২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সাজ্জাদ ভাই।

২| ২৩ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৪৬

রাজীব নুর বলেছেন: ইদানিং আমি দেশী মাছ খাওয়ার জন্য পাগল হয়ে গেছি। কোথাও দেশী মাছ নেই। সব জাগায় চাষের মাছ। আসল দেশী মাছ কোথায় পেতে পারি?

২৩ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৫৫

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: দেশী মাছ খাওয়ার জন্য দেশে যাইতে হবে। নদীর তীরে জেলেদের কাছে, আড়িয়াল বিলেও যেতে পারেন। কারোয়ান বাজারে বা সোওয়ারি/ওয়ারি ঘাটেও যেতে পারেন। মাছ চিনতে পারায় হলো আসল গোমড়। ছোটো কালচে টেংরা ন্যাচারাল পানির। খোলসে, বইচা, কাইক্লা, বাইম, রয়না (কোথাও চাষ হচ্ছে), বেলের ঝুরি, কাচকির গুঁড়া। বোয়াল মাছও তেমন চাষ হয় না, আইর মাছও।


বাতাসি, খল্লা, ঘাওড়া, বাছা, ইত্যাদি। করোনা পার হওয়ার পর আপনার আব্বুর সাথে একদিন কারওয়ান বাজারে যাব :)

৩| ২৪ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১২:০০

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই,




হা....হা................ পূর্ববাংলার নতুন "রবি ঠাকুর" ! :(

তা হাঙর সাইজের ট্যাংরা মাছ যে আপনাকে কেউ ৩০০/৪০০ টাকায় দেবেনা, এটা বুঝতে না পারা আপনার ভুল। সুতরাং যে ট্যাংরা মাছ চাহিয়াছেন তাহা ভুল করিয়া চাহিয়াছেন। :|

আবার আপনি ডোডো পাখি- প্রশ্ন ফাঁস জেনারেশনের সদস্য। এ অবস্থায় গোল্ডেন জিপিএ ফাইভ পাওয়ার কোনও চান্সই যখন আপনার থাকেনা তখন আপনি গোল্ডেন জিপিএ ফাইভ চান না, আল্লায় দিলে কোনও মতে পাশ চান। এখন যদি সেটা আপনার কোলে ঝপ্পাৎ করে পড়েই যায় তখন আপনি যাহা পাইয়াছেন তাহা চান নাই। :)

এই যে আমিও ভুল করিয়া এই লেখা যখন পড়িয়াছি তখন বুঝিতে হইবে এই লেখা আমি পড়িতে চাই নাই কিন্তু পড়িয়া ফেলিয়াছি। এবং যে লেখা চাই নাই তাহা পাইয়াছি। তা হলে দাঁড়ালো কি? যাহা চাহিয়াছি তাহা ভুল করিয়া চাহিয়াছি এবং
যে মন্তব্য করিয়াছি যাহা সম্ভবত আমি চাই নাই এবং আপনিও চাহেন নাই। :((

কিছু হইলো কি ??????? :||

২৪ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ১০:৫১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: হাহাহাহাহাহাহাহাহা, আহমেদ জী এস ভাই, মন্তব্যটা অনেক রসালো, খাসা এবং জোরালো যুক্তিতে ভরপুর হইয়াছে।

দেখেন, আপনার কাছে থেকে কিন্তু সবসময় এরকম জ্ঞানগর্ভ, যুক্তিনির্ভর, রসে টইটুম্বুর মন্তব্যই আশা করে থাকি। এ আশা করাটা কিন্তু ভুল না। এটা একটা আশা এবং আস্থাশীলতার জায়গা, যা আপনি নিজেই অর্জন করেছেন। আপনার কাছ থেকে যখন আশানুরূপ মন্তব্য পাইয়া যাই, তখন কিন্তু বলি না- আহমেদ জী এস ভাই, আমি ভুল কইরা এত মহৎ কমেন্ট চাইয়া ফালাইছি, আপনি প্লিজ এত ভালো কমেন্ট কইরেন না, আরেকটু নিম্ন মানের কমেন্ট করেন :) এটা গেল প্রথম পয়েন্ট। কিন্তু দৈবাৎ যদি আশানুযায়ী মন্তব্য না পেয়ে খোঁচাটোচা খাইয়া রক্তাক্ত হইয়া যাই - তখনই কিন্তু বলে উঠি- ও খোদা, আমি যা পাইলাম, তাহা তো চাই নাই :(

ট্যাংরার ব্যাপারটাও তাই। আমি চাই উহা ১২০টাকা কেজি হোক। আমি এর দাম এত সস্তাই চাই। আমার এ চাওয়াটাই ন্যায্য, জাতীয় অধিকার। এ চাওয়াতে কোনো ভুল নেহি। কিন্তু বাজারে মাছওয়ালা যখন হাঁক দেয়, এর দাম ১২০০ টাকা কেজি, তখন আমার বলতে হয় না, আমার কইলজাটাই কইয়া ওঠে - আমি তো ট্যাংরার দাম এত আকাশ সমান উঁচা দেখতে চাই নাই :(

যাই হোক, অনেক ধন্যবাদ প্রিয় আহমেদ জী এস ভাই, জমজমাট কমেন্টে সকালটা উৎরে দেয়ার জন্য।

৪| ২৪ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১২:০৩

মা.হাসান বলেছেন: ভাবি- মডু বলবে অসাধারণ কবিতা লিখছেন। আপনার ঠিকানা দেন, একটা অটোগ্রাফ নিয়ে আসবো। !:#P
পাই- নোটিফিকেশন- ব্লগের নীতিমালা ভঙ্গকরায় আপনাকে সতর্ক করা গেলো । :(

দোষ আমার। আমি খাটি হইতে পারি নাই।
এই দেশে খাটি মানুষ নেতারা। ওনারা যা চান তাই পান। জনগনের ভালোবাসা, ফুলের মালা, হাত তালি ( আর কিছু বাদ গেলে নিজ গুনে বসিয়ে দিবেন)।

*আমার মা মলা মাছ পছন্দ করেন। এটা সাড়ে চারশত টাকা কেজি। আমি বিকল্প হিসেবে চাষের রুই কিনি। তিনশত টাকা কেজি। পাঙাস আর তেলাপিয়া এর অর্ধেক দামে অবশ্য পাওয়া যায়। অভিজ্ঞ জনেরা আমাকে পুকুরের পাঙাস-তালাপিয়া না কেনার পরামর্শ দিয়ে এসেছেন।

২৪ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৩০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: হাহাহাহাহাহাহাহাহা, মা.হাসান ভাই, আপনার কমেন্টও রসে টই টুম্বুর, নাচে-গানে বিরহ বেদনায় ভরপুর :)

এবার তাহলে আপনার বক্তব্যেই আসি :)

আপনি ভাবছেন - মডু বলবে অসাধারণ কবিতা লিখছেন। আপনার ঠিকানা দেন, একটা অটোগ্রাফ নিয়ে আসবো। আপনার এই চাওয়াতে কোনো ভুল নাই। এটা আপনার ন্যায্য অধিকার। সংবিধান আপনাকে এই অধিকার পাকাপোক্তভাবে দিয়ে দিয়েছে।

কিন্তু, আপনি চাইলেন মহামূল্য এক বস্তু, অথচ পাইলেন নীচের বস্তু :(

আপনি পাইলেন - নোটিফিকেশন- ব্লগের নীতিমালা ভঙ্গ করায় আপনাকে সতর্ক করা গেলো । এ জাতি মডুর কাছ থেকে কোনোদিনই এমনটা আশা করে নাই। আপনি তো কোনোদিন ভাবেনই নি এমন অবমাননাকর একটা 'ওয়ার্নিং' আপনি পাইয়া যাইবেন :( অথচ দেখেন, কী অপকাণ্ডটাই না ঘটে গেল।

কাজেই, আমরা জোর গলায় বারং বার বলতে পারি, আপনি যা চাইছিলেন, খুব যৌক্তিকভাবেই চাইছিলেন, কিন্তু তা আপনি পান নাই। আবার, আপনি যা পাইয়া গেলেন, তা আপনি জীবনেও চান নাই :(

চাষের মাছের বড়ো সমস্যা হলো ফিশফিড। নিম্ন মানের এবং ক্ষতিকর ফিশ ফিডের কারণে অনেক চাষের মাছই শরীরের জন্য বড্ড ক্ষতিকর। কিন্তু, প্রোটিনের চাহিদা মেটানোর জন্য আমাদের শেষ পর্যন্ত এই চাষের মাছেই ফিরে আসতে হয়। পরিচিত, বিশ্বস্ত পুকুরের মাছ কিনতে পারলে এ সমস্যা থেকে কিছুটা বাঁচা যায়।

মলা মাছও আজকাল চাষ হয়। আমি দেখেছি, এ মাছের স্বাদ ন্যাচারাল মাছের মতো না। অনেক সময় স্বাদ বোঝাও যায় না।

অনেক ধন্যবাদ প্রিয় মাহাসান ভাই চমৎকার কমেন্টটির জন্য।

৫| ২৪ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১২:০৭

ঢুকিচেপা বলেছেন: আপনার চোখে পড়েছে বলেই না বাংলার জনগন শুদ্ধটা দেখে যেতে পারবে।
ভাল লাগলো।

২৪ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৩৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ, প্রাণপণে সংশোধন করে যাব রবিকাকার গান
বিশ্ববাসীর কাছে এ আমার অঙ্গীকার

অবশেষে সব কাজ সেরে শান্তিমতো খাব আর ব্লগাবো

তারপর হব ইতিহাস

৬| ২৪ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১২:১১

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: কি চাই তা যদি ভাল করে না জানি তবে চাওয়া হবে ভুল আর পাওয়া হবে ভুল।এখানে কিছু দেশি মাছ পাওয়া যায় ডেনফোর্থে।

২৪ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৪২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: হ্যাঁ, ভুল করে চাইলে সেই ভুলের খেসারত তো দিতে হবেই। কিন্তু, আমরা সারাজীবন, আমাদের যা প্রয়োজন আমরা সেটাই চেয়ে থাকি। যেটার প্রয়োজন নাই, সেটা চাই না। জীবিকা নির্বাহের জন্য একটা কাজ বা চাকরি চাই। এ চাওয়াটা সঙ্গত, ভুল নাই কোনো। কিন্তু আমরা যে-জিনিসটা চাই, সব সময়ই কি সেটা পাই? চাইলাম একটা বিসিএস চাকরি, পাইলাম না। চাইছিলাম বিরাট বড়ো জমিদার হইতে, ধান-গম-পাটের চাষ করে বিপুল ফলন দিতে। এসব কিছুই পাইলাম না। পাইলাম অন্য কিছু যা আমি কোনোদিনই চাই নাই। এজন্যই বলেছি, আমি যা চেয়েছি তা পাই নাই, যা চাই নাই খামোখা তা পাইয়া বইসা আছি :(

ধন্যবাদ নুরুল ভাই অংশগ্রহণের জন্য।

৭| ২৪ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১২:৪২

স্বরচিতা স্বপ্নচারিণী বলেছেন: অনেক ভালো লিখেছেন। পুরোটা বলতে গেলে এক নিঃশ্বাসে পড়েছি। আর কবিগুরুর জায়গায় তিনি ঠিকই বলেছেন। তার কোন কিছু চাওয়ারই বা কি দরকার? ভুল করেই চেয়েছেন। প্রতিভা, সম্পদ, সম্মান - সবই ছিল তাঁর। আমাদের মত আমজনতার জন্য আপনার লেখা লাইনটি ঠিক আছে।

বাই দ্যা ওয়ে। আপনার আইডি টার অর্থ টা বলবেন? :)

২৪ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৫২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: প্রথমেই আমার ব্লগে স্বাগত জানাচ্ছি। আজ একটা ছবি দেখার খায়েশ করেছি, কিন্তু সময় হবে কিনা বুঝতে পারছি না।

তার কোন কিছু চাওয়ারই বা কি দরকার? ভুল করেই চেয়েছেন। প্রতিভা, সম্পদ, সম্মান - সবই ছিল তাঁর। হাহাহাহাহাহা। এটা খুব খাসা বলেছেন।

সোনাবীজ < সোনার বীজ, মূল্যবান বস্তু :)
অথবা ধুলোবালিছাই < মূল্যহীন ছাই

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই < কখনো মনে হতে পারে মূল্যবান কিছু, কখনো মাকাল ফলও মনে হতে পারে। যা কিছু লিখেছি, কারো কাছে তা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বস্তু হিসাবে প্রতিভাত হতে পারে, কেউ হয়ত কিছুই হয় নি বলে উড়িয়ে দিবেন।

৮| ২৪ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১২:৫২

রামিসা রোজা বলেছেন:
যদি কিছু মনে না করেন তাহলে আমার স্বল্পজ্ঞানে একটি
কথা বলি , হয়তো অনেকেরই ভেতরে কিছু পাওয়া না
পাওয়ার আক্ষেপ থেকে যায় ।কেউ প্রকাশ করে আর কেউ
করে না ।
আপনার লেখায় আমার কিছু সমর্থন রেখে গেলাম।

২৪ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:২২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
হয়তো অনেকেরই ভেতরে কিছু পাওয়া না পাওয়ার আক্ষেপ থেকে যায়। কেউ প্রকাশ করে আর কেউ করে না। একমত আপনার সাথে। কিছু সমর্থন রেখে যাওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

৯| ২৪ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১:৩৪

নেওয়াজ আলি বলেছেন: থাক না এইসব । সেতো কবিগুরু বিশ্ব জয়ী

২৪ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:২৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ নেওয়াজ আলি ভাই।

১০| ২৪ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:১০

পুলক ঢালী বলেছেন: হা হা হা বাস্তব উদাহরন যোগে দারুন ভুল সংশোধন !!
কিন্তু গুরু মনের মধ্যে একটা গিট্টু লেগেই আছে যদি সেটার ব্যাপারে একটু সমাধান দিতেন ---।
আপনার কাকা যদি অপার্থিব কিছু চাওয়ার কথা ভেবে থাকেন, যেমনঃ এক সুখী দম্পতি, স্বামী স্ত্রী পরস্পরের প্রমে অন্ধ। এরমধ্যে আপনার কাকা সেই নারীর মন চেয়ে বসলেন কিন্তু পেলেন না, আবার ওদিকে এক তরুনী আপনার কাকাকে মন দিয়ে বসে আছেন যাকে আপনার কাকা চান নাই সে ক্ষেত্রে ---------? ;)
আপনার কাকাকে নিয়ে আমি কিন্তু সত্যিই সমস্যায় আছি দেখেন সেটা সংশোধন করতে পারেন কিনা !
তিনি বলেছেন ভেঙ্গে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে ?
মুশকিল হলো তালা না ভেঙ্গে শুধু চাবি ভেঙ্গে ক্যামনে নেওয়া যাবে ?
মন বা হৃদয় নিতে চাইলে মনের তালা বা হৃদয়ের তালা ভাঙ্গতে হবে।
ওদিকে পার্থিব জীবনে তালা না ভেঙ্গে চোর কিভাবে ঘর অথবা সিন্ধুক খালি করবে ?
এই জটিলতা নিয়ে দারুন পেরেশানীতে আছি আছি গুরু যদি একটু উদ্ধার কইরা দিতেন ---- ;) :D =p~ =p~

২৪ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:৫৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: হাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহা। বিশদ কমেন্টে অনেক প্রীত বোধ করছি।

জীবন ভর আমাদের প্রয়োজনের কথাটা মাথায় রেখেই আরাধ্য জিনিসটা কামনা করে থাকি। এ চাওয়ায় মাঝেমধ্যে যে ভুল থাকবে না তা না, কিন্তু সেটা কোনো নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা না। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক যুবক অন্য একজন প্রাপ্ত বয়স্ক অবিবাহিতা মেয়েকেই প্রেমিকা বা স্ত্রী হিসাবে কামনা করবে- এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এটা স্বাভাবিক না যে, সবাই প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর সুখী দম্পতির স্ত্রীকে কামনা করবে, তাই না? :) কাজেই আমার রবিকাকা যদি অমনটা করে বসেন, ওটা তার ভুল হবে। কোনো বালিকা যদি কাকার মন (কাকা বিবাহিত হবার পর) চাইয়া বসেন, সেটাও তরুণীর ভুল হবে।

আপনার পরের প্রশ্ন তো আমারও প্রশ্ন সেই বাল্যকাল থেকে :) আমার রবিকাকা তালা না ভেঙে চাবি ভাঙতে চাইলেন কেন? এখানেও অনেকেই অনেক ব্যাখ্যা দিয়ে থাকেন। সবচাইতে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা হলো, এখানে ছন্দ রক্ষা ও ভাষার মাধুর্যের জন্য চাবি ব্যবহার করা হয়েছে এবং এই চাবিও 'তালা' অর্থেই তিনি ব্যবহার করেছেন। কোনো কোনো অঞ্চলে তালার প্রতিশব্দ হলো চাবি, বা তালা ও চাবি সমার্থক এবং চাবিকে বলা হয় ছুরান। তবে, বাহ্যিকভাবে তালা বা চাবি যাই হোক না কেন, এর একটা নিগূঢ় অর্থও থাকতে পারে, যা রবীন্দ্রনাথের 'জীবনদেবতা'র সাথে রিলেটেড। এ ব্যাপারে এই লিংকে যেতে পারেন

অনেক ধন্যবাদ পুলক ভাই।

১১| ২৪ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:০৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনে তো দেখি একটা যুগান্তকারী কাম করছেন। নোবেল প্রাইজটা রবী ঠাকুরের কাছ থিকা কাইরা নিয়া আপনেরে দেওনের দরকার। ;)

যা হোক, এই বয়সে আইসা প্রশ্নফাস জেনারেশানের সদস্য হওয়া মানাবে না। রবীন্দ্রনাথের উদ্ধৃত ওই লাইনের মাজেজা বিশাল। এইটা বোঝা সবার কম্মো না। আমি নিজেও ঠিকমতো বুঝি নাই, আপনেরে কি বুঝামু। সবচেয়ে ভালো হয়, আমাদের ব্লগের সব চেয়ে জ্ঞানী, সবজান্তা ব্লগারের শরনাপন্ন হওয়া। উনি ব্যাপারটা আপনেরে ভালো করে বোঝাইতে পারবেন.....না পারলে এ্যটলিস্ট আপনেরে প্রশ্নফাস জেনারেশানের সদস্য বইলা দায় এড়াইতে পারবেন! :-B

আমার মতে সহজ সমাধান হইলো, কিছুই না চাওয়া। তাইলে চাওয়া-পাওয়া নিয়া কোন সমস্যাই থাকে না। যা আসার, এমনেই আসবে। আপনে নিলে নিবেন, না নিলে বীনে ফালায়া দিবেন বা অন্য কাউরে দিয়া দিবেন। শুধু শুধু ফকিরের মতো চাওয়ার দরকার কি? =p~

২৪ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:২৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: হাহাহাহাহাহা। আমার রবিকাকার নোবেল প্রাইজজজজজ কাইড়া আমারে দিবেন? :) খবরদার, ভুলেও কোনোদিন এই কথা মুখে আনবেন না। আমি বরং তাহার কবিতা আর গানের সংশোধন কম্ম কইরাই নিজের যোগ্যতায় বাংলা সাহিত্যে দ্বিতীয় নোবেল আনার পায়ে তারা করতেছি। শুধু সঙ্গে থাইকেন আর সাপোর্ট দিয়েন।

সবচেয়ে ভালো হয়, আমাদের ব্লগের সব চেয়ে জ্ঞানী, সবজান্তা ব্লগারের শরনাপন্ন হওয়া। এই বাক্যের মাজেজা তো শমশেরদের মাথায় কোনোদিন ঢুকবে না। তাই তাদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা কইরা এইসকল মাজেজা লিখে রেখে যাচ্ছি। তারা সময়ে অসময়ে এইসব পইড়া জ্ঞান আহরণ করবে আর এসবের মাহাত্ম্য বোঝার চেষ্টা করিবে। তাহাদের হগলের জন্য আমি আমার জ্ঞানের ভাণ্ডার উন্মুক্তি করিয়া দিয়াছি। জগতের জন্য তো কিছু কইরা যাইতে হবে, তাই নয় কী?


আমার মতে সহজ সমাধান হইলো, কিছুই না চাওয়া। তাইলে চাওয়া-পাওয়া নিয়া কোন সমস্যাই থাকে না। যা আসার, এমনেই আসবে। আপনে নিলে নিবেন, না নিলে বীনে ফালায়া দিবেন বা অন্য কাউরে দিয়া দিবেন। শুধু শুধু ফকিরের মতো চাওয়ার দরকার কি? =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~
এই প্যাড়াডা চরম বলছেন মিস্টার মফিজ =p~=p~=p~=p~=p~=p~=p~=p~=p~

১২| ২৪ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:৩০

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: সাবলীল হাস্যরসে জীবনের গূঢ়কথা, ব্যথা-বেদনা বলে গেলেন। যেকোনো লেখায়, যেকোনো বিষয়ে আপনার পরিশ্রম অনুকরণীয়।

২৪ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:৪৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এটা একটা প্রভূত আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের বিষয় যে, মহান ম্যাভেরিক দীর্ঘদিন পর স্বনামে ব্লগে আবির্ভুত হয়েছেন। এই কিছুদিন আগেও এই পোস্টে গিয়ে আপনাকে খুঁজে এসেছি, যেখানে শুধু আমি নই, আরো অনেক ব্লগার আপনাকে খুঁজেছেন। ম্যাভেরিক এবার মা-বাবার দেয়া নামটি দিয়ে ম্যাভেরিক নামটি ঢেকে ফেলবেন, এই কামনা করি। এবং প্রত্যাশা থাকবে আবার আগের মতো সেই অসাধারণ গুরুগম্ভীর পোস্টগুলো দিয়ে ব্লগের আর্কাইভ সমৃদ্ধ করতে থাকবেন।

সাবলীল হাস্যরসে জীবনের গূঢ়কথা, ব্যথা-বেদনা বলে গেলেন। অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে আপনি মূল জিনিসটা বের করে এনেছেন। বিস্মিত এবং অভিভূত।

অনেক ধন্যবাদ প্রিয় ম্যাভেরিক মামুন ভাই।

১৩| ২৪ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:৪৬

একাল-সেকাল বলেছেন:
ধরুন আপনার পছন্দের মেয়েটিকে নয়,
পরিবার একজন কুশ্রী মেয়েকে বিয়ে করাল।
রবি বাবুর সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে তখন আপনিও বলবেন, "যাহা পাই তাহা চাইনা"

রবি বাবুর ভুল "ভেঙ্গে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে"
রবি বাবুর বলা উচিৎ "ভেঙ্গে মোর ঘরের তালা নিয়ে গেলা কে আমারে"

২৪ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:৫৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ভালো বলেছেন। প্রথম উদাহরণ- সঠিক বলেছেন, আমার পক্ষেই চলে আসে ব্যাপারটা। আমি চেয়েছি আমার পছন্দের মেয়েটিকে। সেটা কি পেয়েছি? আমি আমার পছন্দের মেয়েটিকে ভুল করে চাই নি, পছন্দ করে, ভালোবেসেই চেয়েছি। কিন্তু তাকে পাই নি। এজন্য, কথাটা হবে- আমি যাহা চাই তাহা পাই না :)

তারপর যাকে পেলেন, একে চান না ঠিক আছে। কিন্তু এটা কখনো-কখনো ঘটতে পারে। কিন্তু সবার ক্ষেত্রে এবং সবসময়ই এমন ঘটবে না যে, আপনারা ৭ ভাই ৭টা মেয়েকে পছন্দ করলেন, আপনার বাবা-মা ৭জনের ক্ষেত্রেই অন্য মেয়ে দেখলো। আর যদি দৈবাৎ সেটা ঘটেও যায়, তাহলেও কিন্তু কথাটা এটাই চলে আসে- আপনি যাহা চান, তাহা কোনোদিনই পান না :(

চাবি ভাঙা আর তালা ভাঙার ব্যাপারে উপরে লিংক দিয়েছি। ওটার সল্যুশন যেহেতু রবিকাকা দিয়া যান নাই, অতএব, যে যেভাবে সমাধান দিবে, ওটাই গ্রহণ করা হবে :)

ধন্যবাদ কমেন্টের জন্য।

২৪ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:৫৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: বলতে ভুলে গেছি- ভেঙে মোর ঘরে তালা নিয়ে গেলা কে আমারে খুব পছন্দ হয়েছে

১৪| ২৪ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:২০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হা হা হা

কাদম্বরী দেবীর বিরহী স্বগোক্তিরে আপনি ট্যাংরা পুটি আর খোলশা মাছের দামে গুলােইয়া একাকার করিয়া অবশেষে নিজের বাক্য আবিষ্কার করিলেন। ;)

একপাশে কাম্বরী দেবীর প্রেম অন্য পাশে ধরে বেঁধে বিয়ে করানো বউ, মাঝখানে দাড়িয়ে এবার বলুনতো - কথাগুলো!
এরচে খাটি কথা কি আর ভবে আছে ;)

যাহোক, আপনার বিশাল আবিস্কারে যারপরনাই মোহিত! (আবুল মাল আবদুল মুহিত) নয় কিন্তু)

২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:২৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: একপাশে কাম্বরী দেবীর প্রেম অন্য পাশে ধরে বেঁধে বিয়ে করানো বউ, মাঝখানে দাড়িয়ে এবার বলুনতো - কথাগুলো!
এরচে খাটি কথা কি আর ভবে আছে?
:) এইতো এতক্ষণে কবি বিদ্রোহী সমস্যার মূলে কুঠারাঘাত হানিলেন!! দেখেন, রবিকাকা কাকে চাইছিলেন? তিনি এমন একজনকেই চেয়েছিলেন যাকে তিনি চান :) কিন্তু, তিনি কি তা পেয়েছিলেন? না, পান নাই। এজন্যই কবিতার প্রথম অংশ হবে- আমি যাহা চাই তাহা পাই না

আসুন পরের লাইনে। তিনি এমন একজনকে পাইলেন, যাকে তিনি চান নাই। কাজেই, পরের অংশ হবে- যাহা চাই না তাহা খালি পাই

এভাবেই আমরা ভুলগুলো আইডেন্টিফাই করে সংশোধন করে যাব।

--

দারুণ কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ প্রিয় বিদ্রোহী।

১৫| ২৪ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার জন্য।
আমি আগামী রবিবার মাওয়া যাবো। দেশী মাছের সন্ধানে।

২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:২৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আজ রবিবার কি মাওয়া গিয়েছিলেন? পেয়েছেন দেশী মাছ? বাছা, গুলশা, বাতাসী?

১৬| ২৫ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১২:০৭

ডার্ক ম্যান বলেছেন: আমি যাহা চাই তাই পায় না , যাহা চাই না তাহাও পাই না

২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৩০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: হাহাহাহাহাহাহা। এটা আরো সরস হইছে

১৭| ২৫ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১২:১৯

মিরোরডডল বলেছেন:



রম্য পোষ্ট ধুলো ।
সামটাইমস উই আর আউট অভ মাইন্ড । উই ডোন্ট নো হোয়াট উই আর ডুইং ।
ভুল জেনেও মন অনেক সময় এমন কিছু চায় যেটা চাওয়া উচিৎ না । অবাধ্য মনের এই চাওয়াকে নিয়ে বলতেই পারি
যাহা চাই তাহা ভুল করে চাই ।



যাহা পাই তাহা চাই না

ধুলোর ভাইয়ের তির্যক মন্তব্য ও সমালোচনা
হা হা হা ...সি পারফেক্ট উদাহরণ :)

ফাল্গুনরাতে ফেসবুক লাইভে............
এই লাইনটা পড়ে খুব হাসলাম । কি অদ্ভুত চাওয়া :)

২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৩৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: সামটাইমস এরকম ভুলভাল চাওয়া হয়ে যেতে পারে। কিন্তু সবসময় না। তাইলে তো সব মানুষের পুরো জীবনটাই ভুলে ভরা থাকতো। সভ্যতাও থমকে এক জায়গায় স্থির থাকতো।

আরেকটা হলো, কারো কারো জীবনে এমনটা ঘটে যেতে পারে, সেটা ব্যতিক্রম, সবার জীবনে এমন ঘটবে না। পোস্টে মূল কবিতার লিংক দেয়া আছে। এ লেখাটা শুরু হয়েছে কবিতার লাইনগুলোকে গদ্য করে। লাস্ট ৪ লাইন প্যারোডি করা হয়েছে মূল কবিতা থেকে। মূল কবিতা একটা নির্দিষ্ট প্রেক্ষিত বর্ণনা করে, নট ইন জেনারেলাইজ্‌ড ফর্ম। যেমন, 'আমি বন্দি কারাগারে মা গো' গান গাইলে কোনো এক নির্দিষ্ট ব্যক্তির হাজতবাসের কথা বোঝায়, সবার না।

যখন একজন হতাশ মানুষ জীবনে একের পর এক ভুলে করে গেছে, যা চেয়েছে পেয়েছে তার চাইতে অনেক কম, তখন ঐ ব্যক্তির আক্ষেপ ও বেদনা এমন হবে - আমি যাহা চাই ভুল করে চাই ---- কিন্তু, আমি কখনো এভাবে বলবো না। আমি যা চেয়েছি, কোনোটাই ভুল চাই নি। যা পেয়েছি, পাওয়াটাও ভুল না -বড়ো অর্থে। এবার আপনার জীবনের সাথে মিলিয়ে দেখুন। আপনিই ভালো বলতে পারবেন।

রবিকাকার কথাটা একজন্য ব্যর্থ, হতাশ ও দুঃখী মানুষের, কোনো সুখী ও সফল মানুষের না।

১৮| ২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:১৮

মিরোরডডল বলেছেন:

ধুলো নীরব কেনো ? ইজ এভরিথিং ওকে ?
প্লীজ ডোন্ট সে ফেসবুক অর ভাইবার গ্রুপ ।

২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৪৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ভাইবার গ্রুপ থেকে অফ আছি কয়েকদিন। সত্য, ফেইসবুকে একটু অ্যাক্টিভ আছি/লাম। সুখবর, ইউটিউবে একটু বিরিতি নিচ্ছি।

১৯| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৪১

মিরোরডডল বলেছেন:

ধুলো অনালাইনে থাকলে বাজ দেবে ? একটু দরকার ছিলো ।

২৭ শে জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৪৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ডুলু

২০| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১২

মিরোরডডল বলেছেন:



কিছুনা ধুলো এমনি আড্ডা দিবো বলে ডেকেছি :P

আরে নাহ ফান করলাম । সত্যি দরকার আছে ।
গত পরশু একটা গানের পোষ্ট করেছিলাম । কি যেন কোনও কারনে এটার কোনও প্রিভিউ হচ্ছেনা । শুরুতে একটা ছবি দিয়েছি ওটাও ভিসিবল হচ্ছেনা । বুঝতে পারছিনা প্রবলেমটা কোথায় ।
ওই পোষ্টে অবশ্য ধুলোকে মেনশন করেছিলাম কিন্তু ধুলোর সময় কোথায় । তাই থ্যাংকসটা উইথড্র করে নেবো :(

ধুলো কি বলবে কি ফিক্স করতে হবে ।

২৭ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:০১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ছবির সাইজ বড়ো-ছোটো করে দেখতে পারেন। ছবি বেশি বড়ো হলে সমস্যা হয়, ছোটো ছবিতে কম সমস্যা। উইড্‌থ/হাইট/রেজ্যুলেশন কমিয়ে সাজিজ ছোটো করা যায়।

২১| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৪৭

মিরোরডডল বলেছেন:



যখন একজন হতাশ মানুষ জীবনে একের পর এক ভুলে করে গেছে, যা চেয়েছে পেয়েছে তার চাইতে অনেক কম, তখন ঐ ব্যক্তির আক্ষেপ ও বেদনা এমন হবে - আমি যাহা চাই ভুল করে চাই ---- কিন্তু, আমি কখনো এভাবে বলবো না। আমি যা চেয়েছি, কোনোটাই ভুল চাই নি। যা পেয়েছি, পাওয়াটাও ভুল না -বড়ো অর্থে। এবার আপনার জীবনের সাথে মিলিয়ে দেখুন। আপনিই ভালো বলতে পারবেন।

রবিকাকার কথাটা একজন্য ব্যর্থ, হতাশ ও দুঃখী মানুষের, কোনো সুখী ও সফল মানুষের না।



জীবনের সাথে মেলাবার কিছু নেই । আমি কমেন্টে যা বলেছি সেটা নাথিং পারসোনাল । আমিও সেই লাইন ম্যাচ করে একটা সিনারিও বলেছি যে কোন সময় সেই কথাটা এপ্লিকেবল । রবিকাকা সফল না হতাশ কার জন্য লিখেছে জানিনা , তবে সেই লাইন দুটোও কোনও কোনও মানুষের সময় ও ঘটনায় মিলে যায় বা যাবে ।

আবার ধুলো যেটা বলেছে সেই লাইনগুলোও ব্যক্তি বিশেষে প্রযোজ্য ।


২৭ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৫৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: সামটাইমস উই আর আউট অভ মাইন্ড। :) এটা সামটাইমস ফর সামবডি, নট অলওয়েজ ফর এভরিবডি। সেজন্য উপরের কমেন্টেই বলেছি - সামটাইমস এরকম ভুলভাল চাওয়া হয়ে যেতে পারে। কিন্তু সবসময় না। তাইলে তো সব মানুষের পুরো জীবনটাই ভুলে ভরা থাকতো। সভ্যতাও থমকে এক জায়গায় স্থির থাকতো। বাকিটা উপরে যা বলেছি দ্যাট রিমেইন্‌স :)

২২| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:১৩

মিরোরডডল বলেছেন:



হ্যাঁ তাইতো । এটা ঠিক আছে । এটা নিয়েতো বলিনি । উই মিন্স উই হিউম্যান । মানুষ আমরা অনেকসময় এটা করি বা ওটা করি । তারমানে কি সব মানুষ করি , না সবাই না , আমাদের মধ্যেই যে বা যারা করে । অনেক সময় আমরা বলি, আমরা জাতিটা ভালো না, আমদেরই সমস্যা, তার মানে কি আমরা সবাই, মোটেও না । এটা একটা ওয়ে অভ এক্সপ্রেশন । এখানে আমরা মনে হয় একই কথা বলছি । এটা নিয়েতো দ্বিমত পোষণ করিনি ।

২৭ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৫১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আপনার ব্যাখ্যা এবার ঠিক আছে, আপনি ধরতে পেরেছেন। কিন্তু, বেশিরভাগ পাঠক এটাকে জেনারেলাইজ করে ফেলেন, আই মিন, চিরসত্য বলে ধরে ভাবেন। মূল কবিতার লিংক উপরে দেয়া আছে। কয়েকটা প্রেক্ষাপট বর্ণনা করা আছে কবিতায়। ধরুন, তিনি গান লিখে গাইতে চান। সুর তুলতে চান। তিনি গান লিখলেন, কিন্তু তাতে সুরও দিতে পারলেন না, গানও গাইতে পারছেন না, সুর তুলতে পারছেন না। তার যোগ্যতা নাই শিল্পী হওয়ার। তখন বলছেন, আমি যাহা চাই (গানে সুর তুলে গাইতে চাওয়া) ভুল করে চাই। যাহা পাই (গান গাইতে যেয়ে ব্যর্থ হয়ে কষ্ট পাওয়া) তাহা চাই না। খেয়াল করে দেখুন, একটা নির্দিষ্ট কবিতার নির্দিষ্ট কিছু প্রেক্ষাপটে কথাগুলো বলা হয়েছে, যা কবির নিজ জীবনের সাথেও মিল নেই।

২৩| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৪৩

মিরোরডডল বলেছেন:

নাহ, ছবির সাইজের জন্য আর এফোর্ট দিবোনা । নেক্সট টাইম পোস্ট করলে ছবি সাইজ মনে রাখবো ছোট করে দিবো । আচ্ছা ধুলো কি গানটা শুনেছে আজ যেটা দিয়েছি ।

২৪| ২৮ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১২:০৪

মিরোরডডল বলেছেন:


মূল কবিতা পড়েছি আমি । ধুলোর ব্যাখ্যাও বুঝেছি । শুধু তাই না , আমি বলবো পৃথিবীতে কোনও ক্ষেত্রে কোনও কিছুতেই একচুয়ালি জেনারেলাইজ করার কিছু নেই কারণ ইট নেভার হ্যাপেন । সব কিছুই ডিপেন্ড করে স্থান কাল পাত্র ভেদে চিন্তা চেতনার ওপর । সো ম্যানি পিপল সো ম্যানি ভেরিয়েশন ।

২৫| ২৮ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১২:১৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আমি একটা টেংরা মাছ ধরা দেখলাম লাইভ তুরাগ নদীর টেংরা । মাঝারি সাইজের ।ঐ এক টেংরা পুকুরের দশগুন মজাদার হওয়ার কথা। কবি গুরু ভুলের উর্ধ্বে নয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.