নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শব্দকবিতা : শব্দেই দৃশ্য, শব্দেই অনুভূতি \n\[email protected]

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই

দুঃখের কবিতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা। ভালোবাসা হলো দুঃখ, এক ঘরে কবিতা ও নারী।

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই › বিস্তারিত পোস্টঃ

জাদুবাস্তবতা কাহাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী?

২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:০৪

৯৩৯ বঙ্গাব্দ। ৩২শে পউষ। বিকেল গড়িয়ে গোধূলির ধুলোয় চারদিক রহস্যময় হয়ে উঠছে। পদ্মা নদীর একদম মাঝখানে চারদিক পানিঘেরা বহুবছরের পুরোনো ছোট্ট চরটির এককোনায় তিনজন বদ্ধপাগল মেলা বসিয়েছেন। এই মেলা হলো আনন্দমেলা। আর আনন্দ হলো সাহিত্য নিয়ে। আজকে তারা আলোচনা করছেন ‘জাদুবাস্তবতা’ বা ‘পরাবাস্তবতা’ নিয়ে। পরাবাস্তবতা কাকে বলে, ইহা কত প্রকার ও কী কী,এবং এর উপকারিতা কতখানি, তা নিয়ে তারা সারগর্ভ আলোচনায় মগ্ন হয়েছেন।
মধুর আলোচনা ক্রমশ রসঘন হয়ে উঠছে। সেই রসে সিক্ত হয়ে তারা অনির্বচনীয় তৃপ্তি বোধ করিতে লাগিলেন। কিন্তু দেখতে দেখতে একসময় সেই আলোচনা আর মধুর থাকলো না, তা তুমুল তর্কাতর্কিতে রূপ নিতে থাকলো। কেউ বলছেন, যা বাস্তব না, অর্থাৎ যাহা অবাস্তব তাহাই পরাবাস্তব। আরেকজন বলছেন, না, যাহা বাস্তব এবং অবাস্তবের মাঝামাঝি অবস্থান করে, তাহাকেই পরাবাস্তব বলে। তৃতীয় ব্যক্তির বক্তব্য হলো- ভুতপ্রেতের কাহিনিই হলো পরাবাস্তবতা। এ বক্তব্যে বাকি দুজন প্রায় ধমকে ওঠেন। একজন বললেন, যে বিষয়টা তুমি ভাবতে পারো, কিন্তু বাস্তবে দেখা বা পাওয়া সম্ভব না, বানানোও অসম্ভব তাই হলো পরাবাস্তব।

চলমনা সঘন আলোচনায় মগ্ন বদ্ধ পাগলেরা বুঝতে পারলেন যে, তাদের একজনের মতের সাথে অন্যজনের মতের কোনো মিল নেই। একসময় তিনজনই দ্বিধায় পড়ে গেলেন, তাহলে কি ‘পরাবাস্তবতা কী বস্তু, সেটা সম্বন্ধে আমাদের কারোরই ধারণা পরিষ্কার নয়?’ আলোচনায় বোধহয় ক্লান্তি চলে এলো, তিনজনই মিইয়ে গেলেন। একটু বিরতি নেমে এলো।
কিন্তু, এভাবে বসে থাকলে তো কোনো সুরাহা হবে না, তাই মৌনতা ভাঙলেন একজন, ‘ধরো আমি তোমাদের দুজনের সাথে বসে কথা বলছি, বাস্তবে তোমাদের দুজনের কোনো অস্তিত্বই নেই। এটাই হলো পরাবাস্তবতা। অর্থাৎ, আমি যা কল্পনা করছি, তাই পরাবাস্তবতা। একবিংশ শতাব্দীতে ধরণীতে ‘সোনাবীজ’ নামক একজন মহান ব্লগার আসবেন। তার নামটা শুনে মনে হয় তার পেটের ভেতরে সোনার বীজ আছে, বাস্তবে সোনার তো কোনো বীজ হয় না। এই ‘সোনাবীজ’ নামটাই আস্ত একটা জাদুবাস্তবতা। জাদুবাস্তবতা প্রসঙ্গে মহামহোপাধ্যায় কবি মাহমুদ রহমান-০০০৭ বলেন, ‘মনের অবচেতন থেকে যাহা নির্গত হয়, তাহাই পরাবাস্তবতা বলে সাব্যস্ত। ‘আবার মনে করো, আমি স্বপ্নে দেখলাম একটা সুন্দরী নারীর আঙুল ধরে হাঁটাহাঁটি করছি, অথচ বাস্তবে আমার কোনো প্রেমিকা কেন, জীবনে কোনো মেয়েকেই চোখে দেখি নাই, এমন অবস্থায় যদি ঐ আঙুলধরা মেয়েকে নিয়া একটা প্রেমের কবিতা লিখি, ওটা তখন পরাবাস্তব কবিতা হইবেক।’
অন্য দুজন হিংসা এবং ঈর্ষায় এতক্ষণ ফুঁসছিলেন। একজন তো বলেই ফেললেন, ‘তুমি মিয়া গুগুল মামির কাছ থেকে সবকিছু কপি করে পেস্ট করতেছ। তুমি একটা সিপিএম, মানে কপি পেস্ট মাস্টার। এবং এমন অলস সিপিএম যে, লেখার নীচের ‘সংগৃহীত’ কথাটাও নিজে টাইপ না করে কপি-পেস্ট করে থাকো। তোমারে ধিক্ ধিক্ ধিক্কার।
এক পাগল অনেকক্ষণ ধরে নীরব ছিলেন। নিজেকে আর আটকাইয়া রাখতে পারলেন না। বললেন, ‘তোমরা আসলে পরাবাস্তবতা, জাদুবাস্তবতা বলে কোনোকিছুই বোঝো না। জগতে যা তুমি বোঝো না, ব্যাখ্যার অতীত, তাই হলো জাদুবাস্তবতা বা পরাবাস্তবতা। একটা সাহিত্য পইড়া যদি তুমি দেখো এর বিন্দু-বিসর্গও বুঝতে পারো নাই, এত দুর্বোধ্য, তখন নিশ্চিত থাকবা, এটা পরাবাস্তব সাহিত্য। এই সূত্রকে মনে রেখে তুমি যা লিখবা তাই পরাবাস্তব সাহিত্য হইয়া যাইব, তবে, লেখার শুরুতে বড়ো কইরা একটা ট্যাগ লাগাইয়া দিবা – উচ্চমার্গীয় পরাবাস্তব সাহিত্য।’
একটা চঞ্চল কিশোর তখন পাশ দিয়া হেঁটে যাচ্ছিল। এদের হট্টগোল শুনে সামনে এগিয়ে এসে উদ্বিগ্ন গলায় বললো, ‘এনি প্রবলেম স্যার? মে আই হেল্প ইউ?’
‘অব কোর্স নট, বাট হু আর ইউ মাই বয়?’
‘মে হু রবীন্দ্রনাথ ট্যাগোর।’
‘তব নাম ট্যাগোর? তো মাই ডিয়ার সুইট বয় ট্যাগোর, এই সাঁঝের বেলায় বাইরে ঘোরাঘুরি করতেছ কেন? কী চাও এইখানে?’
‘আজ্ঞে, আমি বিংশ শতাব্দীর একমাত্র নোবেলজয়ী বেঙ্গলি পোয়েট। টাইম ট্রাভেল করে অতীতে এসেছি পদ্মা নদীর হাওয়া খাওয়ার জন্য।’
তিন পাগলা চমৎকৃত হয়ে আনন্দে প্রায় লাফিয়ে উঠলেন এবং সমস্বরে ট্যাগোরকে অভিনন্দিত করলেন।
‘বৎস, আশা করি পদ্মার শীতল বাতাসে তোমার কেশ ঠান্ডা হইয়াছে।’
‘আজ্ঞে হ্যাঁ। গভীর আনন্দের সাথে আপনাদের জানাইতেছি যে, হাওয়া খাইতে খাইতে ইতিমধ্যে একখানা সুদৃশ্য সুররিয়াল পোয়েম রচনায় হাত দিয়াছি। কবিতাখানির নাম দিয়াছি ‘সোনার তরী’ – গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা, কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।’
পাগলারা একসাথে ‘বাহ্ বাহবা, ওয়াও ওয়াও’ করিয়া উঠিলেন।
কিশোর ট্যাগোর বলতে লাগলো, ‘এই কবিতার জন্য ফিল্ড নলেজ নিতে নদীর পাড় দিয়া ধানক্ষেতের আইল ধইরা হাঁটতেছি। কিন্তু কোথাও কোনো নৌকামাঝি, চাষী দেখতে পাইতেছি না। আকাশে মেঘও নাই।’
আজব লীলা প্রকৃতির! বলতে বলতেই আকাশ কালো হইয়া উঠিল। ঝুমবৃষ্টি শুরু হইল। নদীতে নৌকাও দেখা গেল। চাষীরা ভাড়ায় ভাড়ায় ধান লইয়া নৌকা ভরিতে লাগিল।
ভাবতেছেন ইনারা ভিজিয়া যাইতেছিলেন? জি না। তখন হঠাৎ একটা সুরম্য অট্টালিকা মাটি থেকে গজাইয়া উঠিল। এরা সবাই ঘরের ভিতর ঢুকলেন। রাজরাজড়াদের সুসজ্জিত আড্ডাঘর। আবার শুরু হইল মনোরম আলোচনা। আলোচনা দীর্ঘক্ষণ চলার পর কিশোর বললো, ‘আপনাদের আলোচনা ব্যাপক হইতেছে। আলোচনা অব্যাহত রাখিয়েন। কিছু মনে না করিলে এবার আমি উঠি। খুব খিদা লাগছে। আপনারা তো কোনো নাস্তারও আয়োজন করলেন না।’
প্রধান পাগল হেসে দিয়ে বললেন, ‘আমাদের এত কাঁচা লোক ভাইব্বো না বাপু। আমাদের নাস্তা সময়মতো আসলো বলে।’
অমনি ঘরের দরজায় হাঁক দিয়া উঠিল মহান শায়মা হক, ‘তোরা জলদি রেডি হ। গরম গরম খাইয়া নে।’
সব্বাই গরম গরম খাওয়া শুরু করলো।
খাওয়া শেষ হইলে সকলেই রান্নার খুব তারিফ করলো, বিশেষ করে শামুক ভাজাটা খাইয়া তো সবাই পাগল হইয়া যাওয়ার মতো অবস্থা।
খাওয়া দাওয়া শেষ হইলে শায়মা হক বললো, ‘যা এবার, জলদি ব্লগে যাইয়া লগিন কর। তোরা অনেক অলস হইয়া গেছস। খালি অফলাইনে পোস্ট পড়োস। কোনো লাইকও দেস না, কমেন্টও করোস না। তোরা এত কিপটা হইলি কেমনে?’
পাগলরা একটু বিব্রত হলেন। শায়মা হক যাওয়ার পর তারা আলোচনায় বসলেন- ‘আচ্ছা, মহান শায়মা তো সব সময় আমাদের ভাইয়ামণি, ভাইয়ু ডাকে, আজকে এত শুষ্ক গলায় তুই-তোকারি করলো কেন?’
ট্যাগোর উত্তর দিল : বুঝলা না ওস্তাদ? এইডাই হলো পরাবাস্তবতা, যার সাথে বাস্তবের কোনো মিল নাই :)

১৬ জুলাই ২০২০


মন্তব্য ২৯ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:১৫

চাঁদগাজী বলেছেন:




আপনি কি রিটায়ার করেছেন, নাকি আশেপাশে করোনা বাড়ছে?

২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৪৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: রিটায়ার করি নি, এখনো পুরোদমে লিখছি। করোনা পরিস্থিতির সূচক হলো ডেইলি মৃত্যুসংখ্যা। আজ দেশে মারা গেছে ৫৪জন। আমার আশেপাশে করোনা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত।

প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ চাঁদ্গাজী ভাই।

২| ২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:১৫

ডার্ক ম্যান বলেছেন: মাহমুদ শায়মা দুইজনেই ইমেজ সংকটে ।

২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৪৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: নাহ্‌ ইমেজ সংকটে হবেন কেন? তারা তো সেলিব্রেটি। বিজ্ঞ ব্লগার।

৩| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১২:০১

গাওসেল এ. রাসেল বলেছেন: জাদু বাস্তবতা ও পরাবাস্তবতার বৃত্তে মাথা ঘোরান্টিস দিছে।

মনে লয় শামুক ভাজা কড়কড় ক‌ইরা চাবাইতে পারলে মাথাটা খোলতাই হতো।

শায়মাপা, আপনি কোথায়?

২৭ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১২:০৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: হাহাহাহাহাহাহা। আপনার ঘোরান্টিস মাথা শান্ত করার জন্য শায়মাপা আগেই রান্না করে রেখেছেন এ বস্তু। জলদি খেয়ে লন। সাথে একটু বিট লবণ নিয়েন।

শায়মাপা আসবেন আরেক ডিশ নিয়া, ততক্ষণে এটা শেষ করুন :)

৪| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১২:৩২

গাওসেল এ. রাসেল বলেছেন: অকা। আমার প্রায় শেষ। ভালোই লাগলো বেশ। দেখা যাক, পরবর্তী পরাবাস্তব কি রেসিপি নিয়ে মাদাম হাজির হন

২৭ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ৯:০৫

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আশা করি বিরিয়ানি খুব ভালো পেয়েছেন। এর পরেরটা আরো ভালো।

৫| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১২:৪৯

ঢুকিচেপা বলেছেন: একদিন দেখবেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভুত হয়ে আপনার পিছু তাড়া করছে।
“সিপিএম” বিষয়টা কিন্তু একদম ঠিক। আমরা অনেক অলস হয়ে গেছি/যাচ্ছি।

ধন্যবাদ।

২৭ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ৯:১৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: একদিন দেখবেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভুত হয়ে আপনার পিছু তাড়া করছে। তিনি আমারে অনেক আগে থেকেই তাড়া করছেন। ছুটতে চাই :)

৬| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১:৩৭

কল্পদ্রুম বলেছেন: আমিও অফলাইনেই পড়ছিলাম।যা ভেবে পোস্টে ক্লিক করেছিলাম।সেটা পেলে আর লগ ইন করতাম না।কিন্তু তা আর হলো না।জাদু বাস্তবতা বিষয়টা নিয়ে ব্লগে কোন লেখা আছে কি না তা বের করার চেষ্টা করেছিলাম বছর আগে।পাইনি এরকম কিছু।

২৭ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ৯:২২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আমিও অফলাইনেই পড়ছিলাম।যা ভেবে পোস্টে ক্লিক করেছিলাম।সেটা পেলে আর লগ ইন করতাম না। এই পোস্টের কেরামতি দেখে তো আমি মুগ্ধ হইয়া গেলাম :) আপনাকে লগিন না করাইয়া ছাড়ে নাই :)

জাদু বাস্তবতা বিষয়টা নিয়ে ব্লগে কোন লেখা আছে কি না তা বের করার চেষ্টা করেছিলাম বছর আগে।পাইনি এরকম কিছু।

আমি ব্লগে কোনো খোঁজাখুঁজি করি নাই। তবে, ইন্টারনেটে এ নিয়ে প্রচুর লেখালেখি আছে। নিজেই এ নিয়ে লিখে ফেলুন।

৭| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ ভোর ৫:৫১

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: লেখাটির উপসংহার তো হলো না, প্রিয় লেখক। এজন্য অনেকের মনে কিন্তু জাদুবাস্তবতার বিভ্রান্তি থেকে যাবে। গতানুগতিক দৈনন্দিন ঘটনাবলীর মধ্যে জাদুময়, অবাস্তব ঘটনা এমনভাবে ঢুকিয়ে দিতে হবে, যেন পাঠকের মনের কাকপক্ষীও ঘটনাটি তেমন সন্দেহ না করে স্বাভাবিকভাবে মেনে নেয়, এ-ই হচ্ছে জাদুবাস্তবতার মোদ্দাকথা। ভূতপ্রেত, স্বপ্নে দেখা কন্যা, আর ভাইয়ুমণি থেকে ধমক চলে যায় ফ্যান্টাসির কাতারে।

২৭ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ৯:৩৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: প্রিয় ম্যাভেরিক ভাই, এটা পিওরলি একটা ফান টপিক হিসাবে লেখা হয়েছে। এটা মূলত ফেইসবুক পোস্ট, এখানে একটু মোডিফাই করে পাবলিশ করা হয়েছে। জাদুবাস্তবতা, পরাবাস্তবতা সম্পর্কে আপনার জ্ঞান খুব স্পষ্ট ও পরিণত, সেটা আমি অবশ্যই জানি। আপনার লেখায় ও ধরনের গল্প যেভাবে ফুটে উঠবে, আমার পক্ষে তা সম্ভব হবে না। তো, এই ভ্রান্তি নিরসনে আপনিও একটা পোস্ট লিখে ফেলতে পারেন। ব্লগে অলরেডি এ নিয়ে আপনার কোনো পোস্ট আছে কিনা আমি জানি না, থেকে থাকলেও আপনার বর্তমান আইডি থেকে আবার শেয়ার করতে পারেন।

সাম্প্রতিক কালে 'বড়শি' ও 'আকাশযাত্রা' নামে আমি দুটো গল্প লিখেছি, যেগুলো ঠিক জাদুবাস্তবতা জনরার মধ্যে পড়ে না, তবে কেউ যদি 'জাদুবাস্তব' বলে ফেলেন, আমি সেটা মেনে নিব। ওগুলো লম্বা পোস্ট বলে লিংক দিলাম না।

কমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৮| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ ভোর ৬:১১

নেওয়াজ আলি বলেছেন: জাদু বিদ্যা মহাবিদ্য যদি সারতে পারে

২৭ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ৯:৩৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: হাহাহাহা। ভালো বলেছেন

৯| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ১০:২৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হা হা হা

যাক কিশোর ট্যাগোরের আমাদের শায়মা মনির খানাদানা খাবার ভাগ্য হলো ;)

কল্পগল্পে কল্পিত +++

২৭ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ১০:৩০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: :) :) :) ব্যাপারটা ঠিক ধরে ফেলেছেন প্রিয় বিদ্রোহী ভৃগু।

কল্পিত প্লাসগুলোর আনন্দ বাস্তবেই গ্রহণ করা হইল :)

১০| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:২১

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: জিন, পরাবাস্তবতা, এলিয়েন এগুলি নিয়ে ব্লগে লেখালেখি বেশী হচ্ছে ইদানিং। এটা ভালো। কারণ মাঝে মাঝে একটু ভিন্ন মাত্রা খারাপ না। :)

২৭ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৪৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: জিনের উপর লেখা আপনার পোস্টটা আমার জন্য উপকারী ছিল। আমার একটা গল্পে জিনের উপর আলোকপাত আছে। জিনের উপর আরো স্টাডি করতে হবে আমাকে। এরপর গল্পগুলোতে প্রয়োজনীয় পরিমার্জন/পরিশোধন করতে হবে।

হ্যাঁ, মাঝে মাঝে লেখালেখিতে বৈচিত্র থাকা ভালো। অবশ্য, মন যখন যেদিকে যায়, লেখাগুলো সেভাবেই উঠে আসে।

কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ প্রিয় সাড়ে চুয়াত্তর। শুভেচ্ছা।

১১| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার এই পোষ্ট কে কি রম্য বলা যাবে। লেখায় রসকস বিদ্যমান। ব্লগার শায়মা যে আমাদের ভাইয়ামনি ডাকে সেটা আমার বেশ ভালো লাগে।

২৭ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:৩৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আমি তো রম্য হিসাবেই লিখেছি। সেটা না বোঝা গেলে ব্যর্থতা আমারই। তবে, সিরিয়াস কিছু বুঝে থাকলে সেটাও মন্দ ছিল না :)

আপনার তো মাওয়া যাওয়ার কথা ছিল। গিয়েছিলেন?

১২| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:৩৯

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: এটি যে রম্য সেটি বুঝেছিলাম। তবে যেহেতু আপনার লেখা, ফাঁকেফোঁকড়ে বিষয়টির উপর একটু নির্দিষ্ট আলোকপাত চাচ্ছিলাম আর কি, কারণ সহজ ভাষায় সাহিত্যের দুর্বোধ্য জিনিস ব্যাখ্যায় আপনার ক্ষমতা সাবলীল ও অনুসরণীয়।

না, জাদুবাস্তবতার উপর কোনো লেখা নেই আমার। 'বড়শি' ও 'আকাশযাত্রা' গল্প বড় হলে, ধারাবাহিক করে দিন শিঘ্রই। দুজনে মিলে সেখানেই আলোচনা করা যাবে, তাতে হয়তো একটি প্রবন্ধধর্মী পোস্টও হতে পারে। ;)

২৭ শে জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:৫৫

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: প্রিয় ম্যাভেরিক ভাই, বড়শি ও আকাশযাত্রা অলরেডি ব্লগে পোস্ট করা হয়েছিল। ঐ চ্যাপ্টার ঢাকা পড়ে গেছে :)

আবার এসে মতামত জানানোর জন্য অনেক ধন্যবাদ। আমার উপর আপনার এরকম পজিটিভ ইম্প্রেশনে আমি খুব মুগ্ধ। তবে, আমি আমার সীমাবদ্ধতার কথা জানি, আর আপনার শক্তিমত্তার কথা জানেন পুরা ব্লগবাসীই। সবসময়ই আপনার জন্য শুভকামনা থাকবে।

১৩| ২৮ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫২

মিরোরডডল বলেছেন:

পড়লাম । ফান পোষ্ট । এর মধ্যে একটা ক্লু পেলাম ধুলোর মাল্টিধারী ভাইটা কে ।
তাই যদি হবে তাহলে আমি সারপ্রাইজড । আসলেই তাকে এক্সপেক্ট করিনি ।

২৯ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ৯:০৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ভাইটা কে? আমি কিন্তু ধরতে পারি নি :( :)

১৪| ২৯ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:১২

মিরোরডডল বলেছেন:

তাই ? তাহলে থাক, ধরতে হবে না ।

২৯ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:১৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: সুমন-অনিলার গানটা আপলোড করবো শীঘ্রই। সুমন-ফুর্তির একটা গান দিলাম। ফুর্তির গান আগে একটা দিয়েছিলাম - La Vi En Rose - Can't Help Falling in Love - With or Without You - Cover by Highway Melancholies


১৫| ২৯ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:৩৫

মিরোরডডল বলেছেন:



দেখা পায় তারা দুজন দুজনার
আকাশেতে জোসনায়
নিজেদেরকে মনে হয় যেন
অনেকদিনের চেনা

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.