নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শব্দকবিতা : শব্দেই দৃশ্য, শব্দেই অনুভূতি \n\[email protected]

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই

দুঃখের কবিতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা। ভালোবাসা হলো দুঃখ, এক ঘরে কবিতা ও নারী।

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার যা-কিছু প্রথম - দ্বিতীয় পর্ব : আমার প্রথম পালকিতে চড়া

১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:০৭

প্রথম পর্ব

আমার প্রথম পালকিতে চড়া

দেশে এখন পালকির চল আছে কিনা জানি না, এবং আমাদের আজকের জেনারেশন ‘পালকি’ শব্দ কিংবা পালকি বস্তুটার সাথে পরিচিত কিনা তা নিয়েও আমার সন্দেহ আছে। কিন্তু আগের দিনে পালকিতে করে বিয়ে করা ছিল বিরাট ঐতিহ্য। তবে, বর্ষাকালে কেড়াই নৌকা, গয়নার নৌকা বা লঞ্চে করেও বিয়ের ‘চলন’ (বরযাত্রী) আসতো।



সবাই যে শুধু বিয়ে করার জন্যই বরযাত্রী সেজে পালকিতে চড়ে বউ আনতে যেত, তা কিন্তু না। বিয়ের আগেও অনেকের পালকিতে চড়ার সুযোগ ঘটতো (অসুস্থতা ছাড়াও)। পালকিতে চড়ে বউ আনার জন্য শ্বশুর বাড়িতে যাওয়ার সৌভাগ্য আমার হয় নি, কারণ, স্ত্রী হেঁটেই আমার বাসায় চলে এসেছিল :) তবে, ছোট্টবেলায় অন্যদের বিয়েতে আমি পালকিতে চড়েছিলাম।

মরণ মৃধা নামক আমার এক মামা (আমার আপন মামা সুরুজ মামার চাচাত ভাই) বিয়ে করেছিলেন একই গ্রামের পাষাণ ফকিরের বড়ো মেয়েকে। দু বাড়ির মাঝখানের দূরত্ব ২০০ থেকে ৩০০ গজ হবে। এত অল্প জায়গা তো হেঁটেই যাওয়া যায়, কিন্তু না, বিয়ে বলে কথা। বাপের বাড়ি থেকে বউ হেঁটে আসবে শ্বশুর বাড়িতে? কক্ষণো না। এতে ইজ্জত একেবারে মাটিতে মিশে যাবে।

সেই সময় ‘চলন’ বের হতো বেশ রাত করেই। বউ নিয়ে ফিরতি যাত্রা করতে করতে অনেক সময় ভোর হয়ে যেত (আমার রজব কাকা যখন বউ নিয়ে বাড়িতে পৌঁছেছিলেন, তখন সূর্য উঠে গেছে)।

‘চলন’ প্রস্তুত। মরণ মামা এখন পালকিতে উঠবেন। ঐ মুহূর্তে আমার ডাক পড়লো, ‘খলিল কই?’ আমি দৌড়ে কাছে এসে বললাম, ‘কী?’ – ‘পালকিতে চড়।’ বলামাত্রই আমি মামার সাথে পালকিতে উঠে বসলাম। মামা একদিকে, আমি উলটো দিকে মুখোমুখী বসে। মামার সাথে আমাকেও পালকিতে উঠানোর কারণ হলো ভারসাম্য রক্ষা করা, যাতে পালকির একদিকে ওজন বেশি, অন্যদিকে হালকা না হয়ে যায়, এর ফলে একদিকের বেহারাদের কাঁধে ওজন বেশি পড়বে অন্যদিকের চাইতে।

পালকিতে বেশ মজা লাগছিল। দুলতে দুলতে যাচ্ছিলাম, আর ভাবছিলাম, ইশ, যদি আরো অনেকক্ষণ পালকিতে বসে থাকা যেত, খুব ভালো হতো। কিন্তু, দূরত্ব কম হওয়াতে অল্প সময়ের মধ্যেই পালকি ভ্রমণ শেষ হয়ে গেল।

আমি আরেকবার, মরণ মামার ছোটোভাই মোতালেব মামার (মোতালেব মৃধা) বিয়ের চলনেও পালকিতে চড়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। মামার শ্বশুর বাড়ি হলো আমাদের গ্রাম থেকে তিন মেইল দূরবর্তী জয়পাড়া গ্রামে। আনুমানিক রাত ৮টার দিকে ‘চলন’ বের হলো। কিন্তু, এখানে পালকিতে চড়া নিয়ে ভাগাভাগি হলো। গ্রামের বড়ো বাড়ির হাই ভাই (জনৈক আবুল কালাম মাদবরের ভাতিজা) ছিলেন মোতালেব মামার ‘দোস্ত’। হাই ভাই’র একটা ছোটোবোন ছিল, যার নাম আরজুদা (আরজুদা পরে আমাদের ক্লাসমেট ছিল। আমাদের এক বড়ো ভাই, মাদবর বাড়ির সুরুজ ভাইয়ের সাথে তার বিয়ে হয়)। সিদ্ধান্ত হলো, অর্ধেক রাস্তায় পালকিতে চড়বে আরজুদা, বাকি অর্ধেক রাস্তায় চড়বো আমি। তবে, আমি প্রথম অর্ধেকে চড়েছিলাম, নাকি পরের অর্ধেকে, সেটা ভুলে গেছি।

ছোটোবেলায় মোতালেব মামার বিয়েটাই আমার সবচাইতে স্মরণীয় বিয়ে অনুষ্ঠান ছিল, যেটিতে আমি খুব আনন্দ করেছিলাম। এই বিয়েতেই আমি প্রথম জানতে বা বুঝতে পেরেছিলাম যে, মেয়েরা বিয়ের দিন বাপের বাড়ি ছেড়ে আসার সময় খুব কান্নাকাটি করে। মামিদের বাড়িতে চলন পৌঁছবার একটু পর থেকেই মামির কান্নার শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। প্রথমে অল্পস্বরে, এরপর প্রায় গলা ফাটিয়ে কাঁদছিলেন মামি। প্রায় ৩ মাইল রাস্তা পালকিতে আসার সময় পুরোটাই মামি কান্না করছিলেন। একটা কথা উল্লেখ করতে হয়, মামি অনেক সুন্দরী ছিলেন।

পালকিতে চড়ার সময় আমার বয়স কিন্তু খুব কম ছিল, তখনো বোধহয় স্কুলে যাওয়াই শুরু করি নি। কিন্তু ঐ ছোট্ট সময়টাই খুব মধুর ছিল, সবাই খুব আদর করতো, পালকিতে চড়াত :) আমি কৃতজ্ঞ ঐ মামাদের কাছে (তিন ভাই - মনা মৃধা, মরণ মৃধা আর মোতালেব মৃধা, বাবা – দৌলত মৃধা), যারা আমার বাবাকেও অনেক শ্রদ্ধা করতেন ও ভালোবাসতেন (আমার বাবা বড়ো জামাই হওয়ার কারণে শ্বশুর বাড়িতে তার একটা আলাদা স্থান ও মর্যাদা ছিল)। তাদের ভালোবাসার কারণেই তাদের বিয়ের পালকিতে আমাকে সঙ্গে চড়িয়েছিলেন।

মরণ মামা মারা গেছেন অনেক বছর হলো – ১৯৯৬/৯৭ সালের দিকে। বাকি দুই মামা এবং মামিরা এখনো জীবিত আছেন আল্লাহর রহমতে। বাড়িতে গেলে সবার সাথেই দেখা-সাক্ষাৎ হয়। আড্ডায় বসলে আমার পালকিতে চড়ার কথাটাও যে চলে আসে, তা বলাই বাহুল্য। আল্লাহ যেন তাদের দীর্ঘায়ু দান করেন ও সুস্থ রাখেন, এই দোয়া করি।

১১ আগস্ট ২০২০

মন্তব্য ৮০ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৮০) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:১৯

দয়িতা সরকার বলেছেন: পালকি করে আমার মা-বাবা বিয়ে হয়েছে। শুধু বিয়ে নয় বিয়ের পরও পালকি-ঢুলিতে করে যাতা আত করত।

১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:২৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: জেনে ভালো লাগলো, আপনার মা-বাবা পালকি-ঐতিহ্যের অংশ। সচ্ছল ও অভিজাত পরিবারের মানুষ, বিশেষ করে বয়োজ্যেষ্ঠরা পালকিতে করেই দূর-দূরান্তে যাতায়াত করতেন, যদি নৌকা, লঞ্চ বা গাড়ির ব্যবস্থা না থাকতো। কেউ কেউ ঘোড়াও বাহন হিসাবে ব্যবহার করতেন।

কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ দয়িতা সরকার।

২| ১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:১৯

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: পালকি চড়া দেখেছি, চড়া হয়নি। কেড়াই ট্রলার লঞ্চ সবগুলোতেই অবশ্য চলন যাওয়া হয়েছে।

আপনার তো মনে হয় পালকির জকি হিসেবে উজ্জ্বল সম্ভাবনা ছিল। :)

১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:০৫

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
আপনার তো মনে হয় পালকির জকি হিসেবে উজ্জ্বল সম্ভাবনা ছিল। হাহাহাহাহাহা। ভালো বলেছেন ম্যাভেরিক ভাই। কিন্তু এ জকির কাজটা কী হতো? যাই হোক, পালকির প্রচলন আবার শুরু হলে এটা এক্সপ্লোর করে দেখা যেত। কাজটা যে খুব মজার হতো তা বলাই বাহুল্য।

৩| ১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: না পালকিতে চড়া হয়নি। হেলিকাপ্টারে চড়েছি। কিন্তু পালকিতে নয়।

১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:১২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ও গড! আপনি কি তাহলে হেলিকপ্টারের চড়ে বরযাত্রায় গিয়েছিলেন?

৪| ১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:১৮

ঢুকিচেপা বলেছেন: পালকির বিয়ে দেখেছি।
তবে বিয়ের বরযাত্রী হয়ে আমি মহিষের গাড়িতে গেছি। দুপুরে রওনা দিয়ে পাত্রির বাড়ি পৌঁছেছি রাত ১২/১ টার দিকে। তারপর ফজরের আযানের সময় রওনা দিয়ে ফিরেছি দুপুরবেলা। সে সময় পাত্রির বাড়িতে মরিচ পোড়ার অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছিল।

১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:২৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: সে সময় পাত্রির বাড়িতে মরিচ পোড়ার অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছিল। আমরা দেখেছি, বরের গায়ে বাচ্চারা লুকিয়ে পেছন থেকে রঙ গুলিয়ে ঢেলে দিত; বরের জুতা নিয়ে যেত, আরো কতকিছু করতো। কী একটা মরিচগোঁটা না কী যেন আছে, শরীরে জামার ভেতর দিয়ে ছেড়ে দিত, গা চুলকাইতে চুলকাইতে জান শ্যাষ হইয়া যাইত। আরো চরম অসহ্য ও নিষ্ঠুর কিছু দুষ্টুমি ছিল, যার মধ্যে মরিচ পোড়াও একটা।

যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ থাকার কারণে দূরের বিয়েতে এরকম কষ্ট সহ্য করতে হতো। এক জেলা থেকে অন্য জেলায় হলে তো আরো কষ্ট হতো।

অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ঢুকিচেপা।

৫| ১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:২০

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: পালকিতে কখনো চড়িনি। তবে, বন্ধুর বিয়ের সময় অল্প একটু রাস্তা গাড়ি যাওয়ার অনুপযোগী থাকায় সেই পথটুকু ও পালকিতেই গিয়েছিলো। সামনে থেকে পালকিতে বর যাওয়া দৃশ্য এইটাই দেখা আছে।

১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৩০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এই তো, আপনিও ইতিহাসের অংশ হইয়া আছেন :) অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ পাগলা জগাই ভাই।

৬| ১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:২৮

নেওয়াজ আলি বলেছেন: বর্তমানে পালকির কথা বললে বাচ্চারা হাসবে এবং চিনবে না । তবে এইসব সংরক্ষণ করা উচিত

১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৩১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: বাচ্চারা বর্তমানে গাড়িতেই অভ্যস্ত। গাড়ির ব্র্যান্ডও বিবেচনা করা হয়। নায়করাজ রাজীব তো হেলিকপ্টারের কথা বলে গেলেন

৭| ১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৩১

ঢুকিচেপা বলেছেন: সারা গা চুলকায় ওটাও হয়েছিল সেদিন কিন্তু জিনিষটার শুদ্ধ নাম জানি না বলে আর লেখা হয়নি।

১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৩৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আমিও শুদ্ধ নাম জানি না। এখনো পেটে আসছে আঙুলে বের হচ্ছে না টাইপ :)

৮| ১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৩৮

ঢুকিচেপা বলেছেন: সস বুড়া/সস কুড়া/ বিছাতু এই টাইপ কিছু হবে।

১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৪৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: নামোগুলো অবশ্য কমন পড়লো না। আমার স্ত্রী বললো - চুমকি। বাট আমি জানি, আরো একটা গাছন্ত বস্তু আছে, যেটা গায়ে দিলে খবর আছে

৯| ১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৫০

ঢুকিচেপা বলেছেন: এলাকাভেদে আলাদা নাম আছে তবে উইকি বলছেঃ
বিছুটি (বৈজ্ঞানিক নাম: Tragia involucrata - ত্রাজিয়া ইনভোলুক্রাতা) হলো ইউফোরবিয়াসেই পরিবারের একটি উদ্ভিদ। বিছুটি কে উত্তর বঙ্গের লোকেরা ছোতরা পাতার গাছ/ছোতরা গাছ/চুলচুইল্লাগাছ বলে ডাকে। তবে এর শুদ্ধ নাম বিছুটি গাছ। এটি এমন একপ্রকার উদ্ভিদ যার পাতা/রস/পাতার গুড়ো শরীরে লাগলে শরীর চুলকানি শুরু হয়।[১]

বাংলা : বিছুটি এবং উত্তর বঙ্গের লোকেরা ছোতরা পাতা বলে। সাতক্ষীরা অঞ্চলে বেশোতক্তা বলে। 

১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৫৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এই যে আসল জায়াগায় আসা গেল। ব দিয়া নামটা পেটে আসছিল, কিন্তু লেখায় বের হচ্ছিল না - বিছুটি। কিন্তু, আঞ্চলিক ভাবে আমাদের মানুষ ছুতরা পাতা বা চুতরা পাতা বলতো, আমার স্ত্রী বললো দুমরা পাতা :)

১০| ১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৫৮

ঢুকিচেপা বলেছেন: ব্যাপারটা হলো বিছুটি পাতা অনেকটা পান পাতা টাইপ কিন্তু আরেকটা যেটা আছে সেটা হলো সিমের মত এটা খুব মারাত্মক এটার নাম আমাদের এখানে বলে সস কুড়া/ সস বুড়া শুদ্ধ নাম জানি না। 

১২ ই আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো, বিছুটি পাতা, ছুতরা পাতা বা সস কুড়া - এগুলো দেখতে কেমন, বা কোনোদিন দেখেছিলাম কিনা তা মনে পড়ে না। যাই হোক, চুলকানির বস্তু ও এর মাহাত্ম্য নিয়ে জ্ঞানগর্ভ তথ্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১১| ১১ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:১২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: লেখক হওয়ার জন্য যে ধরনের অভিজ্ঞতা থাকা দরকার আপনার মোটামুটি সব গুলিই হয়েছে। গ্রামে না থাকলে আসলে এই ধরনের অভিজ্ঞতা হয় না। পালকি যারা কাঁধে নিয়ে চলে ওদের মনে হয় বেহারা বলে শুদ্ধ ভাষায়। শুনেছি ওরা মুখ দিয়ে বিশেষ ধরনের আওয়াজ করতে করতে চলে যখন পালকি কাঁধে থাকে। আপনি কি এরকম কোনও আওয়াজ শুনেছেন। ভুপেন হাজারিকা যে গেয়েছেন দোলা হে দোলা। দোলা মানে কি পালকিকে বুঝিয়েছেন।

১২ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:৩৫

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: গ্রামে বড়ো হওয়ার কারণে গ্রামীণ পটভূমির লেখাগুলো মোটামুটি বাস্তবস্মতভাবে লিখতে পারি, পাঠকের কমেন্ট থেকে আন্দাজ করছি। তবে, গ্রামীণ পটভূমির লেখাই সব লেখা না, বলা যায়, বিশাল ভুবনের ক্ষুদ্র একটা অংশ। আপনার পোস্ট ও কমেন্ট থেকে আপনারও অনেক সমৃদ্ধ শৈশব-কৈশোর ও ব্যাপক স্টাডির ধারণা পাওয়া যায়।

পালকি বহনকারীদের বেহারা বলা হয়। আমাদের আঞ্চলিক ভাষায় মাইরা/মাওরা/মারুয়া বলে থাকি।

ভূপেন হাজারিকার গানে 'দোলা' বলতে পালকিকেই বোঝানো হয়েছে। তবে, এ পালকি বরযাত্রার পালকি নয়, রাজা-জমিদারদের বাহন হিসাবে ব্যবহৃত পালকির কথা বলা হয়েছে এখানে।

--

হে দোলা হে দোলা
আঁকা বাঁকা পথে মোরা কাঁধে নিয়ে ছুটে যাই
. রাজা-মহারাজাদের দোলা
আমাদের জীবনের ঘামে ভেজা শরীরের
. বিনিময়ে পথ চলে দোলা
এই হেঁইয়া না, এই হেঁইয়া না, এই হেঁইয়া না।

ঐ দোলার ভেতরে ঝল্ মল্ করে যে
. সুন্দর পোশাকের সাজ
আর, ফিরে ফিরে দেখ্ তাই ঝিকিমিকি করে যে
. মাথায় রেশমের তাজ
হায়, মোর ছেলেটির উলঙ্গ শরীরে
. একটুও জামা নেই—খোলা
দু’চোখে জল এলে মনটাকে বেঁধে যে
. তবুও বয়ে যায় দোলা
হে দোলা . . . হে দোলা . . . হেঁইয়ো হো . . . হেঁইয়ো হো . . .

যুগে যুগে চলি মোরা কাঁধে নিয়ে দোলাটি
. দেহ ভেঙে ভেঙে পড়ে
ঘুমে চোখ ঢুলু ঢুলু রাজা-মহারাজাদের
. আমাদের ঘাম ঝরে পড়ে
উঁচু ঐ পাহাড়ে ধীরে ধীরে উঠে যাই
. ভাল ক’রে পায়ে পা মেলা
হঠাৎ কাঁধের থেকে পিছলিয়ে যদি পড়ে
. আর দোলা যাবে না তো তোলা
. রাজা-মহারাজাদের দোলা
. বড় বড় মানুষের দোলা॥

*************************

কথা – শিবদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
সুর ও শিল্পী – ভূপেন হাজারিকা

১২| ১২ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১২:৪৫

শায়মা বলেছেন: জীবনেও পালকী চড়িনি। তবে পালকী নিয়ে এক সাইডে কর্কশিটের পালকী বানিয়ে অনেক অভিনয় মানে নৃত্যাভিনয় করেছি।

১২ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:৪০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: প্রথম বাক্য পড়ে আমি তো ভেবেছিলাম জীবনে পালকি দেখেনও নাই :) পালকিতে চড়ে নৃত্যাভিনয়ের লিংক/ছবি দেখাচ্ছেন না কেন?

১৩| ১২ ই আগস্ট, ২০২০ ভোর ৬:৫০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



পালকি কথন ভাল লাগল ।
পালকি করে কিছুপথ পরিক্রম করেছেন ,বেশ খুশীর খবর ।
এইো মাত্র ৫০/৬০ বছর আগেও গ্রাম বাংলায় অবস্থাসম্পন্ন অনেক বাড়ীতেই চার বেহারার পালকি একটি থাকত । বিয়ে পার্বন কিংবা নাইয়ুরী হিসাবে যাতায়াতের জন্য সেই পালকি ব্যবহৃত হতো ।

খুব ছোটকালে আমার এক ফুফুর বিয়ের সময় তাঁর সাথে পালকির ভিতরে চড়ে প্রায় মাইল তিনেক পথ পারি দিয়ে তাঁর
শশুর বাড়ী পর্যন্ত গিয়েছি । আপনের এই পোষ্টের লেখা পাঠে এখন বুঝতে পেরেছি বাপের বাড়ী ছেড়ে যাওয়া ক্রন্দনরত
ফুফুকে সংগ দেয়া ছাড়াও পালকির ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য আমাকে পালকির ভিতর ডুকিয়ে দেয়া হয়েছিল ।

আপনি ঠিকই বলেছেন চলনটি হতো বেশ রাত করে । আমার মনে পরে বরপার্টি আসতে সন্ধা হয়ে গিয়েছিল । তারপর বিয়ের যাবতীয় অনুষ্ঠানিকতা শেষ করে রাতের খাবার শেষে নতুন বধু হিসাবে ফুফুকে নিয়ে তাদের ফিরতি যাত্রায় বেশ রাত হয়ে গিয়েছিল । পালকীর সামনে পিছনে হেজাক লাইট জালিয়ে প্রায় শখানেক বরযাত্রীদল চলল পালকির আগে পিছে । কারো কারো হাতে ছিল বাঁশের লাঠি আর শুপারী গাছের ফালি দিয়ে তৈরী বর্শা, যাতে করে রাস্তায় ডাকাত দলের কোন আক্রমন হলে যেন রক্ষা পাওয়া যায় ।বেহারাগন চলার পথে হহুন্নারে হুহন্না ধরনের গানের কলি গাইত আর বেশ জোর কদমে এগিয়ে নিচ্ছিল পালকি । সাথের লোকজনদেরকে বেহারাদের সাথে বলতে গেলে দৌঁড়িয়ে চলতে হচ্ছিল ।

এখন পালকির চল বলতে গেলে উঠে গেছে । নতুন প্রজন্মকে পালকি দেখতে হলে যেতে হবে যাদুঘরে ।




১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:৫১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এইো মাত্র ৫০/৬০ বছর আগেও গ্রাম বাংলায় অবস্থাসম্পন্ন অনেক বাড়ীতেই চার বেহারার পালকি একটি থাকত । বিয়ে পার্বন কিংবা নাইয়ুরী হিসাবে যাতায়াতের জন্য সেই পালকি ব্যবহৃত হতো। পালকির সাথে ঘোড়ার গাড়ি বা টং গাড়িও থাকতো কোনো কোনো বাড়িতে, বিশেষ করে জমিদার বাড়িতে। তবে, কালের বিবর্তনে ঐ পালকির স্থান এখন গাড়ি দখল করে নিয়েছে; ভবিষ্যতে আসবে হেলিকপ্টার।

আরেকটা জিনিস বলা হয় নাই। বউকে পালকিতে ওঠানোর পর অনেক সময়ই বউয়ের সাথে একটা বাচ্চা বসানো হতো বউয়ের বডিগার্ড হিসাবে :) বুঝতে পারছেন আশা করি :)

অনেক সুন্দর ও বিস্তৃত কমেন্টে অনেক ভালো লাগা প্রিয় এম এ আলী ভাই। শুভেচ্ছা।

১৪| ১২ ই আগস্ট, ২০২০ সকাল ১১:২৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: পালকির কথা মনে পড়ে গেলো রবী ঠাকুরের -
‘মনে কর, বিদেশ ঘুরে মাকে নিয়ে যাচ্ছি অনেক দূরে,/ তুমি যাচ্ছ পালকিতে মা চড়ে।’

আর কুমার বিশ্বজিতের সেই জনপ্রিয় গান -
‘চতুর দোলায় চড়ে দেখো ঐ বধূ যায়,
স্বপ্ন-সুখে তার চোখ দুটো উছলায়/হুনহুনা... হুনহুনা...’।

আপনার প্রথম পালকি চড়ার মজার স্মৃতিতে মজা পেলাম :)

+++

১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:৫২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ছড়াটা আর গানটা কমন পড়ায় ভালো লাগলো প্রিয় বিদ্রোহী ভৃগু ভাই। পোস্ট পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

১৫| ১২ ই আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১২:১১

অরণি বলেছেন: আপনি পালকিতে চড়েছেন ভাবতেই কেমন লাগছে!!

১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:৩৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: হাহাহাহাহাহা :) আমার কি পালকিতে চড়া উচিত হয় নি তাহলে? :) আপনি চড়েন নি মনে হয় :)

১৬| ১২ ই আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১২:১৩

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আমার মামা' র বিয়ের পালকি তে চড়েছিলাম একদম ই শিশু তখন !
আর কেড়াই নাও এ ভ্রমণ তো আনন্দের !! একদম এখনকার এস উ ভি তে চালানোর মত।

১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:৩৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: মনিরা আপু তাহলে খুবই ভাগ্যবতী :) কেড়াই নৌকা, পালকিতে চড়া - কোনোটাই বাদ নাই। পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপু।

১৭| ১২ ই আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: ও গড! আপনি কি তাহলে হেলিকপ্টারের চড়ে বরযাত্রায় গিয়েছিলেন?

অফিসের জরুরী কাজে হেলিকাপ্টারে করে চিটাগাং গিয়েছলাম।

১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:৩০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ও আচ্ছা, তাই বলেন। যাই হোক, ইনশাল্লাহ, পরীর বিয়ে হবে হেলিকপ্টারে।

১৮| ১২ ই আগস্ট, ২০২০ দুপুর ২:০১

নীল আকাশ বলেছেন: আবার পড়লাম। পালকি'তে উঠার কোন সুযোগ হয়নি তবে মহিষের গাড়িতে অনেকবার উঠেছি।
ধন্যবাদ।

১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:২৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এই যে সারছেন যুনাইদ ভাই, মহিষের গাড়িতে বা গরুর গাড়িতে আমার চড়া হয়েছে কিনা মনে করতে পারছি না

১৯| ১২ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৩:১১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
পালকির যুগের কাহিনী শুনতে ভাল লাগে। আমাদের সেই ভাগ্য হলোনা পালকি এখন বিলুপ্ত বলে।

১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:২৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আপনারা অ্যাডভান্সড জেনারেশন। বিয়ে করবেন হেলিকপ্টারে :)

২০| ১২ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৩:৩৪

মিরোরডডল বলেছেন:



বিদায়ের সেহনাই বাজে
নিয়ে যাওয়ার পালকি এসে দাঁড়ায় দুয়ারে
সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে, এই যে বেঁচেছিলাম
দীর্ঘশ্বাষ নিয়ে যেতে হয়, সবাইকে অজানা গন্তব্যে
হটাৎ ডেকে উঠে নাম না জানা পাখি
অজান্তে চমকে উঠি, জীবন ফুরালো নাকি?








১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:২৫

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: গানটা সেদিন শুনেছিলাম। আবার কাল শুনবো।

২১| ১২ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৫:৪২

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: দারুন এক অভিজ্ঞতা। এসব মনে হয় খুব কম মানুষেরই আছে।

১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:২৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: রাস্তাঘাটের উন্নতি ও মানুষের জীবনযাত্রার মান বাড়ার সাথে সাথে গাড়ির বাহুল্য ও ব্যবহার বেড়ে গেছে, পালকি আস্তে আস্তে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। তবে, ৮০'র দশক পর্যন্ত যারা বিয়েশাদি করেছেন, তাদের গতি ছিল পালকি বা লঞ্চ :) গাড়িওয়ালাদের কথা অবশ্য আলাদা :)

২২| ১৩ ই আগস্ট, ২০২০ সকাল ৯:৫১

সোহানী বলেছেন: আহ্.......... সে সব দিনের কথা। পালকিতে কখনই চড়া হয়নি।

আমিও আপনার মতো স্মৃতি কথা নিয়ে হাজির হবো।

১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:২১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আপনার জন্যও অনেক অনেক আফসোস আর সমবেদনা রহিল সোহানী আপু :)

স্মৃতি্র কাহিনি নিয়া জলদি হাজির হন

২৩| ১৩ ই আগস্ট, ২০২০ সকাল ৯:৫৩

অন্তরা রহমান বলেছেন: ইশ! কখনো পালকিতে চড়া হলো না!

১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:২০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আপনার জন্য একরাশ আফসোস আর সমবেদনা রহিল আপু :)

২৪| ১৩ ই আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৭

মুক্তা নীল বলেছেন:
ভাই,
মামাদের ভালোবাসা সহ পালকিতে উঠার আনন্দ এবং এই লেখার মাধ্যমে শ্রদ্ধাভাজন মামাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন , এ ঘটনাগুলো শুনে খুবই বিমোহিত হলাম । পালকি স্বচক্ষে দেখি নাই কিন্তু পুরনো দিনের সিনেমাতে দেখে খুব ভালো লাগতো।
মামার সাথে ভাগনা ভাগ্নিদের কেমন যেন একটা অন্যরকম সম্পর্ক থাকে।
কিছুদিন হলো আমার মেজ মামা মারা গেলেন হার্টের সমস্যা ছিল , তাই আমারও মনটা ভালো নেই ।

আমার যা কিছু প্রথম -- লেখাগুলো পড়ে আপনার স্মৃতিবিজড়িত অন্য লেখাগুলো পড়ার অপেক্ষায় রইলাম। ভালো থাকবেন এবং শুভকামনা রইলো।

১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:২০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আনন্দের সাথেই আপনার কমেন্ট পড়ছিলাম আপু, কিন্তু আপনার মেঝ মামার মৃত্যুর খবরে বিষণ্ণ হলাম। মামার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি, আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করুন।

২৫| ১৫ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৫:১৯

মিরোরডডল বলেছেন:



ইউ ওকে ধুলো ?
শরীর ঠিক আছেতো ?
মন?

১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:১৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: সপ্তাহখানেক পর ফিরে এলাম

২৬| ১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:৩৭

মিরোরডডল বলেছেন:

কারণ কি ?
কি হয়েছিলো ?

১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:৪৫

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: স্ত্রী অসুস্থ ছিল ১২ আগস্ট থেকে। এখন বেশ ভালো।

২৭| ১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:৫২

মিরোরডডল বলেছেন:



থ্যাংকস গড !
সব ঠিকঠাক এখন ?
হোপ নাথিং সিরিয়াস !

১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:৫৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ইট ওয়াজ সিরিয়াজ, বাট ওয়েল সেটেল্‌ড নাও।

২৮| ১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:৫৭

মিরোরডডল বলেছেন:


গুড টু নো ভালো আছে ।

ধুলো, আমি একটা ছোটখাটো অপরাধ করেছি ।
যদিও বিন্দুমাত্র অপরাধ ফীল করছিনা :)
তারপরও ধুলোকে জানিয়ে রাখলাম ।


১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:৫৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: অপরাধ মাফ করে দিলাম।

২৯| ১৯ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১২:০০

মিরোরডডল বলেছেন:

ওই আমি মাফ চেয়েছি X(( X(

জানতে চাইবে নাহ ধুলো কি অপরাধ ???

১৯ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১২:০২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: কী অপরাধ? কার কাছে?

৩০| ১৯ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১২:০৭

মিরোরডডল বলেছেন:

ধুলোর পারমিশন না নিয়েই ধুলোর কয়েকটা গান আমি শেয়ার করেছি আমার এক বন্ধুকে ।
হোপ ইট ইজ ওকে । ইউ নো হুইচ সং , যে দুটোর আমি পাগল, মাটি আর ঘরের মানুষ ।

১৯ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১২:১২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: হেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহে। এগুলো তো পারমিশন নিতে হয় না, ভাইরাল করার পর প্রশংসা শোনার জন্য জানাইতে হয়

যাই হোক, ভেরি হ্যাপি টু লার্ন ইট। প্লিজ কিপ অন শেয়ারিং :)

৩১| ১৯ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১২:১৯

মিরোরডডল বলেছেন:

হা হা হা হা হা :)

অনেকদিন পর ধুলোকে পেলামতো, তাই একটু ঢং করলাম :)

নাহ ধুলো, আসলেই মনে হয়েছিলো জানাই , আরও একটা কারণ আছে ওটা এখন আর না বলি , ভোর হয়ে গেছেতো, আমি এখন যাচ্ছি , গুড টু সি ইউ ব্যাক ।

টেক কেয়ার ধূলি এন্ড টেক কেয়ার ইউরসেলফ ।




১৯ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ৯:৩৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: রাত জেগে থাকা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

সবার সব গান ভালো লাগবে তা না। আমি অনেক উৎসাহ নিয়ে আমার পছন্দের সেরা গান অনেককে শেয়ার করে থাকি, দেখা যায় তাদের কাছে ওটা মোটেও ভালো লাগে নি। আমাকে শেয়ার করা অনেক গানের ক্ষেত্রেও প্রায়ই এমনটা ঘটে থাকে।


টেক ইট ইজি এন্ড রিল্যাক্স।

৩২| ১৯ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ১১:০৫

শেরজা তপন বলেছেন: আমার জানামতে এখনো কিছু প্রত্যান্ত গ্রাম অঞ্চলে পালকির চল আছে। কয়েক বছর আগে এমন একটা বিয়ে দেখেছিলাম!

ভাল লাগছে আপনার স্মৃতিকথা

১৯ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:২২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আমিও দেখি একটু খোঁজ নিব গ্রামে, আমাদের ওদিকে পালকি আছে কিনা। বাই চান্স পাওয়া গেলে ছবি তুলে ফেলতে হবে :)

তথ্য শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ শেরজা তপন ভাই। শুভেচ্ছা।

৩৩| ১৯ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:৫৭

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আশা করি ভাল আছেন।

বাংলাদেশে একই গল্প ধারাবাহিকভাবে লিখেছেন সর্বোচ্চ কতজন লেখক মিলে? আর সারা পৃতিবীতে েএর সংখ্যা কত ? জানলে উপকৃত হতাম। কোন তথ্যই পাচ্ছিনা।

ব্লগের নভোনীল গল্পের জন্য এই তথ্য দরকার। একটা রেকর্ড হোক সামুতে কিংবা দেশে।

১৯ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:২০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: মাইদুল ভাই, ক্রিটিক্যাল কোয়েশ্চন। উত্তর আমার জানা নাই। আমি গুগুলেও একটু ট্রাই করলাম, কিন্তু আগামাথা কিছুই পাই নি। দেশে বিভিন্ন লেখক মিলে সিকোয়েল গল্প খুব সম্ভবত প্রথম আলো ব্লগে একটা হয়েছিল। নীলসাধু ভাইকে নক করে দেখতে পারেন। ভাসা ভাসা মনে পড়ে ১২/১৩ জন লেখক ছিলেন, বর্ষা নিয়ে গল্প। তবে, আমার কিন্তু ভুলও হতে পারে, অর্থাৎ, অন্য কিছুর সাথে গুলিয়ে ফেলারও চান্স আছে :)

ব্লগের বাইরে এদেশে এরকম বিভিন্ন লেখকের ধারাবাহিক গল্প লেখার কথাও আমার জানা নাই। মাহমুদ রহমান ভাইকেও জিজ্ঞাসা করে দেখতে পারেন।

আমি তো ১২/১৩'র কথা বললাম, একটা সেইফ মার্জিন রেখে সামনে এগিয়েভ যান। রেকর্ড আপনারাই করবেন। শুভেচ্ছা রইল।

৩৪| ২০ শে আগস্ট, ২০২০ ভোর ৬:০২

মিরোরডডল বলেছেন:



২০১৪ এ একটা ব্রিটিশ মুভি হয়েছিলো ‘50 Kisses’ ।
সেটা ৫০ জন কো-লেখক আর ৫০ জন ফিল্মমেকার ইনভল্ভড হয়েছিলেন ।
এরপর এরকম হয়েছে কিনা জানা নেই ।

[yt|




২০ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ৯:৩১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এ তো দেখি এনসাইক্লোমির্ড্ডলিয়া!

৩৫| ২০ শে আগস্ট, ২০২০ ভোর ৬:০৩

মিরোরডডল বলেছেন:




২০ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ৯:৩৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: তবে, যেটা জানা প্রয়োজন তা হলো, ৫০ জন রাইটার আলাদা এবং ধারাবাহিক ভাবে ৫০টা সিকোয়েল লিখেছেন, নাকি তারা মিলেমিশে লিখেছেন? একেকটা সিকোয়েল একেকজনের পক্ষে লেখা হয়ে থাকলে এটা অবশ্যই রেকর্ড, তবে সেটা অ্যাবসার্ড অপশন মনে হচ্ছে। একাধিক রাইটার (কো-রাইটার্স) মিলে স্ক্রিন রাইটিং বা বুক রাইটিং একটা কমন ফেনোমেনন, তবে সর্বোচ্চ কতজন রাইটার একসাথে সেটা করেছেন তা জানা নেই/জানা ছিল না।

৩৬| ২১ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:৩৯

মিরোরডডল বলেছেন:

এনসাইক্লোমির্ড্ডলিয়া!
হা হা হা.... ধুলোর সৃষ্টি শব্দ !

২৩ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:৪৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: তাহলে বোঝেন এলা

৩৭| ২১ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৪৮

মিরোরডডল বলেছেন:



নাহ ধুলো এটা কোনও সিকোয়েল না । ভ্যালেন্টাইন্স ডে উপলক্ষে করা একটা ব্রিটিশ ফিচার ফিল্ম ৫০টা কিসের ওপর ৫০টা ছোটো ছোটো প্লট একসাথে করে । প্রতিটা প্লট রাইটার আর ডিরেক্টর ডিফারেন্ট । সেকারনে এটা গিনিজ রেকর্ড হয়েছিলো । ধুলো কিন্তু দেখতে পারে । অল্পকিছু ছাড়া ম্যাক্সিমাম প্লটগুলোই খুবই কিউট, কিছু ফানি, কিছু প্যাশনেট । সবমিলিয়ে ভালোই ।

২৩ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:১২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: টরেন্টে ফিফটি ফার্স্ট কিসেস নামে মুভি পেলাম, যদিও ডাউনলোড করতে পারি নাই। আপনার দেয়া লিংকে শুধু ট্রেইলার। হ্যাঁ, এটা একটা রেকর্ড। ৫০জন লেখক, ৫০জন স্ক্রিনরাইটার, ৫০টা প্লট। তবে, প্লটগুলো ধারাবাহিক গল্পাকারে কিনা তা মুভি না দেখলে বোঝা যাবে না, যদিও আইএমডিবি থেকে মনে হচ্ছে এগুলো আলাদা আলাদা প্লট। সেই হিসাবে নভোনীল ব্যতিক্রম হবে এবং একটা নতুন রেকর্ড হবে।

৩৮| ২২ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৩:২৭

মা.হাসান বলেছেন:
আড়ঙের দোকানে একটা পাল্কি দেখেছি। এটা ছাড়া মিউজিয়ামের বাইরে দেশে /বিদেশে পাল্কি দেখেছি বলে মনে পড়ে না।

বিবাহিত জীবনের শুরুতেই ভাবিকে হাঁটিয়ে আনলেন, ভাবি সারা জীবন আপনাকে দৌড়ের উপর রাখবেন ; এটাতে আশ্চর্যের কিছু নাই।

আল্লাহ আপনার মনা মামা এবং মোতালেব মামাকে নেক হায়াৎ দান করুন, মরন মামাকে জান্নাত দান করুন । আমিন।

২৩ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:১৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আড়ং/মিউজিয়ামের বাইরে পালকি দেখেন নাই, কিন্তু ছবিতে তো দেখলেন! আপনার জন্য অতি জলদি পালকির আয়োজন করতে হচ্ছে দেখি :)

একদিক সন্ধ্যায় তাহাকে বললাম, আমাদের বাড়ি চলো। সে চলে এলো! ওখানে রিকশা, গাড়ি, বাস বা ঘোড়া কিছুই ছিল না, নিজেদের পা ছাড়া। অবশ্য ঐ রাতেই আবার শ্বশুর বাড়িতে ফিরে যেতে হয়েছিল :(

পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ প্রিয় মা হাসান ভাই।

৩৯| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ৮:৩৩

মিরোরডডল বলেছেন:



লেখক বলেছেন: তাহলে বোঝেন এলা

এলা মানে কি এখন ?

২৬ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:৫৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: জানা কথা জিজ্ঞাসার কী দরকার?

৪০| ২৭ শে আগস্ট, ২০২০ ভোর ৪:৩৫

মিরোরডডল বলেছেন:

তারমানে ঠিক বলেছি । আমি গেজ করেছিলাম এটা হতে পারে ।

২৭ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ১১:১৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: গুড

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.