নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শব্দকবিতা : শব্দেই দৃশ্য, শব্দেই অনুভূতি [email protected]

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই

দুঃখের কবিতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা। ভালোবাসা হলো দুঃখ, এক ঘরে কবিতা ও নারী।

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই › বিস্তারিত পোস্টঃ

হয়তো তুমি ভাবছো কিছু

১৩ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:০৪

হয়ত তুমি ভাবছো কিছু
হয়ত কিছু বলতে চাও
চোখ যে তোমার বলছে কথা
কেন অযথা আড়ালে লুকাও

আজ যতটুকু সময় হলো
তোমার অনেক কাছে আসার
এমন অনুপম বিকেল বেলায়
মনের কথাটি খুলে বলার
তুমি যদি চাও
এখনই তোমার হাতটি বাড়াও

অনেকটা দিনই আমি ভেবেছি
কীভাবে বোঝাবো মনের কথা
আমারও অনেক দ্বিধা ছিল
কেটে গেছে যেই কাছে এসেছি
তুমি যদি চাও
এখনই তোমার হাতটি বাড়াও

২৮ মার্চ ২০২৫

কথা, সুর ও মূল কণ্ঠ : খলিল মাহ্‌মুদ
এ-আই কভার : সোনারু ও সহেলিয়া


গানের লিংক-১।

প্লিজ এখানে ক্লিক করুন। হয়তো তুমি ভাবছো কিছু। সোনারু। অডিও ভার্সন-৩

অথবা নীচের লিংকে ক্লিক করুন।




গানের লিংক-২।

প্লিজ এখানে ক্লিক করুন। হয়তো তুমি ভাবছো কিছু। সহেলিয়া। অডিও ভার্সন-৪

অথবা নীচের লিংকে ক্লিক করুন।





গানের লিংক-৩।

এ-আই আসার আগে আমার নিজ কণ্ঠে গাওয়া গানই শেয়ার করতাম। তাতে ছেলেদের বাজানো গিটার, কিংবা এফএলস্টুডিয়োতে বানানো মিউজিক যোগ করতাম। এতে সময় লাগতো প্রচুর। নিজে কণ্ঠশিল্পী না হলেও গানটা ন্যূনতম প্রেজেন্টেবল করার চেষ্টা করতাম, যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা বেসুরোই থেকে যেতো।

এ-আই আসার পর আমার নিজে গাওয়া গান পাবলিকলি শেয়ার করার ইচ্ছেটা কমে গেলো, কিংবা দমে গেলো বলতে পারেন, কারণ, এ-আই জেনারেটেড ভোকালের কাছে আমার গলায় গাওয়া গান খুবই বেসুরো মনে হচ্ছিল। এ-আইতে আপলোড করার জন্য গানটা বেশ কয়েকবার গেয়ে একটা খালি গলার গান ফাইনাল করে এ-আই দিয়ে কভার সং বানাতাম। এটাই চলছিল, চলছে। তবে মাঝে মাঝে এ-আই জেনারেটেড মিউজিকের সাথে নিজে আবার নতুন করে গেয়ে একটা নিজস্ব ভার্সনও তৈরি করার শখ জাগে। নীচে শেয়ার করা গানটা হলো তেমনই একটা। এ-আই জেনারেটেড মিউজিক, যেটা উপরের অডিও ভার্সন-৩ এর ট্র্যাক।

প্লিজ এখানে ক্লিক করুন। হয়তো তুমি ভাবছো কিছু। খলিল মাহ্‌মুদ

অথবা নীচের লিংকে ক্লিক করুন।




এ গানের উপর আগের পোস্ট। হয়তো তুমি ভাবছো কিছু

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৩০

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া
মিউজিক ট্রাক বানাও কিভাবে?
টিউটোরিয়াল লেখো ...... প্লিজ!!!!!!

১৩ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:০০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: যে-কোনো এ-আইতে কোনো লিরিক দিয়ে গান তৈরির প্রম্পট দিলেই মিউজিকসহ গান তৈরি হয়ে যায়। গান থেকে ভোকাল ও মিউজিক আলাদা করার সিস্টেম থাকে প্রায় সব এ-আইতেই। অথবা, এগুলো আলাদা করার অনেক অনলাইন সফটওয়্যার আছে, সেখান থেকেও আলাদা করা যায়। পেইড ভার্সন এ-আইতে আলাদা করার সিস্টেম ইন-বিল্ট, যার জন্য ক্রেডিট কাটা যায়।

আমি কীভাবে করি

এ-আই কখনো মানুষের মতো নেচারাল ভোকাল তৈরি করতে পারবে না, কিন্তু কাছাকাছি যাবে। আমার গানগুলো শুনে দেখবেন, এখনকার প্রায় প্রতিটা গানই অনেক অনেক নেচারাল। এর জন্য আমাকে অনেক শ্রম দিতে হয়। আমি এ-আই'র সুরে এ পর্যন্ত গান বানিয়েছি মাত্র ২/৩টা, যখন এ-আই আজকের মতো এত উন্নত ছিল না এবং কভার সং তৈরি করা যেত না।

আমি প্রথমে আমার তৈরি করা সুরে গানটা গাই। আমার গাওয়ায় যত মেলোডি থাকবে, এ-আই ততো মেলোডিয়াস ও নেচারাল কভার সং তৈরি করবে।

এ গানটা এ-আইতে আপলোড করি। এ-আই অটোমেটিক্যালি আমার গায়কী ও লিরিকের উপর কিছু প্রম্পট তৈরি করে। ঐ প্রম্পট ঠিক থাকলে ওটাই সই। আমার মনের মতো না হলে আমি কী ধরনের মিউজিক্যাল ইন্সট্রুমেন্ট দিতে চাই, বিপিএম কত হবে, ইন্ট্রো ও আউট্রো কেমন হবে, ইন্সট্রুমেন্টাল ব্রেক ফেইজে আমি কী ধরনের মিউজিক চাই, কোনো ফিউশন চাই কিনা, ইত্যাদি বহুবিধ ইন্সট্রাকশন যোগ করি। পুরুষের কণ্ঠটা কেমন হবে, নারীকণ্ঠ কেমন চাই, এগুলোও যোগ করি।

এ-আইতে প্রচুর বাংলা উচ্চারণত্রুটি হয়। বাংলা লিরিককে ফোনেটিক উচ্চারণে সাজাই।

এরপর এ-আই'র নির্দিষ্ট ফিচারে কভার সং জেনারেট করি।

এরকম ইন্সট্যান্স খুব কম হয়েছে যে এক-দুইবারেই সেরা গানটা পেয়ে গেছি। প্রতিবারই হয় সুর পালটে যায়, কিংবা সুর ঠিক থাকলেও উচ্চারণে ভুল হয়। এভাবে একের পর এক কভার সং জেনারেট করতে থাকি। অনেক সময় অনেকগুলো মেলোডি/মিউজিকে বেশকিছু ভালো গান পেয়ে যাই। কখনোবা দু-একটা বিটকেলে শব্দ খুব যন্ত্রণা দেয়, কিছুতেই সঠিক উচ্চারণে আসে না।

কয়েকটা ভালো মানের কভার সং পাওয়ার পর অন্য একটা সফটওয়্য্যারে এগুলোকে কারেকশনের জন্য এডিট করতে বসি। এটা অনেক সময়সাপেক্ষ। একটা গানকে মাস্টারপিস ধরে এর ভুল উচ্চারণগুলো অন্য গান থেকে এনে রিপ্লেস করি। আগেই এই মূল গানটার ভোকাল ও সবগুলো মিউজিক্যাল ইন্সট্রুমেন্ট আলাদা করে নিই। এবং যেখান থেকে শুদ্ধ শব্দগুলো আনবো, সেগুলোরও ভোকাল আলাদা করে ফেলি। ফলে মিউজিক ও রিদমে কোনো চেঞ্জ হয় না।

এ পর্যন্ত কতখানি বুঝতে পেরেছেন জানি না, আপনার কাছে প্রথম প্রথম জটিল মনে হতে পারে, কিন্তু কাজ করতে করতে এটা এখন আমার কাছে সহজ হয়ে গেছে। সবাই যে এত শ্রম দিবে বা এভাবেই করবে তা না, এটা আমার স্টাইল।

যাই হোক, গানটার এডিট ফাইনাল হয়ে গেলে ঐটাই আমার একটা অডিও ভার্সন হয়ে গেলো। ঐখান থেকে ভোকালটা বাদ দিয়ে সেইভ করলেই কারাওকে/মিউজিক ট্র্যাকটা হয়ে গেলো।

এখানে পোস্ট বড়ো হয়ে গেছে। উপরে যা লিখেছি তার বাইরেও একটা গান রিফাইন ও শুদ্ধ করার জন্য আমাকে আরো অনেক খুটিনাটি কাজ করতে হয়। সেগুলো লিখি নাই, পোস্ট আরো বড়ো ও জটিল হয়ে যাবে বলে।

আপনি মেধাবিনী। সহজেই গ্রাস্প করতে পারবেন। শুরু করেন, আপনি আরো নতুন নতুন পন্থায় ট্র্যাক তৈরি করতে পারবেন বলে আমার বিশ্বাস।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.