| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
একেবারে শুন্য থেকে শুরু বলতে যা বোঝায় আমাদের আয়োজনটা বলতে গেলে ঠিক তাই।আমরা কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রছাত্রী আর সাথে আছেন ছাত্রজীবন শেষ করে বিভিন্ন জায়গায় কর্মরত কিছু বড় ভাই। সিরাজগঞ্জের ভাঙ্গন কবলিত উপজেলা আমাদের এই কাজিপুর।বাংলাদেশে গণিত উৎসব আরও অনেক আগেই শুরু হলেও অন্য অনেক গ্রাম এলাকার মত আমাদের এখানেও গণিত উৎসব সম্পর্কে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের ধারণা খুবই সীমিত।আমরা যখন হাইস্কুলে পড়তাম তখন প্রতি বছর জাতীয় গণিত উৎসব অনুষ্ঠিত হলেও পর্যাপ্ত ধারণা না থাকার কারনে আমাদের কাজিপুর থেকে আমাদের খুবই সামান্য উপস্থীতি ছিল।এখন যখন আমরা স্কুল,কলেজ শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ণরত তখনও অবস্থা প্রায় আগের মতই রয়ে গেছে।এইসব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের এলাকায় একটা গণিত উৎসব আয়োজনের ধারণাটা আমাদের মাথায় আসে।রথম যে সমস্যায় আমরা পরি সেটা হচ্ছে আয়োজনের সময় নির্ধারণ নিয়ে।
যেহেতু আমরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত কিংবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছি সুতরাং সবাই একসাথে ছুটি পাব না এটাই স্বাভাবিক। আমাদের সমস্যার সমাধান এনে দিল ঈদের ছুটি।আমাদের প্রথম আয়োজনের পরিকল্পনা হয় ২০১২র রোজার ঈদকে টারগেট করে।
যাই হোক ২০১২র রোজার ঈদে আমরা আয়োজনটা করতে পারি নাই বিভিন্ন কারণে।তবে ২০১২র কোরবানির ঈদে আমাদের প্রথম কাজিপুর গনিত উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
ভেন্যুর ব্যাপারটা রোজার ঈদেই ঠিক করা ছিল।প্রথমদিকে আয়োজকদের মধ্যে আলমপুর এন এম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র বেশি হওয়ায় আমরা ওই স্কুলের হেড স্যারের সাথেই এ ব্যাপারে কথা বলি।স্যার এক কথায় রাজি হয়ে যান এ ব্যাপারে।এটা ছিল রোজার ঈদের কথা।পরে কোরবানির ঈদের সময় ঐ ভেন্যুতেই আমাদের প্রথম গণিত উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
আরেকটা সমস্যা দেখা গেল ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে প্রচারণা চালানো এবং ছাত্রছাত্রীদের প্রতিযোগীতায় রেজিস্ট্রেশান করা নিয়ে।সাধারণত স্কুল আর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একই সাথে ঈদের ছুটি শুরু হয়।কাজেই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ছুটি হওয়ার পর আমরা বাড়ি আসার আগেই স্কুলগুলো বন্ধ হয়ে যাবে।এই সমস্যার সমাধান হয়ে গেল আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে (চট্রগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়) মারামারি হওয়ায়!মারামারি হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে গেল।আমি এবং আমার বন্ধু মনির বাড়ি চলে আসলাম ঈদের ১৫-১৬ দিন আগে।১৫ অক্টোবর থেকে আমরা বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে প্রচারণা চালানো এবং রেজিস্ট্রেশান শুরু করলাম।গ্রামে এ ধরনের কাজ করা আসলেই কঠিন।গণিত উৎসব সম্পর্কে কেউ তেমন কিছু জানে না।দেখা যায় যে শিক্ষকদেরকে বুঝাতেই অনেক সময় লাগে।এজন্য আমরা প্রথমে সেসব স্কুলে গেলাম যেখানে আমাদের পরিচিত শিক্ষক আছে।প্রথম আয়োজনে মাত্র ৫-৬ টা স্কুল অংশগ্রহন করে।
প্রতিটা আয়োজনের সাথেই অর্থনৈতিক একটা ব্যাপার জড়িত থাকে।আমাদের আয়োজনের অর্থের যোগান আসে সুধুমাত্র আমরা যারা আয়োজক তাদের ব্যাক্তিগতভাবে দেয়া অর্থ থেকে।গ্রামের এ ধরণের আপাতদৃষ্ট ছোট একটা অনুষ্ঠানের জন্য স্পন্সর পাওয়া মোটামুটি অসম্ভব একটা ব্যাপার।হয়ত কোন রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে পাওয়া যেত,কিন্তু কোন রাজনৈ্তিক নেতার কাছে থেকে টাকা চাওয়ার মত নীচুমানের ব্যাক্তিত্ব আমাদের ছিল না।তার উপর আবার নেতার কাছ থেকে অর্থ নেয়া মানে তার আমাদের অনুষ্ঠানে আগমন এবং যথারীতি রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান,যা আমাদের প্রতি্যোগীদের মনে বিরুপ প্রভাব ফেলতে বাধ্য।তাই আয়োজনটা আমরা নিজেদের অর্থেই করেছি।
যেহেতু এ ধরণের আয়োজন আমাদের এলাকায় প্রথম,তাই ছাত্রদের প্রশ্নের ধরন সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার জন্য কিছু নমুনা প্রশ্ন করা হয় এবং ক্লাস নিয়ে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়।আমাদের ইচ্ছা ছিল গণিত নিয়ে ৪-৫ দিনের একটা ক্যাম্প করার কিন্তু সময়ের অভাবে প্রথম গণিত উৎসবে আমরা সেটা করতে পারি নাই যেটা এবার আমাদের দ্বিতীয় গণিত উৎসবে আমরা করছি।
নেট স্পীড স্লো হওয়ার কারণে আজকে ছবি আপলোড দিতে পারলাম না।
আমাদের দ্বিতীয় কাজিপুর গণিত উৎসবের কাজ পুর্ণ উদ্যমে চলছে।এ ব্যাপারে অন্য একদিন লিখব।আজ এ পর্যন্ত।
একেবারে শুন্য থেকে শুরু বলতে যা বোঝায় আমাদের আয়োজনটা বলতে গেলে ঠিক তাই।আমরা কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রছাত্রী আর সাথে আছেন ছাত্রজীবন শেষ করে বিভিন্ন জায়গায় কর্মরত কিছু বড় ভাই। সিরাজগঞ্জের ভাঙ্গন কবলিত উপজেলা আমাদের এই কাজিপুর।বাংলাদেশে গণিত উৎসব আরও অনেক আগেই শুরু হলেও অন্য অনেক গ্রাম এলাকার মত আমাদের এখানেও গণিত উৎসব সম্পর্কে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের ধারণা খুবই সীমিত।আমরা যখন হাইস্কুলে পড়তাম তখন প্রতি বছর জাতীয় গণিত উৎসব অনুষ্ঠিত হলেও পর্যাপ্ত ধারণা না থাকার কারনে আমাদের কাজিপুর থেকে আমাদের খুবই সামান্য উপস্থীতি ছিল।এখন যখন আমরা স্কুল,কলেজ শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ণরত তখনও অবস্থা প্রায় আগের মতই রয়ে গেছে।এইসব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের এলাকায় একটা গণিত উৎসব আয়োজনের ধারণাটা আমাদের মাথায় আসে।রথম যে সমস্যায় আমরা পরি সেটা হচ্ছে আয়োজনের সময় নির্ধারণ নিয়ে।
যেহেতু আমরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত কিংবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছি সুতরাং সবাই একসাথে ছুটি পাব না এটাই স্বাভাবিক। আমাদের সমস্যার সমাধান এনে দিল ঈদের ছুটি।আমাদের প্রথম আয়োজনের পরিকল্পনা হয় ২০১২র রোজার ঈদকে টারগেট করে।
যাই হোক ২০১২র রোজার ঈদে আমরা আয়োজনটা করতে পারি নাই বিভিন্ন কারণে।তবে ২০১২র কোরবানির ঈদে আমাদের প্রথম কাজিপুর গনিত উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
ভেন্যুর ব্যাপারটা রোজার ঈদেই ঠিক করা ছিল।প্রথমদিকে আয়োজকদের মধ্যে আলমপুর এন এম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র বেশি হওয়ায় আমরা ওই স্কুলের হেড স্যারের সাথেই এ ব্যাপারে কথা বলি।স্যার এক কথায় রাজি হয়ে যান এ ব্যাপারে।এটা ছিল রোজার ঈদের কথা।পরে কোরবানির ঈদের সময় ঐ ভেন্যুতেই আমাদের প্রথম গণিত উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
আরেকটা সমস্যা দেখা গেল ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে প্রচারণা চালানো এবং ছাত্রছাত্রীদের প্রতিযোগীতায় রেজিস্ট্রেশান করা নিয়ে।সাধারণত স্কুল আর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একই সাথে ঈদের ছুটি শুরু হয়।কাজেই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ছুটি হওয়ার পর আমরা বাড়ি আসার আগেই স্কুলগুলো বন্ধ হয়ে যাবে।এই সমস্যার সমাধান হয়ে গেল আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে (চট্রগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়) মারামারি হওয়ায়!মারামারি হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে গেল।আমি এবং আমার বন্ধু মনির বাড়ি চলে আসলাম ঈদের ১৫-১৬ দিন আগে।১৫ অক্টোবর থেকে আমরা বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে প্রচারণা চালানো এবং রেজিস্ট্রেশান শুরু করলাম।গ্রামে এ ধরনের কাজ করা আসলেই কঠিন।গণিত উৎসব সম্পর্কে কেউ তেমন কিছু জানে না।দেখা যায় যে শিক্ষকদেরকে বুঝাতেই অনেক সময় লাগে।এজন্য আমরা প্রথমে সেসব স্কুলে গেলাম যেখানে আমাদের পরিচিত শিক্ষক আছে।প্রথম আয়োজনে মাত্র ৫-৬ টা স্কুল অংশগ্রহন করে।
প্রতিটা আয়োজনের সাথেই অর্থনৈতিক একটা ব্যাপার জড়িত থাকে।আমাদের আয়োজনের অর্থের যোগান আসে সুধুমাত্র আমরা যারা আয়োজক তাদের ব্যাক্তিগতভাবে দেয়া অর্থ থেকে।গ্রামের এ ধরণের আপাতদৃষ্ট ছোট একটা অনুষ্ঠানের জন্য স্পন্সর পাওয়া মোটামুটি অসম্ভব একটা ব্যাপার।হয়ত কোন রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে পাওয়া যেত,কিন্তু কোন রাজনৈ্তিক নেতার কাছে থেকে টাকা চাওয়ার মত নীচুমানের ব্যাক্তিত্ব আমাদের ছিল না।তার উপর আবার নেতার কাছ থেকে অর্থ নেয়া মানে তার আমাদের অনুষ্ঠানে আগমন এবং যথারীতি রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান,যা আমাদের প্রতি্যোগীদের মনে বিরুপ প্রভাব ফেলতে বাধ্য।তাই আয়োজনটা আমরা নিজেদের অর্থেই করেছি।
যেহেতু এ ধরণের আয়োজন আমাদের এলাকায় প্রথম,তাই ছাত্রদের প্রশ্নের ধরন সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার জন্য কিছু নমুনা প্রশ্ন করা হয় এবং ক্লাস নিয়ে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়।আমাদের ইচ্ছা ছিল গণিত নিয়ে ৪-৫ দিনের একটা ক্যাম্প করার কিন্তু সময়ের অভাবে প্রথম গণিত উৎসবে আমরা সেটা করতে পারি নাই যেটা এবার আমাদের দ্বিতীয় গণিত উৎসবে আমরা করছি।
নেট স্পীড স্লো হওয়ার কারণে আজকে ছবি আপলোড দিতে পারলাম না।
আমাদের দ্বিতীয় কাজিপুর গণিত উৎসবের কাজ পুর্ণ উদ্যমে চলছে।এ ব্যাপারে অন্য একদিন লিখব।আজ এ পর্যন্তই।
©somewhere in net ltd.