| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জিয়া যে এতো নিষ্ঠুর ছিল তা জানতাম না :লুৎফা তাহের
তারা গ্রামের বাড়ির তিন মাইল দূরে লাশ ফেলে চলে যায়
মহান মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল (অবঃ) আবু তাহেরের (বীর উত্তম) স্ত্রী লুৎফা তাহের বলেছেন, জিয়াউর রহমান কর্নেল আবু তাহেরের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর জিয়াউর রহমান বন্দী হলে তার মুক্তির জন্য কর্নেল তাহেরকে ফোন করেছিলেন। ৭ নভেম্বর সিপাহীদের সহায়তায় কর্নেল তাহের জিয়াকে মুক্ত করেন। তাহের জিয়াউর রহমানের জীবন রক্ষা করলেও তিনি চরম বিশ্বাসঘাতকতার পরিচয় দিয়ে তাহেরকে হত্যা করেছেন। শুধু তাই নয়, হত্যাকাণ্ডের পর তাহেরের কবরে পর্যন্ত সেনা পাহারার ব্যবস্থা করেছিলেন জিয়া। তবে আমরা কখনো ভাবিনি, কর্নেল তাহেরের ফাঁসি হবে। আমাদের ধারণা ছিল তাকে সাজা দেয়া হতে পারে। কিন্তু জেনারেল জিয়া যে এতো নিষ্ঠুর ছিল তা জানতাম না।
গতকাল ইত্তেফাকের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন। লুৎফা তাহের বলেন, ১৯৭৬ সালের ২১ জুলাই সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের নায়ক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সহ-সভাপতি কর্নেল আবু তাহের বীর উত্তমকে ঢাকা কেন্দ ীয় কারাগারে ফাঁসি দেয়া হয়। এটি ছিল ঠাণ্ডা মাথায় হত্যাযজ্ঞ। সশস্ত্র বাহিনীতে অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগে তাহেরের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের কথিত অভিযোগ আনা হয়েছিল। জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এলে কথিত অভিযোগে তাহেরসহ জাসদের ৩৩ জন নেতা-কর্মীকে গোপন বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করান। তড়িঘড়ি করে ৩৩ জন জাসদ নেতা-কর্মীর বিচার শুরু করেন।
এতোদিন পর রিট কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হঠাৎ করেই কর্নেল তাহেরের বিচার চাওয়া হয় নি। কর্নেল তাহের পরিবার, জাসদ ও কর্নেল তাহের সংসদের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে ফাঁসির নামে হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা ন্যায় বিচার পাইনি। ১৯৯৯ সালে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিচারের নথিপত্র চেয়ে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু আমাদের আবেদনে সরকার সাড়া দেয়নি। সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে কর্নেল তাহেরের প্রহসনের বিচারের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ বন্ধ হয়েছিল।
তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনীতে অস্থিরতা সৃষ্টি করে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে ১৯৭৫ সালের ২৪ নভেম্বর কর্নেল তাহেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তাকে কোথায় রাখা হয় তার কোন খবর ছিল না আমাদের কাছে। ১৯৭৬ সালের ১৭ জুলাই তার ফাঁসির রায় দেয়া হয়। ১৯ জুলাই বেলা ২টার দিকে কারাগারে তাহেরের সাথে দেখা করার জন্য পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়া হয়। বিকাল ৩টায় কারাগারের ৮ নম্বর সেলে আমাদের সাথে তার শেষ দেখা করানো হয়। এসময়ে তাকে স্বাভাবিক দেখা যাচ্ছিল। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি কখনো বিচ্ছিন্ন রাজনীতি করিনি। ক্ষুদিরামের পর আমি অপরাজনীতির শিকার। যে জিয়াকে আমিবাঁচিয়ে ছিলাম সেই আমার সঙ্গে বেঈমানি করেছে।’ শেষ মুহূর্তে সন্তান নিতু, যিশু ও মিশুর খোঁজ নিয়েছিলেন তিনি।
১৯৭৬ সালের ভয়াল ২১ জুলাইয়ের কথা স্মরণ করে তাহেরের স্ত্রী বলেন, ২১ জুলাই সকাল সাড়ে ৭টায় মোহাম্মদপুরে তাহেরের বড় ভাই আরিফুর রহমানের বাসায় ছিলাম। কারাগার থেকে ফোন করে কর্নেল তাহেরের লাশ নিয়ে যাওয়ার জন্য বলা হয়। উদ্বিগ্ন পরিবারের সদস্যরা জেল গেটে গিয়ে তার লাশ গ্রহণ করে। তবে আমাদের ইচ্ছা ছিল ঢাকার কোন জায়গায় কর্নেল তাহেরকে সমাধি করা হোক। সরকারের কাছে এ ইচ্ছা প্রকাশ করলে তারা গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। একটি এম্বুলেন্সে তাহেরের লাশ গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হলো। আর আমাদের একটি মাইক্রোবাসে পাঠিয়ে দেয়া হলো। নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানার কাজলা গ্রামে বাড়ির ৩ মাইল দূরে শ্যামগঞ্জে লাশ ফেলে রেখে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা চলে যান। তখন গ্রামে কোন রাস্তা ছিল না। লাশের জন্য সরকার আলাদা কোন কফিনের ব্যবস্থা করেনি। কারাগারের চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় ৩ মাইল লাশ কাঁধে নিয়ে পারিবারিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এমনকি লাশ দাফনের ২১ দিন পর্যন্ত তাহেরের কবর পাহারা দেয়া হয়েছিল।
তাহেরকে আপাদমস্তক দৃঢ়চেতা সাহসী মানুষ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে চাপ দেয়ার পরও রাষ্ট্রপতির কাছে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী না হয়ে বরং উচ্চকণ্ঠে বলেছিলেন, 'নিঃশঙ্কচিত্তের চেয়ে জীবনের মূল্যবান সম্পদ আর কিছু নেই। কোন অবস্থাতেই তিনি কারো কাছে ক্ষমাপ্রার্থী হবেন না। রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার জন্য পরিবার এমনকি তার মা আশরাফুন্নেসার পক্ষ থেকে বারবার অনুরোধ করা হলেও তিনি একবারের জন্যও সে পথে পা বাড়াননি; বরং তিনি নিজের সাহসী সিদ্ধান্তের কথা বলেছেন অকপটে। তিনি বলেছিলেন, ‘মৃত্যুতে বিন্দুমাত্র ভয় নেই, ইতিহাস একদিন তাকে মূল্যায়ন করবেই। আর এ কারণেই বিপ্লবী তাহের দৃঢ়তার সঙ্গে নিজ হাতে ফাঁসির দড়ি গলায় পরে সারাবিশ্বে মুক্তিকামী মানুষের জন্য এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন।
উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালের ২১ জুলাই মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার কর্নেল (অব আবু তাহেরকে (বীর উত্তম) গোপন বিচারের মাধ্যমে ফাঁসি দেয়া হয়। গত ২৩ আগস্ট গোপন বিচারের মাধ্যমে ফাঁসি দেয়া ও সামরিক ফরমান জারি কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না তার কারণ দর্শাতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সামরিক আদালতের গোপন বিচারের নথি তলব করেছে হাইকোর্ট। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও স্বরাষ্ট্র সচিব এবং কারা মহাপরিদর্শককে নথি আদালতে জমা দেয়ার
নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
Click This Link
------------------------------------------------------------------------------
কর্নেল তাহের ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেলেন জীবনের জয়গান :কালের কন্ঠ ২১ জুলাই ২০১০
Click This Link
জিয়া যে এতো নিষ্ঠুর ছিল তা জানতাম না :লুৎফা তাহের ittefaq 2010/08/27/
Click This Link
বিদেশি বন্ধুর চোখে কর্নেল তাহের
Click This Link
কর্নেল তাহের: এক অমীমাংসিত চরিত্র
Click This Link
হ্যাঁ আমি কর্ণেল তাহের এর কথাই বলছি নুরুজ্জামান মানিক
Click This Link
২|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৪৫
বোবা ছেলে বলেছেন:
-
সিরাজ শিকদারের বয় কয় মুজিব ছিল কসাই......!!!
৩|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৪৯
জিকসেস বলেছেন: ইমোটা ভুলে চলে আসছে।
৪|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৫৭
জেমস কালাহান বলেছেন: জিয়ার শাসনামলে ১৭ বার মিলিটারী ক্যু হইছিল। বহু লোককে গুম হত্যা করা হয়েছে। মজার ব্যপার হলো, জাসদ এর মূভমেন্টকে ওই সময় সবাই ভয় করত। আমার ধারনা তারা এটাকে ক্ষমতার এগেনেস্টে একটা থ্রেট হিসাবে দেখত।
আওয়ামী লীগ রক্ষীবাহিনীর মাধ্যমে জাসদ দমন করতে চাইল। জিয়াউর রহমান ও চাইল জাসদ না থাক। মানুষের নিষ্টুর আচরনের পেছনে কাজ করে ভয়, মানুষ ভয়ংকর ভয়ের কবলে পড়লে নিষ্টুর হয়ে ওঠে। জিয়া ও ভয় পাইছিলো।
৫|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:০৮
বোবা ছেলে বলেছেন:
-
জেমস কালাহান বলেছেন:
জিয়ার শাসনামলে ১৭ বার মিলিটারী ক্যু হইছিল। বহু লোককে গুম হত্যা করা হয়েছে।
-------->> গুমের গল্পটা না করলে হয় না....??
তাহেরের লাশ গুম করা হইছে.....??
খালেদ মোশারফরের গুম করা হইছে.....??
তাদের চাইতে প্রভাবশালী আর কে ছিল তখন যাদের লাশ গুম(!) করতে হইলো......??
লাখে লাখে সৈন্য মারে কাতারে কাতার.....।
শুমার করিয়া দেখি গুলা দুই-চার............ ![]()
৬|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:০৮
সহীদুল হক মানিক বলেছেন: 'নিঃশঙ্কচিত্তের চেয়ে জীবনের মূল্যবান সম্পদ আর কিছু নেই। কর্নেল তাহেরলাল সালাম,
৭|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:১৭
মুরাদ-ইচছামানুষ বলেছেন: ইতিহাস একদিন তাকে মূল্যায়ন করবেই
৮|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:২০
াহো বলেছেন:
সত্য আজ উšে§াচিত হচ্ছে :-ড. আনোয়ার হোসেন
Click This Link
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার কর্নেল তাহেরের (বীর উত্তম) ছোট ভাই অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক সত্যকে অন্ধকারে রাখা হয়েছে। কিন্তু সত্য আজ উšে§াচিত হচ্ছে। মানুষ আস্তে আস্তে সত্য ঘটনা জানতে পারছে। কে নায়ক আর কে খলনায়ক তা উদঘাটিত হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করা হচ্ছে। যাদের সম্মানহানি করা হয়েছিল তারা সসম্মানে জনমন ও ইতিহাসে স্থান করে নিচ্ছেন। গতকাল ইত্তেফাককে দেয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে ড. আনোয়ার হোসেন আরো বলেন, ১৯৭৬ সালে ঢাকা কারাগারে সামরিক ট্রাইব্যুনালে কর্নেল তাহেরসহ ৩৩ জনের প্রহসনের বিচার অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যার মধ্যদিয়ে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সিপাহী বীর উত্তম কর্নেল আবু তাহেরকে ফাঁসির মাধ্যমে হত্যার নির্মম ইতিহাস রচনা করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ১৯৭৬ সালে বৈধ সরকারকে উৎখাত করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে আমাদের চার ভাই কর্নেল তাহের বীর উত্তম, আবু ইউসুফ বীর বিক্রম, ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল বীর প্রতীক এবং আমিসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করে তৎকালীন সরকার। সেই বছর সামরিক অধ্যাদেশ ১৬ জারি করে ‘এক নম্বর বিশেষ সামরিক ট্রাইব্যুনাল’ গঠন করা হয়। সংবিধানের ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে কর্নেল তাহেরের প্রহসনের বিচারের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ বন্ধ ছিল। অধ্যাদেশের কারণে রায়ের বিরুদ্ধে আমরা আপিল করতে পারিনি। ৩৪ বছর পর আদালত ৫ম সংশোধনী বাতিল করে দেয়ায় সে বিচার যে প্রহসন ছিল, তা প্রমাণ করার সুযোগ এসেছে। সময় এসেছে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করার। আশা করছি, যে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কর্নেল তাহেরকে ফাঁসি দেয়া হয়েছিল, সে অপবাদ দূর হবে। স্বচ্ছতার ভিত্তিতে প্রকৃত সত্য উšে§াচিত হবে। প্রসঙ্গত সম্প্রতি একটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে কর্নেল তাহেরের গোপন বিচারের নথি তলব করেছে হাইকোর্ট। পাশাপাশি এ বিচার প্রক্রিয়া কেন অসাংবিধানিক হবে না তা জানতে চেয়ে সরকারের প্রতি রুল জারি করা হয়।
অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, কর্নেল তাহেরের বিচার কাজ শুরুর আগে আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করার সুযোগ দেয়া হয়নি। ১৯৭৬ সালের ২১ জুন বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। ওইদিনই তা ২৭ জুন পর্যন্ত মুলতবি করা হয়। ২৮ জুলাই পর্যন্ত সরকার পক্ষের সাক্ষী, আইনজীবীরা বক্তব্য রাখেন এবং অন্যান্য কার্যক্রম চলে। ১০ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত আসামিপক্ষ বক্তব্য রাখার সুযোগ পায়। প্রথমদিকে আমরা বক্তব্য রাখি। ১৩ এবং ১৪ জুলাই দুইদিন কর্নেল তাহের ৬ ঘণ্টা বক্তব্য রাখেন। ১৭ জুলাই বিকালে রায় ঘোষণা হয়। রায়ে কর্নেল তাহেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছিল। ১৭ জনের সাজা হয়েছিল। বাকি ১৬ জন মুক্তি পান।
তিনি বলেন, আমরা দেখেছি বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর করতে কত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। কত সময় লেগেছে। কিন্তু কর্নেল তাহেরকে দন্ডাদেশের রায় ঘোষণার মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কার্যকর করা হয়েছে। ১৯৭৬ সালের ১৭ জুলাই বিকালে রায় ঘোষণা এবং ২১ জুলাই ভোরে তাহেরকে ফাঁসি দেয়া হয়। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করারই সুযোগ দেয়া হয়নি। এমনকি যে রায় ঘোষণা হয়েছে, সে রায়ের কপিও আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। এ অনিয়মের বিরুদ্ধে আমরা গত ৩৪ বছর লড়াই করেছি।
কর্নেল তাহেরকে ফাঁসি দেয়ার আগের মুহূর্ত বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, আমাদের তিন ভাইকে ১৯৭৬ সালের ২০ জুলাই ফাঁসির সেলে নিয়ে যাওয়া হয় তাহেরের সাথে শেষ দেখা করানোর জন্য। সেটিই জীবিত তাহেরের সাথে আমাদের শেষ সাক্ষাৎ। ২০ মিনিটের মতো তার সাথে ছিলাম। তাহেরকে দেখে বোঝা যায়নি সেই রাতে তার ফাঁসি হবে। আমাকে তিনি বলেছিলেন-জেনারেল মীর শওকত কারাগারের ভেতরে প্রবেশ করে ফাঁসির মঞ্চ তদারকি করে গেছেন। তার একটি বড় খাতা ছিল; সেখানে চিন্তা-ভাবনা লিখে রাখতেন। সেটি খুলে পরিবারের সবার উদ্দেশে লেখা চিঠি পড়ে শুনিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে তাহেরের শেষ চিঠি হিসাবে বিখ্যাত হয়।
ড. আনোয়ার আরো বলেন, এরপরে আরেকবার তাকে দেখেছিলাম, সেদিন ছিল ২১ জুলাই সকাল ৯টা, কারাগারের হাসপাতালের মর্গে। সেখানে কর্নেল তাহেরের লাশটি একটি টেবিলে শায়িত ছিল। মৃত্যুর পর শেষবারের মতো তার লাশ দেখার জন্য কারা কর্তৃপক্ষ একেক করে নিয়ে গিয়েছিল আমাদের। তাহেরের চেহারা ছিল শান্ত, পরম শান্তিতে ঘুমিয়ে ছিল। মৃত্যুর পূর্বে তাহের ফাঁসির মঞ্চে উচ্চারণ করেছিলেন-এদেশ সৃষ্টির জন্য আমি রক্ত দিয়েছি, সেই দেশের বঞ্চিত মানুষের স্বপ্ন পূরণে আমি এবার জীবন দেবো; যা আমার জাতিকে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করবে। তিনি উচ্চারণ করেছিলেন-'নিঃশঙ্কচিত্তের চেয়ে জীবনের মূল্যবান সম্পদ আর কিছু নেই।
৯|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:২১
দেব দূত বলেছেন: দেখিনি তো গতকাল
মনে হয় কতকাল।
১০|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:২২
রবিন-৭৭ বলেছেন: @ ঘটি
বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকতেই আদালত জিয়াকে অবৈধ ঘোষনা করে। তখন আইন মন্ত্রী ছিল মওদুদ আহম্মদ। কি লজ্জা কি লজ্জা.......
যে হিসেবে দিন দিন আদালত জিয়া-খালেদা-ফালুদের লেংটা করতেছে.... অথচ ব্লগে কতিপয় ছাগু এখনো বকচোদ রয়ে গেল। আহ হা রে। চুকু চুকু...
১১|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৩২
জেমস কালাহান বলেছেন: @বোকা ছেলে - ডিসি৮ বিমান হাইজ্যাক এর ঘটনায় ২০০০ এর বেশি সেনা হত্যা করা হয়, অফিসিয়ালি বলা হয় ১১৮৩ বাকি গুলা গুম হয় নাই ।
আপনার বাড়িতে দাওয়াত খাইতে গেছিল। আর কি?![]()
১২|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৪৬
বোবা ছেলে বলেছেন:
জেমস কালাহান বলেছেন:
@বোকা ছেলে - ডিসি৮ বিমান হাইজ্যাক এর ঘটনায় ২০০০ এর বেশি সেনা হত্যা করা হয়, অফিসিয়ালি বলা হয় ১১৮৩ বাকি গুলা গুম হয় নাই
------------->>
১১৮৩ জনের ফাঁসি, কোথায় পাইলেন, সেফারেন্স দেন| নাকি রেফারেন্স আম্লীগ......??
আরেক প্রশ্ন বাংলাদেশের বিমান বাহিনীতে তখন বিমানে সংখ্যা ছিল কয়টা, অফিসারের সংখ্যা ছিল কয়টা, আর সৈনিক ছিল কয়টা জানার চেষ্টা করেন|
১৩|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ২:০০
রবিন-৭৭ বলেছেন:
লাবার ফালুর ফসল রা দেখি ফর্মে আছে। বোবা ছেলে/ হাত মারতে মারতে ক্লান্ত.......একই। কেউ ভুল কইরেন না।
১৪|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ২:০২
জেমস কালাহান বলেছেন: @বোকা ভাই -
Click This Link
এই লিংক এ ক্লিক করলেই পাইবেন। গায়ে তাপ লাগছে নাকি। রাইগেন না, আমার কথায় কষ্ট পাইলে সরি।
১৫|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ২:৪২
ধীবর বলেছেন: আওয়ামী চামচাদের দেখি তাহের প্রীতি উপচাইয়া পড়তাছে। ৭২-৭৫ রাহাত খান আর মঞ্জু এই দুটার এই তাহের পীরিতে কই আছলো?আর মাস্টর আনোয়ার যে গণবাহিনীর কমান্ডার আছিলো, তার নামে কি মুজিবের আমলে মামলা হয় নাই? তাইলে ক্বেন আঃ লিগের চামচামি করা? বেসুরা বেশি বাজাইলেই ওই মামলাগুলি আবার চালূ হইবো। তাই আনুর উচিত আঃ লিগের চামচামি বাদ দিয়া মানুষের মত থাকা।
১৬|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ২:৪৬
একলা একজন বলেছেন: কর্ণেল তাহেরের নামের সাথে যখন জাসদ লাগানো হয় তখন কি তিনি অবসরপ্রাপ্ত?
১৭|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:০৩
সোহরাব সুমন বলেছেন: এদেশ সৃষ্টির জন্য আমি রক্ত দিয়েছি, সেই দেশের বঞ্চিত মানুষের স্বপ্ন পূরণে আমি এবার জীবন দেবো; যা আমার জাতিকে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করবে। তিনি উচ্চারণ করেছিলেন-'নিঃশঙ্কচিত্তের চেয়ে জীবনের মূল্যবান সম্পদ আর কিছু নেই।
১৮|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:০৬
সিস্টেম বলেছেন: গুড জব
১৯|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৪২
পিচ্চি পোলা বলেছেন:
রাম ছাগুদের ছানা
মানতে তাদের মানা
মানার কথা শুনলে বলে
মানব না না নানা!
একটা অন্যায় ধরিয়ে দিলে ছাগুরা অনুশোচনা না করে ঘাড় উচু করে গুতা মারতে আসবেই।আপনার পাল্টা দোষ খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেই। এই পোস্টে কয়েকটি কমেন্ট দেখে তা ধরা পড়বেই!
২০|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৪৯
এক্স বলেছেন: জিয়া একজন ঠান্ডা মাথার খুনি ছিলেন, বলা হয় মিলিট্যারি ক্যু গুলি ছিল সাজানো, বিরোধী আর্মি সদস্যদেরকে হত্যা করাই ছিল এর উদ্দেশ্য. তবে তাহেরও যদি ক্ষমতায় আসতেন তবে তার সাথেও জিয়া বা মুজিবের কোন পার্থক্য থাকত না.
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৪৩
শৈল্পিক ভাবনা বলেছেন: বস জাতির জনক বড় ভালা লোক আছিল.........
(
(