| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ফিউশন ফাইভ
উঠবোই, পাহাড়টা ওই... [email protected] fusionfactory.blogspot.com
আমার মতো প্রায় নাখান্দা ব্লগারের মনে আতঙ্ক জাগিয়ে কাজটি শুরু করেছিলেন ফারহান দাউদ । ব্লগে এসেও বানান-টানান নিয়ে মাথা ঘামাতে হবে! আতঙ্কের প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে পরে মনে হল, কাজটি তার ঠিকই আছে। মাতৃভাষা যথাসম্ভব শুদ্ধ করেই লেখা উচিত। তবে কী লিখবো, কিভাবে লিখবো- এ নিয়ে নানা মুনির নানা মত। যতো মত ততো পথ। ওদিকে বাজারে বানানবিষয়ক যেসব বই পাওয়া যায়, লেখকরা তার বেশিরভাগই এমন জটিল করে লিখেন, এমন কঠিন করে শেখান - বুঝে ওঠা সহজ নয়।
লেখ্যরীতি এবং বানানের শৃঙ্খলা ও সমতা বিধানের জন্য প্রথম আলো একটি স্টাইল শিট প্রণয়ন করে প্রতিষ্ঠার শুরুতে, পরে 'বানান ও লেখ্যরীতি' নামে সেটি প্রকাশিত হয় বই আকারে। তখন যে কোনো কিছু স্ক্যান করে রাখায় বেশ উৎসাহ আমার। প্রপার্টিজে গিয়ে দেখলাম, স্ক্যান করেছি ২০০৩ সালের ১৬ আগস্ট। আগ্রহী পাঠকদের জন্য স্টাইল শিটটি ব্লগে তুলে দিলাম। অনেকেই আশা করি উপকৃত হবেন। পরে অবশ্য 'প্রথম আলো ভাষারীতি'র বর্ধিত ও পরিমার্জিত সংস্করণ বের হয়। সেটি স্ক্যান করে ডিজিটাল রূপ দেওয়ার ধৈর্য আপাতত নেই।
বইয়ের সূচি :
পর্ব-১ : বর্ণ ব্যবহার
পর্ব-২ : যতিচিহ্নের সাধারণ ভুল
পর্ব-৩ : ক্রিয়াপদে 'ও'- কার
পর্ব-৪ : শব্দের ভিন্ন প্রয়োগ
পর্ব-৫ : ভুল শব্দ ও ভুল প্রয়োগ
পর্ব-৬ : সমাসবদ্ধ/জোড়-বিজোড় শব্দ
পর্ব-৭ : বানান অভিধান : 'লিখব-লিখব না'
মিডিয়াফায়ারে জিপ আকারে ফাইলগুলো পাওয়া যাবে। http://www.mediafire.com/?mzducmjumiz
বি.দ্র. : ওপরের এই কয়েকটি লাইনে কয়টি ভুল আছে, খোদা জানেন!
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:২৯
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: দারুণ! তবে পরে বের হওয়া প্রথম আলো ভাষারীতি আরো আকর্ষণীয় হয়েছে। সংগ্রহে আছে নাকি আপনার? না থাকলে সংগ্রহ করে নেবেন।
২|
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:২৫
সিউল রায়হান বলেছেন:
বি.দ্র. : ওপরের এই কয়েকটি লাইনে কয়টি ভুল আছে, খোদা জানেন.........
আমরা খোদা না........ খোদার বান্দা....... আমাদেরকেও জানান.....
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:২৯
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: তাই তো বলি, হে খোদা, আমাদেরকে প্লিজ জানান!
৩|
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৩৩
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আমার কাছে বইটা আছে। অনেক আগেই সংগ্রহ করেছি।
শুদ্ধ বাংলা লেখা শেখার কয়েকটি বইয়ের তালিকা
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫০
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: অশোক মুখোপাধ্যায়ের সমার্থ শব্দকোষ আমার বহু বছরের সঙ্গী। সে তুলনায় মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের যথাশব্দ কেন যেন নিষ্প্রভ মনে হয়। আপনার তালিকাটি বেশ ভালো হয়েছে।
৪|
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৩৭
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
+
ব্লগে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫৫
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
৫|
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৩৯
কায়েস_ বলেছেন:
বস একটু সাহায্য চাই, ভাল ই-বুক বানাতে কোন কোন সফটওয়ার ইউজ করতে হবে একটু বলে দেন।
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫৭
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: ই-বুক তৈরির জন্য আমি ব্যবহার করি অ্যাক্রোবেট রিডার প্রফেশনাল ৮। এর চেয়ে ব্যবহার-বান্ধব আর কিছু হয় না। তবে টেক্সট প্রসেসিংয়ের কাজে যদি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের পরিবর্তে কোয়ার্ক এক্সপ্রেস (www. quark.com) সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা যায়, তাহলে প্রডাকশন বেশ উন্নতমানের হয়। অ্যাক্রোবেট রিডার ইনস্টল করা থাকলে কোয়ার্ক এক্সপ্রেস থেকে সরাসরি পিডিএফ তৈরি করা যায়। আমি এভাবেই করি। তবে সাধারণ ই-বুকের জন্য তো মাইক্রোসফট ওয়ার্ডই যথেষ্ট। আর কোনো সাহায্য লাগলে বলবেন।
৬|
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪৩
আগামি বলেছেন: বাংলা বানানের নিয়ম- মাহবুবুল হক,সাহিত্য প্রকাশ । এ বঙ্গের বানান বিষয়ক এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ভাল বই । (আমার জানামতে)
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫৮
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: সবচেয়ে ভালো হয়তো বলা যাবে না। তবে নিঃসন্দেহে উন্নতমানের।
৭|
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:০৬
কায়েস_ বলেছেন:
আমার আরেকটু দরকার ,
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড হতে পিডিএফ বানালে আমি যে লিংক তৈরী করি,পরে পিডিএফ এ ঐ লিংক কাজ করতে চায়না।
১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:১৭
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: ঠিক ওই কাজটির জন্যই অ্যাক্রোবেট রিডার প্রফেশনাল দরকার। লিংক দেওয়ার কাজটি সেখানে খুব সহজে করা যায়। তবে ৯ নম্বর মন্তব্যে লেনিন বলছেন, ফক্সিট ব্যবহার করতে। আমি অবশ্য ফক্সিট ব্যবহার করিনি কখনো।
৮|
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৮
একরামুল হক শামীম বলেছেন: কাজে লাগবো। ধইন্যাপাতা গ্রহণ করেন।
অফটপিক : গুপ্তচর নামের এক ব্লগার বলছে, আমি নাকি আপনার সখা ওরফে দাই মামা, অথচ আপনার লগে দেখা হৈল না। আফসুস থাইকা গেল ![]()
১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:১৯
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: আইরিন সুলতানা হল দাই মা আর একরামুল হক শামীম হল দাই মামা। হে হে হে.... যুগান্তকারী এই আবিস্কারের জন্য গুপ্তচরকে নোবেল দেওয়া যেতে পারে! ![]()
৯|
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪২
'লেনিন' বলেছেন: @কায়েস_ ফ্রি পিডিএফ ক্রিয়েটর হিসেবে Foxit ব্যবহার করতে পারেন।
১০|
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫২
বিবর্তনবাদী বলেছেন: ভাল, তবে বানান নিয়ে ভাবনা চিন্তার সময় নাই। যা পারি তাই।
১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:২৩
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: ঠিকাছে।
১১|
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫৭
মগ্নতা বলেছেন: ধইন্যবাদ এই পোষ্টের জন্য। কিন্তু একখান কথা প্রথম আলো বানানরীতি নামে আলাদা বানানরীতি ফলানোর মানে কি, বাংলা একাডেমির বানানরীতিতো আছেই।
১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:৩২
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: বানান নিয়ে বিতর্ক আসলে সবসময়ই লেগে আছে। এ থেকে তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা। প্রথম আলো শুরু থেকেই চেয়েছে বানান ও ভাষার ব্যবহারে সমতা ও শৃঙ্খলা আনতে। সেই লক্ষ্য থেকে প্রথম আলো ভাষারীতির জন্ম। এক্ষেত্রে তারা বাংলা একাডেমিসহ প্রধান প্রধান অভিধানের সহায়তা যেমন নিয়েছে, তেমনি পরামর্শ নিয়েছে ভাষা-বিশেষজ্ঞদেরও।
১২|
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫৯
মগ্নতা বলেছেন: তবুও প্রিয়তে নিলাম হঠাৎ কাজে লাগতে পারে। প্লাসও দিলাম।
১৩|
১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:২২
জুল ভার্ন বলেছেন: চমতকার!!!
১৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২৪
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: থ্যাংকু!
১৪|
১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩১
পারভেজ রবিন বলেছেন: আমরা কেন একটি পত্রিকার (প্রথম আলোর) বানান রীতি অনুসরন করব! তাহলে যায়যায়দিনওয়ালারা দাবী করতে পারে তাদের বানান রীতি অনুসরন করা হোক।
কমন হিসেবে বাংলা একাডেমি কি ভাল না?
১৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২৯
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: নিচের মন্তব্যে লেনিন যেটা বলেছেন, অনুসরণ করার তো দরকার নেই। প্রথম আলোর ভাষারীতিও বাংলা একাডেমিসহ প্রধান প্রধান অভিধানের সহায়তা নিয়ে তৈরি। পড়লে আপনার কাজেও লাগতে পারে। বিশেষ করে "বানান অভিধান : 'লিখব-লিখব না'" পর্বটি নবীনদের জন্য খুবই উপকারী হবে বলে আমার বিশ্বাস।
১৫|
১৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৫১
'লেনিন' বলেছেন: @পারভেজ : অনুসরণ করার দরকার নেই.. পড়লে মনে হয় কাজেই দেবে অকাজে নয়।
১৬|
১৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২৭
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: প্লাস
১৭|
১৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:১০
মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান বলেছেন: আহা কি আনন্দ! পাইলাম আমি তারে পাইলাম।
ধন্যবাদ।
২৪ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:৪৫
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: কারে পাইলেন?
১৮|
১৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৩৮
পারভেজ রবিন বলেছেন: ঠিক আছে, ফেভারিট করে নিলাম, পরে মন দিয়ে পড়ব।
১৯|
২২ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:০০
পান্থজন বলেছেন: দারুন জিনিষ, কাজে লাগবে। প্রিয়তে নিলাম......
২০|
২৪ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:০৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: জিনিসটা খুবই কাজে লাগবে। এই বানান নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব যে কবে কাটাতে পারবো (এটা ঠিক হলো নাকি পারব হবে?) ! দেখি ডাউনলোড করে।
২১|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২৯
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: মগ্নতা বলেছেন: .....প্রথম আলো বানানরীতি নামে আলাদা বানানরীতি ফলানোর মানে কি, বাংলা একাডেমির বানানরীতিতো আছেই।
আমিও মোটামুটিভাবে তাই মনে করি।
১৯ শতকের আগে পর্যন্ত বাংলা বানানের নিয়ম বলতে বিশেষ কিছু ছিল না। উনিশ শতকের সূচনায় যখন বাংলা সাহিত্যের আধুনিক পর্ব শুরু হলো, বাংলা সাহিত্যিক গদ্যের উন্মেষ হলো, তখন মোটামুটি সংস্কৃত ব্যাকরণের অনুশাসন-অনুযায়ী বাংলা বানান নির্ধারিত হয়। (বাংলা একাডেমী বাংলা বানান-অভিধান, পৃষ্ঠা ৮৮৪)
রবীন্দ্রনাথের অনুরোধে ১৯৩৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বানানের নিয়ম প্রকাশ করে। দেশ বিভাগের পর ১৯৪৯ সালে তদানীন্তন পূর্ববঙ্গ সরকার মৌলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ-র নেতৃত্বে East Bengal Language Committee গঠন করে। এরপর ১৯৬৩ সালে বাংলা একাডেমীর তদানীন্তন পরিচালক সৈয়দ আলী আহসানের নেতৃত্বে বানান-সংস্কারের জন্য একটি কমিটি গঠিত হয়। ১৯৬৭ সালে ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ব্যক্তিগত আগ্রহে ঢাকা ভার্সিটির শিক্ষা পর্ষদে বাংলা বানানন সরলায়নের লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠিত হয়। ১৯৬৮ সালে মুহম্মদ এনামুল হক, মুহম্মদ আবদুল হাই এবং মুনীর চৌধুরী এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করে একটি বিবৃতি দেন। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ১৯৮৮ সালে কমিটির মাধ্যমে বাংলা বানানের নিয়মের একটি খসড়া তৈরি করে।
বানানের ক্ষেত্রে দীর্ঘদীন কোনো সর্বজনগ্রাহ্য নিয়ম চালু করা সম্ভব হয় নি। বাংলা একাডেমী ১৯৯২ এ ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে। কমিটির রিপোর্ট জরিপের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো হয়। প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে ১৯৯২ সালে বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম প্রকাশ করে, যা ১৯৯৮-এ পরিমার্জিত হয়ে ২০০০-এ পুনরায় সংশোধিত হয়। ১৯৯৪ সালে বাংলা একাডেমী বাংলা-অভিধান-এর প্রথম প্রকাশনা বের হয়।
কোনো নিয়মনীতিই জোর করে চাপিয়ে দেয়া যায় না। তবে যেখানে একটি কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক একটি নিয়ম প্রণয়ন করা হয়েছে, তা মেনে চলা উচিৎ। বাংলা একাডেমী তাদের সকল কাজে প্রমিত বানান রীতি ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে। সাহিত্যিক, পত্রিকা, প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই রীতি ব্যবহারের সুপারিশ ও অনুরোধ করেছে।
১৯৯১ সালে আনন্দ পাবলিশার্স তাদের আনন্দ বাজার পত্রিকার জন্য নিজস্ব বানানরীতি প্রণয়ন করেছিল। ২০০৬ সালে প্রথম আলো তাদের পত্রিকার জন্য নিজস্ব ভাষারীতি প্রণয়ন করে।
আমি বাংলাদেশের যেসব পত্রিকা পড়েছি তাতে কেবল যায়যায়দিন ও প্রথম আলোকেই মনে হয়েছে বাংলা একাডেমীর প্রমিত রীতি প্রায় হুবহু মেনে চলছে। প্রত্যেক মানুষ, বিশেষত সাহিত্যিকের নিজস্ব ধ্যান-ধারণা ও বিশ্লেষণী ক্ষমতা থাকে, কমবেশি। তাই তাঁরা কোনো চাপিয়ে দেয়া রীতি, যদি তাঁদের মত-বিরুদ্ধ হয়, সহজে মেনে নিতে চান না। বাংলা একাডেমীর কমিটির সদস্যগণও বেশ কিছু বানানের ক্ষেত্রে একমত হতে পারেন নি, যা অমীমাংসিত রয়ে গেছে। একটা পত্রিকা ভাষার ক্রম বর্ধমান, পরিমার্জন, ও সংশোধনের ইতিহাস, আবার এসবের সহায়কও। যায়যায়দিন তাদের পত্রিকায় বিশেষ কিছু বানানের উদাহরণ ছাপতো যা লেখকগণকে অনুসরণ করতে বলা হতো।
'বাংলা একাডেমী বানান অভিধান' বইটি বানানের জন্য অথোরিটি হিসেবে ব্যবহার করি, এবং অর্থের জন্য বাংলা একাডেমী ব্যবহারিক অভিধান' বইটি ব্যাপকভাবে কনসাল্ট করি। আমি সর্বত্র বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসরণ করবার চেষ্টা করি, ভুল হলে সেটা মনে না থাকার কারণে, বা ভুলে যাবার কারণে ঘটে যায়। শব্দকোষ হিসেবে যে-কোনো অভিধানই ভোকাবিউলারি বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে, তবে আমি মনে করি, বানানের ক্ষেত্রে যে-কোনো একটি নিয়মই অনুসরণ করা উচিৎ, আর সেটা হলো বাংলা একাডেমী প্রমিত বানান-রীতি। বিভিন্ন পত্রিকা ও সাহিত্যিকের বানান-রীতি জেনে রাখলে ক্ষতি নেই, তবে প্রমিত রীতি না জেনে ঐসব রীতি অন্ধভাবে অনুসরণ করা ক্ষতিকর মনে করি। বিভিন্ন গবেষক, সাহিত্যিকগণ প্রমিত রীতির মধ্যে থেকেও নিজস্ব বানান-রীতি গড়ে তুলতে পারেন, যা হয়তোবা প্রমিত-রীতি থেকে সামান্য হেরফের হতে পারে।
২২|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ ভোর ৪:৫৪
মুনতাসির নাসিফ (দ্যা অ্যানোনিমাস) বলেছেন: হুম...
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:২৫
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: চমৎকার একটা জিনিস শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। তবে বইটাই আছে আমার কাছে।