| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ক্লোন রাফা
আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।
বাংলায় একটি জনপ্রিয় প্রবাদ আছে ' ঠাকুর ঘরে কে রে! আমি কলা খাই না! ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয় শঙ্করের ঠাকুরঘরে কারা প্রকাশ্য ও গোপনে কলা খেয়েছেন তা ইতিমধ্যে জাতির কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে।
জামায়াত ও বিএনপির রাজনৈতিক ধান্দাবাজি এসব কারোই অজানা নয়।১৯৯১ ও ২০০১ সালে এরা ভারতের লেজ ধরেই ঝুলে ছিল।১৯৭৬ সালে জিয়াও ঠাকুর ঘরে গিয়ে ভারতীয় কলা খেয়ে এসেছে। জামায়াত বিএনপি ভারতের সাথে গোপন চুক্তিও করবে, আবার ভারত বিরোধিতার জিকির তুলবে, এর কিছুই জয়শঙ্করের অজানা নয়।
ফরাসি অনুবাদক আঁতোয়ান গালাব, সিরিয়ার বালক হানা দিয়াব এর কাছে ,একটি গল্প নিয়ে আরব্য রজনী ( Arabian Nights) এর গল্পে আমাদের আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপ দেখিয়েছেন।চেরাগ ঘষা দিলেই আলাদীনের দৈত্য এসে মনের সব ইচ্ছা পুরণ করে দেয়। বাংলাদেশের কাছে এমন কোন আলাদিনের চেরাগ নেই। বেশীরভাগ নেতাই হচ্ছেন দূর্নীতিবাজ ও ধোঁকাবাজ।ক্ষমতার জন্য এরা শুধু ঠাকুরঘর নয় , ধর্মের দোকান পর্যন্ত খুলে বসতে পারেন।
আমি একটু আধটু ইংরেজি জানি।জামায়াতের আমীর
মাছরাঙা টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে জয়শঙ্করের সাথে গোপন বৈঠক নিয়ে তার উত্তর দিতে গিয়ে বলেন ,
"India is our Big Friend." ভারত কোনকালে উনাদের বন্ধু হলো আর কখন শত্রু হলো , এইসব ইতিহাস কমবেশ আমার জানা আছে।
জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা মওদুদীর জন্ম ভারতের হায়দ্রাবাদের আওরঙ্গবাদ শহরে।তাই তিনি ১৯৪৭ সালের " মুসলিম মুসলিম ভাই ভাই" বলে জিন্নাহর পাকিস্তান সৃষ্টিকে " আহম্মকের বেহেশত" বলেছিলেন।
সুযোগ মতো ক্ষমতার লোভে আবার তিনি ১৯৭১ সালে সেই আহম্মকের পাকিস্তানের পক্ষই নিয়েছেন। বাংলাদেশে জামায়াতের প্রোডাক্ট হচ্ছে গোলাম আযম।১৯৭১ সালের কসাই হিসেবে পরিচিত গোলাম আযমের বংশধর হলেন শফিকুর রহমান। ১৯৭৭ সালে জাসদের
লুঙ্গির তলা থেকে বের হয়ে ইসলামী ছাত্রশিবির করে তিনি আজ পর্যন্ত দুইবার নির্বাচনে দাঁড়িয়ে একবারও এমপি হতে পারেননি। তার মূল পুঁজি হচ্ছে ভারত বিরোধিতা। ভারত নাম শুনলেই পটুতে আগুন ধরে যায় অবস্থা। এখন আবার তিনি স্বপ্ন দেখছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার। এজন্য জয় শঙ্করের সাথে গোপন বৈঠক করলেন। ভারতের সাথে সম্পর্কের কথা স্বীকার করে তিনি আরও বলেছেন, " গত কয়েক মাস আগে তিনি অসুস্থ হলে ভারতের এক কুটনৈতিক তাকে দেখতে এসেছিলেন।"
মানে হচ্ছে উপ্রে উপ্রে ভারত বিরোধিতা, তলে তলে টেম্পু চলে।' জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা মওদুদী ও গো আযমের যোগ্য উত্তরসূরী।
জয়শঙ্কর,তারেক ও জিন্দা অলীকে স্পষ্ট কিছু বার্তা দিয়ে গেছেন। এতেই তারেক ও জিন্দা অলী দু'জনেই তাদের ঘুটঘুটে অন্ধকার ভবিষ্যৎ দেখে ফেলেছেন। এখন তাদের আর ভারতকে " আব্বা " ডাকতে সমস্যা নেই। কিন্তু সমস্যা অন্যখানে । তারেকের পাশে যিনি বসে আছেন তার নাম গুম সালাউদ্দিন। তিনি গুম হওয়ার নাটক করে ভারতে টেবিল টেনিস খেলছিলেন।
অপরদিকে জামায়াতের শফিকের পাশে বসে আছেন মীর্জা ফখরুল। ফখরুল মূলত বিএনপির দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে ভারতের বিষয়ে দেখা শুনা করেন। এই দিকটায় কিছুটা পিছিয়ে ছিল জামায়াত। এজন্য ভারতের সাথে গোপন বৈঠক সেরে নিলেন ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর জামায়াতের জিন্দা দরবেশও !
তারেক ও শফিকের সাথে এমন আরও কিছু গোপন বৈঠক হয়েছিল কয়েক বছর ধরে।বিএনপি নেতা আমীর খসরুর নেতৃত্বে বিএনপি প্রতিনিধি দল ক্ষমতার জন্য ভারতের বিজেপি ও কংগ্রেসের সাথে বারবার বৈঠক করেছিলেন।২০১৪ সালে খালেদা জিয়া গিয়েও ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সালমান খুরশিদ এর সাথে দেখা করে এসেছিলেন। ভারতের মোদি সরকারের বিজয়ে বিএনপি ও জামায়াত দুই দল তাদের দলীয় অফিসে মিষ্টি বিতরণ সহ মোদীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলো। তারেক তো লন্ডন থেকে স্পেশাল শুভেচ্ছা পাঠিয়েছেন মোদীর জন্য। এদের মুখে বাবরি মসজিদ আর অন্তরে হচ্ছে মোদি। কিন্তু তাদের মুখের কালো রেখাই বলে দিচ্ছে - নির্বাচন হবে হবে করেও বুঝি হলো না।
জয়শঙ্কর ভারত সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধি। শেখ হাসিনার নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ বিষয় তিনিই দেখা শুনা করেন। বাংলাদেশের রাজনীতিবীদদের ডিএনএ তার খুব ভালোই জানা আছে।মূলত জয়শঙ্করের চাণক্য নীতির কাছে হেরে গিয়ে হাওয়া ভবন ও জিন্দা অলী পরিষদ বৈঠকে বসেছে। শেখ হাসিনা ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয় এটা বুঝতে পেরেই দুই হবু প্রধানমন্ত্রীর কপালে ভাঁজ পড়েছে। যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে নির্বাচন করে ক্ষমতায় থাকার খায়েশ তেনাদের এই যাত্রায় পুরণ হচ্ছে না।
এজন্য শেখ হাসিনা ঠেকাতে ও ভারতকে সন্তুষ্ট করতে খাম্বার সাথে জিন্দা অলীর অঘোষিত চুক্তি বুঝতে সালাউদ্দিন ও মীর্জা ফখরুল চরিত্র আপনাদের বুঝতে হবে।ভারত লুটের গল্প না বলে এখন ভারতকে খুশি করার দিকেই ঝুঁকছে সম্ভবত বিএনপি ও জামায়াত।
মুখোশের আড়ালে মুখোশ এই চরিত্র গুলোকে বুঝতে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে চীনের নিরবতাকে বুঝতে হবে।
ভারত ও রাশিয়ার নির্বাচন নিয়ে হুমকি , চীনের নীরবতা এসবে ভীত হয়ে নির্বাচন নামক আলাদীনের চেরাগে ঘষা দিতে না পেরেই বৈঠকে মিলিত হয়েছেন একই রসুনের দুই কোয়া। ৬০ শতাংশ ভিক্ষুকের দেশ পাকিস্তান নিজেই খেতে পায় না। সেই পাকিস্তানের বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কি অবদান রাখবে ? আলাদীনের চেরাগ অতিরিক্ত ঘষতে ঘষতে যদি চেরাগই ভেঙে যায় তাহলে (Garlic Clove) সুত্র কোন কাজেই আসবে না। বাংলাদেশের পাশে ভারত নামক আলাদীনের দৈত্য দাঁড়িয়ে আছে। শুধু চেরাগে ঘষা দিয়েই নির্বাচন সম্ভব নয়। বিশ্ববাসীর কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে হলে অবশ্যই সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন করতে হবে। তা না হলে যেই লাউ সেই কদুদের " ঠাকুর ঘরে কে রে! আমি কলা খাই না" মুখোশ জনগণের সামনে উন্মোচিত হতে খুব বেশি দিন লাগবে না। মুখে ভারত বিরোধিতা আর তলে তলে টেম্পু চালিয়ে আলাদীনের চেরাগের দেখা পেলেও আলাদীনের দৈত্য ইহজনমেও মিলবে না।ভারত নামক আলাদীনের দৈত্য বাদ দিয়ে বাংলাদেশ নামক আলাদীনের চেরাগ স্বপ্নদোষ ছাড়া আর কিছুই নয়। সেই শুরু থেকে জিয়া, খালেদা , শেখ হাসিনা সবাই একবাক্যে তা স্বীকার করে গেছে। তারেক ও জিন্দা অলী সেখানে শিশু ছাড়া আর কিছুই নয়। এটাই জামায়াত ও বিএনপির জয়শঙ্কর টুইস্ট।
ছবি হোলো বাংলাদেশের বর্তমান চিত্র। আর বক্তব্য হোলো দুটো দলের মোনাফেক চরিত্রের প্রতিচ্ছবি।
কাজেই একটার সাথে আরেকটা যুক্ত করে দেখার দরকার নেই।
ধন্যবাদ, জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু॥
সত্যে সবসময় তিক্ততা থাকে ॥
২|
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯
ধুলো মেঘ বলেছেন: ইন্ডিয়া জামায়াতের নয়, বাংলাদেশের বেস্ট ফ্রেন্ড - উনি ঐ কথাটাই বলেছিলেন। সাক্ষাৎকারটা আবার শুনে দেখবেন।
৩|
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:২০
আমি নই বলেছেন: আপনার পোষ্টের বিষয়বস্তুর সাথে পোষ্টে ব্যাবহার করা ছবিটার সম্পর্ক কি? ক্লিকবেইট?
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:২৭
ক্লোন রাফা বলেছেন: পোষ্ট পুরোটা পড়েন নাই। ইহা তাহাই প্রমাণ করে। শেষ প্যারায় উল্লেখ করা আছে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৫৬
রাজীব নুর বলেছেন: ফারুককে খুবই নিষ্ঠুর ভাবে হত্যা করা হয়েছে।
বাংলাদেশের মানুষ গুলো এত নিষ্ঠুর কেন? কবে হলো তারা এত নিষ্ঠুর!!!