| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ক্লোন রাফা
আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।
গত ২৪ এর জুলাইয়ের আগে যখন শেখ হাসিনা বলতেন "বাংলাদেশে আমাকে ছাড়া সবাইকেই কেনা যায়। আমি যদি সেন্টমার্টিন ও বঙ্গোপসাগরকে একটি দেশকে দিয়ে দেই, আমি আজীবন ক্ষমতায় থাকতে পারবো"। সেই সময় এই কথা নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক মাধ্যমে গুলোতে প্রচুর হাসাহাসি করেছেন, সুশীল, কুশীল, বামাতী, জামাতীরা। কিন্তু মাত্র দুই বছরের মাথায়, শেখ হাসিনার নির্মম সত্য কথা, এতো নগ্ন ভাবে সত্য হয়ে প্রকাশ পাবে, তা কারও ধারনারও বাহিরে ছিল। বাংলাদেশের ক্ষমতা পরিবর্তন জন্য আমেরিকা জুলাই তে ২৯ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছে, ট্রাম্প নিজে বলার পরও বাংলাদেশের এক শ্রেনীর বুদ্ধিজীবী তা অস্বীকার করে আসছে। এই টাকার ভাগ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে শুরু করে রাস্তার টোকাইও পেয়েছিল। জুলাই সন্ত্রাসের পর আমেরিকার দালাল সরকার ওয়াকার-ইউনুছ গং বাংলাদেশের ক্ষমতা দখল করার পর পরই, শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের চরিত্র হরনের জন্য, আমেরিকার সহায়তায় দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগ আনে। যাতে করে শেখ হাসিনার প্রতি বাংলাদেশের জনগনের মধ্যে একটা ক্ষোভ সৃষ্টি করে, ভবিষ্যতে শেখ হাসিনা যেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরতে না পারে। ইউনুছের ১৮ মাসের ভয়াবহ দুঃশাসন ও খাম্বা তারেকের মাত্র চার মাসের চান্দাবাজি শাসনের ফলে। সাধারণ মানুষের মাঝে শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা এখন আকাশচুম্বি। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনিত কোন অভিযোগ এর সত্যতা প্রমাণ করতে পরে নাই। বরং ওয়াকার -ইউনুস- তারেক - মোল্লাদের মিথ্যাচার প্রকাশ পেয়েছে। আমেরিকার ইচ্ছা ছিল জামায়াত কে ক্ষমতায় বসানো। ভারতের চাপে খাম্বা তারেক কে আমেরিকা ক্ষমতায় বসালেও, আমেরিকার প্রত্যাশা পুরনে বার্থ্য সে। এখন আমেরিকা প্রচণ্ড ভয়ে আছে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে। এতোদিন তারা ঘোমটার নিচে থেকে, শেখ হাসিনাকে পরিবর্তন করে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সাবের হোসেন চৌধুরী বা শিরিনকে আনতে চেয়েছিল। সাবের হোসেন প্রাথমিক ভাবে চেষ্টা করে দেখলেন। আওয়ামী লীগের "বনে' বাঘ আছে। যে বাঘের নাম "তৃণমূল" আওয়ামী লীগ। এরা কখন দল থেকে দুই পয়সার সুবিধা পায় না, কিন্তু দলের জন্য জীবন দিতে পারে। সেই তৃণমূল কে এখন আমেরিকা সকল প্রকার সভ্যতা, লাজ-লজ্জা ভুলে "নসিয়ত" করছে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বের পরিবর্তনের। আমেরিকা নিজেদের'কে ঘোষণা দিয়ে প্রভূত্ব্রের যায়গায় নিয়ে এসেছে!" নিজেরা নিজ্দেরকে গণতন্ত্রের মাস্টার মনে করে। যখন যেখানে যেমন প্রয়োজন তাদের প্রসক্রিপশনের অগণতান্ত্রিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে চলেছে! তোদের কথায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব ঠিক হবে? তোদের গোনার সময় নাই তৃণমূলের। যা "ফোট", বাংলা থেকে।
বাংলাদেশ আওয়ামিলীগের যে তৃণমূলের সহজ সরল নিরপরাধ সমর্থক ও কর্মী রয়েছে সারা আমেরিকা চষে বেড়ালেও সেই পরিমান সমর্থন নেই ডেমোক্রেট , রিপাবলিক মিলে।
আওয়ামিলীগের নেতৃত্ব নির্বাচন করবে এই দেশের আঠারো কোটি মানুষের মধ্য থেকে অতি সাধারন , অসাধারন দেশপ্রেমিক নাগরিকরা। যাদের পূর্বপুরুষের রক্ত, ঘাম ,সততা ,মেধা,সরলতায় জন্ম হয়েছিলো এই দলের। বর্গীদের কোনো প্রেসক্রিপশন প্রয়োজন নেই আমাদের। আমরা কোন ইস্ট ইন্ডিয়া কিংবা ওয়েস্ট আমেরিকা চাইনা। আমাদের মেহনতি মানুষেরা তোমাদের গোলাম হয়ে লাল নীল চাষ করবেনা যতদিন স্বাধীন বাংলাদেশে একজন মুক্তযুদ্ধের উত্তরশুরী বেচে আছে। ইচ্ছে হোলে আমাদের
সাথে বানিজ্য করো কিংবা জিএসটির মত প্রত্যাহার করো।
আমরা পৃথিবীর অন্যান্য স্বাধীন জাতির মত স্বতন্ত্র সত্তা নিয়ে প্রতিদিন বাচার সংগ্রাম কর যাবো ,ইংশাআল্লাহ্.......
জয় বামলা জয় বংঙ্গবন্ধু॥
০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:২৫
ক্লোন রাফা বলেছেন: হুম ...............আত্মবিশ্বাস খুবই অপরিহার্য দূরদর্শি নেতৃত্বের জন্য। কিন্তু অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস হিতে বীপরিত হয়।
২|
০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ২:২০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: প্রিয় গণজাগরণ মঞ্চের সাবেক বীরেরা
যারা একসময় গণজাগরণ মঞ্চের সঙ্গে ছিলেন তাদের এখন অ্যাক্টিভিজম ছেড়ে দেওয়ার সময় হয়েছে। আপনারা যারা সেই সময় থেকে এখনো অ্যাক্টিভিজম করে যাচ্ছেন মানুষ আপনাদের আর আগের মতো ভালো চোখে দেখে না। নতুন মুখ সামনে না আনলে মানুষ আপনাদের কথা বিশ্বাস করবে না এটা পরিষ্কার। আঠারো থেকে পঁয়ত্রিশ বছর বয়সীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা কমে গেছে। বিশেষ করে আঠারো থেকে পঁচিশের মধ্যে অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। আপনাদের সব আইডি থেকে একই রকম লেখা বের হয় আর এসব এখন আর মানুষকে টানে না। আপনাদের অনেক অ্যাক্টিভিস্টকেই দেখা যায় ফাউল ভাষায় একে অপরের পেছনে লেগে থাকতে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা এত কম কেন এটা আসলেই অবাক করা ব্যাপার। অথচ এদের পুরো টিনেজ সময় কেটেছে এমন একটা সরকারের অধীনে যারা নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র সত্যিকারের দল বলে দাবি করে আসছে। এটা নিয়ে সত্যিকারের গবেষণা হওয়া দরকার। ফ্যাসিবাদের আইকন তকমা দিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ঢাবি থেকে সরিয়ে ফেলার আলোচনা চলছে আর তার বদলে হাদীর নাম যোগ করার কথা উঠছে তখনও মানুষের এসব নিয়ে কোনো মাথাব্যথাই নেই। তরুণ প্রজন্ম উলটো এতে লাভ রিঅ্যাক্ট দিচ্ছে। তাহলে এত মুজিববর্ষ পালন করে এত বই লিখে এত অ্যাক্টিভিজম করে আপনাদের লাভটা কী হলো শেষ পর্যন্ত? বিএনপি সরকার বিদ্যুতের দাম বাড়ালে আপনারা যে সমালোচনা করেন সেটা এতই হাস্যকর যে বলার মতো না। শেখ হাসিনার আমলে গণশুনানি বাদ দিয়ে বিশেষ ক্ষমতাবলে প্রতি তিন মাস পরপর বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা ছিল। আজকে ক্ষমতায় থাকলে ইউনিট প্রতি ষোল টাকা হতো এতদিনে। ভর্তুকি তুলে নিতেই হতো নাহলে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পর সমস্যায় পড়তে হতো। আর ভুয়া তথ্য দেখিয়ে ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল অর্থনীতি হিসেবে দেখিয়ে শেখ হাসিনার সরকার যে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন থেকে বের হওয়ার পরিকল্পনা করেছিল সেটা ভাবলেই অবাক লাগে। ইউরোপ বা অন্য কোনো দেশের সঙ্গে কোনো এফটিএ বা পিটিএ চুক্তি করা হয়নি। ভারত শুধু অপেক্ষায় আছে কবে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন শেষ হবে আর আমরা ইউরোপের বাজার হারাব। ভারত ইতিমধ্যে ইউরোপের সঙ্গে এফটিএ চুক্তি করে ফেলেছে। এত যে আওয়ামী লীগ ভারতকে অনুসরণ করত এই দিকটায় কেন নজর দিল না সেটাই বুঝলাম না। যদিও আপনাকে এসব বলে আসলে কোনো লাভ নেই কারণ আপনি তো সেই দলেরই লোক। শেখ হাসিনা আসবে বাংলাদেশ হাসবে। ![]()
০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:২১
ক্লোন রাফা বলেছেন: ত্রিশ সেকেন্ডের রিলের মাধ্যমে যে প্রজন্ম বাংলাদেশের ৮০ বছরের সংগ্রাম আর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিচার বিবেচনা করে । সেই প্রজন্ম প্রতি সেকেন্ডে বিক্রয়যোগ্য পণ্য ছাড়া আর কিছুই নয়।
কখনও কখনও প্রকৃত ইতিহাস ১০০/২০০ বছর চলে যায়।আমাদের ব্যর্থতা হলো আমরা রং চং মাখিয়ে ইতিহাস বলতে চাইনি। তাই হয়তো তারা সেখান থেকে সত্য জানার আগ্রহ হারিয়েছে।
কিন্তু দিন শেষে তাদের পরের প্রজন্ম ঠিক তাই করবে যা তারা করেছে পূর্ব প্রজন্মের সাথে। এর চাইতে করুন পরিনতি অপেক্ষা করছে সামনে।
৭৫-এর পর এত বিকৃত ইতিহাস গিলিয়েছে ৯৬ পর্যন্ত । সেই বিকৃতির ঝাটা দিয়ে পরিস্কার করতে পারেনি আওয়ামিলীগ ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ।শেখ হাসিনার কিছু ভুল আমরা বার বার উচ্চারণ করেও শোধরাতে পারি নাই।১/ মুক্তিযুদ্ধ ডিনায়াল ল করতে বলেছিলাম। ২/আংশিক বিচার না বলেছিলাম শিকড় টেনে বের পরিপূর্ণ বিচার করতে। যারা সব সময় সব ঘটনার পেছনে থাকে , তাদের সামনে না এনে ভুল করেছে। আন্ডা বাচ্চা বলে কিছু নেই আসলে অপরাধ জগতে। সেখানে হয় অপরাধী নিহত নিরাপরাধ। ঠিক যেমন সত্য মিথ্যার সংমিশ্রনে অর্ধ সত্য ও মিথ্যার কোনো স্থান হোতে পারেনা।৩/ যইতিহাসে যার যা প্রাপ্য তা পরিস্কার করে মানে নিতে বলাও ছিলো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
পৃথিবী’তে বাংলাদেশই একমাত্র রাষ্ট্র পরাজিত নরপশুর অপশক্তিকে সম মর্যাদা দিয়ে রাষ্ট্রের সকল অধিকার দিয়ে দেয়া।
কিছু কিছু ভূল সংশোধন করার সময় সীমা থাকে। আওয়ামিলীগ সেখানে প্রচন্ড ব্যর্থ হয়েছে।আন্তর্জাতিক বিশ্ব অনেক কিছু করতে বাধ্য করে । তা অমান্য করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস সবার থাকেনা! সেই জন্য সময়ের কাজ সময়ে করতে হয় তা যত অপ্রিয় ও কঠিন হোক।
তবে জন্মান্ধদের জন্য আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস কোনো কাজে আসবনেনা জানি । ঘুরে ফিরে কুযুক্তিই তাদের প্রধান হাতিয়ার।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ॥
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ২:০৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাংলাদেশের ক্ষমতা পরিবর্তন জন্য আমেরিকা জুলাই তে ২৯ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছে,
................................................................................
অনেকে বলেছিলো এটা ছাত্রদের অভূথ্যান।
বাস্তবতা কি হলো তা আমরা প্রত্যক্ষ দেখতে পাচ্ছি ।