| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ক্লোন রাফা
আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।
পৃথিবীর প্রত্যেকটা দেশ জানে বাংলাদেশে ২১শে আগষ্টের গ্রেনেড হামলার মাষ্টার মাইন কে..??
-- ডেভিল নরপিচাশ তারিককা, এবং জামাত শিবিরের জঙ্গিরা..!!
পৃথিবীর প্রত্যেকটা দেশ জানে বাংলাদেশে ১০ট্রাক অস্ত্র কে এনেছিল ভারতে সন্ত্রাসী হামলা করার জন্য..!!
-- ডেভিল নরপিচাশ তারিককা।
আওয়ামীলীগের আহসান উল্যা মাষ্টার, অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া, খুলনার এডভোকেট মঞ্জুরুল আলম সাহেব সহ আওয়ামীলীগের ২৪ হাজার নেতা কর্মী হত্যা করেছিলো এই দাউদ ইব্রাহীমের অনুসারী হাওয়া ভবনের সন্ত্রাসী ডেভিল নরপিচাশ তারিককা ও তাঁর জঙ্গিরা..!!
-- আমেরিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নথি থেকে জানা যাই, কে এই ডেভিল নরপিচাশ তারিককার..!!
-- ডেভিল নরপিচাশ তারেক রহমান সম্পর্কে ঢাকার কয়েকজন মার্কিন রাষ্ট্রদুতের ওয়াশিংটনে পাঠানো তার বার্তার সংক্ষিপ্ত সারঃ
≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈
'তিনি নৃশংস, সীমাহীন দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, দাউদ ইব্রাহীমের অনুসারী, রাজনীতিতে এবং ব্যবসায় অনভিজ্ঞ, অশিক্ষিত, বাস্তব জ্ঞানবিবর্জিত এবং আমানবিক।'
২০০৫ থেকে ২০০৮ সাল অবধি যুক্তরাষ্ট্রের ঢাকা মিশনপ্রধানদের কয়েকটা তারবার্তা, যার সবই তারেক রহমানের কুকীর্তির বিশদ বিবরণ দেয়া হয়েছে । তারবার্তায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তারেক রহমানের ঢুকতে না দিতে ওয়াশিংটনে সুপারিশ করা হয়েছিল।
প্রথম তারবার্তাটির শিরোনাম ছিল ‘খালেদা দুর্নীতিগ্রস্ত পুত্রকে রক্ষা করে ব্যর্থ হয়েছেন’ এবং পাঠান রাষ্ট্রদূত হ্যারি কে টমাস ২০০৫-এর মার্চ মাসে। এ তারবার্তায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মুখ্য সচিব কামালউদ্দিন সিদ্দিকী বাংলাদেশে তখন মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে কি বলেন তার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে। তাঁর ভাষায়, খালেদার সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ব্যর্থতা ছিল তার দুর্নীতিগ্রস্ত ছেলে তারেক রহমানকে রক্ষা করা। তিনি [ সিদ্দিকী ] বর্ণনা দিয়েছেন কিভাবে তার দুর্নীতিস্ত পুত্রকে প্রশ্রয় এবং রক্ষা করেছেন।
দ্বিতীয় তারবার্তাটিও পাঠিয়েছিলেন হ্যারি কে টমাস ১১ মে, ২০০৫ সালে। ঐ তারবার্তায় তারেক রহমান সম্পর্কে আরও বলা হয়, ‘হাওয়া ভবন’ নামে এক ‘ছায়া সরকার’ তিনি চালিয়েছেন, বিশেষ করে সরকারী নিয়োগ এবং ঠিকাদারি কাজ দেয়ার ব্যাপারে ঐ ভবনের কথাই ছিল শেষ কথা। ২০০১ সালের নির্বাচনের পরে গঠিত ৬০ জনের মন্ত্রিসভার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ তিনিই বিক্রি করেছিলেন।
তিনি নৃশংস, সীমাহীন দুর্নীতিবাজ, রাজনীতিতে এবং ব্যবসায় অনভিজ্ঞ, অশিক্ষিত, বাস্তব জ্ঞানবিবর্জিত এবং অমানবিক।
পরবর্তী তারবার্তাটি পাঠান রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টি ২০০৮ সালের ৩ নবেম্বরে। ওই তারবার্তায় তারেক রহমানকে, লোভ-লালসা-চোরামি আর দুর্নীতিবান সরকারের এবং হিংস্র রাজনীতির প্রতিবিম্ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং তাকে যেন যুক্তরাষ্টে ঢোকার অনুমতি না দেয়া হয় সে সুপারিশ করেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস বিশ্বাস করে, তারেক রহমান ‘কুখ্যাত রাজনৈতিক দুর্নীতির দোষে দোষী’ এবং এ ব্যাপারে দূতাবাস তারেকের কিছু বড় ধরনের দুর্নীতির বিবরণ ঐ তারবার্তায় তুলে ধরে।
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে বাংলাদেশে দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাত এবং ঘুষের যে সংস্কৃতি চালু করেছে সেটাতে মার্কিন ব্যবসার অনেক ক্ষতি হয়েছে এবং অনেক অপূরণীয়ভাবে সুযোগ হারিয়ে গেছে, মরিয়ার্টি উল্লেখ করেন ওই তারবার্তায়। সংক্ষেপে, বাংলাদেশের যা কিছু দুর্দশা তার সিংহভাগের জন্য দায়ী তারেক এবং তার সাঙ্গোপাঙ্গরা।
এসব কারণে রাষ্ট্রপতি প্রক্ল্যামেশন ৭৭৫০-এর মাধমে মার্কিন রাষ্ট্রদূত তারেক রহমানকে যুক্তরাষ্ট্রে এন্ট্রি ব্লক করার সুপারিশ করেন।
দেশের ধ্বংস কিংবা পরাধীনতার শেকলে বন্দি হোতে না চাইলে। এনজিওদের দালাল সুদী মহাজন এবং দাসখত দেয়া ভন্ড রাজনীতিবিদ এবং বিদেশী ঔপনিবেশিক দালালদের দূরে রাখতে হবে। তাদের লক্ষ্য একটাই দেশের রক্ত শুষে নিজেরা এবং তাদের প্রভুদের দখলে নিয়ে আরাম আয়েশের ব্যবস্থা করা।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:২৮
ক্লোন রাফা বলেছেন: কুকুর করেছে কুকুরের কাজ ................
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:০৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এসব নিয়ে পরেও লেখা যাবে । পারলে ওলি সাহেব কে নিয়ে লিখে দেখান । আপনারা তো মুক্তিযোদ্ধা বলতেই বেহুশ । এদিকে ওলি সাহেব আপনাদের নেত্রীকে নিয়ে হাজার হাজার মানুষের সামনে স্লাট শেমিং করছে ।
।