নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমাদের কথা বলতে এসেছি। আমি বাংলাদেশের কথা বলবো।আমি পৃথিবির অবহেলিত মানুষের পক্ষে ।জয় বাংলার প্রতিটি শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। ৭১-এর স্বাধীনতা রক্ষায় জিবন বাজী রেখে লড়াই করে যাবো।জিবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে ।জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ।

ক্লোন রাফা

আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।

ক্লোন রাফা › বিস্তারিত পোস্টঃ

দেয়ালের ছবি আর বই এর পাতায় আধিপত্য দেখে ! অথচ বন্দর আর কড়িডোরের অসম চুক্তিতে সব শিয়ালের এক রা॥

১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:১২


দেশ বিক্রির পরীক্ষিত ঠিকাদার....



দেয়ালের ছবি দেখলেই ভারতীয় আধিপত্য, আর বন্দর বেচে দিলে নীরবতা কেন?

দেয়ালে একটা ছবি আঁকা দেখলেই যাদের মুখে ফেনা উঠে যায় - "বাংলাদেশ ভারতের দখলে চলে গেল", "ভারতীয় আধিপত্যবাদ" - তারাই আবার অসম বাণিজ্য চুক্তির সময় মুখে কুলুপ আঁটে।

প্রশ্নটা সোজা:

ভারতীয় আধিপত্যের গল্প বিক্রি করা সহজ, কারণ ওটা আবেগের ব্যবসা। কিন্তু যখন নিয়ম-নীতির বাইরে গিয়ে, দেশের লাভজনক বন্দর, টার্মিনাল, করিডোর তুলে দেওয়া হয় বিদেশি কোম্পানির হাতে, যখন অসম চুক্তির আড়ালে দেশের স্বার্থ বিকিয়ে আনুগত্য কেনা হয় - তখন আপনাদের দেশপ্রেম কোথায় থাকে?

আধিপত্য যদি খারাপ হয়, তবে সব আধিপত্যই খারাপ।

শুধু ভারতীয় আধিপত্য নিয়ে চিৎকার করবেন, আর আমেরিকা বা অন্য কোনো শক্তির কাছে বন্দর বেচে দেওয়াকে "উন্নয়ন" আর "বিদেশি বিনিয়োগ" বলে চালিয়ে দেবেন - এই দ্বিচারিতা জনগণ বোঝে।

স্বাধীনতা মানে কারো আধিপত্য না মানা। ভারতেরও না, অন্য কারোও না। অসম চুক্তি আর গোপনে বন্দর বেচে দেওয়াটাও আধিপত্যবাদেরই আরেক রূপ। ওটা দেশপ্রেম নয়, ওটা আনুগত্যের দলিল।

দেয়ালের ছবি না, চুক্তির পাতা পড়ুন। আসল আধিপত্য ওখানেই লেখা থাকে।


আধিপত্য নিয়ে সিলেক্টিভ দেশপ্রেম কেন? প্রতিটি পয়েন্ট খোলাসা করা দরকার

দেয়ালের ছবি আর ভারতীয় আধিপত্যের জিকির:
একটা গ্রাফিতি, একটা পোস্টার, একটা সিনেমা দেখলেই একদল লোকের "ভারতীয় আধিপত্য" জেগে ওঠে। এটা সহজ রাজনীতি। আবেগ উস্কে দাও, ভিউ কামাও। কারণ ভারত-বিরোধিতা এই দেশে সবচেয়ে সস্তা জনপ্রিয়তা। কিন্তু এই আধিপত্যের আলাপটা তারা কখনো তথ্য দিয়ে করে না, করে শুধু ছবি দিয়ে।

অসম বাণিজ্য চুক্তির আড়ালে আনুগত্য:
আসল আধিপত্য লুকিয়ে থাকে চুক্তির ধারায়।
যখন ট্রানজিট-ট্রান্সশিপমেন্টের নামে একতরফা সুবিধা দেওয়া হয়,
যখন দেশের বাজারে বিদেশি পণ্য ডাম্পিং হয় আর আমাদের রপ্তানি আটকে থাকে,
যখন ঋণের নামে এমন শর্ত চাপিয়ে দেওয়া হয় যাতে দেশের নীতি-নির্ধারণই বিদেশিদের হাতে চলে যায়,
তখন সেটা কি আধিপত্য নয়? তখন কেন সবাই চুপ? কারণ ওই চুক্তির পেছনে "বিনিয়োগ" আর "উন্নয়ন সহযোগী"র তকমা লাগানো থাকে।

লাভজনক বন্দর যখন নিয়মের বাইরে বিদেশের হাতে:
এটা সবচেয়ে ভয়ংকর পয়েন্ট।
চট্টগ্রাম, মংলা, মাতারবাড়ির মতো স্পর্শকাতর ও লাভজনক বন্দর এবং টার্মিনাল যখন উন্মুক্ত টেন্ডার, সংসদীয় বিতর্ক, জন-শুনানি ছাড়া, নিয়ম ভেঙে ৩০-৫০ বছরের জন্য বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়া হয়, তখন সেটা শুধু ব্যবসা থাকে না, সেটা সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন হয়ে যায়।
বন্দর মানে দেশের ফুসফুস। ফুসফুস অন্যের হাতে দিয়ে আপনি স্বাধীন থাকবেন কীভাবে? দেয়ালের ছবিতে দেশ যায় না, দেশ যায় বন্দর গেলে।

এই নিশ্চুপ থাকার কারণ কী? - দ্বিচারিতা:
কারণটা পরিষ্কার। ভারতের বিরোধিতা করলে দেশপ্রেমিক সাজা যায়, কোনো খরচ নেই। কিন্তু আমেরিকা, ইউরোপ বা মধ্যপ্রাচ্যের কোনো শক্তির অন্যায় চুক্তির বিরোধিতা করলে "বিনিয়োগ চলে যাবে", "নিষেধাজ্ঞা আসবে" - এই ভয়। তাই এক আধিপত্য নিয়ে চিৎকার, আরেক আধিপত্যের সামনে মাথা নত। এটা দেশপ্রেম নয়, এটা সুবিধাবাদ। এটা আনুগত্যের রাজনীতি।

আমার অবস্থান স্পষ্ট:
আমি কোনো আধিপত্যই মানি না। ভারতীয় আধিপত্যও মানি না, মার্কিন বা অন্য কোনো দেশের কর্পোরেট আধিপত্যও মানি না।
রিকন্সিলিয়েশনের নামে যেমন ইন্ডেমনিটি মানি না, তেমনি উন্নয়নের নামে দেশ বিক্রিও মানি না।

দাবি:
ক. সকল অসম বাণিজ্য ও বন্দর সংক্রান্ত চুক্তি জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে।
খ. জাতীয় স্বার্থ জড়িত যেকোনো চুক্তি সংসদে বিতর্ক ছাড়া করা যাবে না।
গ. স্বাধীনতা বিরোধী এবং দেশের সম্পদ বিদেশের হাতে তুলে দেওয়ার সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

দেয়ালের ছবি মুছে যায়, কিন্তু চুক্তির দলিল ৫০ বছর দেশকে বেঁধে রাখে।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

রোবোট বলেছেন: গরম ভাতে বিলাই বেজার
সত্য কথায় টিজে বেজার

১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৩৬

ক্লোন রাফা বলেছেন: ⁉️ খায় না মাথায় দেয়!

২| ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৪৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সব দোষ শেখ হাসিনার ।

৩| ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:২০

হাসান রাজু বলেছেন: আমার অবস্থান স্পষ্ট: আমি কোনো আধিপত্যই মানি না। ভারতীয় আধিপত্যও মানি না, মার্কিন বা অন্য কোনো দেশের কর্পোরেট আধিপত্যও মানি না। রিকন্সিলিয়েশনের নামে যেমন ইন্ডেমনিটি মানি না, তেমনি উন্নয়নের নামে দেশ বিক্রিও মানি না।
সত্য কইতাছেন ? মনে হয় না । পুরো লেখা আপনার যারা ভারতীয় আধিপত্য নিয়ে কথা বলে তাদের বিরদ্ধে। শুধু কভার করতে একটু একটু মোলায়েম সুরে ভারতের নাম নিয়েছেন । বুঝা যায়। একটা জিনিস তো স্পষ্ট, ভারতীয় আধিপত্য নিয়ে যারা বলে তারা দেশ প্রেমি, কোন সন্দেহ নাই। কিন্তু ভারতীয় আধিপত্য নিয়ে বললে যারা এভাবে গোস্বা করে, তারা কোন এঙ্গেলে দেশ প্রেমিক?
দেশের বন্দর, টার্মিনাল, করিডোর একে একে যেদিন ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হল। ট্রানজিট ফি টা পর্যন্ত চাইতে শরমিন্দা হইলাম। তখন এমন একটা পোস্ট কি পোস্টাইছেন ? দেশ বেইচা দেশ প্রেম দেখাইলেন, আমরাও চুপ থাকলাম।

১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫২

ক্লোন রাফা বলেছেন: সেই একটা দেশ বিক্রির কাবিন নামা দেখাতে পারলেন না বিগত ২বছরের উপর। স্বয়ং শয়তানের দূত হাজির করেও ফলাফল একই।
উল্টো ভারতীয়রা যখন দুই’টা চুক্তি বাতিল করলো । তখন রপ্তানি গিয়ে ঠেকলো অর্ধেকে! ২৬ লক্ষের মিথ‍্যা বয়ান হাজির করা খুবই সহজ কাজ। বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া পাকিস্তানি জারেদের আজীবনের চিৎকার দেশ ভারত নিয়ে গেলো ।
অথচ ৫৬ বছর হইতে চলেছে বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটির দিকেও হাত বাড়াতে দেখিনি ভারত’কে‼️

কোন টার্মিনাল আর বন্দর ভারতের কাছে বন্ধক রাখছে! পাকিস্তানের জারজ আর রাজাকারের বাচ্চারা ৭১ সালের পুর্ব থেকে ভারত জুজুর অপরাজনীতির করছে। কারন শুধুই সস্তা রাজনীতি আর পাকিস্তানের প্রকৃত দালালি করা।
আপনার

৪| ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫

রাজীব নুর বলেছেন: পড়লাম।
সহমত।

৫| ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০

হাসান রাজু বলেছেন: বিগত ৫টি অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতির সরকারি পরিসংখ্যান (মার্কিন ডলারে):
• ২০২০-২১ অর্থবছর: ৭.৩১ বিলিয়ন ডলার
• ২০২১-২২ অর্থবছর: ১১.৭০ বিলিয়ন ডলার
• ২০২২-২৩ অর্থবছর: ৭.৭২ বিলিয়ন ডলার
• ২০২৩-২৪ অর্থবছর: ৭.৪৩১ বিলিয়ন ডলার
• ২০২৪-২৫ অর্থবছর: ৭.৮৬ বিলিয়ন ডলার
সর্বশেষ পরিস্থিতি (২০২৫-২৬ অর্থবছর):
দুই দেশের মধ্যকার মোট বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে বাংলাদেশ ভারতে রপ্তানি করেছে মাত্র ১.৮৯ বিলিয়ন ডলার। ফলস্বরূপ, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।ভারতকে পূর্ণাঙ্গ ট্রানজিট ও বাংলাদেশের প্রাপ্তি ( https://www.dw.com/bn) থেকে।
লিংকে বিস্তারিত আছে চুম্বকাংশ নিচে দিলাম -
* ২০১৮ সালে দুই দেশের মধ্যে এ দুই বন্দর ব্যবহার বিষয়ে এক চুক্তি স্বাক্ষর হয়। . . . . . .নীতি-নির্ধারকদের কেউ কেউ কোনো মাশুল না নেয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন৷
* নেপাল ও ভুটান যথাক্রমে ১৯৭৬ ও ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশের সাথে ট্রানজিট চুক্তি করেছিল৷ কিন্তু তা কাজ করেনি নানা প্রতিবন্ধকতায়৷
* প্রাপ্তির খাতাঃ এখন পর্যন্ত ভারতকে দেয়া ট্রানজিট-ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধার বিনিময়ে বাংলাদেশের প্রাপ্তির বিষয়টি সেভাবে দৃশ্যমান নয়৷ সে কারণেই একটা ধারণা বেশ জোরাল যে প্রায় একতরফাভাবে এসব সুবিধা দেয়া হয়েছে৷

নেন কাবিন নামা । কাবিন নামায় পাত্র পাত্রি ছবি চাইয়েন না। পাত্র বড় মাইনক্যা চিপায় পড়ছে। পরিস্থিতি হয়ত তারে ঘর জামাই হইতে বাধ্য করতে পারে। মাগার মাইয়া ফেরত আনার ইচ্ছা আমাদের নাই । :`>

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৪:২৭

ক্লোন রাফা বলেছেন: বানিজ‍্য ঘাটতি আর দেশ বিক্রি এক কথা । এই ছাগলের তথ‍্য উপাত্ত আমি জানতাম না!! ছাগু’রা যে ৫৬ বছরেও বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হয়নি এই কমেন্ট তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ। ইউরোপ আমেরিকা সবার সাথে আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি আছে। সেটা থাকা খুব অস্বাভাবিক না।এরা যা উৎপাদন করে তা আমাদের বাজারে অচল। কাজেই এটা থাকবেই।
ভারত থেকে এমন কোনো পণ্য নেই যা আমরা আমদানি করিনা। অথচ রপ্তানি হয় অল্প কিছু পণ্য। এই একটা কারনই যথেষ্ট বানিজ্য ঘাটতির জন‍্য।
আমাদের রপ্তানি পণ্যের ভেরিয়েশন নাই , সেটা আমাদের ব‍্যর্থতা। প্রত‍্যেকটি দেশ নিজেদের দেশের পক্ষে কাজ করবে এটাই স্বাভাবিক।
এইবার প্রথম বাংলাদেশের ইতিহাসে দেখলাম আমেরিকা ফার্স্ট নিতী । এই পাকিস্তানি পাঠারা আর কবে বুঝবে এই সহজ সমিকরনটা!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.