নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমাদের কথা বলতে এসেছি। আমি বাংলাদেশের কথা বলবো।আমি পৃথিবির অবহেলিত মানুষের পক্ষে ।জয় বাংলার প্রতিটি শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। ৭১-এর স্বাধীনতা রক্ষায় জিবন বাজী রেখে লড়াই করে যাবো।জিবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে ।জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ।

ক্লোন রাফা

আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।

ক্লোন রাফা › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিএনপি’কে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল বলার কোনো কারণ নাই!!

২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৩



জাতীয় সন্মাননা কি কোনো গোপন বিষয় । একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা’কে গার্ড অফ অনার দিতে এত অনীহা কেনো বর্তমান সরকারের ‼️

আজ বারবার আমার গোআ’র কুপুত্রের একটি কথা মনে পড়ছে । সে বলেছিলো একক শক্তিতে বিএনপি জিবনও ক্ষমতায় আসতে পারে নাই । ভবিষ্যতেও কখনো তারা রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় যাওয়ার সক্ষমতা রাখে না । ৭৫-এর পর থেকে জামাতের সাথে আতাত অথবা চুক্তি করে বিএনপি সরকার গঠন করছে। এর কোনো ব‍্যাত্বয় ঘটেনি আজ পর্যন্ত । যতবার তারা জামাত’কে দুরে রাখার চেষ্টা করেছে । ঠিক ততবারই শোচনীয় পরাজয় ঘটেছে!
এই ঔদ্ধত্যের কোনো জবাব দেয়নি , বিএনপির টপ টু বটম কোনো নেতা বা কর্মী ‼️এর অর্থ তাদের মৌনতা প্রমান করে বিএনপি জামাতের বি টিম/ অর্থাৎ জামাতের মুক্তিযুদ্ধা শাখা হচ্ছে বিএনপি ।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পসারি (মানিক পশারী) পিরোজপুরের একজন গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।

জীবন সংক্ষেপ:

বাড়ি: পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামের ৪ নং ওয়ার্ড। বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।
মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা: ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন এবং পরে সরকারি গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পান।

ইতিহাসে পরিচিতি: ২০০৯ সালের ১২ আগস্ট তিনি পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে পিরোজপুর থানায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা করেন।

পরে এই মামলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যুক্ত হয়। এই মামলায় তিনি ছিলেন বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম প্রধান সাক্ষী।

২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় ট্রাইব্যুনাল সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ড দেন, পরে ২০১৪ সালে আপিল বিভাগ তা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড করেন। কারাবন্দি অবস্থায় ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট সাঈদী মারা যান।

শেষ জীবন: পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি নিরাপত্তার কারণে পলাতক ছিলেন এবং গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মেয়ের জামাতা ফারুক হোসেনের বাড়িতে আশ্রয় নেন। গত ২ মাস ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন।

মৃত্যু ও দাফন বিতর্ক: গত শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৪ (রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২৬ সালের ২৪ অক্টোবর হিসেবেও প্রকাশিত) সকাল ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় তাঁর মৃত্যু হয়।

মরদেহ পিরোজপুরে আনা হলে গার্ড অব অনার ও দাফন নিয়ে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়।

পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় জামায়াত নেতারা "মানিক পশারী ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা, তাকে গার্ড অব অনার দিতে দেওয়া হবে না, পিরোজপুরের মাটিতে দাফন করতে দেওয়া হবে না" বলে বাধা দেন।
প্রায় ৭ ঘণ্টা অপেক্ষার পর পিরোজপুর পুলিশ লাইনের ভেতরে গোপনে তাঁকে রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
পরে গভীর রাতে, রাত ১টা-২টার দিকে পুলিশ পাহারায় পরিবারের সদস্যরাই — স্ত্রী, মেয়ে ও বোন — নিজেরা কবর খুঁড়ে তাঁকে দাফন করেন। মেয়ে সীমু আক্তার বলেন, "কিছু মানুষ এসে কবর ভরাট করে ফেলে, পরে ফুফুদের নিয়ে আমি নতুন কবর খুঁড়ি।"

পুলিশ জানিয়েছে, পুলিশের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্যে দাফন সম্পন্ন হয়েছে এবং কবরের পাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বিএনপি বারবার সফলতার সাথে প্রমাণ করেছে। তাদের শাসনামলে মুক্তিযোদ্ধারা নির্যাতিত, নিপীড়িত, নিগৃহীত, অপমানিত , লাঞ্ছিত এবং হত্যার শিকার হয়েছে রাজাকারের হাতে । ২০০১ থেকে ২০০৬ এটা চরম পর্যায়ে পৌঁছায় । ২০২৪-এর ৫ই আগস্টের পর তারই পুনরাবৃত্তি ঘটছে।
ধিক্কার জানাই মুক্তিযুদ্ধের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে সরকার গঠন করে । মুক্তিযোদ্ধাদের করা হোচ্ছে চরম অপমান । শুধু এটুকুই বলবো প্রতিটি ক্রিয়ার বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে । ভবিষ্যতে এর প্রতিটি ঘটনা নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে ইংশাআল্লাহ্....।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ॥

মন্তব্য ০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.