নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভালবাসার যৌথখামার

অভিলাসী মন চন্দ্রে না পাক, জোছনায় পাক সামান্য ঠাই

প্রজন্ম৮৬

প্রয়োজনে মেইল করুন [email protected] । অথবা ফেসবুকে আসুন https://www.facebook.com/projonmo.chiyashi আমি একজন দর্শক মাত্র।কিছু দেখলে বাকি সবাই কে দেখাতে ইচ্ছে জাগে তাই ব্লগ লেখার ইচ্ছা

প্রজন্ম৮৬ › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রথম বিমানভ্রমনের জবানবন্দি ( সত্য ঘটনা )

০৮ ই মে, ২০১১ রাত ৯:৪৮

আমি নিজেকে একজন ভাল দর্শক বলেই মনে করি।আমার বহু প্রতিক্ষিত প্রথম বিমান ভ্রমনের অর্ধেকটা মানে,শুধু ঢাকা-দুবাই যাওয়ার অংশটুকু'র বর্ণনা করবো।ভয়াবহ কষ্টের দীর্ঘ বর্ণনা তবে যাহা বলেছি সত্য বলেছি,আমার বিশ্বাস অন্য কেউ আপনাকে এই সত্য কথাগুলো লজ্জায় বলিবে না।





পরদিন সকাল ১০টায় জীবনের প্রথম গ্ল্যামারাস বিমান ভ্রমন করবো, এই উত্তেজনায় সারারাত ঘুম আসে নাই।



সকালে বিমান বন্দরটাও অন্য সব সময়ের মত ছিল না। বাসার কাছে'র বিমানবন্দরে পৌছেই ভেতরে ঢুকে গেলাম।ইমিগ্রেশনের অফিসার ঝামেলা করলো যে ওয়ান ওয়ে টিকেট কেন।আমি ওদেরকে আইনের ব্যাখ্যা দিলাম কিন্তু ফলাফল অনেকক্ষন ধরে প্যাচালো, আর সত্যি কথা আমি বুঝিই নাই যে ওরা টাকা চাচ্ছে। পরে যখন এমিরেটসের কেবিন ক্রু দের চিফ মহিলা পুলিশ অফিসারকে জিজ্ঞেস করলো যে, এই যাত্রীকে রেখে চলে যাব কি না? তখন বেশ উঁচু গলায় একটা ধমক বের হয়ে গেল যে, আমার টিকেট টাকা আছে,আমি তোমার সামনে দাড়ানো,আমার ফ্লাইট ক্যানসেল হলে আমি এর জন্য চুড়ান্ত ঝামেলা করবো।



পরে এক বড় অফিসার এগিয়ে আসলে তাকে জানাই যে, আমি স্টুডেন্ট এবং আগামী ১ বছরে দেশে ফিরবো না সুতরাং আমার রিটার্ন টিকেট কেনার কোন প্রয়োজন নাই। লোকটা আমাকে কিছু না বলে শুধু মহিলা অফিসারটাকে বললো, আপনি ফারদার আর এমন কাজ করবেন না!



হাসিমুখে প্লেনে উঠলাম, কিন্তু ঐ বদ্জাত মহিলার কারনে শুরুটা খুবই খারাপ হলো।আর মর্নিং শো'স দ্যা ডে।







বিশালাকায় এমিরেটস বিমানে আমার সিট পড়লো মাঝের সাড়ি'র ৪ জনের সিটগুলোরও মাঝে।খুবই বিশৃঙ্ক্ষল পরিস্থিতি।বাচ্চা কয়েকটা কান্না শুরু করছে, এক ভদ্রলোক উঁচু গলায় বলে চলছে, আই কিচ্চি,আই কিচ্চি! আমার মাথার উপর কম্পার্টমেন্টে ব্যাগ রাখতে যাবো হঠাৎ চোরের মত মোচওয়ালা একলোক ক্ষিপ্রগতিতে ওনার হাত দিয়ে "ক্রস" টাইপের চিন্হ বানিয়ে বললো, এই জায়াগার মাল আসতেছে।আরেক হাতে ও কোন এক ধরনের প্লাস্টিকের বস্তায় ডিব্বা জাতীয় কিছু একটা দ্রুততার সাথে কম্পার্টমেন্টে রাখতে যেয়ে আমার মাথায় লাগিয়ে দিল। মেজাজটা চুড়ান্ত খারাপ হয়ে গেল,কোন কথা না বলেই ধাপ করে ওর কলারটা ধরলাম সাথে সাথে আমার পাশের সিটের লোকটা উঠে ঐ লোকটাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল আর ওর বস্তাও নিচে ফেলে দিল। আমার পাশের সিটের লোকের এই আচরনে কিছুটা শান্ত হয়ে বসে পড়লাম।ঐ মোচওয়ালা একটা কথাও না বাড়িয়ে কই যেন চলে গেল।



কয়েকজন হুজুরটাইপের লোক অতিরিক্ত মাল নিয়ে দাঁত কেলিয়ে দাড়িয়ে আছে,রাখার জায়গা নেই।সানগ্লাস পড়া কতগুলো ছেলে কম্বল খুজতেছে।এক মহিলা সিটে আসতে পারতেছে না কারন সামনের প্যাসেজটাতে ভীড়।কয়েকজন মোবাইলে আখেরী বিদায় ভাষন শুরু করছে।পেছনের সারি থেকে এক মহিলা সামনের সারিতে বসা কাউকে ডেকে চলছে কিন্তু কোন সাড়া নাই,মহিলাও দমে যাচ্ছে না।



পুরো বিমানে হৈচৈ হচ্ছে, কেবিন ক্রু'রা সদ্যে শেখা বাংলায় বোসো বোসো বলে যাত্রিদের ধমকাচ্ছে আর আমি বেল্ট কিভাবে লাগাবো বুজতে পারতেছি না :|



বুঝলাম যে, চোখ বন্ধ করে পড়ে থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ :P

পরে এক এয়ারহোস্টেজ এসে লাগিয়ে দিয়ে গেল কোমরের বেল্ট আর আমি চোখ বন্ধ করেই পড়ে থাকলাম।



টেক অফ :

প্লেন উড়বে, আমি প্রথম মাটি থেকে উপড়ে উড়বো এই মুহুর্তের জন্য শৈশব থেকেই অপেক্ষা করে এসেছি।কিন্তু টেক অফের আগেই মজা নষ্ট হয়ে গেল।



কারন:



হঠাৎ করেই নিরব হয়ে গেল চারদিক, চোখের সামনে যত টিভি পর্দা সবগুলো থেকেই একসাথে নিরাপত্তাবাণী দেয়া শুরু হলো আবার কেবিন ক্রু'রাও মুকাভিনয় করে দেখানো শুরু করলো যে, অক্সিজেনের সমস্যা হলে কি করতে হবে এমনকি নিজের শিশু বাচ্চার আগে নিজের জান বাঁচাতে হবে, প্লেন যদি জরুরী ল্যান্ড করে কিভাবে হাত-পা মুড়ে বসতে হবে, সাগরে পড়লে কোন দরজা দিয়ে বের হতে হবে :-*



এমন অলক্ষী টাইপ কথা শুনলে কারোই মুড ঠিক থাকে না। সবাই অন্যমনস্ক হয়ে পড়লো।আমার পাশের যাত্রী দুরুদ পড়া শুরু করলো।প্লেনটাও একটু নড়ে উঠার পর কুকুরের আওয়াজের মত ঘ্যাচ ঘ্যাচ করে উঠে, আর আকাশা উড়ার আগে নিশ্চুপ প্লেনটা অনেক সময় নেয়াতে সাবধান বাণীগুলো মাথায় এফেক্ট ফেলে।



উড়ার আগে প্লেন অস্বাভাবিক গতিতে ছুটে।আপনি টের পাবেন যে জীবনে এত গতিতে আগে কোনদিন অভিজ্ঞতা হয় নাই।সব কিছু মিলিয়ে কেমন যেন একটা চুড়ান্ত মুহুর্তের স্তব্ধতা! তখনই আমার খুব ইচ্ছা হলো, প্লেন থেকে নেমে যাই /:) আর প্লেনটা যখন মাটি ত্যাগ করে তখন পেছন দিকটা এত নিচু হয়ে যায় যে মনে হয় লেজটা মাটিতে লেগে গেলে?

বুঝেনই তো , আতংকিত মন ফ্যান্টাসি আক্রান্ত!






আকাশে :



আমিতো বাইরের কিছুই দেখতে পাচ্ছি না শুধু আকাশ দেখা যাচ্ছে।কিন্তু হঠাৎ করেই দেখলাম যখন প্লেনটা বাঁ দিকে পুরো কাত হয়ে গেল।প্লেন যখন কাৎ হয় তখন মনে শংকা জাগে, এই কাত হওয়া যদি না থামে? এটা যদি এমন কাৎ হতেই থাকে? তাই কাৎ হওয়া প্লেনের জানালা দিয়ে যখন নিচের দৃশ্য দেখলাম তখন ভাল লাগার বদলে, বুকটা ফেটে গেল ঐ মাটিতে নামার জন্য!/:)



তবে যখন কিছুটা উপরে উঠে যায় তখন চুড়ান্ত ভয় থেকে একটা সাহস জন্ম নেয়। যা হবার হবে আমার আর কিছুই করার নেই ভাবটা এসে মনকে একটু হাল্কা করে ফেলে।



কিন্তু বেশিক্ষন না, বাংলার আকাশের ভারী মেঘগুলো ভেদ করে উঠার সময় প্লেনটা যখন ট্রেনের মত একটু ঝাকি দেয় তখন পাশের যাত্রীর গলার ভেতর থেকে স্বশব্দে দুরুদ ঠেলে উঠে আর ঐ আতংকে আপনার মাঝেও সংক্রমন হতে পারে।



তবে, এরপরই শুরু বিনোদন,প্লেনটা বোধহয় টাঙ্গাইলও পার হয় নাই তখনই আমার প্রথম যাত্রায় আমার বাঁ পাশে বসা যাত্রী খাবারের জন্য অস্থির হয়ে গেল।ভদ্রলোক ফুড ফুড বলে এয়ারহোস্টেসকে বেশ গরম চোখ দেখালো। ডান দিকের যাত্রী বলে, ভাই কি শুরু করছেন?

বাঁ দিকের লোক বলে, আরে এরা খুব খারাপ এখন না বললে পরে আরো দেরী করবে।



বুঝলাম এরা নিয়মিত যাত্রী।



আকাশে প্লেনের ভেতরের বিনোদন :



ভয়ে আতংকে আর এমন বিনোদন দেখে মনটা চুড়ান্ত ভোঁতা হয়ে যায়।বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়া ফ্লাইটগুলোও হয় একটু চুপচাপ বিষন্ন সবার মন।



তবে আমার পাশের সিটের লোক দেখলাম খাবার নিয়ে খুবই চিন্তিত।মনে হয় অতীতে তাগাদা না দেয়ার কারনে কোন এক ফ্লাইটে ওনার খাবার মিস হয়ে গেছিল। পাশে দিয়ে কোন এয়ারহোস্টেস গেলেই তিনি গায়ে হাত দিয়ে দৃষ্টি আকর্ষন করে আর হাতের ঘড়ি উঁচু করে ধরে ঘড়িতে আঙ্গুল দিয়ে বাড়ি দিয়ে কি যেন ইশারা করে। :|



এয়ারহোস্টেজদের সম্পর্কে অনেক কথাই শুনা যায় তবে আমি প্রথম ফ্লাইটে যাদের দেখলাম তাদের সবাইকেই প্রাণরসহীন এবং বয়স্ক মহিলা মনে হচ্ছিল। বাঙ্গালদের ফ্লাইট বলে কি না জানি না তারাও দেখলাম সার্ভিসের ব্যাপারে অনাগ্রহী শুধু দেখলাম বিভ্রান্তের মত দৃষ্টি নিয়ে এদিক সেদিক ছুটতেছে কিন্তু কারোই চাহিদা পুরন করতে পারতেছে না কারন সবাই একসাথে কিছু না কিছু আব্দার করতেছে।সানগ্লাস পরা যুবকগুলো সিটের উপর হাটুতে ভর করে মাথা উঁচু করে ওদের দেখতেছে আর আমার সিটের ৩ জন যাত্রীই ওদের বেয়াদবী নিয়ে উচ্চকন্ঠ!



আর আমার তো প্রথম যাত্রা তাই আমার জন্য সবকিছুই অপরিচিত এবং আতংকজনক লাগছিল।এরই মাঝে তলপেটে নিন্মচাঁপ!

ভয়ে ভয়ে টয়লেটের সামনে গেলাম, কিন্তু দরজা খুলতে পারতেছিনা , এই পরিস্থিতিতে একজন পুরুষ কেবিন ক্রু এগিয়ে আসুক চাইছিলাম কিন্তু দেখি এক এয়ারহোস্টেজ আসতেছে।একবার ভাবলাম, হাসিমুখে কেটে পড়ি,আবার ভাবলাম, নিজের শরীরের ভালমন্দ আমি না দেখলে কে দেখবে?



টয়লেটে দেখি কমোড একদম শুকনা,একটু বিভ্রান্ত হলাম কারন কারো যদি বড় বাথরুম চাঁপে তাহলে ঘটনা পরবর্তী চিন্তায় প্রথম যাত্রায় ওখানে কিছু করা সম্ভব না । যাই হোক, নিন্মচাঁপ মুক্ত হবার পর ফ্লাস করার পর এক বিকট অভিজ্ঞতা! শোঁ শোঁ করে এমন এক আওয়াজ হলো, মনে হলো,ঐ বোতাম চাঁপ দিয়ে আমি প্লেন ফুটো করে ফেলছি।খুবই বিব্রত হলাম।কোন মতে বের হয়ে আসলাম কিন্তু তাড়াহুড়োয় দরজা লাগাই নাই,পরে দেখি সেই এয়ারহোস্টেজ আবার ঐদিকে যাচ্ছে।আমি তাড়াতারি সিটে এসে বসলাম।



এরই মধ্যে প্লেন হঠাৎ করেই লিফটের মত নিচের দিকে নেমে যাচ্ছিল, ভাগ্য ভাল এক বন্ধু আগেই এয়ার পকেট নিয়ে আলোচনা করেছিল কিন্তু তবুও ঐ পকেটে যখন পড়ে প্রথম চিন্তাই আসে, এই পতন যদি না থামে?

আর পতন যত দ্রুত টের পাওয়া যায় এই পতন বন্ধ হওয়া টের পেতে তার চেয়ে বেশী সময় লাগে।



সবচেয়ে কষ্টের বিষয় এমন আতঙ্কের মাঝে সিগারেট টানতে পারলে একটু শান্তি পেতাম কিন্তু কোন উপায় নাই।নিকোটিনহীন দেহের সাথে এমন বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা আর সারাক্ষন কানে তালা লাগা এবং খোলা সব মিলিয়ে নিজেকে ক্যামন যেন এলিয়েন এলিয়েন ফিল হচ্ছিল।



এর মাঝে মাঝেই আবার ট্রেনের মত ঝাঁকি। প্লেন মানেই বাতাসে চলে মানে পুরো স্মুদ হবে তাই না? এর মাঝে ঝাঁকি লাগলে মনে খারাপ চিন্তা ছাড়া ভালটা আসবেই বা কেন? তাও প্রথম ভ্রমনের যাত্রী'র মনে?



এরই মাঝে আমি দুঃখে ও কষ্টে চোখ বন্ধ করে ঘুমানোর চেষ্টা করলাম।মাঝে একবার খাবারের জন্য ডাক শুনলাম কিন্তু নো বলেই ঘুম চালিয়ে গেলাম।





ল্যান্ডিং :



আবার আমার বেল্ট লাগিয়ে দিয়ে গেল এয়ারহোস্টেজ যদিও আমি এর মাঝে বের করে ফেলেছি কিভাবে বেল্ট লাগায়।এনাউন্স হলো, ল্যান্ড হবে।



প্লেন আস্তে আস্তে নীচে নামছে, আমিও খুশী যে একটু পরই সার্কাস থেকে মুক্তি,নেমেই সিগারেট টানতে পারবো।কিন্তু প্লেন যতই নীচে নামে,কিসের জন্য যেন আতঙ্ক বাড়তে থাকে।একদম নীচে নামার পর, মনটা অপেক্ষা করে চাকা মাটিতে স্পর্ষ করবে কখন, কিন্তু চাক্কা মাটিতে লাগছে না।মনে হলো, চাঁকা ফেঁসে গেল কি? কিন্তু তখনই ধুম করে চাকা একটু রানওয়ে ছুয়ে দিয়ে আবার উপরে উঠে যায়,মনে হয় প্লেনটা বোধহয় ছিটকে গেল,পাশের সিটের লোক উচ্চস্বরে লা ইলাহা......আমারও হাত সিটের হাতল খাঁমচে ধরে আর তখনই আবার রানওয়ে টাচ করে।সেকেন্ডের মধ্যেই প্লেন অত্যন্ত দ্রুততার সাথে মাটিতে (প্রায় ৩৫০ কিঃমিঃ গতি) এবং ডানাগুলো থেকে ভয়বহ বিকট আওয়াজ বের হয়। তখন মনে হয় তীরে এসে তরী ডুবলো?







কিন্তু সব কিছুর পর যখন প্লেনটা থামে।তখন নিজের তো বটেই আশেপাশে সবার চেহারায় ছড়িয়ে পড়ে একটা স্বর্গীয় খুশীর আভা। প্লেন মাটি ছোবার সাথে সাথে কিছু দাড়িওয়ালা লোক দাড়িয়ে যায়,শব্দ করে বাক্স-পেটরা নামানো শুরু করে কিন্তু কেবিন ক্রু'রা আবার শুরু করে চিৎকার "বোসো বোসো"।

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই মে, ২০১১ রাত ১০:০১

বংশী নদীর পাড়ে বলেছেন: প্রথম অভিজ্ঞতা খুব সুন্দর করে বর্ণনা করেছে। হা ভাই এরকম অভিজ্ঞতা আমারও একদিন হয়েছিল। অনেক বার যাতায়াতের ফলে এখন এসব কিছু মনে হয়না। তবে এবার ঢাকা থেকে দুবাই ফেরার পথে মেজাজটা খুব খাবাপ ছিল তাই এই পোস্টটা দিয়েছিলাম দুবাই ফিরেই।

০৮ ই মে, ২০১১ রাত ১০:০৭

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: প্রথম অভিজ্ঞতা আর সব মিলিয়েই দিনটা আমার ছিল না। কিন্তু পরে যখন সুবিধাগুলো ব্যাবহার করা শিখলাম যেমন জানালার পাশে সিট নেয়া, তখন থেকে অনেক অসাধারন জীবনের অন্যতম ভাল কিছু অভিজ্ঞতাও হয়েছে।কিন্তু বিমানে যে আতংক পরতে পরতে ছড়িয়ে এটা কোনদিন মুছার নয়।

তবে, মধ্যপ্রাচ্য-ঢাকা যাত্রা কখনোই ভাল হয় নাই। ওসব নিয়েও লেখবো পরে।

আপনার পোস্টে যাচ্ছি।ধন্যবাদ।

২| ০৮ ই মে, ২০১১ রাত ১০:২৮

মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: খুব সুন্দর করে লিখেছেন আপনার প্রথম দুবাই যাওয়ার অভিজ্ঞতা। যদিও আমি আমার দু'বার ঢাকা-দুবাই ফ্লাইটে খুব বেশী খারাপ অভিজ্ঞতার সম্মুক্ষিন হইনি।

বরং প্রথম যাত্রায় আমি মজার একটা অভিজ্ঞতা পেয়েছিলাম। চেক ইনে আমার টিকেট নিয়ে মহিলা বোর্ডিং পাস দেয়ার সময় বলে, "স্যার আপনাকে বিজনেস ক্লাসে আপগ্রেড করা হয়েছে" :-B :-B :-B ইকোনোমি ক্লাসের টিকেট দিয়া বিজনেস ক্লাস !! সেইরকম পুলকিত হইছিলাম !! আর প্লেনটাও ছিল নতুন, তাই বিজনেস ক্লাসটাও ছিল ফাটাফাটি ! দুই সিটের মাঝের স্পেস এতো বেশী যে পুরো শুয়ে পড়া যায়...

ওই টিকেটে যখন ফিরছিলাম, তখনো একই ঘটনা। ইমিগ্রেশন শেষ করে যখন প্লেনে উঠতে যাব, সেখানে অফিসার আমার বোর্ডি কার্ডে ইকোনোমি ক্লাসের সিট নম্বর কেটে দিয়ে বিজনেস ক্লাসের একটা নাম্বার বসিয়ে দিল। আবারো টাসকিত হইলাম, চিন্তা করলাম ঘটনা টা কি?? :-B :-B :-B তবে এই প্লেনটা ছিল পুরনো, বিজনেস ক্লাসটাও ছিল খুব সাদামাটা।

আমাকে এজেন্সি টিকেটটি ইউকে থেকে অনেক বেশী টাকায় কেটে পাঠিয়েছিল, আমার ধারনা রহস্যটা ওখানেই ছিল। আর সে কারণেই শুধু ঢাকা-দুবাই অংশটা ওরা বিজনেস ক্লাসে আপগ্রেড করে দিয়েছিল :-B :-B :-B :-B :-B

তবে আপনি যে ধরনের অভিজ্ঞতা বললেন, সেটা আমি পেয়েছিলাম একবার মালয়শিয়া যেতে। এক শ্রমিক যাচ্ছে মালদ্বিপে, সেই ব্যাটা ফ্রি পেয়ে সমানে মদ খেয়ে যাচ্ছিল, প্লেনের সিটে পা তুলে বসে... যাচ্ছে তাই অবস্থা মনে হচ্চিল... X((

০৮ ই মে, ২০১১ রাত ১০:৩৮

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: আপনার বেলাতেও মর্নিং পুরো ডে দেখিয়েছে।বিজনেস ক্লাসে ভ্রমন করলে পুরো বিষয়টাই বদলে যায়।
ইকোনমি ক্লাসের অবস্থা বুঝতে শুধু ইকোনমিতেই বুঝা সম্ভব :) ঢাকা-মিডল ইস্টের যেকোন ফ্লাইট ইকোনমি ক্লাসে হরিবল!!!

আমি একটুও বাড়িয়ে লেখি নাই।বরং পান এবং ঝগড়া আর মাতাল হয়ে ঘুমিয়ে গায়ের উপর পরা বাদ দিয়েছি ;)
তবে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি, এখন একটু কমই গায়ে লাগে!

৩| ০৮ ই মে, ২০১১ রাত ১০:৩১

অনিরূদ্ধ বলেছেন:
এমনভাবে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে বর্ণনা করলেন মনে হলো কোনও হন্টেড হাউজ ভিজিট করতে গিয়েছিলেন তার বর্ণনা! B:-)

এই পোস্ট পড়ে আর কেউ যাক না যাক, আমি জীবনেও প্লেনে চড়তে যাবোনা! :(

০৮ ই মে, ২০১১ রাত ১০:৪২

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: ভাই বিশ্বাস করেন প্রথম যাত্রাটা এর চেয়ে ভাল হবার সম্ভাবনা কম।
যাত্রীদের ঝামেলার সাথে প্লেনের ঝাকি এবং শুন্যে অবস্থানের আতংক প্রবলভাবেই থাকে।আপনি প্রথম যাত্রা করে এসেছে এমন কাউকে জিজ্ঞেস করে দেখুন, বিশদ ব্যাখ্যায় যাবে না কখনো ;)

দেখবেন, সবাই প্লেনে উঠতে চায় কিন্তু একবার ভ্রমনের পর নিরাসক্ত হয়ে যায় :#)

তবে নিয়মিত হবার পর ভাল লাগাটাও কম না। আগামীতে ভাল লাগা নিয়ে লিখবো ;)

৪| ০৮ ই মে, ২০১১ রাত ১০:৪২

মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: আমার কিন্তু আবার বিমান ভ্রমনের অভিজ্ঞতা খুব সীমিত, দ্বিতীয়বার যখন যাই তখন দুই পথেই ইকোনমি ক্লাসে ভ্রমন করেছিলাম, তবে প্রতিবেশীগুলো বোধহয় অতটা উৎকট ছিল না !! :D

০৮ ই মে, ২০১১ রাত ১০:৪৭

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: আমার যাত্রীরাশি খারাপ,একবার পাশের সিটের লোক আরব সাগরের উপর, মুর্গী পোলাওয়ের সাথে ৩-৪টা বিয়ার খেয়ে আমার উপর ঢলে পড়ছিল,আমি কুনুই দিয়ে গুতা দেয়ার পর ঘুম থেকে উঠে অপরপাশের লোকের সাথে ঝগড়া লাগিয়ে দেয়।তখন আমিই আবার বলি যে, বিমানে এমন করলে এয়ারহোস্টেজরা কি বলবে? তখন সে একটু শান্ত হয় :)

৫| ০৯ ই মে, ২০১১ রাত ২:১১

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: ভাবছিলাম এত কমন বিষয়ে অনেকই আলোচনা করবে কিন্তু মাত্র ৩ জন ভাই কিছু বললো।

লেখাটার বিশাল সাইজই কি সব দোষের মুল? :||

৬| ০৯ ই মে, ২০১১ রাত ৩:৪১

মেঘের দেশে বলেছেন: হা হা হা মজা পাইলাম তবে সব সত্য।

আমি যখন প্রথম আসি তখন বুঝছি ঢাকা-মিডলইষ্ট জার্নি কি জিনিস। তবে মিডলইষ্টের পরের জার্নিটা ভালো।
আমার পাশের সিটের যাত্রিতো রীতিমতো ঝগড়া লাগায় দিছিলো খাবার পছন্দ হয় নাই দেইখা :( :( আর সীটের উপর পা তুইলা গেজানো , উচা গলায় কথা বলার টা আর কি কমু। প্লেনের মানুষজনও জানে এইসব তাই আমার মনে হয় ওরা কোনো রকমে জার্নি শেষ করতে পারলে বাচে =p~ =p~ =p~ =p~

০৯ ই মে, ২০১১ রাত ৩:৪৯

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: যাত্রীদের কথা আর বলতে, তবে প্লেন নিজেও কিন্তু কম বিরক্ত করে নাই!

আকাশে ট্রেনের মত ঝাঁকি আর নিয়মিত এয়ার পকেটের মুহুর্তের আতংক তো থাকেই আর প্লেনের পাখার পাশে বসে যখন পাখার নাটবল্টু'র দিকে চোখ যায়??? ;)

৭| ০৯ ই মে, ২০১১ রাত ৩:৫৭

মেঘের দেশে বলেছেন: তাও ভালো........................। বাংলাদেশ বিমানে তো অবস্হা আরো খারাপ , ক্যাচ ক্যাচ করে নাকি মাঝে মাঝে ;) ;) ;) ;)

০৯ ই মে, ২০১১ দুপুর ১:৩৬

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: বিমান বাংলাদেশে নাকি নিয়মিত যাত্রী বিদ্রোহ হয় :)

৮| ০৯ ই মে, ২০১১ ভোর ৪:১৬

সাইফুল্লাহ িজপসী বলেছেন: কিযে কন ভাই,এত কিছু খেয়াল করেছেন অ্রাপনি?
আমিতো ঘুম থেইকা উইঠ্ঠা দেখি যাত্রা শেষ ।
লেডী এয়ার হোষ্টসরা আমার মাথায় তাদের নরম অ্রাঙ্গুল দিয়ে বুলিয়ে দিচ্ছে ।

০৯ ই মে, ২০১১ দুপুর ১:৩৭

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: জানের উপর দিয়ে গেছে তো তাই খেয়াল না করে উপায় আছে? ;)

৯| ০৯ ই মে, ২০১১ ভোর ৫:৪৩

মেঘের দেশে বলেছেন: সাইফুল্লাহ িজপসী বলেছন:লেডী এয়ার হোষ্টসরা আমার মাথায় তাদের নরম অ্রাঙ্গুল দিয়ে বুলিয়ে দিচ্ছে ।
=p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~

১০| ০৯ ই মে, ২০১১ সকাল ৮:৩৩

সূর্য বলেছেন: একেবারে খাপে খাপ বর্ননা দিছেন ভাই। আমার আরো করুণ সব অভিজ্ঞতা আছে। সময়ের অভাবে শেয়ার করতে পারলাম না।

০৯ ই মে, ২০১১ দুপুর ১:৪৬

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: :) খুব বেশী নাড়া দিছিল তো তাই খুব খেয়াল করছিলাম।
সময় পাইলে আপনার অভিজ্ঞতাও শেয়ার কইরেন।

১১| ০৯ ই মে, ২০১১ সকাল ১০:০৭

সাইবার অভিযত্রী বলেছেন: একেবারে খাপে খাপ বর্ননা দিছেন ভাই।

০৯ ই মে, ২০১১ দুপুর ১:৪৮

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ভাই।

১২| ০৯ ই মে, ২০১১ সকাল ১০:২০

অর্ফিয়াস বলেছেন: একেবারে সেইম অভিজ্ঞতা হয়েছিলো আমার। আমি ও আমার বস যাচ্ছিলাম চিটাগং। জিএমজির প্লেন এ চড়ে এর আকার দেখে একবার ঝেড়ে দৌড় লাগাতে চেয়েছিলাম লাগাইনি বসের ভয়ে।

০৯ ই মে, ২০১১ দুপুর ১:৫৫

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: ছোট প্লেনগুলো'র বিষয়ে আসলেই সিদ্ধান্তে আসা উচিত।এগুলা সারাক্ষনই কাঁপে।হয়তো কিছু হয় না কিন্তু হৃদযন্ত্রের উপর দিয়ে যেই ঝড়টা যায় ঐটা তো কম না ।
আমি ছোটগুলোতে উঠার পর থেকে বড় বিমানে একটু স্বস্তি পাই।

১৩| ০৯ ই মে, ২০১১ সকাল ১০:৩৭

শায়েরী বলেছেন: Sundor kore likhechen..moza pelama

০৯ ই মে, ২০১১ দুপুর ১:৫৩

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

১৪| ০৯ ই মে, ২০১১ সকাল ১০:৩৮

শায়েরী বলেছেন: Sundor kore likhechen..moza pelam

১৫| ০৯ ই মে, ২০১১ সকাল ১১:২৯

হেডস্যার বলেছেন:
হা হা হা হা, অসাধারন বর্ননা। খুবই মজা পাইলাম।

আইচ্ছা এয়ার পকেট কি ! :!>

০৯ ই মে, ২০১১ দুপুর ১:৪৪

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: ধন্যবাদ। এয়ার পকেট বাতাসের অস্বাভাবিক চাপ সংক্রান্ত বিষয়(বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা জানি না)।

প্লেন ঐ জায়গায় গেলে হঠাৎ লিফটের মত নিচের দিকে নেমে যায় :|

১৬| ০৯ ই মে, ২০১১ রাত ১০:৫০

মাহবুব সুমন বলেছেন: দারুন বর্ননা, আপনার লেখার হাত ভালো।
ঢাকা - মিড ইস্ট ফ্লাইটগুলোতে এগুলো কমন দৃশ্য।

সুমনের খেরোখাতা

১০ ই মে, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৯

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: ধন্যবাদ মাহবুব সুমন।

১৭| ১০ ই মে, ২০১১ দুপুর ২:৩৭

বাবু বাবু বলেছেন: সুন্দর বর্ণনা। বিমান ভ্রমনের অভিজ্ঞতা শুধু route নয়, বিমানের ব্রান্ডের উপরেও শক্তভাবে নির্ভর করে। Singapore Airlines ও Tiger Airlines এ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা আকাশ-পাতাল ব্যবধান। সেদিনের অপেক্ষায় আছি যেদিন বাংলাদেশ বিমানও একটা ব্রান্ড হবে....।

১০ ই মে, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫৯

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: এমিরেটস,গালফ,এয়ার এরাবিয়া এগুলোতে ঢাকা-দুবাই একই রকম মনে হলো।তবে অবশ্যই পরিবর্তন আছে।
অন্য একটা রুটে ইজি জেটে মজার অভিজ্ঞতা পেয়েছিলাম, ওদের টিকেটে সিট নাম্বার থাকে না :)

আগে গেলে আগে বসবেন :)

১৮| ১১ ই মে, ২০১১ ভোর ৪:৪৮

বহুব্রীহি বলেছেন: ইকোনমি ক্লাসের অবিস্থা এত খারাপ?? ভাল লিখছেন। সাত নম্বর প্লাসটা দিয়া গেলাম।

১১ ই মে, ২০১১ ভোর ৫:১১

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: প্রথমবার অবশ্যই খারাপ তবে পরে এসব দেখে মজা নেয়া যায় :)
ধন্যবাদ বহুব্রীহি।

১৯| ১১ ই মে, ২০১১ ভোর ৬:০৩

নতুন বলেছেন: ভাল অভিগ্ঙতা....

২০| ১১ ই মে, ২০১১ ভোর ৬:১১

নতুন বলেছেন: ।ভদ্রলোক ফুড ফুড বলে এয়ারহোস্টেসকে বেশ গরম চোখ দেখালো। ডান দিকের যাত্রী বলে, ভাই কি শুরু করছেন?
বাঁ দিকের লোক বলে, আরে এরা খুব খারাপ এখন না বললে পরে আরো দেরী করবে।

বুঝলাম এরা নিয়মিত যাত্রী।



)_)_)_)_ কিছু যাত্রী আছে এই রকমের....

কেবিন ক্রুরা সময় মতনই খাবার পরিবেশেন করবে,,,, তাগাদা দেবার দরকার নাই...

অনেক যাত্রী কেবিন ক্রুদের সাথে ভাল আচরন করেনা... এটা দেখে খারাপই লাগে...

১৪ ই মে, ২০১১ রাত ৮:৩২

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: আমাদের মাঝে একটা প্রবনতা আছে যে অভদ্র ব্যাবহার করা একটি গুন।

এটা আসলে কলোনিয়াল শাষনামলের এফেক্ট।

২১| ০৭ ই জুন, ২০১১ দুপুর ১:২৭

ম্হুয়া বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন ,অনেকদিন পর ১টা ভালো লিখা পড়লাম

০৭ ই জুন, ২০১১ দুপুর ১:৪৩

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

২২| ২৫ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:২৪

আপেল বেচুম বলেছেন: সিঙ্গাপুর গিয়েছিলাম বাংলাদেশ বিমানে।ভয়াবহ অভিজ্ঞতা।ইমিগ্রেশনে আটকায়ে রাখল প্রায় পয়তাল্লিশ মিনিট।প্রথম বারের জন্য ঘুষের আবেদন! ফোন ( ;)) কলের মাধ্যমে বাঁচলাম । খিঁচে দৌড়াতে দৌড়াতে প্লেনে উঠলাম। এয়ার হোস্টেসরা নানির বয়সী। চরম দুর্ব্যবহার ।
প্লেন ছাড়ার সময় আসলেই ভয় পাইসিলাম।প্লেনটা চলতে চলতে হঠাৎ এমন জোরে টান দেয়, আমার আবার ভার্টিগো আছে,বুঝেন অবস্থা।
প্লেন চলার সময় ধন্দে পড়ে যাইতাম, প্লেনেই তো আসি ? নাকি আজিমপুর টু নিউমার্কেট ২৭ এ উঠসি ?? অবিকল সেই রকম ক্যাচ কোচ শব্দ, মুচড়া মুচড়ি
যাত্রীরা তো সুপার্ব !! প্লেন ছাড়া মাত্রই লেজের দিকে দৌড়, টয়লেটের সামনে বিশাল লাইন।

আর সিঙ্গাপুর এয়ারপোর্ট তো... আবার জিগস...

২৫ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৩৫

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: প্লেনের ঝাকি কিন্তু একটা বিরাট মানসিক যন্ত্রনা! বাতাসে যেই জিনিস ঝাঁকি খায় ঐ জিনিসের প্রতি আস্থা রাখতে বাঙ্গাল মন ব্যার্থ হয় ক্ষনে ক্ষনে!

বাংলাদেশ বিমানে চড়ি নাই, কিন্তু ভাই যে কয়টাতে চড়ছি, কোনটারই কোন এয়ারহোস্টেজ চোখে লাগে নাই। বড় বেশি প্লাস্টিক ফেস!! এজন্যই বোধহয় ওদের কাউরেই চোখে ধরে নাই!

বরং গরীব ঘরের সুন্দরী খেটে খাওয়া নারী'র জন্য যেমন সহানুভুতি কাজ করে তেমন ফিল হইছে :|

২৩| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ২:১৮

বেলাল আহমদ খান বলেছেন: আমি যদিও সবার মত বিদেশে ভ্রমণ করতে পারিনি কিন্তু ঢাকা-চিটাগাং ইদানিং খুব বেশি করতে হয়ছে। বিশেষ করে কিছুদিন যাবৎ হরতাল অবরোধ হওয়াতে! প্রথম অভিজ্ঞতা হয়ছে ছোট বিমানেই। ইউনাইটেডের বিমান। এর পর থেকে বাংলাদেশ বিমানেই চড়া হইছে। সব বড় বিমান। বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর। বড় বিমানেই মজা বেশি।

২৪| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ২:১৮

বেলাল আহমদ খান বলেছেন: আমি যদিও সবার মত বিদেশে ভ্রমণ করতে পারিনি কিন্তু ঢাকা-চিটাগাং ইদানিং খুব বেশি করতে হয়ছে। বিশেষ করে কিছুদিন যাবৎ হরতাল অবরোধ হওয়াতে! প্রথম অভিজ্ঞতা হয়ছে ছোট বিমানেই। ইউনাইটেডের বিমান। এর পর থেকে বাংলাদেশ বিমানেই চড়া হইছে। সব বড় বিমান। বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর। বড় বিমানেই মজা বেশি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.