নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

৩০ লক্ষ স্বজন হত্যার বিচার চাই

আমার এই ব্লগের কোনো লেখা বা লেখার কোনো অংশ আমার লিখিত অনুমতি ছাড়া যে কোনো প্রকার মিডিয়াতেই প্রকাশ করা যাবেনা। যদি তা করা হয়, তাহলে আমি আইনগত এবং অবস্থাভেদে ব্লগের আইন/প্রসিজিওর অনুযায়ী ব্যাবস্থা নিতে বাধ্য হব

নিঝুম মজুমদার

নিঝুম মজুমদার › বিস্তারিত পোস্টঃ

যে কারনে বিদেশী আইনজীবিরা ট্রাইবুনালে লড়তে পারছেন না

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:৩৪

যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালের ক্ষেত্রে বিদেশী আইনজীবিরা নাকি বাংলাদেশের কোর্টে মামলা লড়তে পারছেন না, এবং তাদের সে সুযোগ নাকি দেয়া হচ্ছে না। এবং এই আইনজীবিদের লড়তে দেয়া হলে নাকি তারা মোটমুটি সব কিছু উল্টিয়ে এবং পালটিয়ে ফেলত বলে ইদানীং শোনা যাচ্ছে জামাত ও বি এন পির সমর্থক ও ব্লগারদের কল্যাণে।



আমার প্রশ্ন হচ্ছে, যিনি চাইবেন, তিনিই কি বাংলাদেশের লোয়ার কিংবা আপার কোর্টে প্র্যাক্টিস করতে পারবেন? এটা কি সম্ভব?



আসুন একটু আইন ও নীতিমালা গুলো জানি-



বাংলাদেশে কোনো বিদেশী নাগরিক যদি প্র্যাক্টিস করতে চান কোর্টে সেখানে প্রথম রিকোয়ারমেন্ট-ই হচ্ছে যে সেই ব্যাক্তিকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। এই কথাটি বলা রয়েছে বাংলাদেশ লিগাল প্র্যাক্টিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার - ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ২৭(১)(ক) এ।



সেখানে ক্লিয়ারলি বলা আছে একজন ব্যাক্তি বাংলাদেশে প্র্যাক্টিস করতে হলে



ক) বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে



খ) তার বয়স ২১ বছর হয়েছে



গ) তার শিক্ষাগত অর্জন ( এই ধারাটির অধীনে আরো কিছু ধারা আছে এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার কথা স্পষ্ট বলা আছে)



ঘ) বার কাউন্সিলের নির্ধারিত পরীক্ষায় উর্তীর্ণ হয়েছে



ঙ) বিধিমালা অনুযায়ী ফিস প্রদান করা হয়েছে।



লক্ষ্য করে দেখুন, এই আইনটি তৈরী হয়েছে ১৯৭২ সালে। কেউ বলতে পারবে না যে এই আইনটি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে বাধা দেবার জন্য সাম্প্রতিক সময়ে তৈরী হয়েছে। এই আইন্টি যেমন অপরাধীর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ঠিক তেমনি প্রসিকিউশনের বেলাতেও প্রযোজ্য।



এবার আসুন আরো কিছু নিয়ম কানুন দেখে নেই-



বাংলাদেশের বার কাউন্সিলে প্রতি ডিসেম্বর ও ফেব্রুয়ারীতে লোয়ার কোর্টে পরীক্ষা হয় এবং তারপরে অনুষ্ঠিত হয় ভাইবা। এসব পরীক্ষায় সফল ভাবে উত্তীর্ণ হলেই একজন ব্যাক্তি বাংলাদেশের আদালতে প্র্যাক্টিস করতে পারবেন। এই যে আমি পরীক্ষা আর ভাইবার কথা বললাম, সেটা হোলো লোয়ার কোর্টে প্র্যাক্টিস করবার নিয়ম। এই সার্টিফিকেট পেতেই লেগে যায় এক বছর থেকে দড় বছরের মতন।



প্রথমতঃ লোয়ার কোর্টে আইনজীবি হিসেবে প্র্যাক্টিস করবার নীতিমালা আমাদের জানতে হবে। নীচের এই বর্ণিত ডকুমেন্টস গুলো জমা দিতে হবে সংশ্লিষ্ঠ ব্যাক্তি বা অফিসের কাছে। এগুলো হচ্ছেঃ



ক) এগ্রিমেন্ট লেটার

খ) এফিডেভিট

গ) ব্যাঙ্কের রশিদ



১৯৭২ সালের বার কাউন্সিলের রুলের ৩(১১) ধারা মতে এই এগ্রিমেন্ট লেটারে লেখা থাকবে যে আলোচ্য ব্যাক্তি যে কোর্টে প্র্যাক্টিস করতে চায় সেই কোর্টের নাম, ১০ বছর প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন আইঞ্জীবির সাথে আলোচ্য ব্যাক্তির ( যিনি লোয়ার কোর্টে প্র্যাক্টিসের জন্য আবেদন করছেন) একটি চুক্তিপত্র যেখানে উল্লেখ থাকবে যে এই আইনজীবির সাথে তিনি কাজ করতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। ১৫০ টাকার নন-জুডিশিয়াল একটা স্ট্যাম্পে এই চুক্তিপত্র লিখিত থাকতে হবে যেখানে অভিজ্ঞ আইনজীবির তত্ত্বাবধানে উল্লেখিত ব্যাক্তি যে কমের পক্ষে ৬ মাস তার সাথে আইন চর্চা তথা তাঁর সাথে কাজ করবেন সেটি লিখিত থাকবে।



এরপর এফিডিভিট করতে হবে ৫০ টাকা দামের নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে । একটা ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে এই ক্ষেত্রে যে, এই কাগজ পত্র জমা দিতে হবে প্রথমে এবং পরে যখন প্রার্থী ৬ মাসের তার প্র্যাক্টিস বা পিউপোলেজ (ইন্টার্নির মতন) শেষ করবেন ১০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আইনজীবির সাথে তখনই তিনি লিখিত পরীক্ষার জন্য বিবেচ্য হবেন। এই লিখিত পরীক্ষার পর তার ভাইভা অনুষ্ঠিত হবে। এবং এই সবগুলো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ও উত্তীর্ণ হলেই তিনি আমাদের লোয়ার কোর্ট/ জজ কোর্টে প্র্যাক্টিসের সুযোগ পাবেন।



উল্লেখ্য যে, এই লিখিত পরীক্ষা দেবার জন্যও আবার অনেক ডকুমেন্টস সাবমিট করতে হবে। যেমন-



১) এপ্লিকেশন ফর্ম



২) ক্যারেক্টার রেফারেন্স (ফার্স্ট ক্লাস অফিসার থেকে)



৩) এফিডেভিট



৪) এল এল বি'র সার্টিফিকেট



৫) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের সার্টিফিকেট



৬) ফি প্রদানের রিসিট



৭) একটা পাস্পোর্ট সাইজ ফটোগ্রাফ



৮) ৫ টা সিভিল মামলা ও ৫টা ক্রিমিনাল মামলাতে অংশ নিয়েছেন আলোচ্য ব্যাক্তি, সেটার প্রমান ও লিস্ট



এই লোয়ার কোর্টে আবার দুই বছর প্র্যাক্টিস করে আসতে হবে আপার কোর্টে। সেখানকার আমাদের এই যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালকে যেহেতু আপার কোর্টের একটি ডিভিশানের মানে হাইকোর্ট বিভাগের সম মানের বলে সূচিত করা হয়েছে, সুতরাং এই আদালতে মামলা লড়তে হলে কি কি যোগ্যতা থাকা লাগবে একজন আইনজীবির? সেখানেও রয়েছে কিছু রুল এবং প্রসিডিওর। ১৯৭২ সালের বার কাউন্সিলের ৬০ নাম্বার রুল অনুযায়ী এখানেও সাবমিট করতে হবে কিছু কাগজ পত্রঃ



যেমন-



১) আবেদন পত্র



২) ৫,৫০০ তাকার ব্যাঙ্ক ড্রাফট



৩) যেই কোর্টে প্র্যাক্টিস করেছেন প্রার্থী সেই বারের প্রেসিডেন্ট/স্ক্রেটারীর থেকে প্রত্যয়ন পত্র



৪) কমের পক্ষে ২৫ টা সিভিল ও ক্রিমিনাল মামলা প্রার্থী পরিচালনা করেছেন তার প্রমান ও লিস্ট



৫) লোয়ার কোর্টের এনরোলমেন্টের সনদ



৬) দুইটা পাস্পোর্ট সাইজ ছবি



৭) এল এল এম এর সত্যায়িত নম্বর পত্র ইত্যাদি



এইসব নিয়ম কানুন ফলো করেই বাংলাদেশের লোয়ার কোর্ট এবং আপার কোর্টে একজন ব্যাক্তিকে প্র্যাক্টিস করবার লাইসেন্স নিতে হয়। ব্যাপারটা এমন নয় যে, আমি একজন বিদেশী, আমার চামড়া সাদা, তাই স্যার স্যার করতে করতে আমাকে প্র্যাক্টিস করতে দেয়া হবে দেশের আদালতে। নিয়ম সবার জন্যই সমান ও এক।



কিন্তু দুঃখ জনক হলেও সত্য যে জামাত ও বি এন পি'র এক্টিভিস্টরা বলে বেড়াচ্ছে যে, সরকার নাকি বিদেশী আইনজীবিদের মামলা পরিচালনা করতে সুযোগ দিচ্ছেন না। কিন্তু তারা এক্টিবারও এই নিয়ম বা নীতির কথা ভুলেও মুখে আনছেন না।



এ বিষয়ে বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল বাসেত মজুমদার বলেন,



একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে বার কাউন্সিলের কিছু বিধিবিধান রয়েছে। এ দেশে কারা আইনি প্র্যাকটিস করবে, কারা করবে না তা আইনে লেখা আছে। বিদেশী আইনজীবী নিয়োগের বিষয়টি বার কাউন্সিলের আইন সমর্থন করে করে না। এ অবস্থায় আমরা বিদেশী আইনজীবী নিয়োগের অনুমতি দিতে পারি না। তাই আজ কাউন্সিলের সভায় সর্বসম্মভাবে আবেদনটি নাকচ করা হয়েছে।



এই নিয়ম যে আমাদের দেশে শুধু তা না। এই নিয়ম সব দেশেই রয়েছে। যেমন -



স্কটল্যান্ডে

ইংল্যান্ডে

ভারতে

পাকিস্তানে

শ্রীলংকায়

সাউথ আফ্রিকায়



আমরা হতে পারি একটি অর্থনৈতিক ভাবে একটি দরিদ্র দেশ কিংবা অবকাঠামোগত ভাবে একটি উন্নয়নশীল দেশ। কিন্তু তাই বলে কি আমাদের দেশে বিদ্যমান নিয়ম নীতি ভেঙ্গে কাউকে সুযোগ করে কোর্টে প্র্যাক্টিস করবার অনুমতি দিতে হবে? যদি তাই হয় তাহলে দেশে-বিদেশে যে লক্ষ লক্ষ এল এল বি পাশ করা বাংলাদেশী ভাই-বোনেরা রয়েছেন তাদেরকেও সমান সুযোগ করে দিতে হবে।



ইংল্যান্ডে ব্যারিস্টার রয়েছেন ভুরি ভুরি। দয়া করে একটু খোঁজ নিয়ে দেখুন তারা মেইন স্ট্রিমে প্র্যাক্টিস তো দূরের কথা, নিজের নামের শেষে ব্যারিস্টার পর্যন্ত ব্যাবহার করতে পারে না। আর যারা ২০০০ সালের আগে ব্যারিস্টার হয়েছেন তারা শুধু ব্যারিস্টার লিখলেও বাধ্যতা মূলক ভাবে নট প্র্যাক্টিসিং শব্দটি লিখেন। এই ইংলিশ কোর্টে প্র্যাক্টিস করতে হলেও অনেক নিয়ম কানুন মেনে তা করতে হয় যা মোটামুটি একজন বিদেশী নাগরিকের জন্য অসম্ভব ব্যাপার।



বি এন পি আর জামাত শুধুমাত্র নিজের সুবিধার জন্য দেশের বিদ্যমান আইন কানুনকে যে ধুলোয় লুটিয়ে দিতে দ্বিধা করেনা এই বিদেশী আইনজীবি নিয়োগের দাবী তার বড় একটি প্রমাণ।



অনেকেই প্রশ্ন তোলেন তাহলে আগরতলা মামলা তে কিভাবে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে বিদেশী আইনজীবি এসেছিলেন এবং শেখ হাসিনার পক্ষে ২০০৭ সালে কিভাবে চেরী ব্লেয়ার মামলা লড়েছিলেন? সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে বলতে হওয় আগরতলা মামলা হয়েছিলো ৬৭-৬৮ সালের দিকে। সেই সময় তৎকালীন পাকিস্তান বার কাউন্সিল আইনের সাথে স্বাধীন বাংলাদেশের আইনের কোনো সম্পর্ক নেই। কেননা স্বাধীনতার পর আমাদের দেশে এই ব্যাপারে আইন হয়েছে ১৯৭২ সালে (বাংলাদেশ লিগাল প্র্যাক্টিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার - ১৯৭২)।



এইখানে বিদেশী আইনজীবি আসতে হলে তাকে প্রথমেই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। কথা সিম্পল এন্ড ক্লিয়ার। আর শেখ হাসিনার পক্ষে চেরী ব্লেয়ার কোনোদিন কোর্টে লড়েনি। উনি শুধু হাসিনার পরামর্শক হিসেবে দেশে এসেছিলেন উনার আইনজীবিদের সাথে দেখা করতে। কখনই ফর্মালি কোর্টে জাননি।



আশা করি এই লেখার মাধ্যমে আমি বুঝাতে পেরেছি যে, যে কেউ চাইলেই বাংলাদেশের কোর্টে নিয়ম আর নীতি ব্যাতিরেকে প্র্যাক্টিস করবার আলাদা সুযোগ পায় না। যদি তা পেতে হয় তবে সঠিক নিয়ম কানুন মেনেই তা করতে হবে।

মন্তব্য ৫৮ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (৫৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:৫১

বিডি আইডল বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে যে ট্রাইবুন্যাল করা হয়েছে সেটাকে কি রেগুলার কোর্টের মধ্যে ধরা যায়?

আর একটি প্রশ্ন--আপনি ভালো উত্তর দিতে পারবেন...কোন আইন করার পর সে আইনে কি আইন করার পূর্বের ঘটনার বিচার করা যায়?

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:৫৮

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: হ্যাঁ, সংবিধান অনুযায়ী এটা স্পেশাল ট্রাইবুনাল হলেও তাকে হাইকোর্টের সম মর্যাদা যেয়া হয়েছে। এবং এই কারনেই আপীলেট ডিভিশানে ফাইনাল আপীল করা যাবে দোষী সাব্যাস্ত হবার ৬০ দিনের মধ্যে। এই চর্চা শুধু আমাদের দেশেই না, প্ররথিবীর কয়েকশো দেশের ভুরি ভুরি উদাহরণ রয়েছে।


সংবিধানের ৩৫(১) অনুচ্ছেদ মূলত বলে-

যেখানে বলা আছে ,

অপরাধের দায়যুক্ত কার্যংঘটন কালে বলবত ছিলো, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যাতীত কোন ব্যাক্তিকে দোষী সাব্যাস্ত করা যাইবেনা এবং অপরাধ সংঘটনকালে বলবত আইনবলে যে দন্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাহাকে তাহার অধিক বা ভিন্ন দন্ড দেয়া যাইবে না।


পাঠকদের সহজে ব্যাপারটা বলি -

ধরা যাক , কেউ একজন তার দেশে চুরি করলো এবং চুরি যখন করলো তখন সেই দেশে চুরির জন্য কোনো আইন ছিলো না । এখন সংবিধানে বলা হচ্ছে যে ,চুরির আইন আজকে বানিয়ে তা আইন বানাবার আগের চুরিকে শাস্তির আওতায় আনা যাবে না।

স্টিভেন কে কিউ সি’র এই সমালোচনাতে খুব স্পষ্ট হয়ে যায় মূলত, তিনি আসলে কি চান বা ইংল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে উড়ে এসে তার এই ১৩ পাতার দীর্ঘ বিবৃতির পেছনের মূল মোটিভ । স্টিভেন যদি এত তাড়াহুড়া না করতেন এবং বাংলাদেশের সংবিধানটি আরেকটু ভালো করে পাঠ করতেন তবে বার বার তিনি এই গ্রস ভুলগুলো করতেন না । আমি আগেই বলেছি ১৯৭৩ সালের ১৫ ই জুলাই বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর কথা । এই সংবিধানের ৪৭(ক) অনুচ্ছেদে কি লেখা রয়েছে ?

উপরে একবার বিবৃত করা হলেও আসুন আরেকবার পড়ি-

৪৭(ক) তে বলা হয়েছে যে ,


reenshot১) যে ব্যাক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত কোন আইন প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যাক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ , ৩৫ অনুচ্ছেদের (১) ও (৩) দফা এবং ৪৪ অনুচ্ছেদের অধীনে নিশ্চয়কৃত অধিকারসমূহ প্রযোজ্য হইবে না। এই অনুচ্ছেদে খুব স্পষ্ট করে লেখা আছে যে , যাদের ক্ষেত্রে ৪৭(৩) অনুচ্ছেদের মাধ্যমে প্রণীত আইনটি (৭৩ সালের অপরাধ ট্রাইবুনাল আইন) প্রযোজ্য হয় , তাদের ক্ষেত্রে সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদের ১ ও ৩ দফায় থাকা অধিকার সমূহ প্রযোজ্য হবে না।


১৯৭১ সালে যখন বাংলাদেশ বহিশত্রু পাকিস্তানকে বিতাড়নে ব্যাস্ত ঠিক ওই সময়ে বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধ সঙ্ক্রান্ত কোনো আইন ছিলো না । তাই যুদ্ধ পরবর্তী অবস্থায় নতুন করে আইন হলেও প্রথম দিকে ৪৭(ক) অনুচ্ছেদের অনুপস্থিতির কারনে যুদ্ধাপরাধীরা নিজেদের বাঁচাবার জন্য ঢাল পেয়ে বসে । কিন্তু ১৯৭৩ সালের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে আর কোনো বাঁধাই থাকে না ।


এই সংশোধনী না এলেও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে কোনো বাঁধা থাকত না । কেননা এরি মধ্যে পৃথীবির আইন পরিমন্ডলে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গ্যাছে একটি বিখ্যাত যুদ্ধাপরাধ মামলা। এডলফ আইক ম্যানের মামলা নামেই যেটি বিশ্বে পরিচিত।
(Adlof Eichmann V Attorney General of the Govt.of Israel, Supreme Court of Israel ILR36(1962)P.277)

আইকম্যানকে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া নিয়ে সমগ্র পৃথিবীতে আলোচনা হয়। কেননা, আইকম্যানকে আর্জেন্টিনা থেকে অপহরণ করে নিয়ে আসে ইসরাইলী গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। এই ট্রায়ালে বিচার প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে বিবাদী পক্ষ থেকে যে অভিযোগটি বার বার করা হয় তা হলো , ইসরাইলের এই ট্রায়াল করার এখতিয়ার ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট অফ জেরুজালেমের নেই কেননা অপরাধ সংঘটনের সময় আইন তো দূরের কথা, ইসরাইল দেশটিই ছিলো না।


কিন্তু ইসরাইলের সুপ্রীম কোর্ট এই অভিযোগ প্রত্যখ্যান করে এবং বলে, আইকম্যান যে অপরাধ করেছেন তা সমগ্রবিশ্বের বিবেককেই নাড়া দিয়েছে এবং তা পুরো বিশ্বেই অপরাধ হি্সেবে বিবেচিত । এছাড়াও, ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী, যুদ্ধাপরাধ একটি আন্তর্জাতিক অপরাধ যেখানে “UniversalJurisdictioইউনিভার্সেল জুরিসডিকশানn” কথাটি উল্লেখ করা হয়েছে যাতে করে পৃথিবীর যে কোনো দেশই অন্য যে কোনো দেশে যুদ্ধাপরাধী অংশগ্রহণকারী ব্যাক্তিকে শাস্তি প্রদান করতে পারে ।


এই ট্রায়াল আন্তর্জাতিক ভাবে অত্যন্ত সমালোচিত হলেও , পরবর্তীকালে এই ট্রায়ালটি-ই আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃতি লাভ করে । এখানে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে, আপাত দৃষ্টিতে তাই মনে হলেও, সুষ্ঠু বিচারের স্বার্থে আন্তর্জাতিক ভাবে এই ট্রায়াল আজো উদাহরন হয়ে রয়েছে ।


আমরা এই সঙ্ক্রান্ত আরেকটি উদাহরণ দেখতে পাই ২৭ শে মার্চ ২০০৭ সালে কানাডাতে অনুষ্ঠিত মুনাইয়েঞ্জার মামলায় । এই মুনাইয়েঞ্জা রুয়ান্ডার হুতু গোত্রের এক ধনী ব্যাবসায়ীর সন্তান যে ১৯৯৪ সালে হুতু সম্প্রদায়ের মাধ্যমে তুতসীদের উপর ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চলাকালীন সময়ে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছিলো । ২০০৫ সালে কানাডাতে অবৈধ ভাবে থাকার সময় এই ব্যাক্তি আটক হয় এবং পরবর্তীতে কানাডার ডমেস্টিক যুদ্ধাপরাধ আইনে মুনাইয়েঞ্জার বিচার অনুষ্ঠিত হয় । এই বিচারের ক্ষেত্রে প্রশ্ন তোলা হয় যে , কানাডার আদালত কি রুয়ান্ডাতে সঙ্ঘটিত গণহত্যায় অভিযুক্ত কোনো ব্যাক্তির বিচারের এখতিয়ার রাখে কি না।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:১৩

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: deemed to have been committed against all mankind - enacting legislation to retroactively try these crimes is a widely accepted legal practice. Mr. Rapp effectively calls for amending the
ICTA to a standard that is international, but then questions the permissibility of the ICTA adopting the internationally accepted standard of retroactively trying crimes such as Genocide and War Crimes.11 Despite Mr. Rapp’s evident comfort with the retroactive legislation12 that constituted tribunals like the ICTY and ICTR, he, for some reason that is yet

to be identified, questions the permissibility of retroactivity in the ICTA. It must be noted that the ICTY was formed in 1993, two years after the commission of crimes, and the SCSL was formed in 2002, eight years after the commission of the concerned rimes. It is hard to see the reasoning behind Mr. Rapp’s criticism in questioning the permissibility of the ICTA, a law that was enacted by the Bangladesh Parliament within a year and half of the commission of the concerned crimes. Not only is the retroactive justice process of crimes a widely practiced legal norm, Article 15(2) of the ICCPR makes a clear exception to non-retroactivity:
“Nothing in this article shall prejudice the trial and punishment of any person for any act or omission which, at the time when it was committed, was criminal according to the general principles of law recognized by the community of nations.” The ICTA is entirely consistent with ICCPR Article 15(2). The ICC is the only institution which possesses prospective jurisdiction, meaning that it can only deal with crimes committed after its governing statute came into force. Thus, the ICC is rendered incapable of exercising jurisdiction over the crimes committed in Bangladesh in
1971. This is another reason as to why Bangladesh had to, despite being a signatory to the Rome Statute, initiate its own process to try the crimes committed in 1971. One of the unique characteristics of prospective laws such as the Rome Statute is that they have the scope and ability of incorporating extensive provisions like the Elements of Crimes.

This is due to the prospective nature of such laws. Hence, retroactive laws such as the ICTY or ICTR Statutes do not contain any Elements of Crimes. It is contradictory of Mr. Rapp to, on one hand, question the retroactivity of the ICTA and, on the other hand, urge its amendment by calling for the incorporation of provisions like Elements of Crimes. The contents of Mr. Rapp’s letter do not answer these contradictions.Constitutional safeguards against retroactive legislation are generally not applicable for laws passed with the purpose of prosecuting and punishing crimes of heinous nature, such as the crimes under the jurisdiction of the ICTA. For instance, the permissibility of retroactivity was cemented by the Australian High Court when it upheld the retroactivity of the Australian War Crimes Act of 1988 (amendment of the 1945 Act). In the case of Polyukhovich v. The Commonwealth, the High Court held, “The retrospective operation of the Australian War Crimes Act was authorized by the constitution since that operation was a matter incidental to the execution of a power vested by the constitution in the parliament.’’13 The High Court
went on to hold that the War Crimes Act of 1988 was in fact retroactive because it only criminalized acts which were crimes under international law as well as ordinary crimes under
Australian law at the time they were committed. Enacting a law like the War Crimes Act of 1988 was therefore an exercise of universal jurisdiction by the Australian Parliament. In the
judgment of that case, Justice Dawson observed, “[T]he ex post facto creation of war crimes may be seen as justifiable in a way that is not possible with other ex post facto criminal laws ... [T]his justification for a different approach with respect to war crimes is reflected in [Article 15(1)] the International Covenant on Civil and Political Rights to which Australia became signatory on December 18.’’ Therefore, the retroactivity of the ICTA enacted by Bangladesh is the same as the Australian War Crimes Act of 1988. Both simply embody crimes existing then during their respective enactments; questioning the ICTA’s retroactivity
amounts to overlooking standard practice in international criminal law. Offences such as Genocide, War Crimes, and Crimes against Humanity were not unheard of in 1971. In fact,
the Pakistan Government was one of the first countries to sign the Genocide Convention and the Geneva Conventions were already a part of the international legal order existing in 1971. Therefore, by enacting the ICTA, the Bangladesh Parliament was merely recognising and acknowledging prevailing norms of international criminal law.

২| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:৫৯

এ জাফর বলেছেন: বিডি আইডল ঠিকই বলেছেন।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:০৩

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: উনি তো জানতে চেয়েছেন, ঠিক বা বেঠিক টাইপের কোনো মন্তব্য তো তিনি করেন নি। ফট করে একটা কথা মাঝখান দিয়ে বলাটা কি ঠিক?

৩| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:০৫

বিডি আইডল বলেছেন: আপনার বিস্তারিত তথ্যের জন্য ধন্যবাদ....প্রাসঙ্গিক আর একটি প্রশ্ন করি...বাংলাদেশে আদালতের যে ট্রেন্ড..তাতে কি উপরের বর্ণিত কেসগুলোকে ব্যবহার করা যেতে পারে?? আমার ক্ষুদ্রজ্ঞাণে আমি যতটুকু জানি বাংলাদেশে মূলতঃ উপমাহাদেশীয় কেস স্টাডি গুলোকে রেফার করা হয়

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:১০

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: জ্বি ভাই যেতে পারে। "প্রেফার" করা এক ব্যাপার এবং "এপ্রোপ্রিয়েট" মামলা আরেক ব্যাপার। যেমন ধরেন নিজামুল হক নাসিমের রীট পিটিশান মামলার কথা। এই মামলায় জামাতীরা কিন্তু উপমহাদেশের বাইরের অনেক মামলার রেফারেন্স দিয়ে রিট করেছিলেন।

৪| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:১১

আতা63 বলেছেন: যে দেশে সংবিধানকে জবাই করে মাজদার হোসেন মামলার রায় এবং সেটা বাস্তবায়ন হয়েছে, কোন লেখক, সাংবাদিক বা চাকরীজীবীকে আদ্লত অবমাননার নামে হেনস্তা হতে হয় আবার পঞ্চম সংশোধনী সম্পর্কিত রায় বের হবার আগে তার নামে সংবিধান সংশোধনের পরে কিছুই হয় না সেই দেশে এই সব আইন কানুন নিয়ে কথা বলে লাভ আছে ?

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:১৫

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: মাজদার হোসেন মামলার যে দর্শন ও আইনবিজ্ঞান বিচারক কর্তৃক দেয়া হয়েছে তা কি একটু বলবেন ভাই? শুনে কৃতার্থ হতাম।

৫| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:১৫

েমা আশরাফুল আলম বলেছেন: What is the procedure for Bangladeshi Law student studying abroad (London) and get the degree from there. If he come back and wants to practice in BD court, should he follow the same procedure you mention. Just curiousity.

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:১৬

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: পোস্টে যা বলা রয়েছে, প্রসিডিওর সেটাই ভাই। ধন্যবাদ।

৬| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:১৯

তোফাজ্জেল অভি বলেছেন: .....অবুঝ খোকাদের বুঝানোর এ প্রয়াস্কে স্বাগতম.........

৭| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:২০

তোফাজ্জেল অভি বলেছেন: বলেছেন: .....অবুঝ খোকাদের বুঝানোর এ প্রয়াসকে স্বাগতম.........

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:০৩

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: দেখি, চেষ্টা করে। সত্য তা সবার সামনে বলতে চাই

৮| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:২০

উন্মোচক বলেছেন: ভাই, এই বিচার নিয়া দেশের বাইরে থিক্কা আপ্নেরে খুব সরব দেখা যাইতেছে। মোবারাকান।

তা ভাইজান, এই আদালতখান কি ডমিস্টিক ন্যাচারের নাকি ইন্টারন্যাশনাল? আপ্নে প্র্যাকটিসের যেইসব রিকোয়ারমেন্ট শুনাইলেন, সেগুলাতো ডমিস্টিক কোর্টে প্র্যাকটিসের জন্য। কোর্টের নাম দিলেন 'ইন্টারন্যাশনাল', কিন্তু হেই কোর্টে ইন্টারন্যাশনাল আইনজীবীগোরে আনবার দিবেন না, হেইডা কেমুন?

প্র্যাকটিস করবার যেইসব লম্বা ফিরিস্তি শুনাইলেন, হেইগুলান তো নবীন আইনজীবীগো জন্য প্রযোজ্য। বিশ্ববিখ্যাত আইনজীবী স্টিভেন কিউসির মতো আইনজীবীগো ব্যাপারে আদালত এই প্রিজাম্পশন রাখতেই পারত যে, তাগোর এইসব রিকোয়ারমেন্ট ফুলফিল করা আছে।

বিশ্বে যেসব আন্তর্জাতিক ট্রায়াল হইছে, সেইগুলাতে কি আন্তর্জাতিক আইনজীবীরা আহে নাই?

বাংলাদেশে এই প্রথম আন্তর্জাতিক আদালত কায়েম করা হইছে। এতদিন পর্যন্ত বিদেশি আইনজীবী আসার প্রয়োজন হয় নাই। অহন হইছে। সুতরাং, সরকারের উচিত ছিল আইন পরিবর্তন কইরা হইলেও বিদেশি আইনজীবীগো আসবার সুযোগ দেওয়া।

নামে 'আন্তর্জাতিক' কামে নাই- হেইডা তো ঠিক না ভাইসাব!

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:৩১

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: হাসাইলেন ভাই। আইনের নাম আন্তর্জাতিক, কিন্তু কাম আন্তর্জাতিক না কেন? এইতো প্রশ্ন? ওকে।

শোনেন এইটার নাম আন্তর্জাতিক আইন এই কারনেই যে, এই আইনে যেসব অপরাধের বিচার করা হবে তার উপাদানগুলো আন্তর্জাতিক আইনে সিদ্ধ ও তা ইউনিভার্সেল জুরিসডিকশানের আওতায় পড়ে।

শুনুন ড। মিজানুর রহমানের বক্তব্যঃ Click This Link


এছারাও, এই আইন যে আন্তর্জাতিক অন্যান্য নিয়ম ও নীতিকে সামনে রেখে হয়েছে তার প্রমাণঃ

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সাথে আমাদের ট্রাইবুনালের একটি তুলনামূলক উদাহরণ নীচে দেয়া হলোঃ


১) এই আইনে অপরাধীকে দোষী প্রমাণের দায়ভার প্রসিকিউশনের যা বলা আছে ১৯৭৩ সালের আইনে ৬ নাম্বার চাপ্টার এর সাক্ষ্য অংশের ৫০ নাম্বার ধারায় । সুতরাং “the accused is presumed to be innocent until proven guilty” আইনের এই বিখ্যাত কথাটি সমুন্নত রয়েছে । সমগ্র আইনের কোথাও এই উক্তিটির বিরুদ্ধচারন করে কোনো ধারা নেই । এই কথা Article 14(2) of International Covenant on Civil and Political Rights,1966 (ICCPR) এও বলা আছে ।



২)Article 14 of International Covenant on Civil and Political Rights,1966 (ICCPR)এ যে অধিকারগুলোর উল্লেখ রয়েছে তা ICTA-1973 এর ক্ষেত্রেও খুব সুন্দর ভাবে রয়েছে । আসুন দেখা যাক-


ক) ICCPR এর আর্টিকেল ১৪(১) এ বলা আছে ফেয়ার এবং পাব্লিক হিয়ারিং এর কথা যা কি না যোগ্য , স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ট্রাইবুনালের মাধ্যমে হতে হবে । ICTA-1973 এর ক্ষেত্রে, ধারা ৬(২ক) এর ক্ষেত্রেও যোগ্য, নিরপেক্ষ ও স্বাধীন ট্রায়ালের কথা বলা হয়েছে । আবার ধারা ১০(৪) এ বলা রয়েছে , এই প্রসিডিংস হতে হবে পাবলিকলি এবং ট্রাইবুনাল যদি ঠিক মনে করে তবে ক্যামেরাও ব্যাবহার করা যেতে পারে ।


খ) ICCPR এর ১৪(৩) ধারায় বলা আছে যে, “Right to be informed poromptly and in detail in a language which he understands of the nature and cause of the charge against him” . আবার এই কথা গুলোই বলা আছে ICTA-1973 এর ১০(১)(ক) , ১০(৩) এবং ১৬(২) ধারায় ।


গ) ICCPR এর আর্টিকেল ১৪(৩)(খ) ধারায় বলা আছে যে , “Right to have adequate time and facilities for the preparation of his defence and to communicate with councel of his own choosing . একনন আমরা যদি ICTA-1973 এর দিকে নিজর দেই, তাহলে দেখব যে, এই আইনের ১৭(২) ধারায় বলা আছে , “An accused person shall have the right to conduct his own defense before the Tribunal or have the assistance of councel”



ঘ) ICCPR এর ১৪(৩)(গ) ধারায় বলা আছে যে, “Right to be tried without undue delay. ঠিক আমাদের আইন ICTA-1973 এর ১১(৩) এর (ক) ও (খ) ধারায় এই কথাগুলোই আরো ব্যখ্যা করে বলা আছে।


ঙ) ICCPR এর ১৪(৩)(ঘ) ধারায় বলা আছে , “Right of representation” এইদিকে আমাদের ICTA-1973 এর ১৭(২) ও ১২ ধারাতে স্পষ্ট করে এই কথাগুলো বলা আছে ।


চ) ICCPR এর ১৪(৩)(ঙ)ধারায় বলা আছে, “Right to produce and examine/cross examine witness”. ঠিক আমাদের ICTA-1973 এর ১০(ঙ) ধারা , ১০(চ),১০(ছ) এবং ১৭(৩) ধারাতে ঠিক ওই ICCPR বর্ণিত অধিকারগুলোর কথাই বলা রয়েছে ।


ছ) ICCPR এর ১৪(৩)(চ) ধারায় বিনাখরচে অনুবাদকের কথা বলা হয়েছে । যা আমাদের ICTA-1973 এর ১০(২) ও ১০(৩) ধারাতে বর্ণিত রয়েছে ।


জ) ICCPR এর ১৪(৩)(ছ) ধারায় “Right not to be compelled to testify against himself or to confess guilt” বলা হয়েছে । যা আমাদের ICTA-1973 এর ৮(৫) ও ১৮ ধারা দুইটি পড়লেই দেখা যাবে যে, এই অধিকার রক্ষিত হয়েছে ।


ঝ) ICCPR এর ১৪(৪) ধারায় আন্ডার এইজের ব্যাক্তির কথা বলা হয়েছে । যা বাংলাদেশের The Children Act-1974 খুব ভালো করেই রক্ষা করে । এই আইন নিয়ে ICTA-1973 তে কোনো বাঁধা নেই।


ঞ) ICCPR এর ১৪(৫) ধারায় “right to review the conviction and sentence” এর কথা বলা হয়েছে । যা আমাদের ICTA-1973 এর ২১ ধারাতে বর্ণিত রয়েছে ।


ট) ICCPR এর ১৪(৭) ধারায় “right not to be tried for offences which has been tried before” এর কথা বলা হয়েছে । যা আমাদের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে বর্ণিত রয়েছে ও উক্ত অধিকার সমুন্নত রয়েছে ।


উপরের আলোচনায় আমরা দেখতে চেষ্টা করলাম যে , আন্তর্জাতিক ভাবে , Article 14 of International Covenant on Civil and Political Rights,1966 (ICCPR) এ বর্ণিত অধিকারগুলোই আসলে একজন মানুষের অধিকার যে কোনো ট্রায়ালে নিশ্চিত করে এবং International Bar Association যখন আমাদের ১৯৭৩ সালের আইন সম্পর্কে সমালোচনা করেছিলো তখন এই অধিকার গুলো আমাদের ১৯৭৩ সালের আইনে নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছিলো ।


স্টিভেন কে কিউসি যতই বড় আইনবিদ হোক, নিয়ম তো ভাই নিয়মই। ঠিক না? আর আজকে যদি আমাদের ড। কামাল হোসেন ইউকে তে গিয়া লাইসেন্স ছাড়া মামলা লড়তে চায় বা অস্ট্রেলিয়াতে মামলা লড়তে চায়, উনি কি তা পারবেন? কামাল হোসেন তো স্টিভেনের থেকেও বড় আইনজীবি। ঠিক না?

আর ডমেস্টিক ন্যাচার আবার কি? এই ন্যাচার সবার জন্য সমান। এক আইন, এক নিয়ম। দ্যাটস ইট।

আর আন্তর্জাতিক আদালতে যারা মামলা লড়েছেন তারা কি নিয়ম কানুন না মেনেই লড়েছেন?

৯| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:২৪

উন্মোচক বলেছেন: ভাইরে, এই আদালতে যেইসব লো-কোয়ালিটির প্রসিকিউটর নিয়োগ দিছে সরকার, তাতে তাগোরে দিয়া মিথ্যাচার করানোটা কঠিন হইয়া পড়ছে। এই ট্রাইব্যুনাল অহন আপনার মতোন স্মার্ট আইনজীবী চায়!

দেহেন না, সাক্ষীরা কেমনে ধরা পইড়া যাইতেছে! তাগোরে যে মিথ্যা কথাগুলান কওয়ানোর শৈল্পিক প্র্যাকটিস করান দরকার, এই লো-কোয়ালিটির প্রসিকিউটররা হেইডা ঠিকমতো করবার পার্তাছে না।

আপ্নে তাড়াতাড়ি আয়া পড়েন! =p~ =p~

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:৩৭

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: আমি একজন থার্ড ক্লাস উকিল। সন্দেহ ছাড়া। আমার কথা বাদ। প্রসিকিউশন কি করছে তা সময়-ই বলে দিবে।

১০| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:২৯

আতা63 বলেছেন: সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদের ২য় দফায় সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের কোন বিষয় আদালতের আদেশ দ্বারা বলবৎযোগ্য নয় বলে সুনির্দিষ্ট করে বলা আছে। দ্বিতীয় ভাগ ৮ থেকে ২৫ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত বিস্তৃত।

পৃথকীকরণের বিষয়ে সংবিধানের বিধান হলো-

''২২৷ রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন''৷

রাষ্ট্র বলতে কি বুঝায় সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে সেটা বলা আছে-

রাষ্ট্র" বলিতে সংসদ, সরকার ও সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষ অন্তর্ভুক্ত;

এখানে বিচার বিভাগ অন্তর্ভুক্ত নয়।

মাজদার হোসেন মামলা ছিলো একটি রীট। সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শুথু সংবিধানের ৩য় ভাগে বর্ণিত বিষয়াবলী নিয়ে রীট করার বিধান দেয়া আছে। দ্বিতীয় ভাগে ঢোকার কোন সুযোগ নেই।

যেখানে সুনির্দিষ্ট বিধান দেয়া আছে সেখানে দর্শন আওড়ানোর কোন সুযোগ নেই। ওটা খোঁড়া যুক্তি।

বাকী বিষয়ে তো কিছু বললেন না।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:৩৬

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: নীচের লেখাটা ভালো করে পড়ে আসুন। তারপর বিস্তারিত আলাপ


Click This Link

১১| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:৩৯

আতা63 বলেছেন: আচ্ছা।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:৪২

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: সারা আপা আর তানজীব ভাইয়ের এই লেখাটাও পড়বেন দয়া করে

Click This Link of judiciary paper_revised271106.pdf

১২| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:৪২

উন্মোচক বলেছেন: ভাই, আপ্নে বেশি চালাকি করেন। দুই একটা প্রশ্নের জবাবে আইনের বহু বয়ান শুনাইয়া দিয়া একটা ভাব লন। কিন্তুক অন্যসব প্রশ্নের উত্তর এড়ায়া যান।

শুনেন, ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিধানে আন্তর্জাতিক আইনের কিছু প্রতিফলন ঘটানোর মধ্য দিয়াই কি তারে 'আন্তর্জাতিক' বানানো যায়? সেই আদালতের বিচারক এবং আইনজীবীদের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক রীতি-নীতি মানা হইল কিনা, সেটা কি গুরুত্বপূর্ণ না?

বিশ্বে অন্য যেসব ট্রায়াল হইছে যুদ্ধাপরাধীগো নিয়া, সেইখানে কি বিদেশি আইনজীবী-বিচারক ছিল কিনা, কন। তারা কেমনে সেই সুযোগ কইরা দিল?

যুদ্ধাপরাধীগো বিচার করতে হইলে আগের ট্রায়ালগুলা থিক্কা নজির নিতে অসুবিধা কিসের ভয়ে?

আর আপ্নে এই আইনটারে যতই আন্তর্জাতিক মানের কন, স্টিফেন জে র‌্যাপের মতোন যুদ্ধাপরাধ বিশেষজ্ঞ আইসা কইয়া গেছে যে, এই আইনে আন্তর্জাতিক আইনের বহুত নিয়ম মানা হয় নাই। সেই কথা কি আপ্নেরে আবার স্মরণ কইরা দেওন লাগব?

ভাইরে.. মানুষরে বিভ্রান্ত কইরেন না। ভয় না পাইয়া, পারলে এই আদালতরে স্বচ্ছ করার পরামর্শ দেন। আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করেন।

বিচারক পাল্টাইলে আর বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের ব্যবস্থা করাটা কি অসম্ভব? কোনো আইনি ব্যবস্থার মধ্য দিয়া কি সেটা সম্ভব না? যদি হয়, তাইলে জামাতিগো কথা একটু শুনেন। এত ভয় কিসের?

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:০০

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: ভাইয়া আমি চালাকি করি না বোকামী করি সেইটা আপনার বিবেচনা। আপ টু ইউ।

অন্যান্য যেসব বিচার এই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে হয়েছে তার ভেতর উল্লেখযোগ্য হচ্ছে রুয়ান্ডা, সিয়েরা লিওন, কেনিয়া, হেগ ট্রায়াল। এই ট্রায়াল গুলো ইউ এন এর তত্ত্বাবাধানে হয়েছিলো এবং সেটির দরকার ছিলো অনেক গুলো কারনে। সে সময়কার যুদ্ধ বিদ্ধস্ত অঞ্চলে সব কিছুই তদারকি করত জাতি সংঘ। একটা পান থেকে চুন খশলেও সেটা ইউ এন সংস্থা দেকভাল করতো। সে কারনেই এই বিচারে ইউ এন সম্পৃক্ত হয়েছে। আরো উদাহরন হিসেবে রয়েছে ইরাক, কম্বোডিয়া। এই দেশ গুলার আইন ব্যাবস্থা ও পরিপ্রেক্ষিত এমন অবস্থায় ছিলো যেখানে নিজেরা বিচারের ব্যাবস্থা করবে, এই ব্যাপারটাই ছিলো হাস্যকর ও অবাস্তব।

কিন্তু লক্ষ্য করে দেখুন কানাডার মুনাইঞ্জার বিচারের কথা। সেখানে একজন মাত্র বিচারক দিয়ে বিচার করা হয়েছে খুব দ্রুত। এছারাও ডেনমার্কে বিচার হয়েছে রেফিক সেরিকের। এছাড়াও , ইস্রাইলে বিচার হয়েছে এডলফ আইকম্যান এর নিজস্ব বিচার ব্যাবস্থায়। যা পরবর্তীতে প্রিসিডেন্ট হিসেবে ব্যাভার হয়েছে এই জাতীয় অপরাধের ক্ষেত্রে। আর এইসব বিচারে উক্ত দেশের আইনজীবিরাই মামলা মুভ করেছে। বাইরের দেশের নয়। আবার ধরেন নুরেমবার্গ ট্রায়াল। এইখানেও মিত্র বাহিনীরা মামলা পরিচালনা করেছে।

বাংলাদেশের বিচার ব্যাবস্থা একটা সেটেলড অবস্থানে বিরাজ করছে। গত ৪০ বছরে আমাদের আইন আদালত যে কর্ম ধারা আর বিচারের রায়ের ক্ষেত্রে যে প্রজ্ঞা দেখিয়েছে তা অতুলনীয়। আমাদের আইন মন্ত্রী ২০১০ সালে কাম্পালাতে এই ট্রাইবুনাল নিয়ে আন্তর্জাতিক একটি সেমিনারে বক্তব্য রাখেন এবং সেটি ব্যাপক আকারে সমাদৃত হয়। ইনফ্যাক্ট আই বি এসোসিয়েশন যারা অনেক গুলো সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে আমাদের এই আইনের ক্ষেত্রে, তারাও স্পষ্ট ভাবে স্বীকার করে নিয়েছে যে এই আই আইন আন্তর্জাতিক মানের। একই কথা বলেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

আর স্টিভেন র‍্যাপ যে এত বড় বড় কথা বলে, আপনি কি জানেন যে তার দেশ আমেরিকা এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আইনের অন্যতম সংবিধি "রোম সংবিধি" র‍্যাটিফাই-ই করেনি। সেই দেশের আইনজীবি কিভাবে যুদ্ধাপরাধের বিষয়ে ও আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে কথা বলে।

তার কথার প্রতি লাইন বাই লাইন উত্তর আমাদের কোয়ালিশন থেকে আমরা দিয়েছি। পড়ে দেখুন নিচের লিঙ্ক থেকে-http://icsforum.org/library/files/354_ICSF2011.pdf

১৩| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:৫১

উন্মোচক বলেছেন: প্রসিকিউশন আর কী করবে? তারা অশ্বডিম্ব পাড়লেও কোনো সমস্যা নাই। যেই বিচারক নিয়োগ করা হইছে, তাতে এই আদালতরে 'রাবার স্ট্যাম্প', 'ক্যাঙ্গারু কোর্ট' নামে অভিহিত করলেও খুব কম হইতাছে।

বিচারকরা এইহানে সম্পূর্ন বায়াসড। তদন্তকারী কর্মকর্তার সামনে সাক্ষীরে জেরা করা হয় না- এইডাই নিয়ম এবং অনুসৃত নীতি। কিন্তুক এই আদালতে সেইডাই করা হইতাছে এবং বিচারক এইডারে 'কোনু সমস্যা না' কইয়া উড়ায়া দিছে।

চিন্তা করেন!!!

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:০২

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: এই ট্রাইবুনাল যে নিরপেক্ষ তা খুব ভালো করে প্রমাণ হোলো মুজাহিদ আর কামারুজ্জামানের অভিযোগ আবার সাবমিট করতে বলার মধ্য দিয়ে। যদি ট্রাইবুনাল নিরপেক্ষই না হবে তা হলে তো রিপোর্ট ভুল কিংবা শুদ্ধ যাই হোক, ট্রাইবুনাল তা আমলে নিত। ঠিক না?

১৪| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৫৫

শেহাব বলেছেন: জামাত যা আকাম করসে আর ভোদাইয়ের মতো প্রমাণ রাখসে কলা গাছ গিয়েও যদি প্রসিকিউট করে তাহলেও যেগুলারে ধরসে প্রত্যেকটার ফাঁসি হবে।

কিন্তু দলটাকে ও নিষিদ্ধ করা দরকার।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৭

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: ঠিক

১৫| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৫৯

আতা63 বলেছেন: সারা হোসেন ও তানজীব সাহেবের লেখাটি ইউএনডিপি,র সাথে জড়িত। এটা পড়ে আমি সময় নষ্ট করতে রাজী না। আমাদের স্বাধীনতা খোদা না করুক যদি কোন বিপর্যয়ের মুখে পড়ে তার অনেকগুলো সমস্যার সৃষ্টি করছে ইউএনডিপি। পশ্চিমাদের শয়তানী অনেক সূক্ষ্ণ। বোঝানো বড়োই কঠিন।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৭

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: না পড়লে অনেক কিছুই জানতে পারবেন না

১৬| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৫৯

আতা63 বলেছেন: সারা হোসেন ও তানজীব সাহেবের লেখাটি ইউএনডিপি,র সাথে জড়িত। এটা পড়ে আমি সময় নষ্ট করতে রাজী না। আমাদের স্বাধীনতা খোদা না করুক যদি কোন বিপর্যয়ের মুখে পড়ে তার অনেকগুলো সমস্যার সৃষ্টি করছে ইউএনডিপি। পশ্চিমাদের শয়তানী অনেক সূক্ষ্ণ। বোঝানো বড়োই কঠিন।

১৭| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৫৮

েসাহা৬৬৬ বলেছেন: এটা কি যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল না আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল ?

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২০

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: এটা আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল। এই বিষয়ে বিস্তারিত উত্তর উপরে দেয়া হয়েছে।

১৮| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২২

আসাদ ১০০ বলেছেন: ভাই, গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ধন্যবাদ। এবার যদি ছাগুদের মগজে ব্যাপারটা ঢুকে।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৬

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: চেষ্টা তো চালিয়ে যাচ্ছি ভাই। কিন্তু এরা ব্রেইন ওয়াশড

১৯| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৪৫

মৌসুম দাশ বলেছেন: আপনি যেভাবে যুদ্ধাপরাধীদের লেঞ্জা দেখিয়ে দিচ্ছেন, আপনাকে অন্তরের অন্তস্থল থেকে স্বাগত জানাই

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৬

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

২০| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ২:২১

এ হেলাল খান বলেছেন: অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারলাম। কিন্তু কিছু ছাগু বুঝতেছেনা অবশ্য বুঝবে কিভাবে বুঝলেতো আর ছাগু হইত না। চমৎকার লেখার জন্য +++

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:৫৩

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য

২১| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৩:২২

তৌফিক জোয়ার্দার বলেছেন: ভাই, এখানে অনেকেই আইনের মারপ‌্যাচ দিয়ে কতগুলো ক্রিমিনালকে সেফ করার চেষ্টা করছে। আপনি যে কিভাবে এদের উত্তর দিয়ে যাচ্ছেন বুঝতে পারছিনা। আমার তো ঘৃণায় গা রি রি করছে। এমন জানোয়ারও আছে!!

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:৫৪

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: ভাই, কি আর বলব বলেন? আমাদের এই বিচারের ক্ষেত্রে যেখানে ১৬ কোটি বাঙালী এক হবার কথা ছিলো সেখানে আজকে সবচাইতে বড় ফাইট দিতে হচ্ছে আমাদের দেশের কিছু মানুষদের সাথে। এই দুঃখ রাখবার জায়গা নেই

২২| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৪৬

মাসুম সরকার বলেছেন: আমাদের ইতিহাসের প্রধান শত্রু _____বি এন পি, দেশবাসি ভেবে দেখুন।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:৫০

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: অবশ্যই

২৩| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২১

মেঘনা পাড়ের ছেলে বলেছেন: আপনার এই পোষ্ট ছাগুদের এন্টেনায় ধরবে না।

আপনি ধৈর্য্যসহকারে এই ছাগুদেকে বুঝাচ্ছেন দেখেই আমার কষ্ট লাগছে।

এগুলির মাথায় তো মগজই নেই, আছে ছাগলের নাদি ।

এগুলির ম্যাৎকার যত বাড়বে, ততই বোঝা যাবে তাদের হুজুরদের কেয়ামত সন্নিকটে !

০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:৫১

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: ঠিক বলেছেন ভাই

২৪| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:২০

বেঈমান আমি বলেছেন: অবশেষে ছাগুরা আপনার পোস্টে আসা শুরু করেছে ।ভালো লক্ষন।আপনি আইনজিবি ভাই আমরাতো আমজনতা।বাংলাদেশের আমজনতার মতামত হলো এই রাজাকার গুলোরে রাস্তায় ফেলে গন ধোলায় দিয়ে মেরে ফেলা হোক।আর ছাগু রা আসছে আইনের ভুল ধরতে।এগুলোর লজ্জা শরম মনে হয় নাই।নিজের জন্ম পরিচয় প্রকাশ করে এই খানে এসে।ভালো থাকবেন।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:৫০

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: এদের লজ্জা কি কখনো ছিলো ভাই?

২৫| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৫

সৈয়দ ফয়সল রেজা বলেছেন: ধনবাদ বিষয়টা এতো সহজ ভাষায় লেখার জন্য। একটা কথা ভাই, ছাগুদের বুঝানোর চেষ্টা বাদ দেন, খালি খালি আপনার সময় নষ্ট করতেছেন ঐগুলার পিছনে।লাথি মাইরা বের করে দেন শালাদের।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:৫০

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ পড়বার জন্য। মাঝে মধ্যে আমারো খুব রাগ হয়, বাট ধৈর্য্য ধরে কথা বলবার চেষ্টা করি আর কি...

২৬| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:২৮

গরম সিঙ্গাড়া বলেছেন: জানি অপ্রাসংগিক তারপরও জানতে চাচ্ছি,

"বিবিসিকে শাহরিয়ার কবির বলেন, আইনজীবীরা যদি ১৯৭৩ সালের আইনটি অনুসরণ করেন, তাহলে তাঁরা আর ব্যর্থ হবেন না। ট্রাইব্যুনালের প্রসেকিউটরদের অভিজ্ঞতার ঘাটতি আছে, এই মামলা সম্পর্কে তাদের উপলব্ধির ঘাটতি আছে। এখনো তাঁরা প্রচলিত সনাতনী সাক্ষ্য আইনের বেড়াজালে আটকা পড়ে আছেন।কিন্তু সাক্ষ্য আইনে তো গণহত্যার বিচার হয় না। এটা কমান্ড রেসপনসিবিলিটির বিষয়। এটি একটি কালেকটিভ ক্রাইম।তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালের আইনে বলা হয়েছে যে এখানে সাক্ষ্য আইন অনুসরণ করতে হবে না, বরং এখানে খবরের কাগজের বক্তব্য-বিবৃতি ইত্যাদি সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হবে।"

আমার কাছে ওনার কথা যুক্তিযোগ্য মনে হচ্ছে। এভাবে সাক্ষ্যপ্রমান গ্রহণ চলতে থাকলে বিচারের রা্য় প্রদান পিছিয়ে যেতে পারে।

আপনি কি বলেন?
ধন্যবাদ।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:৪৯

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: নিজামী, মুজাহিদ আর গোলামের মামলাটা একটু কম্পলিকেইটেড। এখানে কমান্ড রেস্পন্সিবিলিটি' র ইস্যু আছে। বাট মাথায় রাখতে হবে যে এরা এইডিং, এবেটর, কন্সপায়েরেসি থিওরী ইত্যাদি ইস্যুর মধ্যেও পড়ে। দেখা যাক, দেখি এদের বিরুদ্ধে ফাইনাল অভিযোগ। তারপর কথা বলা যাবে এই বিষয়ে।

২৭| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:৫০

গরম সিঙ্গাড়া বলেছেন: আপনি খুব ঠান্ডা মাথায় ছাগুদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন। আপনার ধৈর্য্য দেখে অবাক হচ্ছি। যাই হোক।

১) ছাগুরা আপনাকে প্রশ্ন করে আপনার কাছ থেকে কোন কিছু জানার জন্য নয় বরং আপনাকে আটকানোর জন্য।

২) তারা কোন হোম ওয়ার্ক করে না, তবে তারা একটা মাইন্ডসেট নিয়ে আসে।

৩) এরা প্রথম প্রশ্নটি আপনাকে করবে, আপনে উত্তর দিবেন। কিন্তু তাদের মাইন্ডসেট চেন্জ হবে না। প্রশ্নের পর প্রশ্ন করবে উত্তরের পর উত্তর দিবেন। কিন্তু কোন লাভ হবে না।ছা্গু হয়ে ব্লগে এসেছিল, ছাগু হয়ে ব্লগে থেকে বের হয়ে গেল।এদের লাভ শুধু এটুকুই যে এরা একটু টাইপিং প্র‌্যাকটিস করে নিল।

ধন্যবাদ, ড: মিজানুর রহমানের অডিও সাক্ষাৎকারের লিংকটির জন্য।
ওনার কথা না শুনলে জানতামই না যে সাইদী সাহেব লান্চ আওয়ারে আজকাল লাল আপেল খাচ্ছেন, আল্লাহ মালুম লান্চের মেন্যুতে না জনি কি ছিল!!

আমি রাজাকারদের উপর একটা কার্টুন ও ছবি সংকলন করে যাচ্ছি। আমন্ত্রণ রইল।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:৪৬

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: আপনার পোস্টটা সংগ্রহে রাখার মত একটা পোস্ট হয়েছে ভাই

২৮| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ২:১৭

কাউন্সেলর বলেছেন: নতুন বছরের শুভেচ্ছা।
অনেক ভালো থাকুন।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:৪৬

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: আপ্নাকেও ধন্যবাদ

২৯| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:৫৫

াহো বলেছেন: +++++++++++

৩০| ০১ লা আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৩৩

রুমি আলম বলেছেন: + + + + + + + +

অসাধারন পোষ্টের মেরিট এবং অসাধারন তার বর্ণনা শৈলী।


ভাই আমি নতুন ব্লগার। একখানে লিঙ্কটা পেয়ে পড়লাম। খুবই ভালো লেগেছে।




আপনার জন্য শুভকামনা নিরন্তর।

০৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১:৫৪

নিঝুম মজুমদার বলেছেন: :D

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.