নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ছোট বেলায় বাংলা ছবির খুব একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলাম, আমাদের বাংলা ছবিগুলাতে নায়কদের উপস্থাপন করা হয় মোটামূটী দাগি টাইপের ভিলেনের সাঝভঙ্গিতে, শূধু আমাদের দেশে যে এই কালচার তা কিন্তু না, হলিউড, বলিউড সকল ক্ষেত্রেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই রীতি পালন করা হয় নায়কদের উপস্থ

গহীনে যে শব্দের অশূন্য নিরবতা, আমি সেই শুন্যে খুঁজে ফিরি আমার স্বধীনতা।।

শূন্যের গুনিতক

ভষ্ম করে কষ্টগুলা উড়িয়ে আবার দিয়েছি, পাখির সাথে দূর আকাশে জলের উপর ভেসেছি...

শূন্যের গুনিতক › বিস্তারিত পোস্টঃ

কিছু মানুষের গরুর ব্যাপারীদের নিয়ে দুঃখের কারন বুঝলাম না :| :|

২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৫১

সহজ অংকঃ গরুর দাম ৬০০০০ টাকা (এবারের বাজার দর অনুসারে)। মাংশ আনুমানিক ৪ মন=১৬০ কেজি। পুরো গরুটাই যদি সলিড মাংশ ধরি তাহলে বর্তমান বাজারদর অনুসারে প্রতি কেজি ২৫০ টাকা (বেশি ই ধরলাম) হিসেবে ১৬০ কেজির দাম আসে ১৬০*২৫০=৪০০০০ টাকা। সম্পূর্ণ গরু সলিড মাংশ হলেই (যদি অর্ধেকের বেশি থাকে হাড্ডী ও অন্যান্য অংশ যার বাজারমূল্য ও অনেক কম, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এগুলো কসাইরা নিজেরাই খেয়ে ফেলে, মূল মাংশের সাথেই এসবের হিসাব করে প্রতি কেজি ২৫০ টাকা গড়ে বিক্রয় করে ব্যাবসা করে) প্রায় বিশ হাজার টাকার মত লাভ হচ্ছে গরু বিক্রেতাদের। তাহলে যদি সঠিক হিসাবে লাভ তো নিশ্চই আরো অনেক বেশি হবে তাই না? তাহলে যেসব ব্যাপারীরা গরুর দাম পান নাই, না খেয়ে মরতে হবে হ্যান ত্যান বলছে তারা কোন হিসাব থেকে কিভাবে বলছে এই কথাগুলো? সুশীল সমাজের অনেককেও গরুর ব্যাপারীর দুঃখে দুঃখিত হতে দেখলাম; অনেক ভারত বিদ্বেষীরা সরাসরি ভারতের গরু আমদানীর ব্যাপারে সরকারের উদাসীনতা নিয়ে হায় হুতাশ করছেন। আপনাদের কাছে আমার এই সহজ অংক টা রইল; আমাকে একটু বুঝিয়ে দিবেন আপনাদের এহেন হায় হুতাশের কারন কি? এবারের বাজার একটু সহনীয় ছিল বলেই আমাদের মত মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো ঈদ করতে পারছে হাসিখুশিভাবে। আমি দেখি, আমার আব্বুর কষ্টে কামানো টাকা এই কুরবানীর ঈদের সময় ব্যায় করতে কত হিসাব নিকাশ করতে হয়; কত দুশ্চিন্তা নিয়ে থাকতে হয় বাকি মাসের জন্য; আপনাদের অনেক টাকা তাই খরচ করতে সমস্যা নেই; করুন খরচ, গরুর ব্যাপারীদের নিয়ে এতো টেনশন হলে নিজেরা যে গরুর দাম ৬০০০০ টাকা চায় সেটা এক লাখ টাকা দিয়ে কিনুন, সমস্যা নাই। কিন্তু আমাদের মত মধ্যবিত্তের কথা মাথায় রেখে এসব সুশীলতা বাদ দেওয়া যায় না? গরিবের জন্য আপনার অনেক উদারতে, প্রদর্শন করুন তাতে সমস্যা নেই, কিন্তু আপনার এহেন উদারতা আমাদেরকে যে গরিব বানানোর পথে নিয়ে যাচ্ছে সেই ব্যাপারে চিন্তা করে দেখেছেন কি? ভারত থেকে আরো বেশি গরু আমদানী করা হউক, এতে আমি ক্ষতি দেখছিনা কোন। দেশের নিম্ন আয়ের এতোগুলো মানুষের মুখে হাসির মূল্য কি ভারতে গরুর দাম হিসেবে চলে যাওয়া টাকার মূল্যের চেয়ে কম না বেশি??

মন্তব্য ২৫ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (২৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:০৬

আতিকুল০৭৮৪ বলেছেন: সহমত

২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:২২

শূন্যের গুনিতক বলেছেন: :)

২| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১৫

সংবাদিকা বলেছেন: আপনার পরিবারের কেউ কিংবা আপনি কোনদিন ব্যবসা করেছেন ?? যেভাবে হিসেব দিলেন, তাতে মনে হচ্ছেনা :-< :-<

আর বাজারে সব মানের গরুই আছে, যার যেটা পছন্দ সামর্থ্য অনুযায়ী সেটাই কিনেছেন। :)

২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:২৬

শূন্যের গুনিতক বলেছেন: প্রথম কথাটি বুঝলাম না কি বুঝালেন?

আর হ্যাঁ সব মানের গরু আছে, এবারের জন্য। অনেকের ছাগলের বাজেট দিয়ে এবার গরু কিনা হয়ে গেছে। আগে এরকম অবস্থা ছিল না, বিগত কয়েকবছর চওড়া মূল্য ছিল। সবাই ঈদ ভাল করেই কাটাতে চায়, গরুর দাম সহনীয় পর্যায়ের হলে তা সম্ভব সহজেই, আর এর জন্য সবার একান্ত সহযোগীতা প্রয়োজন। আমি এটাই বলতে চেয়েছি। :)

৩| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১৫

ধূসর সপ্ন বলেছেন: গরুর ব্যপারীদের হিসেব আমিও বুঝি না কিন্ত যে সকল কৃষক নিজে গরু লালন পালন করে বাজারে নিয়ে এসেছে তাদের কথা বলছি - একটা গরু তারা অনেক কষ্টে বড় করে এই কোরবাণীকে সামনে রেখে কোন কোন সময় কৃষক অনেক উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে গরু লালন পালন করে কিন্ত সেই গরুর কিক্রি করে যদি তাদের ঋণ-ই- শোধ না হয় তাহলে সে কৃষক বা গরু কিক্রেতার কান্না করা ছাড়া আর তো কোন উপায় থাকে না !! এর উত্তর আপনি কি ভাবে দিবেন

২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:৩৩

শূন্যের গুনিতক বলেছেন: ব্লগার রানা বলেছেন: সেটাই তো ভাইসাহেব বুঝতে চাইছে । যুক্তিগুলো কি ? আর আমরা তাহলে সারা বছর কম দামে কিভাবে গরুর মাংস খাই ? তখন লস হয় না ? যাই হোক আমি ও শুধু জানতে চাইছি

অন্যান্য সকল দেশে প্রয়জনীয় জিনিসের দাম কম থাকে আর আমাদের দেশে মানুষের প্রয়োজনকে নিয়েও অযাচিতভাবে ব্যাবসা করা হয়, আমি হিসাব দেখালাম, এখানে লস কেমনে হয় আমাকে বলতে পারবেন? বিশ হাজার টাকা যেনোতেনো হিসাবে লাভ, সুক্ষ্ম হিসাব করলে আমার মনে হয় তা দ্বিগুনকে ছাড়িয়ে যাবে না হয় দ্বিগুনের কাছাকাছি যাবে। আর কৃষকরা ঠিক ই তাদের নায্য মূল্য পান, সিণ্ডিকেটের মাধ্যমে গরুর ব্যাপারীরাই বাজারের বেহাল দশা করে রাখেন।

৪| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:২৮

ব্লগার রানা বলেছেন: সেটাই তো ভাইসাহেব বুঝতে চাইছে । যুক্তিগুলো কি ? আর আমরা তাহলে সারা বছর কম দামে কিভাবে গরুর মাংস খাই ? তখন লস হয় না ? যাই হোক আমি ও শুধু জানতে চাইছি

২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:৩৩

শূন্যের গুনিতক বলেছেন: :) :)

৫| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৪:২৭

আসিফরাশেদ বলেছেন: চরমভাবে সহমত। তবে আমার একটা ছোট্ট কথা আছে। সেটা হোল গত বছর যেভাবে আমদের মত সাধারণ মানুষকে গরু ব্যবসায়ীরা বিপদে ফেলছিল এবছর তাদের এটা প্রাপ্য ছিল। আমরা যদি আমাদের মূল্যবোধকে উন্নত না করি এই ঘটনা চক্রাকারে ঘটতেই থাকবে।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:৩৬

শূন্যের গুনিতক বলেছেন: শুধু গত বছর না ভাই, আমি গত কয়েক বছর ধরেই একই ব্যাপার দেখছি, বেশিদিন না দুই পাঁচ ছয় বছর আগেও আমাদের গরুর বাজেট ছিল বিশ হাজার, এবং এই বাজেটে বেশ ভাল মানের গরু পাওয়া যেতো। কিন্তু সেই গরুর দাম বাড়তে বাড়তে এখন ঐ সাইজের গরু কোরবানীর হাটে বিক্রী হয় তিন গুন বেশি দামে। লাভ করা ভাল, কিন্তু এতো বিশাল পরিমান লাভ করতে গেলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও একটা খুব বাজে প্রভাব পড়ে যায় যা আমরা বর্তমানের কাঁচা বাজারের অস্থিতিশীল অবস্থা থেকে বুঝতে পারি।

৬| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৪:৩৬

অপু ওপি বলেছেন: পয়েন্ট ভাল লাগল

২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:৩৭

শূন্যের গুনিতক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

৭| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:৩৪

শরিফ নজমুল বলেছেন: ভাই আপনার অংক ঠিক আছে,কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়।
কুরবানীর গরুর বাজার আর সারা বছরের গরুর মাংসের বাজারের মনে হয় একটা বেসিক পার্থক্য আছে।
সাধারনত সারা বছর যেঁ গরু গুলো জবাই করা হয়, তার একটা বড় অংশ ভারত থেকে আসে। আরেকটা বড় অংশ দেশের সাধারন কৃশিকাজে যেঁ সমস্ত গরু ব্যাবহৃত হয়, তার একটি অংশ আসে। এই গরুগুলিকে কেউ বিশেষভাবে শুধু খাওয়ার উপযোগি করে পালন করে না। বিভিন্ন কাজে সার্ভিস দেবার পর এ গুলি কসাই খানায় আসে।

যেমন ধরুন কেউ মুলত গাভী পালন করে দুধ বিক্রির জন্য, বাছুর বড় হলে সে বক্রি করে দেয়। কিম্বা হাল-চাষের বলদ যখন তার পারফরমেন্স হারিয়ে ফেলে তাকে বিক্রি করে দেয়। কিম্বা যে গাভী প্রজনন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে কিম্বা যেঁ হারে খায় কিন্তু সে হারে দুধ দেয় না তাকে বিক্রি করে দেয়া হয়।
এগুলির প্রান্তিক মুল্য (marginal cost) অনেক কম থাকে, আমরা সেই দামে সারা বছর গরুর মাংশ খাই। আর খাই মহিষের মাংশ, গরু হিসাবে।

কিন্তু কুরবাণির গরুর বাজার বিষয়টি কিন্তু আলাদা।

অনেকে ভালো জাতের গরু কিনে নিয়ে ঈদের সময় বিক্রির জন্য বেশ লম্বা সময় ধরে পালন করে। এই গরু গুলিকে নিয়মিত ভাবে উন্নত মানের খাবার সরবরাহ করা হয়।

যেহেতু ঈদের বাজারের চাহিদা সাধারনত বেশি হয়, লোকজন এখানে বিশেষভাবে বিনিয়োগ করে থাকে। এই সমস্ত গরু পালনের Opportunity cost অনেক বেশি। কেউ একজন হয়ত সা্রা বছরের টার্গেট ধরে শুধু কোরবাণির জন্যই গরু পালন করছেন। এই বাজার যেঁ আলাদা সেটা স হজেই বুঝতে পারবেন শুধু ষাড়ের সংখ্যা বিচারে, কোরবানীর বাজারে বড় অংশ ষাড় কিন্তু সাধারন গোশ্তের বাজারে ষাড় কিন্তু খুজে পাবেন না। যেগুলো পাবেন তা বেশ অল্প বয়সী, মায়ের দুধ ছাড়বার পর খুব কম সময় তাকে পালন করা হয়।

মোদ্দা কথা, মুল পার্থক্য হলো, সাধারন গোশ্তের বাজারে ওই সমস্ত গরু পাওয়া যায় মুল পশু-পালন পেশার এক্সট্রা প্রোডাক্ট হিসাবে, যার ফলে marginal cost এ, আর কুরবাণির বাজারের এক্সট্রা বিনিয়োগ হয় (বিশেষায়ত প্রোডাক্ট) আর তা কিনতে হয় total cost-এ। আর এঈ খরচ টা বেড়ে আমাদের দেশের বিভন্ন সেবার(পরিবহন খরচ বেশী ইত্যাদি) দক্ষতার এবং অপ-সেবা (চাদাবাজী)র আধিক্যের কারনে।

যদি আপনার অংক ঠিক হতো তবে কাল যার গরুর বাজারে বসে অঝোরে কাদছিলেন শেষ বেলায়, তারা কাদতো না। আমাকে বিশ্বাস করুন, এই লোকগুলোর লোভ আমাদের শিক্ষিত শ্রেনীর তুলনায় অনেক কম!

এক ভাই মন্তব্যে লিখেছেনঃ
"সেটা হোল গত বছর যেভাবে আমদের মত সাধারণ মানুষকে গরু ব্যবসায়ীরা বিপদে ফেলছিল এবছর তাদের এটা প্রাপ্য ছিল। আমরা যদি আমাদের মূল্যবোধকে উন্নত না করি এই ঘটনা চক্রাকারে ঘটতেই থাকবে।"
এটার সাথে মুল্যবোধের কি সম্পর্ক বুঝলাম না, এটা অর্থনীতি খুব সাধারন ডিমান্ড-সাপ্লায় এর ব্যাপার। গতবার গরু কম ছিল দাম বেড়ে গেছে, আর এবার গরু বেশি হয়েছে দাম পড়ে গেছে।


২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:৫৩

শূন্যের গুনিতক বলেছেন: আপনার কথা ঠিক আছে, গুছিয়ে সুন্দর করে বলেছেন। কিন্তু কিছু ব্যাপারে দ্বিমত আছে। একসময় হয়তো মহিষের মাংশ ই বিক্রী হতো, কিন্তু এখন কসাইদের দোকানে আমি দেখি সাধারন গরুগুলোই (কোরবানী দেওয়া গরুগুলোর মতই) খুব ভোরে জবাই করে সেগুলোর মাংশই বিক্রী করে। আমার ভোরবেলা ঘর থেকে বের হতে হয়ে, বিশাল পথ অতিক্রম করতে হয় এবং আমি কোন মাংশের দোকানে কখনো মহিষ জবাই করতে দেখিনি। তাহলে সাধারন কসাইগুলো কিভাবে পারে এই গরুগুলোকে জবাই করে এই দামে বিক্রয় করতে?

যদি আপনার কথা সঠিক ও হয় তারপরেও কথা থেকে যায়, গরুর জন্য অতিরিক্ত খুব বেশি যত্নের প্রয়োজন তেমন একটা নেই,(আমি খুব কাছে থেকে দেখেছি কোরবানীর উদ্দেশে গরু পালন করতে) যা আছে সেই খরচগুলো ও কোনমতে এমন না যে কেজি প্রতি বিক্রয় করে লাভের মুখ দেখা যাবেনা। তাহলে গরুর বাজারে অযাচিত দামের কারন কি?

তাও ধরুন আপনার কথা মেনে নিলাম, সেইজন্যই আমি সমস্ত গরুকে সলিড মাংশ হিসেবে নিয়েই হিসাব টা দেখিয়েছি এবং লাভের পরিমান দেখিয়েছি। কিন্তু এর চাইতে দাম যখন বেশি হয় (যা বিগত কয়েকবছরে দেখা গিয়েছে) তখন তা কতটা যৌক্তিক? ষাট হাজার টাকার একটি গরুতে বিশ হাজার টাকা লাভ কি কম?

৮| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৮:৫৮

নিউক্লিওলাস বলেছেন: ভাইয়া আমি এত হিসাব নিকাশ বুঝি না।তবে গতবার দেখেছি গরুর ব্যাপারীদের সিন্ডিকেট।অনেক মানুষ কোরবানি দিতে পারে নাই এই বাটপারগুলোর জন্যে। হঠাৎ করে ঢাকার হাট থেকে গরু উধাও করে দিয়ে সংকট তৈরি,২০০০০ টাকার গরু ৭০০০০ টাকায় বিক্রি।আল্লাহর বিচার বলে একটা কথা আছে।মানুষকে ধোঁকা আর প্রতারনার পরিনাম আল্লাহর লানত।এজন্যই সৎ আর ইসলামিক মূল্যবোধ ধারন করে মুসলমানদের ব্যবসা করা উচিৎ।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:১৭

শূন্যের গুনিতক বলেছেন: :) :)

৯| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:১২

পাগল পাগল বলেছেন: এইবার কোরবানিতে আসল গরুর মালিকরা ধরা খান নাই.। ধরা খাইছে কিছু দালাল, যারা ওই মালিকদের কাছ থেকে গরু কিনে আনছিল বেশি দামে বিক্রি করবে বলে.। খামারি মালিকরা গরু বিক্রি না করে আগামি বছর বিক্রি করবে বলে গরু ফেরত নিয়ে গেছে। কিন্তু বাটে পরে গেছে মৌসুমি বিক্রেতারা। তাদেরতো গরু রাখার জাইগাই নেই, তাই লসে গরু বিক্রি করছে। এদের এই দশাই হউয়া উচিত।

২৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:১৫

শূন্যের গুনিতক বলেছেন: সহমত

১০| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:২৮

মদন বলেছেন: কীবোর্ড মাউসে ফটাফট টাইপ করে হিসেব বের করা সহজ, কিন্তু সারা বছর কষ্ট করে গরু পালন করে সেটির দাম না্ পাওয়া কৃষকের জন্য কত কষ্টের সেটি সামহোয়্যারে বসে বোঝা যাবে না।

একটি উদাহরন দেই,
আমাদের গ্রামের একজন তার একটি গরু নিয়ে ঢাকাতে গেছেন। গরুর ওজন আনুমানিক ৪০০কেজি। সেই হিসাবে শুধু মাংসের দাম হয় প্রায় ১লাখ টাকা। কিন্তু কোরবানীর গরু হিসেবে সে গরুর দাম হবে কমপক্ষে ১লাখ ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার। সেই গরুর দাম উঠেছিলো রামপুরা হাটে সর্বোচ্চ ৮০ হাজার এবং ঈদের আগের রাতে অনেকে শুধু ৪০ হাজারও বলে গেছে।

যে কৃষক একবছর ধরে অনেক কষ্ট করে গরুটি লালন করেছে এখান থেকে একটি লাভ বের করবে সেই আশা করে, সেখানে এমন দাম তাকে কতটুকু কষ্ট দেয় আপনি সামহোয়্যারে বসে বুঝবেন কিভাবে? তাকে ট্রাকে করে রাজশাহী থেকে গরুটি ঢাকায় নিয়ে যেতে হয়েছে এবং বিক্রি না হবার কারনে আবার ফেরত আনতে হয়েছে। এবার বলুন সেই কৃষক কান্নাকাটি করবে নাকি আপনাকে সাথে নিয়ে বুফেতে খেতে যাবে????

২৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:২৮

শূন্যের গুনিতক বলেছেন: পাগল ভাই এর কথাটা আমার দৃষ্টিকোন থেকে পুরোই ঠিক। কৃষকরা দাম ঠিক ই পায় কিন্তু দালাল এবং মৌসুমী ব্যাবসায়ীরা একটু ধরা খেয়েছে কিন্তু সেটা কিন্তু লসের ধরা না, লাভ কমের ধরা। ব্যাবসায় কেউ লস করতে নামেনা এটা সাধারন হিসাব। যদি এমন হতো লস করে বিক্রঈ করতে হচ্ছে তাহলে তারা গরু বিক্রী ই করতো না। কসাইদের কাছেই বেচে দিতো নাহলে কোরবানীর পর এলাকায় ভাগের গরু হিসেবে জবাই করে সেভাবে লাভ তুলে আনতো। লাভ করাতে আমার সমস্যা নাই, কিন্তু এভাবে মধ্যবিত্তদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে তাদেরকে আরো অসহায় বানানোটাতেই আমার আপত্তি।

কৃষক কখনোই তার গরু লসে বিক্রয় করবেনা, কারন সে কৃষক, গরু পালন ই তার পেশা। যাতায়াত খরচ দিয়ে গরু এনে দুই তিনটা বিক্রী করলেই সেই খরচ উঠে আসবে। নিজের লাভ সবাই বুঝে, কিন্তু লাভের পরিমান এমন কেনো হবে যাতে করে অর্থনীতির পুরা ব্যবস্থার উপরেই চাপ পড়বে?? এটা অনৈতিক। আমার বিপত্তি সেখানেই, আর আমি সেগুলো হিসাব নিকাশ করে দেখিয়েছি। আপনে কোন যুক্তির ধারে না গিয়ে কোন পরিসংখ্যানে না গিয়ে শুধু শুধু বললেতো হবেনা যে সামুতে এটা বুঝানো সম্ভব নয়। আমি বলেছি যে আমি খুব কাছ থেকে কোরবানীর উদ্দেশ্যে গরু পালন দেখেছি, খরচ সম্পর্কে জানি। আপনে কিভাবে শিওর হলেন যে কৃষকদের লাভ হয়নাই? আমি যদি মুখে বলি আমি বারাক ওবামা সেটা আপনি বিশ্বাস করবেন? কারন ছাড়াই? গুটিকয়েক সংবাদে কয়েকজন বলল তাদের লস হয়েছে আর আপনি সেটা মেনে নিলেন? কোন যুক্তিতে কেমনে?

১১| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৩৩

মদন বলেছেন: @ পাগল পাগল
না জেনেই কত সুন্দর মন্তব্য করে বসলেন।

গত বছর গরুর দালালরা সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে গরুর দাম বাড়িয়েছিলো অনেক। অধিক দামের আশায় এইবার অনেক কৃষক ঢাকায় গরু এনেছে। এবং যথারীতি ধরা খেয়েছে। দালালরা জানেই এইবার লাভ হবে না। তারা এবার আগে থেকেই সতর্ক থেকেছে, যত ক্ষতি গেছে নিরীহ কৃষক আর ছোট ব্যবসায়ীদের উপর।

১২| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১৯

পাগল পাগল বলেছেন: @ মদন- কৃষক ওর গরু বিক্রি না করে ফেরত নিয়ে গেছে, আশা জাওয়ার খরচ ২০০০ টাকা.। একজন কৃষক যদি ২০ টা গরু এনে অন্তত ৫ টাও বিক্রি করতে পারে তাইলেও তার কোন লস হবার কথা না.। উত্তরার হাটে কুষ্টিয়ার কৃষকরা কেও লসে গরু বিক্রি করে নি, সবাই গরু ফেরত নিছে.। আপনি খবর নিয়ে দেখতে পারেন.।

২৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৩২

শূন্যের গুনিতক বলেছেন: আমিও বাজারের কাউকে বলতে শুনিনা তার সর্বোস্ব শেষ হয়ে গিয়েছে, যেই দামেই গরু বিক্রী হয়েছে খুশি মনেই টাকার লেনদেন করতে দেখেছি। আমি গরুর বাজারে অনেকবার গিয়েছি, নিজেদের টা কিনার জন্য, অন্যদেরটা কিনার সময়েও গিয়েছি। কোনবার ই দেখিনি কেউ গরু বিক্রী করে কান্না করছে লস হয়েছে দেখে।

১৩| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:২২

পাগল পাগল বলেছেন: @ মদন- গরু এইবার বিক্রি হয়ই নি, আগামিবার আরও বেশি দামে বিক্রি হবে.। তাই কৃষকের লস নেই.। কৃষক যদি লসে এইবার বিক্রি করে দিত, তাইলেই তার লস হতো.।

১৪| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৫৯

অসাদুল ইসলাম বলেছেন: সুশীলতা জিনিসটা আসলেই কামের একটা জিনিস।
কোরবানির আগে ব্লগের পাতা নষ্ট করছে কোরবানি মানে এই সেই, এত পশু কোরবানি করা অমানবিক, নিষ্ঠুরতা আর ওঁ কত কি। এখন আবার শুরু হয়ছে গরু বিক্রেতারা উপযুক্ত দাম পায়নি, তাদের ক্ষতি হয়েছে হেন তেন।
মাঝে মাঝে মজা লাগে। আবার এই আবাল গুলার জন্য খারাপ লাগে, সময়মত এই গুলারে আবাল দূরীকরণ এর কাজ কেন করা হয়নি।
হায় আবালের দল, কুরবানির হাটে তো আর পদ্মা নদীর মাঝির কুবেরের কাছ থেকে যেভাবে জোর করে ইলিশ কেনা হয় নি, বা ক্ষমতা দেখিয়ে ছিনিয়ে নেয়া হয়নি, বা কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য করা হয়নি। তাহলে এত সমালোচনা কেন।
প্রিয় আবাল সমাজ, চাহিদা বলতে একটা ব্যাপার আছে, বাজারে গরু বেশী থাকলে আর ক্রেতা কম থাকলে দাম কম হবে, আবার গরু কম আর ক্রেতা বেশী থাকলে দাম বেশী। এইটা নিয়া লাফালাফির কি আছে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.