নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আপাতত চোরকে বলিওনা চোর /\\ জেনো রাত্রীর শেষেই ভোর।

গুরুভাঈ

কি লেইকপো!

গুরুভাঈ › বিস্তারিত পোস্টঃ

এতোদিন সুখে দুখে সংসার করে আসা বউ, মেয়ে, ছেলে, মেয়ে জামাই সবাই খুনি

০৩ রা জুন, ২০২০ দুপুর ১:৫১



ছবির লোকটি আজ শুধুই ছবি, তার নাম সাহাব উদ্দিন বয়স ৫৫। বাড়ি ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার মতিগঞ্জ ইউনিয়নে। ভিডিওতে বাড়িটি দেখুন, দোতালা বাড়ি। চাকরি করতেন একটি পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার হিসাবে। দীর্ঘদিনের সংসার জীবনে তার আছে স্ত্রী, তিন ছেলে, তিনি তার চার ভাইকে প্রবাসে পাঠিয়ে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনটি মেয়ে বিয়ে দিয়ে জামাইদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন। নিজেও বহু অর্থসম্পদের মালিক হয়েছেন। টাকা-পয়সা রোজগার করে সারা জীবনের উপার্জন দিয়ে পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের জন্য অনেক কিছু করেছেন। তার এমন মৃত্যু হল। এর চেয়ে হৃদয়বিদারক আর কী হতে পারে? মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি, কোনো শত্রুকেও যেন তিনি এমন মৃত্যু না দেন। এই মৃত্যু থেকে পৃথিবীর সব মানুষের শিক্ষা নেওয়া উচিত। করোনাভাইরাস মহামারিতে মানবতা যেন আজ থমকে গেছে।

সাহাব উদ্দিন অসুস্থবোধ করায় একা নিজে থানা সদরের হাসপাতালে গিয়ে করোনা পরীক্ষার নমুনা দিয়ে বাড়িতে আসেন। বাড়িতে আসলে বাড়ির সবাই তার সাথে খারাপ ব্যবহার শুরু করেন এবং নিচতালার একটি ঘরে সে ঢুকলে তার পরিবারের লোকেরা বাইরে থেকে ঘরের ছিটকিনি লাগিয়ে দিয়ে দোতালায় চলে যান। এরপর ঘরের ভিতড় হতে বারবার ডাকাডাকি করলেও কেউ সাড়া দেন নাই, এমনকি পরিবারের কেউ খাবার বা পানি পর্যন্ত দেয় নাই। ধারণা করা হয় অসুস্থতা এবং দম বন্ধ হয়ে আতংকে তিনি মারা গেছেন। মারা যাবার পরেও পরিবারের কোনো সদস্য আসেনি, এলাকার চেয়ারম্যান এবং অনান্য মানুষ লাশ বের করে দাফনের ব্যাবস্থা করেন। দাফন দিতেও ঝামেলা, স্থানীয় মসজিদ থেকে খাটিয়া আনতে লোক পাঠালে মসজিদ কমিটির লোকজন দিতে চাননি। তারা তাকে গ্রামে কবর দিতেও বাধা দেন। কবর খোঁড়ার কোদাল এবং গোসলের পর্দাও তারা দিতে চাননি। পরে চেয়রাম্যান গ্রামের লোকদের বুঝিয়ে খাট, পর্দার কাপড় ও কোদাল সংগ্রহ করেন। চেয়ারম্যান নিজের টাকায় কাফনের কাপড় কেনেন।

বর্তমানে তার পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে তালা মেরে অন্য কোথাও গেছেন। এই খুনিদের বিচার কি হবে???????

মন্তব্য ৪৭ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা জুন, ২০২০ দুপুর ১:৫৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়, স্বজনেরা এতটা নির্দয় হতে পারে!
চেয়ারম্যান সাহেবের মহানুভবতায় মুগ্ধ হ'লাম। তার জন্য দোয়া ও শুভেচ্ছা রইলো!

০৩ রা জুন, ২০২০ দুপুর ২:১৭

গুরুভাঈ বলেছেন: আসলেও, চেয়ারম্যানের জন্য দোয়া রইলো।

২| ০৩ রা জুন, ২০২০ দুপুর ২:০১

নেওয়াজ আলি বলেছেন: এই করোনা অনেক কিছু শিক্ষা দিচ্ছে । কিন্তু আপনজন এত অমানবিক হয়

০৩ রা জুন, ২০২০ দুপুর ২:১৯

গুরুভাঈ বলেছেন: এতদিন সংসার করার পরে, এতদিন সংসারের চাহিদা মিটিয়ে দেখলেন কেউ আপনার নয়। এর চাইতে তো এতিমখানায় থাকা ভালো, অন্তত খুন হতে হলো না এমন নির্মমভাবে।

৩| ০৩ রা জুন, ২০২০ দুপুর ২:২১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: পোস্ট পড়েই যা মনে এসেছিল, খায়রুল আহসান স্যার তা অলরেডি বলে ফেলেছেন।

পরিবারের লোকেরা তো রীতিমতো ক্রিমিনাল অফেন্স করে ফেলেছে। পুলিশের উচিত অতিশীঘ্র ঐ ক্রিমিনালদের অ্যারেস্ট করা।

করোনা পরিস্থিতি একটা সামাজিক সমস্যাও সৃষ্টি করে ফেলেছে, যা দূর করার জন্য আরো বেশি মোটিভেশনের দরকার

০৩ রা জুন, ২০২০ দুপুর ২:৩৪

গুরুভাঈ বলেছেন: এই সিমার পরিবারের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে, বিশেষ করে তার বউকে। এমন অপরাধ করে পার পেয়ে যেতে দেওয়া উচিত হবে না।

৪| ০৩ রা জুন, ২০২০ দুপুর ২:৩৪

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ছি ছি কেমন আত্মার স্বজন ওরা, এতটাই নিষ্ঠুর, ইতিহাসে এদের নাম লেখা থাকবে

চেয়ারম্যান সাহেবের নেক হায়াত দিন আল্লাহ

০৩ রা জুন, ২০২০ দুপুর ২:৩৭

গুরুভাঈ বলেছেন: খুবই অমানবিক, অইসলামিক নিষ্ঠুর খুন এইটা। এদের বিচার হউক, ছবি প্রকাশ করা হউক দেশ দেখুক এদের।

৫| ০৩ রা জুন, ২০২০ দুপুর ২:৩৫

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: মানুষকে আর বিশ্বাস করতে ইচ্ছা হয় না!

০৩ রা জুন, ২০২০ দুপুর ২:৪৭

গুরুভাঈ বলেছেন: এই খুনের প্রতিবাদ করা দরকার যাতে করে ঐ নিষ্ঠুর পরিবারটি একটা শিক্ষা পায়। এবং এই হতভাগার যাবতীয় সম্পতি আন্জুমান মফিদুল ইসলামে দান করার ব্যাবস্থা করা দরকার।

৬| ০৩ রা জুন, ২০২০ দুপুর ২:৫৫

পদ্ম পুকুর বলেছেন: সমাজে যখন বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরী হয় তখন অন্যায় অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়ে। আমাদের এখানে সেটাই হচ্ছে। রাষ্ট্রপতির ক্ষমার সুযোগ নিয়ে মুক্তি পেয়ে একজন আবার খুনের সাথে জড়িয়ে যাচ্ছে... এগুলো সামগ্রিকভাবে দেশের উপর, সমাজের উপর, মানুষের উপর প্রভাব ফেলে, মানুষ ব্যক্তিগত পরিসরে অন্যায় করতে দ্বিধাহীন হয়ে যায়, অমানবিক হতে উদ্বুদ্ধ হয়। পাশাপাশি আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থা ক্রমেই মানুষকে স্বার্থপর হতে প্রণোদনা দিচ্ছে।

পত্রিকায় এই লোকটির কথা পড়ে বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি। আমি জানিনা, আমার বাসায় এরকম হলে এই সমাজেরই অংশ হিেসেব আমিও এরকমই করবো কিনা!! আপনি এই খুনীদের বিচার চেয়েছেন, শতভাগ নিশ্চিত থাকেন যে এদের কিছুই হবে না।

০৩ রা জুন, ২০২০ বিকাল ৩:০৭

গুরুভাঈ বলেছেন: এরা বাড়িতে তালা দিয়ে অন্য কোথাও হয়তো কোনো আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গেছে। এলাকার কেউ যদি উদ্দোগি হয়ে মামলা করে, কিন্তু এলাকাও তো পরিবারের মতই কোদাল, খাটিয়া, দাফন করতে দেয় নাই প্রথমে।

৭| ০৩ রা জুন, ২০২০ দুপুর ২:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন: দরিদ্র দেশে এরকমই হয়। আজ যদি সে দূর্নীতি করে কোটি কো্টি টাকা করতে পারতো। তাহলে সে নামী দামী হাসপাতালে চিকিৎসা পেত।

০৩ রা জুন, ২০২০ বিকাল ৩:০৮

গুরুভাঈ বলেছেন: কোনো দেশেই এমন হয়না, এটা ব্যাতিক্রম একটা হৃদয়বিদারক মর্মান্তিক ঘটনা। সে মোটামুটি কোটিপতি, বাড়ি দোতালা এবং জমি জমাও নিশ্চয় ভালোই আছে, ভাইদেরকেও প্রতিষ্ঠিত করেছে, বিদেশ পাঠিয়েছে।

৮| ০৩ রা জুন, ২০২০ বিকাল ৩:২২

তারেক ফাহিম বলেছেন: স্বজনরা এত অমানবিক!

খবর পড়ে হতাশ হচ্ছি।

০৩ রা জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪১

গুরুভাঈ বলেছেন: খুবই হতাশাজনক এবং অমানবিক ঘটনা।

৯| ০৩ রা জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৩৬

Muntakim Islam বলেছেন: এই করোনা থেকে আমারদের সবারই শিক্ষা নেওয়া উচিত কারন যারা আমার আপন তারাই এখন আমার পর যাদের জন্য এত কিছু করলাম তারাই আমাকে চিনবেনা । তাই সময় থাকতে উচিত বেশি বেশি ইবাদত করা আল্লাহ এর কাছে মাফ চাওয়া ।

০৩ রা জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৩

গুরুভাঈ বলেছেন: একজনের গল্প শুনলাম, তার গ্রিলের ওয়ার্কশপ। তো জিবানুগেট বানাতে তার কয়েকদিন খাটাখাটনি হয়েছে, মাঝে দুইদিন বৃস্টিতেও ভিজেছে। জ্বর কাশি হওয়াতে বউ বাচ্চা ঘরে আসেনা। ঔষধও আনেনা, সেবাও নাই করোনা সন্দেহে। পরে তার এক কর্মচারি ঔষধ আনছে। ৪দিন জ্বরেভুগে এখন সুস্থ্য, সে তার বউ বাচ্চাদের বলছে ঐ কর্মচারিই আমার আপন।

১০| ০৩ রা জুন, ২০২০ বিকাল ৫:০৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: এ সংসারে কেউ নয় আপনজনা ....

এ সংসারে কেউ নয় আপনজনা
শিল্পী-আব্দুল আলীম

এ সংসারে কেউ নয় আপনজনা।।
চিনে নে তোর আপনারে
ওরে অবুঝ মনা।
ও তুই চিনে নে তোর আপনারে
ওরে অবুঝ মনা।।
আ আ এ সংসারে কেউ নয় আপন জনা।

আসল রুপে নকল যত,
আনবে আঘাত অবিরত ওরে।।
যেমন কালভুজঙ্গ স্বভাব মত
তোলে বিষের ফনা আ আ
এ সংসারে কেউ নয় আপন জনা।

মায়ার বাঁধন ছিঁড়ে যদি,
ডাকিস তারে নিরবধি ওরে।।
মনের আঁধার ঘুচবে রে তোর
দেখবি আলোর কনা আ আ
সবার তরে আছে সে একজনা।
চিনে নে তোর আপনারে
ওরে অবুজ মনা আ আ
এ সংসারে কেউ নয় আপনজনা আ আ
এ সংসারে কেউ নয় আপনজনা।

০৩ রা জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৫

গুরুভাঈ বলেছেন: বর্তমানে এমন একটা স্বচ্ছল পরিবারের থেকে এমন অমানবিক ঘটনা আশা করা যায় না।

১১| ০৩ রা জুন, ২০২০ বিকাল ৫:০৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


শিক্ষিত লোকজন করোনাকে "গজব, পরীক্ষা,নেয়ামত" ইত্যাদি বলায়, অশিক্ষিতরা কনফিউজড, তারা অনেক মনে করেছে ইহা কলেরা বা বসন্ত থেকেও ভয়ানক।

করোনা সম্পর্কে মানুষকে সঠিক ধারণা দেয়া হয়নি মিডিয়ার মাধ্যমে। ব্লগারেরা করোনা সম্পর্কে যতটুকু জেনেছেন, অনেক ডাক্তার ও আমাদের দেশের প্রেসিডেন্ট এতটুকু জানে না; দেশের স্বাস্হ্য বিভাগ মানুষকে সঠিক ধারণা দিতে পারেনি।

০৩ রা জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৭

গুরুভাঈ বলেছেন: এই প্রজন্মের কলেরা কিংবা বসন্ত সমন্ধে কোনো ধারনা নাই। যেহেতু করোনা সমন্ধে কোনো ধারনা নাই তাই তেমন কোনো ভয়ও নাই, তাহলে এই পরিবারের প্রত্যেকটা সদস্য এমন অমানবিক কাজ করলো কিভাবে? কাছে আসে নাই ঠিক আছে, কিন্তু বাইড়ে থেকে দরজা লাগিয়ে রাখাতো প্রকারান্তরে খুনই।

১২| ০৩ রা জুন, ২০২০ বিকাল ৫:২১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
বাংলাদেশে ভালো মানুষ কম আছেন এটা জানি। তবে ভালো এক জন চেয়ারম্যান আছেন এটা জেনে খুব ভালো লাগলো।

০৩ রা জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৮

গুরুভাঈ বলেছেন: এই চেয়ারম্যানের দেখেন প্রচার নাই। চাউল চুরি করতো কিংবা চেয়ারম্যানই কবর দিতে বাধা দিতো তাহলে খবর হতো, প্রচার হতো। আমরা নেগেটিভ জিনিসতা বেশি ভালোবাসি।

১৩| ০৩ রা জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৪৯

ওমেরা বলেছেন: এখান থেকে আমাদের শিক্ষা নেয় উচিত , দুনিয়াতেই কেউ কারো নয় আর তো আখেরাত। আখেরাতের জন্য বেশী বেশী নেক আমল করতে হবে ।

০৩ রা জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৯

গুরুভাঈ বলেছেন: দুনিয়াও নাই, আখেরাতও নাই। মানুষ শিক্ষা নিলে দুনিয়াও থাকতো আখেরাতও থাকতো।

১৪| ০৩ রা জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০১

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন: '

গুরুভাঈ আপনার লেখা পড়ে আজ আবার
সম্রাটজ শাহজাহানের তার পুত্র কতৃক বন্দিদশায
সেই আক্ষেপের কথা আবার মনে পড়লো।
উল্লেখ্য আঙরঙ্গজেব গোয়ালিয়র দুর্গে মুরাদকে অবরুদ্ধ করে সিংহাসন
করে নিজেকে দিল্লীর সম্রাট হিসেবে ঘোষণা দেন এবং সম্রাট শাহজাহানকে
আগ্রার দুর্গে অন্তরীণ করেন। শাহজাহান পরবর্তী জীবন বন্দি অবস্থায় কাটিয়েছেন।
নিজ পুত্রের এহেন ব্যবহারে তিনি জগতের পিতাদের উদ্দেেশ্যে বলেনঃ
তোমরা না খেয়ে সন্তানদের খাওয়াইও না। যদি তাদের কষ্টে তোমাদের
চোখে জল আসে তবে চোখ উপড়ে ফেল"
তার বন্দী অবস্থায় তাঁর দেখাশোনা
করতেন, তাঁর বড় মেয়ে জাহানারা। পরবর্তীতে ১৬৬৬ খ্রিষ্টাব্দের ২২ জানুয়ারি
শাহজাহান বন্দী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

০৩ রা জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫০

গুরুভাঈ বলেছেন: এই হতভাগার তো মমতাজ, মুরাদ, জাহানারা সবাই ছিলো, কিন্তু একজনও কাছে আসলোনা। কাছে আসলিনা, ডাকে সাড়া দিলি না ঠিক আছে, দরজাটাতো খোলা রাখবি।

১৫| ০৩ রা জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৩

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: মানুষের এটাই প্রকৃত স্বভাব।

০৩ রা জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৮

গুরুভাঈ বলেছেন: অপ্রকৃত স্বভাব। একটা পরিবারের সবার এমন আচরণ অপ্রকৃত।

১৬| ০৩ রা জুন, ২০২০ রাত ১০:২৭

রাজীব নুর বলেছেন: আসল সমস্যা হলো মানুষের মন থেকে দয়া মায়া সব উঠ গেছে। মানুষ হয়ে গেছে অমানবিক।

০৩ রা জুন, ২০২০ রাত ১১:৪৩

গুরুভাঈ বলেছেন: এই পরিবারটি সব দিক দিয়েও ব্যাতিক্রম, তিনি একজন সুউপার্জনক্ষম ছিলেন এবং নিজ স্ত্রী, ছোটো ছেলে, মেয়ে ও মেয়ে জামাইগন বাড়িতেই ছিলেন।

১৭| ০৩ রা জুন, ২০২০ রাত ১০:৫৫

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: একটা হাদিস মান্য করা এই করোনার সময় সহজ হয়ে যাচ্ছে। হাদিসের সারমর্ম হোল কোনও মানুষের ইমান পূর্ণ হয় না যতক্ষণ না সে নিজের পিতা মাতা সন্তান সন্ততির চেয়ে আল্লাহ ও আল্লাহর রসুল (সাঃ) কে বেশী ভালোবাসে।

০৩ রা জুন, ২০২০ রাত ১১:৪৪

গুরুভাঈ বলেছেন: এটা কলিযুগ ভাই বুঝতে হবে। ধর্ম থাকবে মুখে মুখে আর অন্যের কাউন্টারে।

১৮| ০৪ ঠা জুন, ২০২০ সকাল ৯:১৪

জে.এস. সাব্বির বলেছেন: কে বলছে দুনিয়াতে কেউ কারো নয়! ঐ চেয়ারম্যানই তো সকলের। এদের জন্যই পৃথিবীটা টিকে আছে এখনো।

১৯| ০৪ ঠা জুন, ২০২০ সকাল ১১:৪৫

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: আমি পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টটা পড়েছি। একসময় সাংবাদিক ছিলাম বলে সংবাদে এক্সাজারেশনটা ধরতে পেরেছি। এক পাক্ষিক পারসপেকটিভ থেকে রিপোর্টটা লেখা হয়েছে। আপনিও রিপোর্টারের মতো পরিবারের পারসপেকটিভটা আমলে নেননি।
একজন লোক চট্টগ্রাম শহরে বসে করোনার উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন। তার প্রয়োজন ছিল সেখানে বসেই পরীক্ষা নিরীক্ষা চালানো। তিনি সেটা না করে বাড়িতে চলে গেছেন, পরিবারের বা এলাকার নিরাপত্তা তিনি কেয়ার করলেন না। আরে গ্রামে কী করোনার কোন চিকিৎসা আছে? সেটা না করে পরিবারকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দিলেন। করোনা আক্রান্ত হয়ে থাকলে পথেও বহু মানুষকে আক্রান্ত করেছেন। সর্বোপরি সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেছেন। সরকার বারবার বলছে, উপসর্গ দেখা দিলে মুভ করা যাবেনা। লোকজন সেটা না মেনে বেকুবির প্রায়শ্চিত্য করেছেন। নিজেও মরেছেন। পরিবারকেও সবার সামনে হেয় করেছেন। সামনে লকডাউনের জ্বালা ভোগ করতে হবে।
আর একটা বিষয়, এই করোনাকে আর করোনা রোগীকে অপাঙক্তেয় অস্পর্শ্য করতে মিডিয়া বা অনলা্ইন অ্যাক্টিভিস্টদেরও কী কম ভূমিকা আছে! সেখানে শিক্ষার আলো বিহীন পরিবারের লোকজনকে একতরফা দায়ী করে লাভ কী! এটাকে এমন একটা পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে যে, যেখানে সবার ধারণা করোনা হলেই মৃত্যূ নির্ঘাত। এই দক্ষিণ কোরিয়াতে পিপিই পড়া খুব কম চিকিৎসকই দেখেছি। যারা করোনা রোগিকে হ্যান্ডেল করছেন তারাই পিপিই পড়ছেন। বাকীরা হান্ড গ্লভস আর সাধারণ মানের সার্জিকাল মাস্ক। কারণ রোগীরা আলামত গোপন করেনা। তারা করোনা উপসর্গ নিয়ে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ছাড়া অন্য চিকিৎসকের কাছে যায়না। আমাদের দেশে রোগীরা হিস্ট্রি গোপন করেন। অন্য চিকিৎেকর কাছে চলে যাচ্ছেন। এই লোকটা এই ধরণের টেন্ডেন্সির ভিশাস সাইকেলের শিকার হয়েছেন।
যাই হোক, করোনার উপসর্গ দেখা দিলে যেখানেই থাকুন সেখানে করোনার চিকিৎসকদের কাছে যান। আগে টেস্ট করান। কেউ বাড়িতে দৌড় দেবেন না। এটা বাড়িতে মরার রোগ না। হাসপাতালই এর জন্য শ্রেয়। এই ঘটনা এইটুকু বোধেরই জন্ম দিয়েছে। তবে আমরা বুঝতে পারিনি। দুর্ভাগ্য। সস্তা মেন্টালিটি দিয়ে পরিবারের লোকজনকে যাচাই করেছি।
ধন্যবাদ আপানকে।

০৪ ঠা জুন, ২০২০ দুপুর ১২:০৫

গুরুভাঈ বলেছেন: আপনার মন্তব্য পড়ে যা বুঝলাম তাতে মনে হলো আপনিই আসলে ব্যাপারটা বুঝেন নাই।
১। বাংলাদেশে কি কখনো লকডাউন ছিলো?
২। ৯৯% মানুষ ছুটি পেয়ে নিজ নিজ বাড়ি, গ্রামের বাড়ি চলে গেছে সবাই।
৩। কোনো পরিবার কি এখন পর্যন্ত তার পরিবারের জীবিত কোনো সদস্যের চিকিৎসা সময়ে পাশে ছিলো না?।
৪। এই ব্যাক্তি নিজ উদ্দোগে নিজের সন্দেহ হওয়ায় করোনা পরিক্ষার জন্য নমুনা দিয়ে এসেছেন।
৫। করোনার চিকিৎসা ৭৫% এর বেশি বাড়িতেই হচ্ছে।
৬। এনাকে ঘরের ভিতড়ে রেখে বাইরে থেকে ছিটকানি লাগিয়ে বদ্ধ করে রাখা হয়েছিলো।]

২০| ০৪ ঠা জুন, ২০২০ সকাল ১১:৪৬

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: বিশ্বাস করতে খুবই কষ্ট হচ্ছে কি করে স্বজনেরা এতো নির্দয় হয়!!

০৪ ঠা জুন, ২০২০ দুপুর ১২:০৫

গুরুভাঈ বলেছেন: এই করোনা অনেক সম্পর্ককে অচেনা করে দিচ্ছে। দাফন কাফন পাচ্ছেনা মুসলমানের দেশে।

২১| ০৪ ঠা জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৩৩

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: আমি ঘটনা ঠিকই বুঝেছি। পরিবারের পারসিপেকটিভ থেকে বিষয়টা নিয়ে মন্তব্য করলাম। দেশে সরকার কী কখনো বলেছে উপসর্গ নিয়ে বাড়ি ফিরতে। বেশ কয়েকটা ঘটনা এমন হয়েছে- উপসর্গ নিয়ে বাড়ি ফেরার পর স্ত্রী সন্তান ঘরে স্থান দেয়নি। একজনতো বোনের বাড়িতে মারা গেছেন। পরিবারের লোকজন প্রত্যেককেই বাড়ি ফিরতে নিষেধ করেছিল। বরগুনায় একজন করোনা নিয়ে কয়েকশ কিলো মিটার সাইকেল চালিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিলেন। ঘরে স্থান দেয়া হয় নাই তাকে। এটা তো নতুন কিছু না দেশে। এরকম অনেক ঘটনা ঘটেছে। এরপরেও কেন করোনা নিয়ে বাড়িতে ফিরছে মানুষ। পথে হাজার জনতে আক্রান্ত করে। বলতে পারবেন?

০৪ ঠা জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৫৮

গুরুভাঈ বলেছেন: যে স্ত্রী তার স্বামিকে বাড়িতে উঠতে দেয় নাই তার পারসিপেকটিভ দেখেছিলেন? তাদের কতদিনের সংসার, বাচ্চা কাচ্চা আছে কি নাই? করোনায় আক্রান্ত ওই যুবকের স্ত্রী বলেন, আমি তাকে বরগুনা আসতে অনেক বার নিষেধ করেছিলাম। আমি তাকে সাভারে ডাক্তার দেখাতে বলেছি। কিন্তু আমার স্বামী কথা শোনেনি। বরগুনা আসার পরও তাকে আমি ঘরে উঠতে নিষেধ করে হাসপাতাল যেতে বলি। কিন্তু সে আমার কোনো কথাই শোনেনি। তাই তাকে আমি ঘরে উঠতে দেইনি।

আর আমাদের ঘটনার ব্যাক্তি স্ব-উদ্দ্যোগে হাসপাতালে গিয়ে নমুনা দিয়ে এসেছেন সচেতনভাবে। ফেরিতে, লন্চে, ট্রাকের ছাদে যারা গাদাগাদি ঠেলাঠেলি করে আসছে তাদের কারো কারো মুখে দেখেন মাস্ক আছে, করোনা কি আন্দাজ করতে পারে, কিন্তু যথাযথ ব্যাবস্থা নাই।

কেউ কাছে আসে নাই, ভালো ব্যাবহার করে নাই, ঠিক আছে। ঘরের বাইরের ছিটকানি লাগিয়ে রাখা, তার তো পায়খানা প্রসাব, পানির পিপাসারো ব্যাপার স্যাপার আছে নাকি? একট সময় পরে যেয়ে তো কেউ ছিটকানি খুলে দিয়ে আসতে পারতো। অথবা হাসপাতালে চলে যাওয়ার ফোর্স করতে পারতো।

২২| ০৪ ঠা জুন, ২০২০ দুপুর ১:৩১

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: ওই রিপোর্টের এখানেই গ্যাপ। তারা পরিবারের বক্তব্য তুলে ধরেনি। দেখবেন- এক্ষেত্রে এটাই হয়েছিল। পরিবার আসতে নিষেধ করেছিলো। কথা না শুনে বাড়িতে ফেরায় সবাই অসহযোগিতা করেছে। সবাই ভেবেছে- তিনি জেনেশুনে সবাইকে বিপদে ফেলেছেন। এটা আমার ধারণা। দেশে এধরণের বহু ঘটনা ঘটেছে। তারপরেও মানুষ বাড়িতে দৌড়ায়।
যাই হোক ভালো থাকবেন।

০৪ ঠা জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪০

গুরুভাঈ বলেছেন: আপনি কোন কোন সংবাদপত্র পড়েছেন?

এখানে মুল আলোচ্য বিষয় অমানবিকভাবে বাইরে থেকে ছিটকিনি লাগিয়ে আটকিয়ে রেখে সাড়া না দেওয়া

চেয়ারম্যান জানান, কিছু দিন আগে তার শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। একই সঙ্গে জ্বর ও কাশি ছিল। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়ে তিনি সুস্থ হয়ে যান। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে বুধবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে বাড়ি আসেন। শনিবার রাত থেকে তার শ্বাসকষ্ট, জ্বর ও কাশি বেড়ে যায়। রোববার তিনি হাসপাতালে গিয়ে কোভিড–১৯ পরীক্ষার নমুনা দেন। “তার স্ত্রী, তিন ছেলে, তিন মেয়ে ও তিন জামাতা রয়েছেন। দুই ছেলে কাজের সূত্রে গ্রামের বাইরে থাকেন। অন্যরা সবাই বাড়িতে ছিলেন।” এ ব্যাপারে ওই ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তারা কেউ এ বিষয়ে কথা বলতে চাননি।

উনি বাড়ি আসেন বুধবার, উপস্বর্গ দেখা দেয় শনিবার এবং রবিবার তিনি নিজে হাসপাতালে গিয়ে কোভিড–১৯ পরীক্ষার নমুনা দেন। এবং লক্ষনীয় এ ব্যাপারে ওই ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তারা কেউ এ বিষয়ে কথা বলতে চাননি

মারা যাওয়ার পর এলাকার চেয়ারম্যান আসলেন, কিছু গ্রামবাসিও আসলেন কিন্তু পরিবারের কেউই আসেন নাই, আশাও করা যায়না।

প্রথম আলোও বলছে, হাব উদ্দিনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাঁরা কেউ কথা বলতে চাননি।

২৩| ০৪ ঠা জুন, ২০২০ দুপুর ১:৪২

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
মিছিল !!
লিখেছেন নূর মোহাম্মদ নূরু, ০৩ রা জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৯



আর কতো লাশের মিছিল!!


যে ছিলো প্রিয়জনের অতি আপনজনা,
সেই মানুষটি লাশ হলে ধরতে তাকে মানা।
কখন কে যে লাশ হবে নাইকো কারো জানা,
করোনাযে লাশ বানাতে কখন দেবে হানা।

০৪ ঠা জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪১

গুরুভাঈ বলেছেন: পরিবার, মসজিদ, সমাজ সবাই অচেনা নির্মম আচরন করছে এই করোনায়।

২৪| ০৪ ঠা জুন, ২০২০ দুপুর ২:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: বড় মর্মান্তিক। বড় যন্ত্রনাদায়ক।

০৪ ঠা জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪২

গুরুভাঈ বলেছেন: জানিনা, আমরা কি করবো আমাদের পরিবারের বেলায় :(

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.