নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আবোল তাবোল...............

দুরন্ত হাবীব

গণিতকে ভালবাসি তাই গাণিতিক হিসাবে আমার জীবনকে প্রকাশ করতে চাই। অন্যসব হিসাবের তুলনায় জীবনের হিসাব অনেক কঠিন।:( ¤¤আমার জীবনে দুইটি ক্যালকুলেশনঃ ১। অন্তরীকরণ (Differenciation) ও ২। যোগজীকরণ (Intregration)। ¤¤১. ক্যালকুলেশনের এই ধাঁপে বলছি আমার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গুণ, দোষ, অবস্থা,পরিমাণ,হাসি তামাসা, বিদ্বেষ, হিংসা, কর্মবিমূখতা এজাতীয় কিছু। নিচে এই সবের সামান্য ব্যাঁখ্যা দানে চেষ্টা করছি।। আমি অতি সাধারণ একটি জীব। দেহে প্রাণ আছে বিধায় মাঝে মাঝে প্রাণি। আবার দেহ নিয়ে যখন ভূমির উপর দন্ডায়মান থাকি তখন নিজেকে উদ্ভিদ বিবেচনা করি।যাই হোক আমি প্রাণি বা উদ্ভিভ এ নিয়ে সংশয় থাকতে পারে। তবে এর জন্য প্রাণি বিজ্ঞানী কিংবা উদ্ভিদ বিজ্ঞানীর আগমনের প্রয়োজন বোধ করিনা। আমি হাসি খুশি থাকতে ও দেখতে পচ্ছন্দ করি। কারণ আমি বিশ্বাস করি হাসি দিয়ে বিশ্ব জয় করা সম্ভব দূঃখ দিয়ে নয়।আমি প্রচুর বদমেজাজি তবে রাগের অন্তরালে মনে হয় ঠান্ডা মেজাজের লোক আমিই।দেখুন আমিও একটা মানুষ আপনাদের মত আমি তাই আমারও কিছু স্বভাব আছে যা আপনাদের পছন্দ নাও হতে পারে।আমি মাকে ভালবাসি। যেহেতু আমি মাকে ভালবাসি তাই মাতৃভূমির প্রতি আমার ভালবাসা কিন্ঞ্চত আছে।মাতৃভূমির দূঃখ দূর্দশায় আমার হৃদয় কাদে বা কাদতে পারে।খেলা আমার পছন্দের বস্তু। কিন্তু সময় হোক সুযোগ হোক কম থাকায় আমি খেলতে কম পারি।বিনেদন বলতে বেশী কিছু পছন্দ নয় একটূ আধটু ঘুরতে পছন্দ করি।তিনবেলা ভাত ডাল ছোটমাছের ভাজি থাকলেই আমি পছন্দ করি। কারণ এ জগতে বেশী খাওয়ার মত আমাদের ভূড়ি ভূড়ি কিছু নাই।বেশী ঘুম নয় পরিমাণ মত আমি ঘুমাতে পছন্দ করি।তবে নিজ বালিশ নিজ কাঁথায় ঘুমার মত শান্তি আমার কিছু নাই।আমি মাঝে মাঝে কিছু জ্ঞান জাতীয় কথাবার্তা বলি যা অনেকের পছন্দ নাও হতে পারে।ভাললাগা আর ভালবাসা শব্দ দুটো নিয়ে অনেক ভেবেছি কিন্তু ফলাফল শুন্য। এই শব্দ দুটো নিয়ে আরো চিন্তা করার ইচ্ছা আছে।আর একটি কথা আমি মাকে ভালবাসি।এই হল অন্তরীকরণ। ¤¤২. যোগজীকরণ পর্যায় খুবই সংক্ষিপ্ত।জীবনে কি চেয়েছি আর কি পেয়েছি তাই এখন দেখার বিষয়।জীবনে অনেক পেয়েছি অনেক হারিয়েছি।অনেক কিছু এসেছে আবার বেশী কিছুই চলে গিয়েছে। তবে এই জীবনে আমার উপলব্দি কোনো কিছুতে লেগে থাকা আমার দ্বারা সম্ভব না। কি পড়াশুনা, কি খেলাধুলা, কি প্রেম সবকিছুই। আমি মায়ের হুকুম পালনে ব্যস্ত কিন্তু মেয়ে মানুষের হুকুম জাতীয় কথাবার্তা আমার পছন্দ নয়।আমি নজরুল পন্থি কিন্তু রবীন্দ্র পন্থি নই।আমি পথ চলি কিন্তু চলার গতি প্রখর হওয়ায় মাঝে মাঝে প্রচুর ভুল থাকে।আমি অনেকটা তাড়াহুড়া টাইপের লোক। এরজন্য প্রচুর ভূগেছি।ধৈর্য্য আমার একটু কমই। কোনো কিছুর জন্য অপেক্ষা করা আমার কাছে কঠিনতর। আমি অনেকটা স্বার্থপর স্বভাবের তবে অন্যের কথাও একটু আধটু ভাবি।সবমিলিয়ে আমি যে কেমন তা আমার মা-ই ভাল জানবেন।। ¤¤এই আমার জীবনের ক্যালকুলেশন।কাউকে ভাললাগতে পারে আবার কাউকে বিশ্রী ও মনে হতে পারে। কেউ কেউ হাসতে পারে আবার কাউকে মাঝে মাঝে খটকা লাগতে পারে। :)

দুরন্ত হাবীব › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার জীবন নিয়ে !!!!

০২ রা মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:২৬

বুয়েট(BUET) বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাপীঠ(আমার কাছে)। অনেক আশায় বুক বেধেছিলাম। গণিত আমার প্রিয় সাবজেক্ট। তাই আমার প্রাণপন চেষ্টা ছিল বুয়েটে পড়ব।। ইন্জিনিয়ারিং পড়ার প্রচন্ড ইচ্ছা বুকে লালন করেছি। ইন্জিনিয়ার হওয়ার এতটাই ইচ্ছা ছিল যে আমি ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে থাকাকালে নামের আগে ইন্জিনিয়ার লিখতাম যদিও বন্ধুদের কাজে সেটা ছিল হাসির খোরাক।ইন্টার পরীক্ষা দেয়ার সময় মাথায় কোচিং নামের জ্যান্ত প্রাণিটি চেপে বসল। প্রথম যোগাযোগ করলাম ফাহাদ ভাইয়ের সাথে। ভাইয়ার তখন পরীক্ষা চলছিল বুয়েটে। পরে শাকিল ভাইয়ার শরনাপন্ন হই। ওমেকাতে শাকিল ভাইয়ার দ্বারা ভর্তি হলাম। ব্যস পরীক্ষা শেষে কোচিংএর জন্য ঢাকায় এসে জীবনের প্রথম মেসে উঠলাম। পরে ওমেকাতে কিছু দিন ক্লাস করে আমি কিছু বুঝতে পারছিলাম না।এর মানে এই নয় আমি ওমেকার দুর্নাম করছি।ওরা ও যথেষ্ট ভালো। ফার্মগেটে আসিফ ভাইয়া নামের একজন ভাইয়া রসায়ন ক্লাস নিত। উনি হয়ত ০৭ ব্যাচের হবেন। ওনার ক্লাস যথেষ্ট ভালো ছিল। এরপর আমি উদ্ভাসের ফার্মগেটের রন্জু ভাইয়ার রেফারেন্সে উদ্ভাসে ভর্তি হই। পরে উদ্ভাসেই নিয়মিত ক্লাস করতাম।ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আমি টাইফয়েডে আক্রান্ত হই। জীবনে আমি এ পর্যন্ত দুইবার প্রচন্ড জ্বরে ভুগেছি দুই মাস। তার একটা হল এই একমাস। এইচএসসি রেজাল্টের সময় ভূগেছি এই জ্বরে।তারপর আস্তে আস্তে চেষ্টা করলাম। শেষে রুয়েট এ চান্স পেলাম।জানিনা কি আছে। কি অপেক্ষা করছে আমার জন্য।আমি হতে চেয়ছি ফাহাদ, শাকিল , চমক , বাবু ভাইয়া আপনাদের মত। অবশেষে বুয়েট আমার স্বপ্নই থেকে গেল।।।। X((

মন্তব্য ১৮ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:৩৪

আহাম্মেদ জুবায়ের করিম ( সৌরভ ) বলেছেন: চিন্তা কইরো না ভাইয়া । আল্লাহ্‌ যা করেন ভালোর জন্য করেন । তুমি তো তাও পরীক্ষা দিতে পেরেছ আমি তো জর এর জন্য পরীক্ষাই দিতে পারিনি । তোমার জন্য শুভ কামনা ।

০২ রা মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:৩৭

দুরন্ত হাবীব বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া।

২| ০২ রা মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:৪৯

এক্সপেরিয়া বলেছেন: তাও ত একটায় চান্স পাইছেন ।

০২ রা মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:৫৩

দুরন্ত হাবীব বলেছেন: হুম।

৩| ০২ রা মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:৫০

আরিফুর রহমান পলাশ বলেছেন: Vaia, koto series? Kn dept. A acen?

০২ রা মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:৫৪

দুরন্ত হাবীব বলেছেন: ১২ ছি এস ই

৪| ০২ রা মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:৫৪

ফারজানা শিরিন বলেছেন: ভাইয়া দোয়া করি জীবনে অনেক বড় হও । আল্লাহ্‌ তোমার জন্য তোমার স্বপ্ন থেকে বড় কিছু রাখছেন ।

০২ রা মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:৫৬

দুরন্ত হাবীব বলেছেন: আমিন। ধন্যবাদ আপি

৫| ০২ রা মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:৫৬

জাওয়াদ তাহমিদ বলেছেন: ওই পুলা, তুমি কুন ডিপার্টমেন্ট এ চান্স পাইছো? ১২ এর ব্যাচ, তাইনা?

শুনো, খালি বুয়েট বুয়েট কইর না। তোমার মতন ফার্স্ট ইয়ার এ থাকতে আমিও এই রকম করতাম। এখন বুঝি কি বড় ভুল ছিল সেইটা।

এইখান থেকেও জিনিয়াস পুলাপাইন বাইর হয়। মন দিয়া পড়া ইসটাট কর। আর দরকার লাগলে কইবা। :) :)

০৩ রা মার্চ, ২০১৩ রাত ১২:০১

দুরন্ত হাবীব বলেছেন: ছি. এস. ই তে ভাইয়া। থাঙ্কস ভাইয়া। র‍্যাগ নিয়ে বেশী চিন্তায় আছি ভাইয়া। প্লিজ হেলপ করবেন

৬| ০৩ রা মার্চ, ২০১৩ রাত ১২:০৬

অচেনা পথিক০০৭ বলেছেন: কোথায় পড়ছ এটা বড় বিষয় না। যেই ইঞ্জিনিয়ারিং ভার্সিটি তেই পড় না কেন
ভাল করে পড়াশোনা করলে পাশ করে বের হওয়ার পর কেউ দেখবে না তুমি কোথা থেকে পড়াশোনা করেছ।
আর বুয়েটে পড়লেই যে জীবন সফল হবে এইটা কেউ বলতে পারে না।
বেস্ট অফ লাক।

০৩ রা মার্চ, ২০১৩ রাত ১২:০৮

দুরন্ত হাবীব বলেছেন: থাঙ্কস ভাইয়া।

৭| ০৩ রা মার্চ, ২০১৩ রাত ১২:০৭

বিপদেআছি বলেছেন: ব্যাপার না ।

০৩ রা মার্চ, ২০১৩ রাত ১২:০৯

দুরন্ত হাবীব বলেছেন: হুম

৮| ০৩ রা মার্চ, ২০১৩ রাত ১২:১৪

জাওয়াদ তাহমিদ বলেছেন: >>>র‍্যাগ নিয়ে বেশী চিন্তায় আছি ভাইয়া। প্লিজ হেলপ করবেন



ভাইজান র‍্যাগ নিয়া টেনশনের কিচ্ছু নাই। তুমি বিভিন্ন পেপার বা টিভিতে র‍্যাগ নামে যাহা চিনো, রুয়েট এর র‍্যাগ এর সাথে তাহার বিন্দুমাত্র মিল নাই। সো নো টেনশন, ডু ফুর্তি।


ইন ফ্যাক্ট আমি সেকেন্ড ইয়ার এ উইঠা জেনেছি যে আসলে র‍্যাগ নামে একটা জিনিস আছে যেইটা কিনা ভার্সিটি তে দেয়া হয়।

সুতরাং বুঝতেই পারতেছ। :P :P :P

০৩ রা মার্চ, ২০১৩ রাত ১২:১৯

দুরন্ত হাবীব বলেছেন: :( :( :(

৯| ০৩ রা মার্চ, ২০১৩ সকাল ১০:৫০

পণ্ডিত মশাই বলেছেন: কোথায় পড়ছ এটা বড় বিষয় না। যেই ইঞ্জিনিয়ারিং ভার্সিটি তেই পড় না কেন
ভাল করে পড়াশোনা করলে পাশ করে বের হওয়ার পর কেউ দেখবে না তুমি কোথা থেকে পড়াশোনা করেছ।
আর বুয়েটে পড়লেই যে জীবন সফল হবে এইটা কেউ বলতে পারে না।
বেস্ট অফ লাক।

০৫ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১২:২৬

দুরন্ত হাবীব বলেছেন: থাঙ্কস ভাইয়া

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.