নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার সম্পর্কে সবার ই জানা, আপনাকে নতুন করে জানতে হবে না। জানার ইচ্ছে থাকলে আমাকে খুঁজে নিবেন।

জি এইস মেহেদী

আমি একজন মুসলিম,, ঘুরতে ভালবাসি, বই পড়তে পছন্দ করি। রাজনীতি কে সব সময় প্রধান্য দেয়। ইসলামী রাজনীতিতে বিশ্বাসী,, আমি চাই সব সময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট থাকুক।

জি এইস মেহেদী › বিস্তারিত পোস্টঃ

ব্যস্ততম শহরের কিছু খুচরা আলাপ -- ব্লগ ১

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৮

সকালে ঘুম থেকে জেগে উঠে দেখি বড় আপু ২ বার ফোন দিছে। আমি তো ঘুমে ছিলাম, কল টা মিস কলে জমা হয়েছিল। ভাবলাম, এত সকালে ফোন দিছে কোন কারণ তো অবশ্যই আছে! ফোন দিলাম,আপু বললো ঢাকায় আসবি আজকে? আমি রীতি মতো 'থ',কেন? আয় ঘুরে যা,আমিও রাজি হয়ে গেলাম। আম্মু কে বললাম, ঢাকায় যাবো,আপু ফোন দিয়েছিল - তুই অসময়ে ঢাকায় গিয়ে কি করবি? ঘুরতে যাব,, ঠিক আছে যা ভাল হয় কর! বড় ভাইয়ের থেকে টাকা নিয়ে সোজা বাসস্ট্যান্ড - হানিফ এর সিট আছে দুপুর একটায় কিন্তু আমাকে এখনি রওনা দিতে হবে। মনে মনে ভাবতেছি ঈদের আগে উল্টো দিকে গেলে ভাড়া কম লাগে,আমিও সুযোগ বুঝে বসে আছি। হঠাৎ শ্যামলি পরিবহন চলে আসছে, আমি কাউন্টার টিকিট এর জন্য গিয়েছিলাম কিন্তু তারা ৪৫০ টাকা চেয়েছিল। আমি শ্যামলি তে ঢাকা যাওয়ার জন্য বললে আমাকে বললো ৪০০ টাকা লাগবে,আমি বললাম ৩০০ টাকা দিবো। অবশেষে আমাকে উঠায় নিলো,,, একটা অনলাইন টিকিট ওদের কাউন্টার থেকে বের করে দিলো। গাড়ি ৫ মিনিটের মধ্যে রওনা দিলো,,দীর্ঘ ৭ ঘন্টা পর গন্তব্য পৌছিলাম। আপুর বাসায় পৌছার পর মাগরিবের আযান দিয়েছে,, নামাজ টা পড়ে নিয়ে, খাওয়া দাওয়া করলাম। আপু, দুলোভাই এর সাথে গল্প করলাম বেশ কিছু সময়। এশার পর আর পারলাম না মোবাইল চার্জে লাগায় দিয়ে ঘুমায় গেলাম! সকালে ঘুম থেকে উঠে আপুর বাসায় এক সেকেন্ড না,, ঢাকায় যত বন্ধু আছে তাদের সাথে দেখা করার জন্য বেড়া উঠছে। খাওয়া দাওয়া সেরে,,, জয়দেবপুর রেলস্টেশন থেকে কমলাপুরে যাওয়ার পরিকল্পনা করলাম। আপুর বাসা থেকে গাড়ি করে জয়দেবপুর রেল স্টেশন এ গেলাম, টিকিট না কেটে ট্রেনে এ উঠে কমলাপুর যাওয়ার পথে কিছু কাহীনি - ট্রেনে এক যাএীর সাথে পরিচয় হয়ে গেল সে জামালপুর থেকে আসতেছে,, আমি সিট থাকলেও ট্রেনে বসে থাকাটা আমার ভাল লাগে না,, দরজায় দাড়িয়ে প্রকৃতি দেখা আমার যেন হাজার বছরের পুরনো অভ্যাস। ঐ যাএী ও আমার সাথে দাড়িয়ে,,,এর মধ্যে ছোট ভাই আমাকে ফোন দিছে,, বলছে কোথায় তুমি,, আমি ঢাকা ভার্সিটি ক্যাম্পাস এ আছি। আমি বললাম, ঠিক আছে ১:৩০ মিনিটের মধ্যে আসতেছি ট্রেনে আছি তেজগাঁ, কমলা পুর নেমে আমি শাহবাগ যাচ্ছি। ওকে বলে ফোন কাটলো। ঐ যাএীর হেপাটাইটিস রোগ থাকার কারণে তার সেনাবাহিনীর চাকরি টা হয় নাই এপোয়েনমেন্ট লেটার আসা সত্ত্বেও। হেপার ও রিপোর্ট নেওয়ার জন্য পিজি হাসপাতাল যাচ্ছে। ছেলেটা যেন আমার থেকে শান্তনা খুজছিলো- আমি বললাম টেনশন এর কিছু নাই,,টিকা দিয়ে নাও তাড়াতাড়ি আর ভাল ডাক্তার কে দেখাও। বলতে বলতে আমরা কমলা পুর এসে পড়ছি,,, ট্রেনের মধ্যে টিটি আমার টিকেট চাই নি আমিও টিকিট নেয় নি। কমলাপুর নেমে দেখি টিকিট চেক করতেছে,,, দেইখ্যা পাঁচ মিনিট বসলাম প্লাটফর্ম এ তারপর মানুষের ভিড় দেখে যেতে দেখি ওখানেও টিকিট চেক করতেছে,,, মোবাইল চাপার ভান কর জোরে জোরে হেটে গেলাম। এরপর রাস্তায় দাড়াইলাম,, পাঠাও এর লোক এসে জিঙ্গেস করে কয় যাবেন বললাম শাহবাগ,, বললো ২০০ টাকা দিয়েন আল্লাহর রহমতে সহিয় সালাহ মতে পৌছে দিবো। আমি বললাম লাগবে না আমি বাসে যাবো,,,ওখান থেকে মতিঝিল আসলাম বাসে, তারপর বিআরটিসি তে গুলিস্তান নেমে রিকসা করে টিএসসি তে গেলাম। এর মধ্যে অনেকে ফোন দিয়েছে কিন্তু রিসিভ করার সুযোগ হয় নি। বন্ধু ঢাকা ভার্সিটি তে পড়ে ওরে ফোন দিলাম,, তুই বের হয়ে আয় আমি তোর সুর্য্যসেন হল এর কাছাকাছি,, ও বললো আমি এখানেই দাড়ায় আছি তুই কয়,, আইতেছি খাড়া। ছোট ভাই কে ফোন দিলাম ও বললো তিন মিনিট আমি যাচ্ছি। দুইজন কে বসায় রেখে আমি একাই দুপুরের খাবার খাইলাম,,,এর পর তিনজন বন্ধুর হল রুমে গেলাম। ওখানে কিছুক্ষণ অবস্থান করার পর ছোট ভাই বললো যে আমি চলে যাবো,, তুমি আমার সাথে যাবে নাকি,, আমি বললাম আমি বরং বন্ধুর এখানে থেকে যাই, তুমি যাও ভাল ভাবে,, ও থাকে যাএাবাড়িতে ভার্সিটি বাসে ক্লাস করে। ও চলে গেল,,,ও হ্যাঁ আরেকটা কথা ডেঙ্গুর কথা ভুলেই গেছি,, ডেঙ্গু যেন ঢাকাতে মহামারী আর সেই মুহুর্তে আমি ঢাকায়। খুব আতঙ্ক,, খুব ভয় কাজ করে এই বুঝি মশা আসলো। দিনের বেলা হল রুম এ মশারীতে থাকতে হয়। বাথরুমে গিয়ে নাচানাচি,,, ওয়াসরুমে গিয়ে কোচরমোচর, প্রসাব খানায় গেলেও পা নড়ে নড়ে করতে হয়,, এই বুঝি ডেঙ্গু কামড় দিলো। আরেকটা কথা ভুলে গেছি, আমি বাসায় থাকতে জোবায়ের ডেঙ্গুর জন্য ফেবুতে স্ট্যাটাস দিয়েছিল আমি হা হা হা রিএক্ট দিয়েছিলাম পরবর্তী তে সেড রিএক্ট এ দিতে হইছে :P আল্লাহকে যতটা না ভয় করে তার চেয়ে বেশি ভয় যেন সবাই ডেঙ্গু মশাকে করে। কি যে কস্টে আছি মাননীয় স্পিকার বোঝাতে পারবো না

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:১৯

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: ব্লগে স্বাগতম :)

লেখাটি প্যারা প্যারা করে লিখলে সুন্দর দেখাবে সাথে পড়তেও সুবিধা হবে !

২| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৩৯

জি এইস মেহেদী বলেছেন: পরবর্তী ব্লগ গুলো প্যারা আকারে লিখবো,,,, সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ

৩| ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:০৯

ইসিয়াক বলেছেন: স্বাগতম।
শুভকামনা রইলো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.