![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পেশায় লেকচারার, আমি উচ্চাভিলাসী মানুষ নই । ভালো একটা ক্যারিয়ার গড়তে চাই । সাহায্য করতে চাই মাতৃতুল্য এই প্রকৃতিকে, নিজের সামান্য জ্ঞান দিয়েই । সম্বল বলতে মেধাটুকুই !
ছবি : গুগল থেকে নেয়া ।
"দীপু নাম্বার টু"একবার ভাবুন তো । সবে মাত্র শৈশব ছেড়ে কৈশর এ পা দেয়া একদল কিশোর ছেলে । ্লড়াই করছে স্মাগলারদের সাথে । হ্যাঁ । এমনই কিছু এডভেঞ্চার আর রোমাচঞ্চকর দৃশ্য সম্বলত মুভি "দীপু নাম্বার টু ।" কৈশর এ কেন জানি না মনের অজান্তেই নিজেকে দীপুর একজন বন্ধু বলেই ভাবতাম । মনে হত আমিও যেন সামিল, ওই অকুতোভয় কিশোরদের দলে । আসুন, মুভি সম্পর্কে কিছু জেনে নিই ।..................................................................
মুভি টাইটেলঃ দীপু নাম্বার টু
বিভাগঃ রোমাঞ্চ, এডভেঞ্চার, একশন
পরিচালকঃ মোরশেদুল ইসলাম
লেখকঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল
অভিনয়ঃ বুলবুল আহমেদ, অরুণ, ববিতা, ফরহাদ, ডলি জহুর, আবুল খায়ের, শাফকাত, সুভাশীষ প্রমুখ ।
সংগীত পরিচালকঃ সত্য সাহামুভি এডিটিংঃ সাইদুর রহমান টুটুল
ভাষাঃ বাংলাদেশঃ বাংলাদেশ
IMDb rating : 7.8/10 (652 users)My rating: 8.5/10
কাহিনী সংক্ষেপঃ
প্রতি বছর দীপু নতুন স্কুলে ভর্তি হয় । বাবার করমস্থলের পরিবর্তনের জন্যই তাকে নতুন নতুন জায়গায় যেতে হয় । মা না থাকায় দীপুর বাবা দীপুকে ছোটবেলা থেকেই সাবলম্বী করে গড়ে তুলেছেন । বারবার পরিবেশের পরিবর্তন যে কোন কিশোরের জন্য কষ্টদায়ক হলেও দীপুর ছিলো মানুষের সাথে মিশতে পারার এবং নতুন পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেয়ার দারুণ ক্ষমতা । নতুন বন্ধু তৈরীতে দীপুর কোন সমস্যা ছিলো না । কিন্তু তাঁর ভালো লাগতো না, পুরোনো বন্ধুদের ছেড়ে আসতে ।
ক্লাসের দুষ্ট ছেলে তারেক । সবাই তারেককে এড়িয়ে চলে । তারেকের সাথে সবারই কোন না কোন গন্ডগোল বাধেই । দীপুর সাথেও ব্যাতীক্রম হয়নি । ব্যাপারতা মারামারি পর্যন্ত গড়ায় । যার ফলে ক্লাস টিচার এর কান পর্যন্ত নালিশ গিয়ে পৌছায় । কিন্তু দীপু ইচ্ছাকৃতভাবে তারেক এর নাম চেপে যায় । ব্যাপারটা তারেককে বেশ নাড়া দেয় । লজ্জিত করে । পরবর্তিতে তারেক হয়ে ওঠে দীপু আর ক্লাসের সবার ভালো বন্ধু ।ওদের ছোটখাটো একটা গ্রুপ তৈরী হয় । বনে বাদাড়ে অবসর সময়ে ছুটে বেড়ানোই তাদের কাজ । এভাবেই ঘুরাঘুরি করতে করতে তারা মুখোমুখী হয় একদল মুর্তি পাচারকারীদের সাথে । শুরু হয় যুদ্ধ, মোকাবেলা । স্মাগলাররা ধরা পড়ে পুলিশের হাতে, পত্রিকায় আসে কিশোরদের নাম ও ছবি । তারা হয়ে পড়ে "টক অভ দ্যা কান্ট্রি ।"কিন্তু এতকিছু কীভাবে সম্ভব । জানতে হলে দেখে দেলুন মুভিটা । কিছুক্ষণের জন্য হলেও ফিরে যাবেন নিজের কৈশরে ।মুভিতে আমার ভালো লাগা দুটো দৃশ্য --* পানির ট্যাঙ্কির উপর থেকে তারেক, দীপু আর নান্টু নামের এক বন্ধুর নীচে নামার দৃশ্য । মনে পড়লে এখনও বুকে কাপন ধরে, গলা শুকিয়ে আসে, হাঁটু কাঁপে ।* পিটি স্যারের কড়া নিয়ম । দৌড়ে যারা শেষে আসবে তাদের খেতে হবে বেদম মার । সবাই মিলে যেভাবে সেই স্যারকে জব্দ করলো তা জানতে হলে মুভিটা না দেখলেই নয় । বাংলা ভাষায় শিশু কিশোরদের জন্য যতগুলো মুভি নির্মিত হয়েছে, নিঃসন্দেহে এই মুভিটা তালিকায় শীর্ষ পাঁচে থাকবে ।
পরিশেষে, আমার এই লেখা হয়তো অনেকের কাছেই ছেলেমানুষী ঠেকবে । তাদের সকলের কাছেই আমি বিনীতভাবে ক্ষমাপ্রার্থী । যারা মুভিটা দেখেননি, দেখে নিন । নিরাশ হবেন না । মুভিটা না দেখে থাকা কেউ যদি আমার এই লেখা পড়ে মুভিটা দেখতে আগ্রহী হন, সেটাই আমার সবচেয়ে বড় সার্থকতা । সবাইকে ধন্যবাদ । হ্যাপী মুভিং ।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩৯
হাসান আল-আমিন বলেছেন: ছেলে বেলার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে চলচ্চিত্রটির সাথে ।
২| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ৮:৪১
মোটা ফ্রেমের চশমা বলেছেন: ছোটবেলার অনেক বেশি প্রিয় একটা বই। তারেক আর দীপুর বন্ধুত্ব! আহা!
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:২৬
হাসান আল-আমিন বলেছেন: সব মিস্টি বন্ধুত্ব বোধহয় ঝাল দিয়ে শুরু হয় ।
৩| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৪২
আবু তালেব শেখ বলেছেন: দেখেছি ছোটবেলায়। আরেকবার দেখতে হবে তাহলে
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৫:০৬
সেলিম৮৩ বলেছেন: ছবিটা ঠোটবেলায় একবার দেখেছিলাম।
খুব চমৎকার একটা কাহিনী; বলা যায় কৈশরের এক দূরন্তপনা এবং বাস্তবতা অামাকে খুব অালোড়িত করেছিলো।
ধন্যবাদ স্বরণ করে দেয়ার জন্য।