| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হক কথা২৩
তর্ক নয়, সমাধানে আসুন। হত্যা নয়, শান্তি বজায় রাখুন। দেশ ও জাতিকে নিয়ে ভাবুন।
আপনারা জানেন কি, DEAD SEA/মৃত সাগর/লুত সাগর/লবণ হৃদ- এর রহস্যময় কাহিনী।
সেটা অনেকদিন আগের কথা। বর্তমান ইরাকের এক বিশাল রাজ্য ছিল ব্যবিলন। আর এ শব্দটির শাব্দিক অর্থ হচ্ছে দেবতার নগরী। এ রাজ্যের রাজা ছিলেন সারগন। সে খুব আত্মগর্বী, মতাদর্পী ছিল। সে আল্লাহকে ভুলে নিজেকে খোদা হিসেবে ঘোষণা দিল। আর তার রাজ্যের প্রজারা সারগণের মূর্তি বানিয়ে তার পূজা করতে লাগল। এই সময়েই এক ঘরে জন্মগ্রহণ করেন হযরত ইব্রাহীম (আঃ)। বড় হয়ে তিনি এই রাজ্যের প্রত্যেককে এই জঘন্যতম কাজ থেকে বিরত থাকতে বললেন। এমনকি রাজা সারগনকেও তিনি বুঝাতে লাগলেন। কিন্তু রাজা এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে ইব্রাহীম (আঃ) কে আগুনে ফেলার নির্দেশ দেয়। আর ইব্রাহীমকে আগুনে ফেলার সাথে সাথে আল্লাহুর হুকুমে আগুন নাতিশীতোঞ্চ হয়ে যায়। আর এ বিষ্ময়কর দৃশ্য দেখে তাঁর বয়সী কয়েকজন তরুণ তাঁর অনুসারী হয়ে যায়। এতে রাজা আরও ক্ষুদ্ধ হয়ে তাঁর অনুসারীসহ ইব্রাহীম (আঃ) কে বেঁধে রাখে উত্তপ্ত মরুভূমিতে। কিন্তু আল্লাহ এবারও তাদের মাথার উপর একখন্ড মেঘ দাঁড় করে দেন। আর তাদের সামনের বালুকণাগুলোকে ক্ষুধার অন্নে পরিণত করে দেন। এ দৃশ্য দেখে রাজা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে তাদেরকে রাজ্য থেকে বের করে দেয়। তারপর ইব্রাহীম (আঃ) ও তাঁর অনুসারীরা এ রাজ্য ত্যাগ করে ফিনিশিয়া রাজ্যে আগমন করে। সেখানে 'সারা' নামের রাজকন্যা তাঁর রূপে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে বিবাহ করে। আর এতে রাজা ক্ষুদ্ধ হয়ে মেয়েসহ ইব্রাহীম (আঃ) কে রাজ্য থেকে বের করে দেন। ইব্রাহীম (আঃ) সবাইকে নিয়ে জর্ডান নদীর পশ্চিম পাড়ে 'হেবরন' নামের এক ক্ষুদ্র পল্লীতে বসতি স্থাপন করেন। হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর অনুসারীদের মধ্যে তাঁর চাচাতো ভাইয়ের ছেলে লুত (আঃ) ছিলেন। বলাবাহুল্য জর্ডান নদীর পূর্বদিকে বর্তমান যেখানে মৃত সাগর অবস্থিত সেখানে বেশ দূরে দূরে অবস্থিত ছিল পাঁচটি সু-সমৃদ্ধ জনপদ। তারা হচ্ছে- আমোরা, আদমাহ, সেবাইম, সো-আর এবং সাদুম। এই সাদুম জনপদটি ছিল সবার দক্ষিণে। ইব্রাহীম (আঃ) লুত (আঃ) কে এই সাদুম জনপদে পাঠালেন। কেননা এই জনপদের অধিবাসীরা সীমালঙ্ঘন, নির্যাতন এমনকি বিভিন্ন জঘন্য পাপাচারে লিপ্ত থাকতো। তাই তাদেরকে ন্যায় পথে ফিরিয়ে আনবার জন্য ইব্রাহীম (আঃ) এর নির্দেশে তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি সাদুমবাসীকে পাপের শাস্তি ও পূণ্যের পুরস্কার সম্পর্কে বিভিন্নভাবে বুঝাতে লাগলেন। কিন্তু কে শোনে কার কথা। তারা উল্টো লুত (আঃ) কে অপমান ও উপহাস করতে লাগলো। এমনকি দৈহিক নির্যাতন চালাতে লাগলো। এতকিছু সহ্য করেও তিনি আল্লাহর রাস্তায় অটল। আর এদিকে তারা আইন করলো বাড়িতে অতিথি আপ্যায়ন নিষেধ। হযরত লুত (আঃ) যেহেতু একজন নবী সেহেতু তাঁর কাছে অতিথি আসাটাই স্বাভাবিক। তাই কোন অতিথি আসলে অতি গোপনে তাঁর সাথে সাক্ষাত করতো। কিন্তু গোপনে সাক্ষাত করতে আসলেও তারা ধরা পড়ে যেতো। কারণ লুত (আঃ) এর স্ত্রী লুকিয়ে লুকিয়ে প্রতিবেশীদের কানে পৌঁছিয়ে দিত। লুত (আঃ) প্রথমে বুঝতে না পারলেও পরে ঠিকই স্ত্রীর চালাকি বুঝতে পেরেছেন। তাই তিনি স্ত্রীকে বাইরে যেতে নিষেধ করেন। কিন্তু নিষেধ করলে কি হবে? তাঁর স্ত্রী ছলাকলায় কম নন। সে লবন নেই বলে প্রায় সময় লবণ ধার আনার কথা বলে লুত (আঃ) কে ফাঁকি দিয়ে প্রতিবেশীকে খবর পৌঁছিয়ে দিত। আর খবর পেয়ে তারা অতিথিদের উপর চড়াও হত আর তাদের উপর দৈহিক নির্যাতন চালাতো। আল্লাহ তা'আলা এতে নারাজ হয়ে গেলেন। তাই তিনি কয়েকজন ফেরেশতাকে পাঠালেন। যারা পরমা সুন্দরী তরুনীর বেশে সাদুমে আসলো। তারা যথাসময়ে লুত (আঃ) এর কাছে আগমন করে সব ঘটনা খুলে বলে। আর এদিকে লুত (আঃ)এর স্ত্রী সারা যথারীতি লবণ ধার এর কথা বলে পাশের প্রতিবেশীদেরকে গোপনে খবর দিল। খবর শুনে তারা ছুটে এসে লুত (আঃ) কে বললো অতিথিদেরকে তাদের হাতে তুলে দিতে। কিন্তু এতে তিনি বাধা দিলেও প্রতিবেশী যুবকরা পরমী সুন্দরীদের মোহে মুগ্ধ হয়ে তাঁদের উপর চড়াও হলো। আর তখনই ফেরেশতাগণ তাঁদের আসল রূপ ধারণ করলো। আর দেখতে দেখতে পাঁচটি নগরীকে তুলো ধোলাই করার মতো মর্ত্য পাতাল এক করতে লাগলেন। এর পূর্বে ফেরেশতাগণ লুত (আঃ) ও তাঁর অনুসারীদেরকে সাদুম নগরী পরিত্যাগ করতে বললেন। আর সাবধান করে দিয়েছিল কেউ যেন পিছন ফিরে না তাকায়। তারপর পাঁচ নগরী বিশিষ্ট বিশাল অঞ্চলটা একটা বিশাল হৃদে পরিণত হলো। একই সঙ্গে প্রবল বৃষ্টি ধারার মতো আকাশ থেকে পাথর বর্ষণ করলেন আল্লাহ তা'আলা। দেখতে দেখতে সেই বিশাল হৃদটি পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে উঠলো। আল্লাহর হুকুমে লুত (আঃ) ও তাঁর অনুসারীরা বেঁচে গেলেও লুত (আঃ) এর স্ত্রী কি রা পেয়েছিল? না, সর্বশক্তিমান আল্লাহ তা'আলা তাকে বিরাট একটা লবণের স্তুপে পরিণত করলেন এবং তাকে আবহমানকালের মতো সেই হৃদের মাঝখানে রেখেছিলেন। আর সেই কারণেই এই হৃদের পানি এত লোনা যে, তা সাগরের লবনাক্ত পানিকেও হার মানায়।
বিজ্ঞানীদের মতে, এই হৃদের লবণের অস্তিত্ব শতকরা চল্লিশ ভাগ। আর এইসব কারণে এই হৃদকে মরু সাগর, মৃত সাগর, লুত সাগর বা লবণ হৃদ, DEAD SEA ইত্যাদি নামে নামকরণ করা হয়েছে। এখানে একটা মজার ব্যাপার হল, এই হৃদের উপর দিয়ে কোন পাখি যাওয়া আসা করে না। কারণ এই হৃদের জঘন্য লোনা পানিতে মাছের বংশ তো দূরের কথা একটা পোকামাকড়ও জন্মাতে পারে না। আর তাই মাছ, পোকামাকড় না থাকলে কি পাখি আসতে পারে। আর একটা মজার ব্যাপার হল, এই পানিতে দিব্যি শুয়ে বসে থাকা যায়। ডুবে যাওয়ার কোন আশংকাই নেই। আর তা সম্ভব পানির ঘনত্বের কারণে। এই হৃদটি এত বিশাল যে এটা উত্তর দক্ষিণে ১০৬ কিঃমিঃ লম্বা আর পূর্ব পশ্চিমে ১৫ কিঃমিঃ এর মতো। অধিকাংশ স্থানে এর গভীরতা প্রায় ১৭০০ ফুটের মতো। এই লবণ হৃদ বা DEAD SEA সম্পর্কে হয়তো আমরা অনেকেই জানি না। তাই আসুন আমরা বেশি বেশি করে আল্লাহর এইসব অলৌকিক ঘটনাবলী সম্পর্কে জেনে নিই।
২২ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:০০
হক কথা২৩ বলেছেন: সুন্দর পরামর্শের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। ভবিষ্যতে অবশ্যই চেষ্টা করবো।
২|
২২ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:৪৩
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: আপনি আসল ঘটনা এড়িয়ে গিয়েছেন। লূত নবীর ঐ জনপদের লোকেরা সমকামী ছিল। কোরআনে তাদের ঘৃণ্য অভিশপ্ত বলে ধ্বংস হয়ে যাবার ঘটনাটি এসেছে, যার পরিণতি মৃত সাগর। কোরআনের লেখক ঠিক একই ভাবে ফেরআউনের উদাহরণ দিয়েছেন যে তার লাশকে তিনি হাজার হাজার বছর ধরে দৃশ্যমান রাখবেন (মমি আকার যেটা দেখি) মানুষকে তাদের সীমালঙ্ঘনের পরিণতি স্মরণ করিয়ে দিতে।
২২ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:০৪
হক কথা২৩ বলেছেন: জনাব, আমি যতটুকু জানতাম ততটুকুই লেখেছি। ভুল হতেও পারে। তবে ঘটনাটার ব্যাপারে আরো জানার চেষ্টা করবো। ধন্যবাদ।
৩|
২২ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:৫০
হায়রে দুনিয়া বলেছেন: আপনার এই কাহিনীর সোর্স কি? কোনদিন শুনি নাই কি কারনে?
২২ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:০৭
হক কথা২৩ বলেছেন: আপনি কোরআন শরীফের 'সূরা লুত' এর ব্যাখ্যাসহ বঙ্গানুবাদ পড়বেন। আশা করি বিস্তারিত জানতে পারবেন।
৪|
২২ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:০৫
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: @হায়রে দুনিয়া, সূরা লূতের বঙ্গানুবাদ পড়ুন। পাবেন।
৫|
২২ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৩৮
নতুন বলেছেন: বিজ্ঞান আর বিশ্বাস দুটোকে মেশানো ঠিক না...
হয় পুরুটুকু বিশ্বাস করবেন... নতুবা পুরুটুকুরই বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা খুজে নেবেন...
উপরের গল্পের কিন্তু কোন বৈজ্ঞানিক প্রমান নাই....
আর আমার তো মনে হয়... বত`মানে আমেরিকায় যে অনাচার হয়... তা অবশ্যই লুত জাতির থেকে বেশি ছাড়া কম নয়..
২২ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:১৩
হক কথা২৩ বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন। কারণ পৃথিবীতে যত বিজ্ঞানী আছেন, তার বেশিরভাগই কিন্তু এই কোরআন রিসার্চ করে আবিষ্কার করেছেন। আবার অনেক কিছুই আবিষ্কার করেছেন যা অনেকেরই যুক্তিগত বোধগম্য নয়।
আর আপনি কিভাবে নিশ্চিত হলেন যে, উপরের গল্পের কোন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নাই। অবশ্যই আছে।
৬|
২২ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৪৮
কমান্ডো বলেছেন: সাঈফ শেরিফ বলেছেন: আপনি আসল ঘটনা এড়িয়ে গিয়েছেন। লূত নবীর ঐ জনপদের লোকেরা সমকামী ছিল। কোরআনে তাদের ঘৃণ্য অভিশপ্ত বলে ধ্বংস হয়ে যাবার ঘটনাটি এসেছে, যার পরিণতি মৃত সাগর। কোরআনের লেখক ঠিক একই ভাবে ফেরআউনের উদাহরণ দিয়েছেন যে তার লাশকে তিনি হাজার হাজার বছর ধরে দৃশ্যমান রাখবেন (মমি আকার যেটা দেখি) মানুষকে তাদের সীমালঙ্ঘনের পরিণতি স্মরণ করিয়ে দিতে।
২২ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:২৩
হক কথা২৩ বলেছেন: আমি সংক্ষেপে ঘটনাটি বর্ণনা করেছি। হয়তো ভুল হতেও পারে। ধন্যবাদ।
৭|
২২ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৫৮
রাষ্ট্রপ্রধান বলেছেন: নতুন আসলেই নতুন আগে আল্লাহ শাস্তি গুলা তাৎক্ষনিক দিতেন এখন দেন না আগে যেভাবে দিতেন
আর আমার তো মনে হয়... বত`মানে আমেরিকায় যে অনাচার হয়... তা অবশ্যই লুত জাতির থেকে বেশি ছাড়া কম নয়
এইডস রোগ টি পর্যাপত শাস্তি না সমকামীর কারনে ।
২২ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:২৭
হক কথা২৩ বলেছেন: মূলতঃ আল্লাহ তাঁর বান্দাকে অনেকভাবে পরীক্ষা করেন। আর শেষ পর্যন্ত অবশ্যই বান্দা তার কর্মফল ভোগ করে। এটা চিরসত্য।
৮|
২২ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:১৩
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আপনার গল্প ভালো লাগল। এই গল্পের কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নাই। এটা একটা ধর্মীয় গল্প। প্রাচীন গল্পের সঙ্গে পরে ধর্মকে যোগ করা হয়েছে।
মৃত সাগর সম্পর্কে আরও জানতে হলে
http://en.wikipedia.org/wiki/Dead_Sea
৯|
২২ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৩১
নতুন বলেছেন: ২২ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:১৩
লেখক বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন। কারণ পৃথিবীতে যত বিজ্ঞানী আছেন, তার বেশিরভাগই কিন্তু এই কোরআন রিসার্চ করে আবিষ্কার করেছেন। আবার অনেক কিছুই আবিষ্কার করেছেন যা অনেকেরই যুক্তিগত বোধগম্য নয়।
@ লেখক... শামীম ভাই ও বলেছেন যে আপনার গল্পের কোনবৈজ্ঞানিক ভিত্তি নাই। এটা একটা ধর্মীয় গল্প। প্রাচীন গল্পের সঙ্গে পরে ধর্মকে যোগ করা হয়েছে। ....
আরএকটা জিনিস ... আপনি কয়েকটা আবিস্কারের নাম বলুন তো যা কোরান রিসা`স করে করা হয়েছে...
২২ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:০৯
হক কথা২৩ বলেছেন: ভূ-মন্ডল ও নভোমন্ডলের যা কিছু আছে সবকিছু সম্পর্কে কোরআনে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। যেমন- নতুন নতুন গ্রহের আবিষ্কার, মাটির তলদেশে যেসব খনিগুলো বিদ্যমান, যেমন- স্বর্ণ, তেল, গ্যাস ইত্যাদি এসব যত সম্পদ আছে সবগুলো সম্পর্কেই কোরআনে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। তারপর আর অনেক কিছু রয়েছে যা বলে শেষ করা যাবে না। আপনার এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ থাকলে আপনি আপনার নিকটস্থ একজন জ্ঞানী ইমাম সাহেবের সাথে যোগাযোগ করুন। আর যদি পারেন তাহলে কোরআনের বঙ্গানুবাদ ও ব্যাখ্যাসহ কিতাব পাওয়া যাচ্ছে ওগুলো কিনে পড়ুন। আশা করি সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবেন।
আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
১০|
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:৪৭
রংধনুর সাত রঙ বলেছেন: এটা কোরআানে বর্নিত তাই এটাই সত্যে
২৩ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:০৪
হক কথা২৩ বলেছেন: অবশ্যই।
১১|
০১ লা অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ১১:০৭
সবুজ২০১২ বলেছেন: অবিশ্বাসীরা যতই আল্লাহর নিদর্শন দেখূক না কেন তারা চিরকাল কাফেরই থাকবে,কয়েকজন বেকুবের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি জানতে চাওয়ায় আমার এটাই মনে হলো......।
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:২৯
নীল বেদনা বলেছেন:
ধন্যবাদ,
তবে কিছু স্থানে সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে। যেমন: রাজার নাম সারগন, সারাকে বিয়ে করার ফলে রাজ্য থেকে বের করে দেয়া, লবন আনার ছলে স্ত্রীর বাইরে যাওয়া, পরমা সুন্দরী তরুণীর বেশে ফেরেশতারা আসা ইত্যাদি। পাশাপাশি, লুত (আঃ) এর কওমের বিশেষ পাপাচারিতা (সমকামিতা) নিয়ে আলোচনা করলে এযুগের সমকামীরা কিছু শিক্ষা পেতে পারতো।
বৈজ্ঞানিক আলোচনাটুকু ভাল লেগেছে।
এই উদ্যোগ নেয়ার জন্য ধন্যবাদ