| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রেবেকা গরীব ঘর থেকে আসা আট দশটা সাধারন মেয়ে থেকে আলাদা নয়। এটা রেবেকা নিজেও ভাল করে জানে। বাবার বয়স খুব বেশি না, কিন্তু পরিশ্রমে পরিশ্রমে অল্প বয়সেই রেবেকার বাবা বুড়ো হয়ে গেছে। এখন আর বাবার একার রিক্সা দিয়ে সংসার চলে না। তাই রেবেকাকে নামতে হয়েছে জীবন সংগ্রামে।
না গল্পটা ঠিক জমছে না। কেমন যেন গতানুগতিক টাইপের হয়ে যাচ্ছে। ভিতর থেকে গল্পের চরিত্র গুলো গল্পের পটভূমি সব কিছুই আফসা আফসা মনে আসে কিন্তু যেভাবে ভাবছে লিখতে পারছে না আসাদ। সিগারেট জ্বেলে টেবিল থেকে উঠে খাটে হেলান দিয়ে চোখ বন্ধ করে আনমনে সিগারেট টানতে গিয়ে হঠাৎ আনমনে হেসে উঠল আসাদ। নাটকটার নাম বা সময় ঠিক মনে নেই, নাটকের গল্পে দেখা যায় একজন লেখক প্রকাশনী থেকে টাকা নিছে কিন্তু গল্প লিখতে পারছে না। আথা পৃষ্টা লেখার পর আর লিখতে পারে না। তখন কাগজটাকে দলা-মোচড়া করে ছুড়ে ফেলে। এভাবে দিনের পর দিন চলতে থাকে এই দিকে প্রকাশনীর লোক এসে দেখে ঘর ভর্তি দলা-দলা কাগজ। বিজ্ঞানের কল্যানে কম্পিটার নামক যন্ত্রটা আজ যদি আসাদের ঘরে না থাকতো তবে তার আজ ছোট বেলায় দেখা নাটকের লেখকের চরিত্রটির মতই অবস্থা হতো, ঘর ভর্তি দলা-মোচড়া কাগজে ভর্তি হয়ে যেতো।
ইদানিং রাত হলে আসাদের মাথায় ভূত ছাদে যাবার ভূত চাপে। অবশ্য এই ভূতটা চেপেছে প্রথম যেদিন দেখলো পাশের বাড়ির তিন তলায় আসা নতুন ভাড়াটিয়ার মেয়েটিকে।
না গল্পটা কোন মানেরই হচ্ছে না। ব্লগে যারা গল্প লিখেন তারা যদি কেউ পড়ে তাহলে হাসি-ঠাট্টা করবে তার লেখা নিয়ে। এসব ভাবতে ভাবতে জেরিন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল লেখাটা ব্লগে দিবে। অনেক অনেক দিন হলো লেখা হয় না। হাসি-তামাশা করুক তাতে কি? সবাই তো এটুক জানতে পারবে সে এখনো বেঁচে আছে...........
১৫ ই জুন, ২০১৪ বিকাল ৪:২৩
মায়াবীহরিনী বলেছেন: হুমম
২|
১৫ ই জুন, ২০১৪ বিকাল ৪:৩২
সেলিম আনোয়ার বলেছেন: একমত। বেচে থাকাটাই সবচেয়ে দামী ।
১৬ ই জুন, ২০১৪ দুপুর ২:০৪
মায়াবীহরিনী বলেছেন: কখনো কখনো হয়তো তাই......
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই জুন, ২০১৪ রাত ১:৩২
সচেতনহ্যাপী বলেছেন: বাস্তবেও এটাই। নিজের অস্তিত্বের জানান।।