নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তোমার চোখের তারায় আমার হাজার মৃত্যু!

অতন্দ্র সাখাওয়াত

তন্দ্রাকুমারী একটি কাল্পনিক চরিত্র যার সন্ধানে আছি নিশিদিন!!

অতন্দ্র সাখাওয়াত › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমি যদি তোমাকে না পাই

০৩ রা মে, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৯

হয়তো আমাদের পরিচয় হয়েছিল ঈশ্বরের সর্বোচ্চ করুণার দানে
হয়তো আমার মধ্যে সেই প্রথম পরিচয়ের ক্ষতাক্ত দগদগে আঁচড়-
নোঙর হয়ে থাকবে অসীম সময়ের তীর্থভূমিতে অনন্তকাল।
কিংবা হাওয়াই মিঠাইয়ের মতো তোমার সে মেঘ মেঘ কথা,
আমার খুব পরিচিত কবিতায় আরেক যমুনা হয়ে ফুটবে।
বাতাসে তোমার চুলের গন্ধ ছটফট করতে করতে আমদেরই-
প্রেমের মরুভূমিতে পদচিহ্ন আঁকতে থাকবে ম্যাজিকের ক্রমবিন্যাসে
হয়তো তোমার সেই মিষ্টি হাসি কিংবা সূক্ষ্ম অন্তর্ঘাত, আমাকে পার করবে-
হাজার বছরের সোনালি রোদ্দুরের ভিতর কোন এক বৈশাখী বিকেলে।
তাতে আমি হয়তো দু'শ বছরের জন্য পাথর হয়ে যাব শুধু একবার!
সেই পাথর জন্মের পথ থেমে যাবে কোন এক অমাবস্যার পিছুডাকে
কিন্তু সেই অন্ধকারে আমি থাকবো না। হবো সুদৃঢ় কোন পাহাড়ের গুহার
ভেতরে বন্দী।আমার বন্দীত্ব আর তোমার পঞ্চম জন্ম। বাহ্, কি চমৎকার হিসাব!

কিংবা, যদি এমন হয় যেন, তোমার প্রিয় বন্ধুগণ হয়ে গেল পাখিঃ তুমিও!
আর আমার স্থান হলো পরিত্যক্ত কোন কূপের ভিতরে। আর হলাম না হয়
একটি অস্বাভাবিক জলের ফোয়ারা। তুমি একদিন সেখানে এলে আর-
জল বাড়তে বাড়তে সৃষ্টি হলো প্লাবন। সেখান থেকে সৃষ্টি হলো এক নদী।
নদীর নাম যাই হোক না কেন, কেউ কি জানতে পারবে নদিটির ইতিহাস?

আমি তোমাকেই ভালবাসি। জ্যান্ত ভায়োলিন হয়ে বাজতে বাজতে
হয়তো একদিন থেমে যাব। তবুও পৃথিবীর শেষ প্রেমের উপন্যাস হয়ে
তোমায় ছুয়ে যাব। প্রতিটি জন্মে আর জন্মান্তরে তোমার কাছেই আসবো-

আবার এমন কি হতে পারে, তোমার সাথে আর কখোনো দেখা হবে না?
তুমি থাকবে উত্তরে, আর আমি থাকবো দক্ষিণে। তুমি আমার অপেক্ষায়,
আর আমি তোমার; হয়তো তোমার শরীরের গন্ধ ভাসতে ভাসতে
দিক হারিয়ে ফেলবে, আর আমার ভেতরকার ভেজা ঠান্ডা প্রশ্বাস
উড়ে গিয়ে তোমাকেই ছুয়ে দেবে। হল্লা বেঁধে যাবে মাঝ সাগরের স্রোতে।
সেখানে একটি পাহাড়ি দ্বীপের চারদিকে আমাদের না বলা কথারা-
একে অপরকে চুম্বন করবে!

তোমাকে যদি আমি না পাই, তবে বের হয়ে আসব আমি আমার ভেতর থেকে
দুর্বার বিপ্লবে। রাশি রাশি নীল পদ্ম হয়ে তোমার চোখে আগুন লাগিয়ে দেব;
লাল আকাশটা পুড়ে ছারখার হয়ে যাবে। তখন একটি বুনো লতা,
এঁকেবেঁকে চলবে আমাদের চরণের ধ্বনিতে-প্রতিধ্বনিতে।
আহা! সেই মানুষজন্মের স্মৃতিরা তখন কে কোথায় থাকবে?
বোধের বিমূর্ত সংকেত, ঝরে পড়া ফুলের মত চক্চক্ করবে,
আর প্রমাণ করবে তোমার স্বর্গলাভে বিস্মৃত, আহত আঁখির
টুইটম্বুর রূপালী জোস্নাকে; প্রকাশভঙ্গীরা প্রকাশিত হবে!

আর আমার সেসব খুশি, আর আহাজারিতে, সাঁঝের ক্যনভাসে
উঠানামা করবে অন্ধকারের মাত্রাবোধ। হঠাৎ আমি তোমাকে নিয়ে
লিখে ফেলা এক বিশাল মহাকাব্য আবিষ্কার করব,
আরেক জন্মে পোড়া, আরেকটি ফুলশয্যায়।

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা মে, ২০১৯ রাত ৯:২৫

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: লেখার প্যাটার্ন ভালো লাগেনি।

০৪ ঠা মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

অতন্দ্র সাখাওয়াত বলেছেন: লেখাটা একজনের অনুরোধে লিখেছিলাম। কোন প্রকার প্যাটার্নে ফেলার চেষ্টা করি নাই। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

২| ০৩ রা মে, ২০১৯ রাত ১১:৪০

আকতার আর হোসাইন বলেছেন: কবিতা ভাল লাগলো।

ভায়োলিন অর্থ কি...?

০৪ ঠা মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৬

অতন্দ্র সাখাওয়াত বলেছেন: ধন্যবাদ। ভায়োলিন এক প্রকার বাদ্যযন্ত্র।

৩| ০৫ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:৫১

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: হৃদয়ে আঘাত হানার মত লিখা। শুভকামনা জানিবেন লেখক।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.