নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার চাই।

[email protected]

বড় হুজুর

বেয়াদবি করবানা, বিরক্ত লাগে!

বড় হুজুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

বেহেশতী জেওর কে "না" বলুন।

২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৯

বেহেশতী জেওর কে "না" বলুন।





বাংলাদেশের এমন খুব কম বাড়ি আছে যাদের বাসায় অন্তত এক খন্ড "বেহেশতি জেওর " নেই।



বইটি বিশেষ করে মেয়েদের জন্য লিখেছেন কুতবে দাওরান, মুজাদ্দিদে যমান, হাকিমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রাঃ)



বইটি বাংলা অনুবাদ করেছেন হযরত মাওলানা শামছুল হক ফরিদপুরী।



প্রতিটি কওমি মাদ্রাসায় এই বইটি উর্দু অথবা বাংলায় পরানো হয়।



তাবলিগী জামাতে বলা হয় , যে ঘরে বেহেশতী জেওর কিতাব থাকিবে সে ঘরে একজন আলেম থাকিবে।

কথা মিথ্যা না। বেহেশতি জেওর থাকা মানে তথা আলেম থাকার সমান।



কারন প্রায় লেখক প্রায় সকল বিষয়ে এই বইয়ে বিস্তর হাদিস স হ নিজের মন গড়া মতামত ইচ্ছে মত ইসলামের বারোটা বাজিয়েছেন।



তাই, ইসলামের রক্ষার্থে, বিকৃত ইসলাম জানতে না চাইলে বেহেশতী জেওর বর্জন করুন।



এই কিতাবে কি আছে তা দেখার খায়েশ থাকলে পরে দেখতে পারেন। তবে ব্লাড প্রেসার বাড়লে বা রাগে নিজের চুল ছিড়তে ইচ্ছে করলে আমি দায়ি না।



আল্লাহ আপনার মন্ঙল করুন।



মন্তব্য ৪৫ টি রেটিং +৯/-১১

মন্তব্য (৪৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৪

জলে ভাসা পদ্ম আমি বলেছেন: আমাদের বাসায় নাই।।

২| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৫

এইচ. ইমরান বলেছেন: দুই একটা নমুনা দিয়ে দিলে....

আপনার পরামর্শ বুঝতে সহজ হত ?

৩| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৭

উন্মোচক বলেছেন: বড় হুজুরের চেহারা তো সন্দেহজনক।

৪| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৮

ভেংচুক বলেছেন: আমার বাসায় নাই

৫| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩১

জুয়েল হাসান বলেছেন: মুটামুটি আন্দাজ করতে পারছি। তবুও কয়েকটা ছত্র এইখানে লেইখে দেন না। খুব ইচ্ছা করতেছে সামান্য স্বাদ নিতে।

৬| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩২

ব্রাইট বলেছেন: খুব ইচ্ছা করতেছে সামান্য স্বাদ নিতে।

৭| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৪

মইন বলেছেন: একটু উদাহরণ দেন।

৮| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৪

নির্জন রহমান বলেছেন: বড় হুজুর আপনি বেহশতী জেওরের কোথায় দেখেছেন যে এই বইটি মেয়েদের জন্য লেখা?


"হাকিমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রাঃ)।"

আপনার লিখিত "(রাঃ)" শব্দটি লেখা হয় হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সাহাবীদের বেলায় কিন্তু মাওলানা আশরাফ আলী থানভী তো নবীর সাহাবী ছিলেন না ।

আপনি কি বেহশতী জেওয় পড়েছেন? আমাদের জন্য কিছু এখানে পোষ্টান আমরাও একটু দেখি কি লেখা আছে ওই বইতে।


২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৩

বড় হুজুর বলেছেন: জনাব,

বইটির মুখ বন্দে লিখা রয়েছে ".... বেহেশতী জেওর লিখা হয়েছিলো শুধু স্ত্রীলোকদের জন্য, কিন্তু কিতাব খানা এত সর্বান্ঙিন সুন্দর.........পুরুষরা এমন কি আলেমগন ও এই কিতাবখানা হতে.......শিক্ষা পাইতেছেন"

বইটিতে লেখকের নামের যায়গায় (রাঃ) দেয়া আছে।
ইহা আমি নাযিল করিনি।

ধন্যবাদ

৯| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৫

আরিফুর রহমান বলেছেন: এই ধরনের 'কু-শিক্ষা' টাইপের প্রপাগান্ডা চটিগুলি ঘর থেকে বের করে ফেলে দেয়া উচিত।

১০| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৭

ফয়েজ ০৮ বলেছেন: আমার বাসায় নাই

১১| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৯

বড় হুজুর বলেছেন: হযরত (সাঃ) নাকি বলেছেন,
"দুনিয়াতে যখন কোন স্ত্রী তাহার স্বামীকে বিরক্ত করে অথবা কোনরুপ কষ্ট দেয়, তখন বেহেশতের যে হূর কিয়ামতের দিন তাহার স্ত্রী হইবে, তাহারা ঔ স্ত্রীকে লক্ষ্য করিয়া বলে, ওহে হতভাগিনী! আল্লাহ তোর সর্বনাশ করুন। তুই আর তাহাকে কস্ট দিসনা, তিনি কয়েকদিন মাত্র তোর নিকট মেহমান স্বরুপ আছেন, অল্পদিন পরেই তিনি তোকে ছাড়িয়া আমাদের নিকট চলিয়া আসিবেন।"

বেহেশতে জেওর -২, চতুর্থ খন্ড, স্বামির হকের বয়ান, পৃষ্ঠা- ৫৩

১২| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৯

জাতিশ্বর বলেছেন: ড.হুমায়ূন আজাদ কি একটা ধম্ম বইয়ের কথা কইছিলেন। সেইটা পইড়াই নাকি তিনি সেই শৈশবে যৌন শিক্ষা পাইছিলেন। নামডা.. য্যান কি?

২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৪

বড় হুজুর বলেছেন: মোকছেদুল মুমিন নাকি?

১৩| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪১

অর্থীঅর্ণব২৮২২ বলেছেন: আমার বাসায় নাই। একটুখানি পোস্টান।

১৪| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪১

আরিফুর রহমান বলেছেন: মকছুদেল মুমেণিণ.. ;)

২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৫

বড় হুজুর বলেছেন: হ

১৫| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৪

জাতিশ্বর বলেছেন: উঁহ্হু! গুণি লুক! আরিপ বাই মুনে রাক্সে দেহি! ...বা বেহেস্তের কুঞ্জি,ঠিক না? আমারউ এমুন হৈছিল। খেক।

১৬| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৮

আরিফুর রহমান বলেছেন: খ্যাক খ্যাক!

এইডা থাকে ঘরে, আর মাসে একবার দেলো ছাঈদির রস-ভরা উয়াজ শুনতে পার্লে তো লুঙ্গিও হুগনা থাকে না। আলহাম্দুলিল্লা! ;)

১৭| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৮

ঘাসফুল বলেছেন: ঐটার রিপ্লেসমেন্ট কি হৈব তৈলে ... ফরামর্শ চাই :|

২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৩

বড় হুজুর বলেছেন: কমন সেন্স।

১৮| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৭

আরিফুর রহমান বলেছেন: নাহ! শুধু কমনসেন্সে হৈবো না। ফালায়া দিলে যে ভ্যাকুম সৃষ্টি হয়, সেইটারে ভরনের লাইগা প্রচুর 'সঠিক জ্ঞান' জাতীয় প্রকাশনা সৃষ্টি করা দরকার।

এই জাতীয় প্রকাশনা অল্রেডি আছে। সমস্যা হইলো, এই প্রকাশনা গুলাতে যা বলা হৈছে, তাতে কুনু 'গায়েবী অস্তিত্বে'র উছিলা নাই।

আর যারা গায়েবী আওয়াজে বেশি বিশ্বাসী, তাগো মনোভাব না পাল্টাইলে কুনদিনও কুসংস্কারের জাল ছিঁড়বো না।

২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০৪

বড় হুজুর বলেছেন: হ

১৯| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০৫

ডাবল জিরো বলেছেন: সংগ্রহে রাখার মত কয়েকটা বইয়ের(এই টাইপের) নাম লিখলে উপকৃত হতাম...

২০| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১০

শাহ জাহান বলেছেন: বেহেশতি জেওর এদেশের বাংগালী ধর্মপ্রাণ মুসলমানের একটি বহুল পঠিত জনপ্রিয় বই। তা আপনার ভালো নাও লাগতে পারে,এমন অনেক বই আছে যা কারো ভালো লাগে আবার কারো ভালো লাগে না,
সেটা বড়জোড় আপনি কিনবেন না বা পড়বেন না
কিন্তু তা নিয়ে একটা ঢালাও বাজে মন্তব্য করাটা সূরুচির পরিচয় বহন করে না।

২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৩

বড় হুজুর বলেছেন:
"দুনিয়াতে যখন কোন স্ত্রী তাহার স্বামীকে বিরক্ত করে অথবা কোনরুপ কষ্ট দেয়, তখন বেহেশতের যে হূর কিয়ামতের দিন তাহার স্ত্রী হইবে, তাহারা ঔ স্ত্রীকে লক্ষ্য করিয়া বলে, ওহে হতভাগিনী! আল্লাহ তোর সর্বনাশ করুন। তুই আর তাহাকে কস্ট দিসনা, তিনি কয়েকদিন মাত্র তোর নিকট মেহমান স্বরুপ আছেন, অল্পদিন পরেই তিনি তোকে ছাড়িয়া আমাদের নিকট চলিয়া আসিবেন।"



উপরোক্ত কথা গুলো কি আপনার রুচি সম্মত মনে হয়, জনাব?

২১| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৩

শিরোনামহীন বলেছেন: আমাদের বাসায় ও নাই।।:)

২২| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৫

নরাধম বলেছেন: বেহেশতী জেওর সম্পর্কে জানিনা। তবে নাম শুনেছি। তাবলীগে কখনও বেহেশতী জেওর সম্পর্কে কথা বলতে শুনিনি। তবে আশরাফ আলী থানভী (রঃ) কে সবাই সম্মান করে শুনেছি শুধু পাকিস্তানের বেরলভী আর বাংলাদেশের মাজার-পূজারীরা ছাড়া।

২৩| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৬

বিডি আইডল বলেছেন: আবালীয় পোষ্ট..বইটির কি কি জিনিষ খারাপ সেটা তুলে না ধরে এই ধরনের পোষ্ট ফাউল পোষ্ট ছাড়া কিছুই নয়

২৪| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৫

বড় হুজুর বলেছেন: ইলেকশনের সময় তো তোমার জন্য কাঠাল পাতার অভাব হওয়ার কথা না।
এই খানে আসছো কেন?

একটা দিলাম উদ হারন, সেইটা ব্যপারে মতামত নাই কোন?

২৫| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৩

মাহমুদ৬৯ বলেছেন: এই ধরনের 'কু-শিক্ষা' টাইপের প্রপাগান্ডা চটিগুলি ঘর থেকে বের করে ফেলে দেয়া উচিত।


মিথ্যে বলিবনা আমি নিজেও পুলক অনুভব করিতাম মকছুদেল মুমেণিণ.. পড়িয়া।

২৬| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৫

মামু বলেছেন: উদারনের ব্যাপারে আমার একটাই কতা আচে, উক্ত বক্তব্য (রেফারেন্স) তো নবিজির সে ক্ষেত্রে তা নিয়া কারো আপত্তি না তাকারই কতা (যা কিনা একজন মুচলমানের জন্য বিনা প্রশ্নে শির ধার্য )

নবিজীর বক্ত্য ধরিয়া যদি কেউ তর্ক করিতে চায় ছেটা ভিন্ন কতা।
যিমুন, নামাজের জন্য ওজু কেন করিতে হইবে, তাহা নিয়া কেউ তর্ক করিতে পারে। তাই বলিয়া নবীজির কতা অমানৌ করিয়া অজু না করিলে নামাজ হইবে না এইটা যে কুনা মালউনও বুজে... মুচলমানের কতা বাদই দিলাম....

--------------------------------------------------------
যেকানে রেপারেন্স হিসাবে নবীর কতা বলা আচে, সেখানে সেই বক্তব্য নিয়া বই লিখকের যুগ্যতা বা বইয়ের গ্রহন যুগ্যতা প্রশ্ন করা আবালীয় প্রচ্ন....

লিককের দুষ কোতায়. যদি সেটা নবীর ব্কতব্যা হয়?

২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৮

বড় হুজুর বলেছেন: এরকম হাস্যকর হাদিস কই থিকা পাইলো সেটা দেখার বিষয়।

লেখক সাহেব নিজে প্রতিটি টপিকে বক্তব্য দিয়েছেন।
যেমন:
সে বলেছেন: "স্বামীর ইজাজত ছাড়া স্ত্রী নাকি নফল নামাজও পড়তে পারবেনা"।

"স্বামী যদি দিন কে রাত, রাত কে দইন বলে তাও প্রতিবাদ করিবেনা"

" আল্লাহ ও রাসুলের খুশিও স্বামীর খুশীতেই, তেমনি নিজের ইহজীবনের এবং পর জীবনের খুশিও স্বামীর খুশীতেই ; কাজেই যেভাবে হোক না কেনো স্বামীর মনকে খুশী রাখতে হইবে"



স্ত্রীদের মধ্যে সমটা রক্ষার উপায় বলা ছাড়া (তাতেও রয়েছে ব্যপক বিনোদন) স্ত্রীর প্রতি হক বলতে এই কিতাবে কোন টপিক নেই।


স্বামীর সেবার জন্যই স্ত্রীকে সৃষ্টি করা হয়েছে যেনো।

২৭| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫১

নির্বাক সুশীল বলেছেন:


আমি পড়ছি। সখের বশে। ক্যামনে স্বামীরে জাদুটোনা কইরা বশে রাখবেন, পাড়াপ্রতিবেশির লগে বনিবনা না হইলে কোন দোআ পইড়া দক্ষিণমুখে ফু দিবেন, আর ছেলে অবাধ্য হইয়া গেলে কোন দোআ লেইখা তাবিজ বানায়ে ছেলের কোমরে বাইন্ধা দেবেন - সেইসব লেখা আছে।

সেইখানে কোন নবীর রেফারেন্স নাই। কোন রেফারেন্সই নাই।


মজিদ আর এমনি জমিলা-রহিমা দখল করে নাই। ধর্মের কথা কইলে বাপের শালা মামুও কাইত। শালার মূর্খের দল।

২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০১

বড় হুজুর বলেছেন: একবার নাকি স্বামী অসন্তুষ্ট হইলে সারা জীবন কাদিয়া কাটিয়া ভাসায় ফেললেও কিছু হবেনা।

এভাবে বলা আছে:"" ........যদিও হাত পা ধরিয়া কাকুতি মিনতি করিয়া রাযী করায় লও, তবুও পূর্বের মত টাটকা গোলাপ ফুলের সুবাস কি আর হয়? ""

:))))))

২৮| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৬

আলিফ দেওয়ান বলেছেন: পরিধপুরি কি যোবনঝালাই লিকালিকি করে?

বেহেশথি ঝিউর অনলাইনে ছাই। কুন সঋধয় বাথিজা বা বাথিজি কি উহা ইশকেন করি বা ঠাইপ মারি অনলাইনে তুলিবেক?

২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০১

বড় হুজুর বলেছেন: কাগু ঠিকানা দেন, সেইফলি সেন্ড কইরা দেই।

২৯| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৭

বড় হুজুর বলেছেন: এরকম হাস্যকর হাদিস কই থিকা পাইলো সেটা দেখার বিষয়।

লেখক সাহেব নিজে প্রতিটি টপিকে বক্তব্য দিয়েছেন।
যেমন:
সে বলেছেন: "স্বামীর ইজাজত ছাড়া স্ত্রী নাকি নফল নামাজও পড়তে পারবেনা"।

"স্বামী যদি দিন কে রাত, রাত কে দইন বলে তাও প্রতিবাদ করিবেনা"

" আল্লাহ ও রাসুলের খুশিও স্বামীর খুশীতেই, তেমনি নিজের ইহজীবনের এবং পর জীবনের খুশিও স্বামীর খুশীতেই ; কাজেই যেভাবে হোক না কেনো স্বামীর মনকে খুশী রাখতে হইবে"



স্ত্রীদের মধ্যে সমটা রক্ষার উপায় বলা ছাড়া (তাতেও রয়েছে ব্যপক বিনোদন) স্ত্রীর প্রতি হক বলতে এই কিতাবে কোন টপিক নেই।


স্বামীর সেবার জন্যই স্ত্রীকে সৃষ্টি করা হয়েছে যেনো।



৩০| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৮

নির্বাক সুশীল বলেছেন: কাগু, যৌবনঝালা বদলাইসে। ঝৌবনযাত্রা হইসে একন। ছাগাইডল লেকালেকি করে, ওরে জিগাইতে হবেক, পরিধপুরি ল্যাকে কি না

৩১| ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৪

আলিফ দেওয়ান বলেছেন: দেউয়ান ডঠ কাগু এঠ ঝিমেইলে পাটাই দেউ বাথিজা।

নির্বাখ বাথিজা, উহাদের কি জালা পুড়া ফুড়াই গেলু? তাহারা কুন পতে যাথ্রা শুরু করিলু? চঠিডল বাথিজা শুদু কুবুদ্দি দেই। সে লুক ভালু না।

৩২| ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৬

আলিফ দেওয়ান বলেছেন: পরিধপুরিকে কুন আরব শেকের ইস্তিরি হিসাবে কুতাউ ছাকরি দেউয়া হউক।

৩৩| ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫২

মাহমুদ৬৯ বলেছেন: আমি একখান ছাই। অনলাইন বেস্টী ঝেওর।

২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৯

বড় হুজুর বলেছেন: অন লাইনে নাই মনে হয়।

জামাতিরা নাকি থনাভি চাচারে দেখতে পারেনা, অন লাইলে এই বি তুলবো কে তাইলে?

কওমি মাদ্রাসর পোলাপান তো নেটই চোখে দেখেনা।

৩৪| ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩০

ধীবর বলেছেন: এই বইটা আমাদের বাসায় নেই । অন্য আট দশটা পরিবারের মত আমার বাবা মা ও নিষ্ঠার সাথে নিয়মিত ধর্ম চর্চা করে থাকেন। আর এ জন্যই ধর্মীয় গোড়ামি তাদের স্পর্শ করতে পারেনি। তাদেরকে দেখেছি, কোরাণ এবং কোরাণের বাংলা তাফসির পড়তে। সর্বোপরি তারা প্রথমে ভাল একজন মানুষ হবার উপদেশ দিতেন আমাদের। আমি বিশ্বাস করি, সেটাই মুখ্য।

তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে, শ্রেফ যে কারো কথায় নাচবার দিন শেষ হয়ে গেছে। তথ্য যাচাই বাছাই করে এর পর কোন কথায় আস্থা অর্জন করা যেতে পারে। আজকাল শুনি মনগড়া অনেক হাদিসের কথা। যা সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে কুশিক্ষায় ধাবিত করে থাকে। ধর্ম মন্ত্রনালয়ের উচিত, ওমরা বাণিজ্যে ব্যাস্ত না থেকে, এই ধরণের অদ্ভুতুড়ে প্রকাশনার দিকে নজর দেয়া। যেটা শুধু ইসলাম নয়, বরং ধর্মভীরু মানুষদের ধর্মানুভুতি নিয়েও খেলছে।

লেখককে ধন্যবাদ এবং প্লাস।

৩৫| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৪৮

মোঃ রাকীব হাসান বলেছেন: PDF download link দিন কেউ। দেখি কদ্দুর হেতের কাহিনী কিচ্ছা

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.