| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নঃ
*** রেনেসাস বলতে কি? বুঝায়।
উত্তরঃ রেনাইসান্স ( Renaissance) শব্দটির অভিধানিক অর্থ হল পুনর্জন্ম বা নব জাগরণ। মানব সভ্যতার ইতিহাস অতীত থেকে বর্তমান এবং বর্তমান থেকে আগামীর পথে এগিয়ে চলেছে। সমাজ, সংস্কৃতি, রাজনীতি আর অর্থনীতি ইতিহাসের কালের পরিসীমায় আবদ্ধ। ইতিহাসে কোন ঘটনারই পুনরাবৃত্তি একইভাবে কিংবা একই পন্থায় কিংবা ধারায় ঘটে না। রেনেসাস মুলত একটি দীর্ঘস্থায়ী সমাজ পরিবর্তন প্রক্রিয়া। এই রেনেসাসের ভেতর দিয়ে আধুনিক পাশ্চাত্য সভ্যতার উত্থান ঘটেছে, একই সঙ্গে অবসান ঘটে মধ্যে যুগের। সে কারনেই রেনেসাস কে এক কথায় সংজ্ঞায়িত করা যায় না। এর ভিতরগত এবং বাহ্যিক মর্ম অত্যন্ত ব্যাপক। প্রচলিত অর্থে রেনেসাস বলতে বুঝায় প্রাচীন যুগের গ্রোকে, রোমান সংস্কৃতির পুনরুত্থান তথা প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সাহিত্য, দর্শন, বিজ্ঞান, শিল্পকলা, ভাস্কর্যকলা প্রভৃতি অধ্যয়ন করে সত্য সুন্দরকে গ্রহন করা এর ভিত্তিতে জীবনকে পরিচালনা করা। তবে সংজ্ঞাটির প্রধান সীমাবদ্ধতা হল শুধুমাত্র প্রাচীন জ্ঞান-বিজ্ঞান অধ্যয়ন এবং প্রয়োগ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে সহায়ক হলেও সামগ্রিক সমাজ বদলের প্রধান কারণ হতে পারে না।
*** নাবিক হেনরি কে ছিলেন?
উত্তরঃ ষোড়শ শতকে ইউরোপের ভৌগোলিক আবিস্কারে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা পালন করেছিলেন পর্তুগালের যুবরাজ নাবিক ইনফ্যান্ট হেনরি। তার প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতা ও আর্থিক সহযোগিতায় ১৪৩৩ সাল থেকে শুরু করে ১৪৬০ সাল পর্যন্ত পর্তুগালের নাবিকগণ প্রাচ্য দেশে আসার জন্য সমুদ্র আবিস্কারের প্রচ্ষ্টো চালায়। কিন্ত এই পর্যায়ে কেউ সফল হতে পারেনি। তার পথ ধরে পরবর্তীতে বিভিন্ন নাবিকগণ বিভিন্ন দেশ ও জলপথ আবিস্কার করেন।
** ইবনে খালদুনের তত্ত্বটি কি?
উত্তরঃ মধ্যযুগে মুসলিম ঐতিহাসিক, দার্শনিক ও পন্ডিত ইবনে খালদুন তার ভুবন বিখ্যাত গ্রন্থ "আল মুকাদ্দিমায় " বলছেনে যে পৃথিবীর ইতিহাসে কোন সাম্রাজ্যের শৌর্য-বীর্য, বিকাশ কিংবা একটানা উন্নতি একশত বছরের বেশি স্থায়ী হয় না। অর্থাৎ তিনি বলতে ছেয়েছেন যে কোন সাম্রাজ্যের সনাতন পর্ব এক শতাব্দীর অধিকার স্থায়িত্ব লাভ করে না। মধ্যে যুগের এশিয়া, ইউরোপের সাম্রাজ্যেগুলোর দিকে আলোকপাত করলে এই সভ্যতা অনুধাবন করা যায়। দীর্ঘকাল টিকে থাকলেও পুর্ব ও পশ্চিম রোমান সাম্রাজ্যের উত্থান ও বিকাশপর্ব দীর্ঘস্থায়ী ছিল না। আধুনিক ইতিহাস গবেষণার ইবনে খালদুনের এই তত্ত্বটিকেও সাম্রাজ্য পতনের একটি কারণ হিসেবে চিহ্রিত করা হয়।
** লুথার জার্মাণীর কৃষক বিদ্রোহকে কেন সমর্থন করেননি?
লুথার যখন তার মতবাদকে রাজাদের সহযোগিতায় মোটামুটি প্রতিষ্ঠা করেন তখন জার্মানিতে কৃষক বিদ্রোহ দেখা দেয়। জার্মানীতে কৃষকরা ছিল নানাভাবে নিগৃহীত ও করভাবে জর্জরিত। যখন লুথার জার্মান রাজাদেরকে র্গিজার সম্পত্তি দখল করতে এবং অনৈতিকভাবে বিরুদ্ধে জাগরণের আহবান কৃষকরাও তখন তাদের নিজস্ব পথে বিদ্রোহ ঘোষনা করে। কিন্ত লুথার বিদ্রোহ সমর্থন করেনি, তিনি সামাজিক ও রাজনৈকিক ব্যাপারে রক্ষনশীল মনোভাব প্রকাশ করে। তিনি বলেন শাসকদেরকে অবশ্যই মানতে হবে, তবে শাসক যদি খারাপও হয় তবুও তার অবাধ্য হওয়া যাবে না অত্যাচারকে মোকাবেলা নয় সহ্য করতে হবে। রাজারা এবং লুথারের অনুসারীরা একত্রিত হয়ে কৃষক বিদ্রোহ দমন করে। এই বিদ্রোহের পর জার্মানীতে নিম্নশ্রেণীর আর কোন বিদ্রোহ হয়নি।