নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জীবনতো একটাই। হাজারো স্বপ্নের ভীড়ে জ্বলজ্বল করে দুঃসাহসিক স্বপ্ন- মানুষ হবার। আমরা মানুষ হতে চাই। যাকে সবাই মানুষ জ্ঞান করে, এমনকি মহাকালও।

হুসাইন আজাদ

হুসাইন আজাদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

‘শান্তি চান? সেলফোনটি বন্ধ করে দিন!’

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:১৭

কেউ ভুল করে আপনার সেলফোনটি বন্ধ করে দিল বা সেলফোনটি আপনা থেকেই বন্ধ হয়ে গেল। যখন টের পেলেন ফোনটি বন্ধ, তখন কেউ বন্ধ করে থাকলে তার ওপর যেভাবে পারেন রাগ ঝাড়েন। আবার যদি আপনা থেকেই বন্ধ হয়ে যায় সেলফোনটি। তখন সেটিকেই আছাড় দিতে ইচ্ছে হয়!



মনে মনে ভাবেন, কতো গুরুত্বপূর্ণ কল মিস হয়ে গেলো কে জানে! অনেকে সময় ভেবে ফেলেন, কোনো শুভ সংবাদও হয়তো ফিরে গেছে নেটওয়ার্ক না পেয়ে। খুবই প্রয়োজনীয় সেলফোনটি বন্ধ হওয়াকে আপনি হাতে ধরে অশান্তি ডেকে আনা মনে করলেও গবেষণা বলছে ঠিক তার বিপরীত কথা!



মানসিক প্রশান্তির ওপর যুক্তরাজ্যের লন্ডনের ‘স্কুল অব ইকোনমিকস’ পরিচালিত এক গবেষণা দল জানায়, মোবাইল বন্ধ রাখলেই আপনি জগতের সুখী মানুষদের কাতারে চলে যেতে পারবেন, অন্তত সেই মুহূর্তটির জন্য!



কেন? কারণ হিসেবে গবেষণা প্রতিবেদনটি বলছে, “সেলফোন নামক যন্ত্রটি যখন থেকেই পকেটে রাখছেন, তখন থেকেই মানসিক অস্থিরতার শুরু। যদি সেলফোনটি কম্পন (ভাইব্রেশন) মুডে থাকে তবে শরীর কোনো কারণে কেঁপে উঠলে ভাবেন এই বুঝি কল অথবা মেসেজ আসল! আর যদি কলটোন (রিং) মুডে থাকে তবে তো কথাই নেই! গাড়িতে, কোলাহলে, অনুষ্ঠানে সব জায়গায় একটু পরপর মোবাইলটি হাতে নিয়ে দেখেন। অনেকে বাধ্য হয়ে হাতে নিয়েও রাখেন সেলফোনটি!



আবার খুব বেশি কোলাহলে বুঝতে না পারলে কলটি যখন মিস হয়ে যায় তখন সময় অতিক্রম করার পর গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলে নিজের ওপর প্রচণ্ড রাগ জন্মে যায়। নিয়মিতভাবে এ ধরনের ক্ষোভের সৃষ্টি মানসিকভাবে অস্থির করে দিতে পারে আপনাকে। অর্থাৎ সেলফোন আপনার জীবনে গতি আনলেও মানসিক অস্থিরতা সৃষ্টি করে।”



গবেষক দলের প্রধান ও ‘স্কুল অব ইকোনমিকস’ এর অধ্যাপক পল ডোল্যান মনে করেন বর্তমান সময়ে স্মার্টফোনগুলোর জনপ্রিয়তা মানুষকে নিকটাত্মীয় ও প্রিয়জনের কাছ থেকে সরিয়ে দিচ্ছে। মানুষ খুব বেশি সময় ব্যয় করছে এ যন্ত্রগুলোর পেছনে!



কলম্বিয়ার একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পল ডোল্যান বলেন, “মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার মানুষকে অস্থির করে তুলছে। যেমন- পকেটে যদি একটি সেলফোন থাকে, মনে হয় এই বুঝি মেসেজ এলো, আসলে কিছুই আসেনি!”



তিনি বলেন, “যখন কোনো কাজ শুরু করা হয়। অবশ্যই সেখানে মনোযোগের প্রয়োজন হয়। মোবাইল অনেক সময় কাজের ব্যাঘাতও ঘটায়। গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে চাইলে সেলফোনটি বন্ধ করার মতো বুদ্ধিমানের কাজ দ্বিতীয়টি নেই।”



নিজেদের পরিচালিত গবেষণার উদ্বৃতি টেনে পল ডোল্যান বলেন, “বিবাহিত ও ধর্মে বিশ্বাসী ব্যক্তিরা অবিবাহিত ও নাস্তিকের চেয়ে বেশি সুখী হয়। এদের মনে কোনো ধরনের অস্থিরতা খুব বেশি স্থায়ী হয় না।”



এছাড়া, বর্তমান সময়ে বিবাহ বিচ্ছেদকে (ডিভোর্স) সাংসারিক ঝামেলা থেকে বাঁচতে সুখ-শান্তির প্রধান মাধ্যম হিসেবে মনে করা হলেও ডোল্যান বলেন, বিচ্ছেদের পর স্বামী-স্ত্রী দু’জনই অপ্রত্যাশিত কষ্টে ভোগেন। অনেকে আগের সম্পর্কেও ফিরতে চান।



এছাড়া, চল্লিশোর্ধ বয়সী ব্যক্তিরা পঞ্চাশে পৌঁছানো পর্যন্ত কিছুটা অস্থিরতায় ভোগেন বলেও জানায় গবেষণা দলটি।



প্রাযুক্তিক বিপ্লবের যুগে প্রয়োজনের স্বার্থে প্রযুক্তির ব্যবহার করলেও সেটা যেন নেশায় পরিণত না হয় এ ব্যাপারে সতর্কতা দেয় গবেষণা দলটি।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৩১

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: পারতপক্ষে আমি সেলফোন খোলা রাখিনা।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:১৪

হুসাইন আজাদ বলেছেন: তালি পরে যুগাযুগ?

২| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০১

আশিক মাসুম বলেছেন: ১০০% সহমত।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:১৪

হুসাইন আজাদ বলেছেন: এমপি অইয়া গেলাম! ধইন্যাপাতা!

৩| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১০

তামিম ইবনে আমান বলেছেন: সহমত

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:১৫

হুসাইন আজাদ বলেছেন: গরীবের ইস্ট্যাটাসে মুন্তব্যু করায় ধইন্যাপাতা!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.