| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ইমরা
অতি সাধারণ , অলস,ঘুম আর আরাম প্রিয়
এদেশে যেকোন ভালো চাকরি পেতে আজকাল ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হওয়া লাগে স্নাতক সমমান, এমনকি তৃতীয় কিংবা চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর ন্যূনতম যোগ্যতা হতে হয় কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণী পাশ। আর যারা জনগণের প্রতিনিধি হয়ে দেশ চালাবেন, স্থানীয় থেকে জাতীয় পর্যায়ে, তাদের কোন ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে না! ভোটের পরীক্ষায় সার্টিফিকেট নিয়ে আসতে হয়, আর তাতে প্রস্তুতির জন্য লাগে অর্থ, পেশীশক্তি, জনবল, অস্ত্র, দলীয় মার্কা ইত্যাদি!
তাই আমাদের নেতারা নির্বাচনের আগে যে হলফনামা দাখিল করেন, তাতে তারা লিখেন- ‘স্বশিক্ষিত’! আসলে প্রযোজ্য কথাটা অনেক ক্ষেত্রেই হবে ‘অশিক্ষিত’, ক্ষেত্রবিশেষে ‘কুশিক্ষিত’! যদিও প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা আর জ্ঞান রাজনীতি কিংবা নেতৃত্বের শেষ কথা কিংবা অনিবার্য মাপকাঠি নয়, তবুও অশিক্ষিত কিংবা অর্ধশিক্ষিত নেতা দিয়ে দেশ চালানো্র যুগ বহু আগেই শেষ হয়েছে! একজন যোগ্য নেতার যেমন মাঠপর্যায়ে গণমানুষের সাথে সংশ্লিষ্টতা আর রাজনৈতিক চর্চার প্রয়োজন আছে, তেমনি প্রয়োজন আছে পর্যাপ্ত শিক্ষারও! কারণ নির্বাচিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি নেতা, নির্বাচিত হয়ে গেলে তিনি প্রশাসক, ম্যানেজার, তা যে পর্যায়েই হোন না কেন! তার কাছে দেশের চাহিদা প্রাজ্ঞ পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়নের বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান, মেধা, যোগ্যতা আর অভিজ্ঞতা! আর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত না হয়েও ভালো জনপ্রতিনিধি হতে পারেন কেউ, এই ব্যতিক্রমের সম্ভাবনাও এই একবিংশ শতাব্দীতে অনেকটাই অপ্রাসঙ্গিক! যে পড়ালেখাই করেনি, সে রাজনীতি করে স্কুল পালানো রবিঠাকুর কিংবা নজরুলের মত দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে না, বরং রাম শাম যদু মধু টাইপ নেতা হবে এটাই আমাদের পূর্ব অভিজ্ঞতা বলে!
তাই আমাদের বোধহয় সময় এসেছে এইবার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত নির্বাচনে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করে দেয়ার! আমাদের চাই শিক্ষিত যোগ্য মেধাবী সৎ নেতা, যার একই সাথে রয়েছে প্রত্যক্ষ রাজনীতির চর্চা আর মানুষের মাঝে কাজ করার সক্ষমতা, সর্বোপরি দক্ষ প্রশাসক হয়ে ওঠার জন্য পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা আর শিক্ষা…
©somewhere in net ltd.