নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিজের সম্পর্কেই জানতে চাই। সমালোচনা করি বলেই তো সমালোচিত!

ইব্‌রাহীম আই কে

লিখতে পারিনা। মাঝে মাঝে একটু চেষ্টা করি। বন্ধুবান্ধব সবার অভিযোগ আমি গল্প লিখতে পারিনা আমার লেখা গুলো প্রবন্ধ টাইপের হয় আর খুব বড় হয় তাই কারোর পড়ার ইচ্ছে হয়না।

ইব্‌রাহীম আই কে › বিস্তারিত পোস্টঃ

১০ মাসে ঢাবির ৮ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, নেপথ্যে ‘চাকরি-প্রেম’

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:২৩

~প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মহত্যার ঘটনা বেড়েছে। গত ১০ দিনে ঢাবির ৩ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। শুধু তাই নয়, চলতি বছরে ৯ মাসে (মার্চ থেকে নভেম্বর পর্যন্ত) ৮ শিক্ষার্থী এ আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের এমন আত্মহননে উদ্বিগ্ন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

~বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিষণ্নতা যখন চেপে ধরে তখন মানুষ মুক্তি চায়। কিন্তু মুক্তি পেতে গিয়ে তারা যে জীবনকে ধ্বংস করে দিচ্ছে তা বুঝে না।পরিবার থেকে শুরু করে বন্ধু-বান্ধবদের ভূমিকাই এ ধরনের আত্মবিধ্বংসী পথ থেকে হতাশাগ্রস্থ ব্যক্তিকে রক্ষা করতে পারে। আপন মানুষের সান্নিধ্যই আত্মহত্যা রুখতে পারে

~আত্মহত্যাকারী ঢাবির ৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে চাকরি না পাওয়ার হতাশা, একাডেমিক চাপ, পারিবারিক অভাব ও প্রেমে ব্যর্থ হওয়ায় মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রয়েছে।

~সর্বশেষ গতকাল (২১ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার) রাজধানীর অদূরে টঙ্গীতে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ঢাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র হুজাইফা রশিদপরিবারের ধারণা, একাডেমিক হতাশা থেকে সে আত্মহত্যা করতে পারেন।

~গত ১৬ নভেম্বর (শুক্রবার) যশোরে গ্রামের বাড়িতে আত্মহত্যা করেন ঢাবির ২০১০-১১ সেশনের প্রাক্তন ছাত্রী মেহের নিগার দানি। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে বন্ধুদের এড়িয়ে চলতেন। বন্ধুদের ভাষ্যমতে, দানি একা একা ও বিষণ্নতার মধ্যে থাকতেন।

~প্রেম ঘটিত কারণে চলতি মাসের ১২ তারিখে (নভেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটে একটি হোস্টেলে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেন বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ফাহমিদা রেজা সিলভি

~এছাড়া চলতি বছরের শুরুতে ১৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর হাজারীবাগের নির্মাণাধীন একটি ভবনের ছাদ থেকে নীচে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেন স্যার এ এফ রহমান হলের আবাসিক ছাত্র ফিন্যান্স বিভাগের তরুণ হোসেন। তার বন্ধুরা জানান, বিভাগের পড়ার চাপ ও সাদামাটা জীবনযাপনের জন্য সবার নিগ্রহ তাকে হতাশাগ্রস্ত করে। শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যা করেই জীবনের ইতি টানেন।

~গত ৩১ মার্চ বিজনেস ফ্যাকাল্টির এমবিএ ভবনের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেন সান্ধ্য কোর্সের শিক্ষার্থী তানভীর রহমান। দীর্ঘদিন ধরে চাকরি না পাওয়ার হতাশা থেকে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে তার সহপাঠী ও পরিবারের সদস্যরা জানান।

~১৫ আগস্ট রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় আত্মহত্যা করেন সংগীত বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মুশফিক মাহবুব। আত্মহত্যার আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি দেশের শিক্ষা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া স্ট্যাটাসটি ছিল- ‘আই ওয়ান্ট ফ্রিডম অ্যাজ এ বাংলাদেশি ইভেন ইফ ইট কিলস মি ফর দ্য রিজন’।

~এ ছাড়া ১০ সেপ্টেম্বরে রাজধানীর রামপুরায় নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেন আফিয়া সারিকা নামের এক ছাত্রী। যিনি মার্কেটিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত ছিলেন। নিহতের পরিবারের ধারণা, প্রেম সংক্রান্ত কোনো কারণে সারিকা আত্মহত্যা করতে পারেন।

~গত ১৫ অক্টোবর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের ছাত্র জাকির হোসেন। পারিবারিক অভাব-অনটনের কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারেন বলে ধারণা তার বন্ধুদের।

~এদিকে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হঠাৎ আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার আয়োজিত আত্মহত্যা প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক -এ সেমিনারে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন বিশেষজ্ঞরা।

~সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, কোনো শিক্ষার্থীর মৃত্যুই স্বস্তিদায়ক নয়। শিক্ষক হিসেবে এটি আমাদের জন্য অনেক বেশি পীড়াদায়ক। এটা তো (আত্মহত্যা) কোনো সমাধান নয় -এ জিনিসটা ছাত্র-ছাত্রীদের বুঝতে হবে। শিক্ষার্থীর পরিবার, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার, বন্ধু-বান্ধব সবার আন্তরিক প্রচেষ্টাই পারে এ থেকে মুক্তি দিতে।

~এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নির্দেশনা ও পরামর্শদান দফতরের পরিচালক ও অ্যাডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেহজাবিন হক বলেন, আমরা সবাই সচেতন হলে ঘটনাগুলো কমানো সম্ভব। কারো যদি আত্মহত্যা করার মত অবস্থা হয়, তাহলে তার বন্ধুদের উচিত গায়ে হাত রাখা এবং তাকে বুঝানো যে পৃথিবীতে তোমার বেঁচে থাকা কতটা দরকার।

~তিনি আরও বলেন, আত্মহত্যাই একমাত্র সমাধান নয়। বরং সেটি নিজেকে একেবারেই শেষ করে ফেলে। তাই বিষণ্নতা থেকে উত্তরণের পথ বের করতে হবে এবং তাদের সেদিকে পরিচালিত করতে হবে। বিশেষ করে পরিবারের সদস্য, বন্ধু-বান্ধব ও শিক্ষকদের এক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সংগৃহীত।
নিউজ সোর্সঃ ১০ মাসে ঢাবির ৮ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, নেপথ্যে ‘চাকরি-প্রেম’

~আত্নহত্যার কারণ হিসেবে আপনি প্রধানত কোন কোন কারণগুলোকে দায়ী করবেন?
~আপনার কাছে কেউ এসে যদি বলে আমি আত্নহত্যা করব (নিশ্চয় কেউ এভাবে বলবেনা, আপনি যখন তার মনের অবস্থা বুঝতে পারবেন।) তখন তাকে কিভাবে সেই আত্নহত্যার পথে যাওয়ার থেকে রক্ষা করবেন? সে আপনার অপরিচিত হলে কি তাকে সেই পথে যাওয়া থেকে রক্ষা করবেন?
~আপনি নিজে বিষণ্ণতা থেকে কিভাবে উঠে আসেন? খুব মন খারাপ হলে বা প্রেমের অসফলতা (প্রথম যৌবনের সেই মুহূর্ত) বা পারিবারিক অসচ্ছলতার সময়ে নিজেকে কিভাবে মটিভেইট করেছিলেন?


বিঃদ্রঃ আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিয়ে, আরেকজনের সেই দুঃসময়ের মুহূর্ত কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করুন। (পরবর্তীতে সেগুলো সংকলন ও এসব নিয়ে একটা মৌলিক লেখা পোস্ট করব। আশা করছি।)

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৫

ব্লগার_সামুরা বলেছেন:
দুঃখজনক বটেই। একজন গেলে আরেকজন যাওয়ার পথ সোজা হয়ে যাই।

আত্মহত্যা করে কি পেয়েছে তারা। পরিবারের দুঃখ টা আরো বাড়িয়ে দিল।

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৮

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: আত্মহত্যা করে কি পেয়েছে তারা। এটা আসলে আমরা কখনো বুঝতে পারবোনা। অল্প দুঃখে কিন্তু কেউ আবার আত্নহত্যা করেনা, এটাও কিন্তু আমাদের বুঝা উচিৎ।

২| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে
তাহলে কেন তারা মরছে!!!!

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:০৬

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: হয়ত তাদের এতো উন্নয়ন সহ্য হচ্ছেনা, তাই বিদায় নিয়ে নিচ্ছে আমাদের থেকে :(

৩| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০০

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: দুঃখজনক ঘটনা।

আধুনিকতার নামে আমরা যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছি। আত্মকেন্দ্রিক না হয়ে আমাদের আরো মানবিক হওয়া দরকার, পাশের মানুষদের বোঝা দরকার।

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:১০

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: এখনতো সুখ-দুঃখের কথা কারোর সাথে বলতে গেলেই সাইকো ট্যাগ দিয়ে বসে, তাই আর বন্ধুবান্ধব সহ কাছের মানুষের সাথে শেয়ার করা যায়না কিছু। আর আমাদের সামাজিক পরিস্থিতিও এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে পিতা-মাতার সাথে সন্তানরা অতটা ক্লোজনা যে সকল সমস্যার বিষয়গুলোই উনাদের সাথে শেয়ার করা যাবে।

৪| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪১

chondrobhuk বলেছেন: গোটা জাতিই সুইসাইডের পথে।

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:১৩

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: সবাইকেই রক্ষা করা উচিৎ, আত্নহত্যা নামক ভয়ানক মানুসিক রোগ থেকে।

সবাইকেই যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসা উচিৎ, কাছের মানুষদের বুঝা উচিৎ, উদের খারাপ সময়ে সঙ্গ দেওয়া উচিৎ।

৫| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:০৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


ঢাকা ইউনিভার্সিটির "ইডিয়ট শিক্ষকরা" কোন পদক্ষেপ নিয়েছে?

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:২৫

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: যতটুকু খবর পেয়েছি, শহীদুল্লাহ হলের প্রক্টর স্যার সেমিনার এর আয়োজন করেছে। এর বেশি কোন পদক্ষেপ নিতে এখনো দেখা যায়নি।

৬| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


একমাত্র ড: শহীদুল্লাহ সাহেব ব্যতিত, টাকা ইউনিভার্সিটিতে কোন প্রফেশানেল শিক্ষক ছিলো না; উনি ব্যতিত সবগুলো ছিল ইডিয়ট চাকুরীজীবি

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:২৯

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: শিক্ষকতাকে সেবা হিসেবে না নিয়ে পেশা হিসেবে নিলে যা হওয়ার ঠিক তাই হচ্ছে।

অচিরেই এর একটা সুরাহা করতে হবে। হয়তো ঢাবি এর স্টুডেন্ট আত্নহত্যা করেছে তাই পত্রিকায় এভাবে এসেছে। বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের আর কতজন স্টুডেন্ট বা সাধারণ জনগণ আত্নহত্যা করছে তার হিসেব তো আর আমাদের কাছে নেই !!!

৭| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৫৯

বাকপ্রবাস বলেছেন: শিক্ষা এবং জীবন ব্যবস্থায় মানুষকে ধনী, বড়লোক, উচ্চবিলাশী হবার ধারণা দিচ্ছে। দেশপ্রেম, সততা এসব থাকলে অন্যরা কটাক্ষ করছে। তায় এসব নিয়ে শিক্ষা ব্যাবস্থায় আলোচনা এবং উত্তরণ ও করনিয় বিষয় থাকতে হবে

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৫

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: সুন্দর বলেছেন। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

আজকাল সবাই শিক্ষা অর্জন করছে ভালো একটা চাকুরী পাওয়ার জন্য, মানবিকতাবোধ তৈরির জন্য না!

৮| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:২৭

সালু সরকার বলেছেন: আত্মহত্যা করে আমাদের চারপাশের মানুষ গুলোর জ্ঞানের ঝুলি থেকে অতিরিক্ত বকবক শুনতে শুনতে মানুষিক অসুস্থ হয়ে।

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:৪০

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: কথাটা বুঝলাম না ঠিক :|

৯| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৫১

জাহিদ হাসান বলেছেন: যারা আত্নহত্যা করতে চায় তাদের বলবো-
তোমরা এত উন্নয়নের বাংলাদেশ না লইয়া কই মরতে যাইতাছো?

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৬

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: উন্নয়নের জোয়ারেই উনারা হয়তো ভেসে যাচ্ছে!

১০| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৫৩

জাহিদ হাসান বলেছেন: যারা আত্নহত্যা করতে চায় তাদের বলবো-
তোমরা এত উন্নয়নের বাংলাদেশ না লইয়া কই মরতে যাইতাছো? তোমরা সবাই রাজাকার। তোমাদের তো ফাসি হওয়া উচিত !
:D :D

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৫

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: ফাঁসির যন্ত্রণাদায়ক মরা থেকে হুট করে ছাঁদ থেকে লাফ দিয়ে বা বেশি করে ঘুমের ওষুধ খেয়ে অচেতন অবস্থায় মারা যাওয়ার পন্থা হয়ত বেছে নিচ্ছে এজন্য যে, টিভি মিডিয়ার অত্যাচার থেকে রক্ষা পাবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.