নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি ঘুরতে ভালোবাসি। আমি খুব নেট পাগল। আমি নবম শ্রেণী থেকে অনার্স পযর্ন্ত নানী বাড়িতে ছিলাম।

নাহল তরকারি

আমি ধার্মিক। আমি সব কিছু ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী বিচার বিশ্রেশণ করি। আমি সামাজিক রীতিনীতি, সমাজিক কু সংস্কার, আবেগ দিয়ে কোন কিছু বিচার করি না।

নাহল তরকারি › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমাদের মজিদ কসাই।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:১৫

গত শুক্রবার। আমি নানীর বাড়িতে ছিলাম। একটি কাজে ভবেরচর বাস স্ট্যান্ডে আসি। সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিলো। আস্তে আস্তে বাড়ির দিকে রওনা দেই। পথিমধ্যে দেখা হলো; সেই পরিচিত মজিদ কসাই এর সাথে।

নাম শুনে তাকে গুন্ডা মনে করবেন না। উনি আমাদের এলাকায় একজন নাম করা কসাই। আমার জন্মের পর দেখতাম ইনি আমাদের নানার কুরবানীর গরু জবাই করে, গোস্ত রেডি করে দিতেন। সব মিলিয়ে মনে হয় আধা ঘন্টা লাগতো। পরে তিনি ঢাকায় চলে আসতেন। মিনিমাম পাঁচটি গরু না বানিয়ে আসতেন না। সে সময় ঈদে তার দশ থেকে বারো হাজার ইনকাম হতো। আবার মনে করেন আমার মামার বিয়ের সময় তিনিই গরু বানিয়ে দিয়েছিলেন।

২০০৫ সালের পর আমরা গরু গোস্ত খাওয়া বন্ধ করে দেই। শুধু খাসি কুরবানী দিতাম। এর পর থেকে উনাকে কুরবানী ঈদে আমার নানার বাসায় আসতে দেখি নাই। তবে রাস্তায় চলা ফেরায় তাকে দেখতাম। তিনি আমাকে ডাক দিতেন। আদর করতেন। হিসেবে তিনি এলাকার নানা হউন।

২০০৬ সালের কুরবানী ঈদে তাকে গ্রাম দেশে দেখতাম না। তিনি ঢাকাতে ঈদের জামাত ধরতেন। এবং ধানমন্ডি এলাকায় সার্ভিস দিতেন। ২০১০ সালের পর থেকে তিনি মনে হয় পেশা পরিবর্তন করে ফেলে। সম্ভবত তিনি তখন থেকে বৃদ্ধ হওয়া শুরু করে।

পরে তিনি ফিদা পাম্প এর সামনে একটি চা এর দোকান দিয়ে ছিলেন। এক সময় চা এর দোকান তার স্ত্রী সামলাতো। এবং তিনি রিস্কা, অটো চালাচ্ছেন।

আজ আমি তার কথা কেন বললাম। জানি না। আজ হয়তো কসাই মজিদ কে সবাই ভুলে গেছে। তাকে এখন অটো ওয়ালা হিসেবে তাকে চিনে। আমি চাইনা তার সেই পুরাতান পরিচয় সবাই ভুলে যাক। আমি যদি ২০০৩ সালের স্বর্ণের দাম এর সাথে তার ইনকাম আর বর্তমানে আমার ইনকাম তুলনা করি তাহলে তার ইনকাম এর দাম বেশী হবে।

তা ছাড়া কোন পেশাই ছোট না। একজন বিসিএস অফিসারও তার বড় কর্তার অধীন। আর একটু ভুল হলেই সেই কর্মকর্তাকে ছিঃ ছিঃ শুনতে হয়। আবার বড় কর্তার ধমক, বিভাগীয় তদন্ত, শাস্তি ইত্যাদি সম্মুখীন হতে হয়।

কিন্তু মজিদ কসাই কে কি সেসব সম্মখীন হতে হয়েছে? বরং শুক্রবারে বিয়ের বাড়িতে আর কুরবাণী ঈদের দিন; কাষ্টমার মজিদ কসাই কে সম্মান দিয়ে, অগ্রীম কিছু টাকা দিয়ে তাকে ডাকতে হয়েছে।

আমি সাজিয়ে লেখতে পেরেছি কি না, জানিনা। কিছু কিছু শব্দ আঞ্চলিক ভাষায় লিখেছি। আবার কিছু কিছু বানান ভুল হয়েছে। আবার সাধু আর আঞ্চলিক শব্দ মিলে একপ্রকার দূষনীয় বাক্য হয়েছে, যাহা অনিচ্ছাকৃত।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৫২

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: দীর্ঘদিন পর কোন মানুষের সাথে দেখা হলে; অনেক স্মৃতি মনে পড়ে যায়।

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১০:২৩

নাহল তরকারি বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

২| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১২:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: আর আমাদের এলাকায় আছে খলিল কসাই।

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১০:২৩

নাহল তরকারি বলেছেন: সুন্দর।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.