নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

I n c o g n i t o

যতোবার আমি শান্তি খুঁজেছি, ঠিক ততোবার আমার মাথায় শুধু একটি চিন্তাই এসেছে। সেটা হচ্ছে একটা ড্রিল মেশিন দিয়ে মাথার খুলিটা ফুটো করে দেওয়ার চিন্তা।

ইনকগনিটো

যতোবার আমি শান্তি খুঁজেছি, ততোবার শুধুমাত্র একটা চিন্তাই আমার মাথায় এসেছে। সেটা হচ্ছে একটি ড্রিল মেশিন নিয়ে নিজের মাথার খুলিটা ফুটো করে দেওয়ার চিন্তা।

ইনকগনিটো › বিস্তারিত পোস্টঃ

অ্যাডোনিসঃ প্রেমের দেবী আফ্রোদিতি যার সৌন্দর্যে অন্ধ হয়েছিলেন।।

১১ ই জুন, ২০১১ রাত ১১:৪৭









গ্রীক পুরানে বর্ণিত সবচেয়ে সুন্দর ও আকর্ষণীয় পুরুষ হলেন অ্যাডোনিস। তার সৌন্দর্য এতোটাই বেশি ছিল যে প্রেমের দেবী আফ্রোদিতি পর্যন্ত তাকে ভালবেসে ফেলেছিলেন।

গ্রীক পুরানে বর্ণিত অ্যাডোনিস ও দেবী আফ্রোদিতি এর কাহিনীটি তাই বেশ জনপ্রিয় এবং বিয়োগান্তক ও বটে।







সুপুরষ অ্যাডোনিস এর পরিচয় দেয়া যাক। যদিও এটা কিছুটা বিব্রতকর , তবুও বলতে হয় অ্যাডোনিস ছিল মিরহা এর পুত্র, এবং অ্যাডোনিস এর জন্ম হয়েছিলো একটি পাপ এর পরিনতি হিসেবে। মিরহা ছিল রাজা থিয়াস( আরেক নাম সিনিরাস) এর অনন্য সুন্দরী কুমারী কন্যা। মিরহা এর সৌন্দর্য নিয়ে তার পিতার বেশ গর্ব ছিল। এমনকি তিনি মনে করতেন তার কন্যা সৌন্দর্যের দেবী আফ্রোদিতি এর চেয়েও বেশি সুন্দরী। আফ্রোদিতি অবশ্যই থিয়াস এর এই মনোভাব মেনে নিতে পারেন নি। তাই তিনি কন্যা মিরহা এর অন্তরে তৈরি করে দিলেন তার নিজেরই পিতার জন্য কামনার আগুন, যেটা থেকে শেষ পর্যন্ত মিরহা বের হয়ে আসতে ব্যর্থ হয়। দাসীদের সহযোগিতায় বেশ ছলনার সাহায্যে নিজের পরিচয় গোপন রেখে রাজা থিয়াস এর সাথে মিরহা মিলিত হয়, যার ফলাফল হিসেবে মিরহা এর গর্ভে আসে একটি সন্তান। রাজা থিয়াস যখন বুঝতে পারেন যে যার সাথে তিনি মিলিত হয়েছেন সেটি তার নিজেরই কন্যা তখন তিনি ক্রোধে মত্ত হয়ে পড়েন। তিনি মিরহা কে হত্যা করতে উদ্যত হলেন।







হতবিহব্বল মিরহা নিজের বিপদ বুঝতে পেরে পালিয়ে গেলো। সে করজোড়ে দেবতা কুলে প্রার্থনা করলো তাকে যেন অদৃশ্য অথবা লুকিয়ে ফেলা হয়। তার বিপদ দেখে আফ্রোদিতির দয়া হল। তিনি মিরহা কে পালিয়ে যেতে সাহায্য করলেন। তিনি মিরহা কে রূপান্তরিত করলেন একটি গাছে যাতে রাজা থিয়াস থাকে কখনো খুজে না পায়। তার নামানুসারে গাছটার নাম হয় পরবর্তীতে মীড় গাছ।









নয় মাস পরে গাছের গুড়ি ফেটে সেখান থেকে বের হয়ে আসলো একটি পুত্র সন্তান, যার নাম অ্যাডোনিস। দেবী আফ্রোদিতি ভূমিষ্ঠ অ্যাডোনিস কে দেখলেন এবং তার রুপে তৎক্ষণাৎ মুগ্ধ হলেন। আফ্রোদিতি অ্যাডোনিসকে অন্যভাবে চেয়েছিলেন, তিনি চেয়েছিলেন অ্যাডোনিস শুধু তারই হোক, তাই তিনি অ্যাডোনিস এর মাতৃভুমিকা নিতে চাইলেন না। তিনি বরং অ্যাডোনিসকে লুকিয়ে ফেললেন একটি সিন্দুকে এবং নিয়ে গেলেন দেবী পার্সিফোন এর কাছে। পার্সিফোন ছিলেন মৃতদের রানী ও পাতালপুরীর দেবী, তিনি অ্যাডোনিস এর অভিভাবকত্ব নিতে সম্মত হলেন।







শিল্পীর চোখে অ্যাডোনিসের জন্ম



কিন্তু ঝামেলা তখনই তৈরি হল যখন অ্যাডোনিস বড় হতে লাগলো, এবং আফ্রোদিতি পার্সিফোন এর কাছে অ্যাডোনিসকে দাবী করলেন। পার্সিফোন ও অ্যাডোনিসকে ভালবেসে ফেলেছিলেন এবং অ্যাডোনিসকে দিতে চাইলেন না।





পার্সিফোনঃ শিল্পীর চোখে





অ্যাডোনিস





আফ্রোদিতিঃ শিল্পীর চোখে



দুই দেবীর মাঝে চরম বিদ্বেষ তৈরি হল, এবং কেউই অ্যাডোনিসকে হারাতে চাইলেন না। অবশেষে জিউস আসলেন মধ্যস্ততাকারী হিসেবে। তিনি এই সিদ্ধান্তে উপনিত হলেন যে অ্যাডোনিস, বছরের ৪ মাস কাটাবে জিউস এর সাথে, ৪ মাস পাতালপুরির রানী এর সাথে , এবং বাকি ৪ মাস প্রেমের দেবী আফ্রোদিতি এর সাথে।





অ্যাডোনিস ও আফ্রোদিতিঃ শিল্পীর চোখে।





অ্যাডোনিস কোন এক কারনে আফ্রোদিতিকে বেশ পছন্দ করত, এবং তার সাথে সময় কাটাতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করত। প্রায়শই অ্যাডোনিস আফ্রোদিতি এর সাথে লুকোচুরি খেলায় মত্ত হতো, আফ্রোদিতি এর রথ তাড়া করে বেড়াত, এবং আফ্রোদিতি কে অনুসরন করতো দুর্গম বন বনানীতে। কিন্তু অ্যাডোনিস এর ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিল না , অথবা এটাকে আফ্রোদিতি এর ও দুর্ভাগ্য বলা যায় যে একদিন আফ্রোদিতিকে খুজতে যেয়ে অ্যাডোনিস এক হিংস্র বন্য শুকর এর সামনে পড়ে। বলা হয়ে থাকে বন্য শুকরটি প্রেরিত হয়েছিলো আরেক শিকারি দেবী আর্টেমিস এর দ্বারা, যদিও আর্টেমিস এটি কেন করেছিলেন তার কারন অজ্ঞাত। আবার অনেকে মনে করেন অ্যাডোনিসের রুপে ঈর্ষান্বিত হয়ে অ্যারেস প্রেরন করেছিলেন বন্য শুকরটি, কারন অ্যারেস আফ্রোদিতিকে ভালবাসতেন এবং তিনি অ্যাডোনিসের প্রতি আফ্রোদিতির ভালোবাসাকে মেনে নিতে পারেন নি।







বন্য শুকরটিকে অ্যাডোনিস প্রায় কাবু করে ফেলেছিলো। এমনকি অ্যাডোনিসের বর্শা শুকরটিকে বেশ ভালো রকম ভাবেই আহত করেছিলো। কিন্তু কোণঠাসা শুকরটা হঠাৎ করেই ছুটে এসে আঘাত করলো অ্যাডোনিসকে এবং তাকে বিদ্ধ করলো তার দীর্ঘ দাতে। রক্তাক্ত অ্যাডোনিস মাটিতে পতিত হল মুহূর্তেই।







দেবী আফ্রোদিতি তখন বেশ দূরে ছিলেন। তিনি রথে থাকাবস্থাতেই বুঝেছিলেন যে বিপদে পড়েছে অ্যাডোনিস। কিন্তু তিনি যতক্ষণে অ্যাডোনিসকে রক্ষা করতে ছুটে এলেন, ততক্ষনে বেশ দেরী হয়ে গেছে। হাঁটু গেড়ে তিনি বসে পড়লেন অ্যাডোনিসের পাশে। অশ্রুসিক্ত নয়নে চেয়ে রইলেন তার দিকে। অ্যাডোনিসের ঠোটে এঁকে দিলেন এক দীর্ঘ চুম্বন, কিন্তু তখন অ্যাডোনিসের প্রান চলে গিয়েছিলো মর্ত্য থেকে, পড়ে ছিল শুধু অ্যাডোনিসের দেহ খানি।





অ্যাডোনিস ও আফ্রোদিতি



সৌন্দর্যের আর প্রেমের দেবী নিজেও ভোগ করলেন বিচ্ছেদের তীব্র ব্যাথা। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস থেকে মুক্তি পেলেন না তিনিও, আপন করতে পারলেন না নিজের প্রেম খানি। অ্যাডোনিস এবং আফ্রোদিতি এর প্রেম কাহিনী তাই মহাকাব্য হয়ে রইলো। প্রাচীন গ্রীসের মেয়েরা প্রতিবছরই পালন করে আসতো অ্যাডোনিস এর জন্য শোকগাঁথা।































তথ্যঃ ইন্টারনেট।

ছবিঃ ইন্টারনেট।



http://www'.paleothea'.com/'Myths/'Adonis.html

http://'en.wikipedia.org/'wiki/'Adonis

http://'www.greekmyths-greekmythology.com/'myth-aphrodite-adonis/'

http://'www.mythindex.com/'greek-mythology/A/'Adonis.html

মন্তব্য ৯৫ টি রেটিং +৩৪/-০

মন্তব্য (৯৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই জুন, ২০১১ রাত ১১:৫৫

ত্রিনিত্রি বলেছেন: বড় সড় একটা কমেন্ট লিখছিলাম, সামুর জ্বালায় হাওয়া হইলো! :(
চমৎকার পোস্ট! ভালো লাগা রইলো!

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:০৩

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ ত্রিনিত্রি আপু, আমার ব্লগে স্বাগতম, নতুন করে। :!>


২| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:০০

সৌম্য রাউত বলেছেন: পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ, ভালো লাগলো।

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:০৪

ইনকগনিটো বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ।

৩| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:০৫

শশী হিমু বলেছেন: গ্রিক মিথ পড়তে আমার ভাল লাগে। সোজা প্রিয়তে নিলাম।

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:০৮

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:০৬

ঠোঁটকাটা নির্লজ্জ বলেছেন: আগেই জানতাম। তারপরেও পড়ে ভালো লাগলো।

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:০৮

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:০৬

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: আফ্রোদিতি'র জন্মস্থানে যাবার সৌভাগ্য হয়েছিল। সেখানে যাবার পর মনে হয়েছিল সত্যিই এমনই এক জায়গাতেই প্রেমের দেবী'র জন্ম হওয়া সম্ভব।

আজকে তার সম্পর্কে আরো জানলাম এই পোস্ট থেকে । আপনাকে ধন্যবাদ।

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:০৯

ইনকগনিটো বলেছেন: আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।



৬| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:০৭

মোজাম্মেল মাহমুদ বলেছেন: ভালো লাগলো, ভবিষ্যতে আরও পাবো এ আশা রাখি ।

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:১০

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৭| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:০৮

ফেলুদার চারমিনার বলেছেন: ভালো লাগলো,ধন্যবাদ আপনাকে এমন সুন্দর করে গুছিয়ে লিখবার জন্য।

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:১১

ইনকগনিটো বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য।

৮| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:১১

প্রিন্স অফ ব-দ্বীপ বলেছেন: সুন্দর পোস্ট। চমৎকার পোস্টের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:১২

ইনকগনিটো বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৯| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:১২

সাইফ বাঙ্‌গালী বলেছেন: প্রিয়তে রেখে দিলাম। কাজে আসবে।

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:১৩

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ ,ভাই। :)

১০| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:১৩

সরব মৌনতা বলেছেন: ভালো লগলো পড়ে।অনেক কিছু জানতে পারলাম।গ্রীকমিথ নিয়ে আরো লেখা চাই।

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:১৬

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে, গ্রীক মিথ নিয়ে লিখবো অবশ্যই। চাইলে আপনি আমার পুরানো কিছু লেখা পড়তে পারেন গ্রীক মিথ নিয়ে। :)

১১| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:১৩

সরব মৌনতা বলেছেন: ভালো লগলো পড়ে।অনেক কিছু জানতে পারলাম।গ্রীকমিথ নিয়ে আরো লেখা চাই।

১২| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:১৬

স্বপ্নকথন বলেছেন: সুন্দর!!

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:১৮

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ , সপ্নকথন। :)

১৩| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:১৬

নষ্ট কবি বলেছেন: +++++++++++ সহ প্রিয়তে

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:১৮

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ ,ভাই। :)

১৪| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:১৬

স্বপ্নকথন বলেছেন: সুন্দর!!

১৫| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:২৪

জিসান শা ইকরাম বলেছেন:
খুবই ভালো লাগলো। সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন অ্যাডোনিস ও দেবী আফ্রোদিতির প্রেমকে।

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:২৭

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ, ভাইয়া।

১৬| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:২৪

কুচ্ছিত হাঁসের ছানা বলেছেন: মিথগুলা বরাবরই চমৎকার হয়। লিখে যান আরো। আপনার ব্লগ ফলো করা স্টার্ট করলাম আজ থেকে।

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:২৮

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। :)

১৭| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:২৮

মামুন হতভাগা বলেছেন: ধন্যবাদ

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:৫৫

ইনকগনিটো বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৮| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১:০০

শুধু প্যচাল বলেছেন: অত্যন্ত জ্ঞানের বিষয় লুকিয়ে আছে এই ছবিগুলোতে।

বৃক্ষ বিষয়টা সকল ধর্মের ভিতরেই দেখা যায়। মরিয়ম খেজুর গাছ তলায় আশ্রয় নিলেন, মুসলিম ঈমানদারগন সুশীতল বৃক্ষের ছায়ায় আশ্রয় গ্রহন করে থাকেন। ঈসা (আঃ) বৃক্ষের নীচে বসে থাকতেন। এই বৃক্ষ আসলে প্রতিটি ধর্মের প্রচারক গণ রুপক আকারে ব্যবহার করেছেন। এই বৃক্ষ --থাউক।

যাইহোক খুবই সুন্দর পোষ্ট।
ধন্যবাদ

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১:১২

ইনকগনিটো বলেছেন: হ্যা, কিছু অন্ত্যমিল তো থেকেই যায়, যুগ যুগ ধরে।


ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্যের জন্যে।

১৯| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১:০২

মানবী বলেছেন: মিশরীয় ও গ্রীক পৌরানিক কাহিনীগুলো খুব ইন্টারেস্টিং!!

পোস্টের অনুবাদের চমৎকার স্টাইল সেই মাইথলজীর আমেজটি সফল ভাবে ধরে রেখেছে.. ভালো লেগেছে পড়ে, ধন্যবাদ ইনকগনিটো।।

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১:১২

ইনকগনিটো বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ ,মানবী।

আপনাকে ব্লগে দেখে ভালো লাগলো।

২০| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১:১৩

অলস রাজা বলেছেন: আগেই পরেছিলাম। এখন আবার পড়লাম। এত সুন্দর করে লিখার জন্য আপনাকে ধইন্না পাতা।

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১:২১

ইনকগনিটো বলেছেন: আপনাকেও ধইন্যাপাতা। :!>

২১| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১:১৪

ইলুসন বলেছেন: সবাই এত সিরিয়াস মন্তব্য দেয় আমি একটু ফান করি। গ্রীক দেবদেবীরা সব সময় লেংটুপুটু হয়ে থাকত কেন? :P :P :P :P

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১:২৩

ইনকগনিটো বলেছেন: পোস্টে ছবি দিতে আমার অনেক অসুবিধা হয়, অনেক বাছ বিচার করে ছবি দেওয়া লাগে, তারপরেও এই অবস্থা। :#> :#>

২২| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১:১৮

আশরাফ মাহমুদ মুন্না বলেছেন: .
সুন্দর সুন্দর ছবি। ও সাথে সুন্দর গল্প (পৌরাণিক)। পৃথিবীর সব পৌরাণিক গল্পগুলো আসলেই সুন্দর। অদ্ভূত। গ্রীক পুরাণ, ভারতীয় পুরাণ, মিশরিয় পুরাণ, আরব্য রজনী, এবং হালের আধুনিক পুরাণ হ্যারি পটার ইত্যাদি ইত্যাদি। শুনেছি হ্যারি পটারে পৌরাণিক কাহিনীর স্বাদ পাওয়া যায়। যদিও পুরাণ নয়। কারণ এর লেখককে আমরা চিনি, জানি। শুধু এ জন্যেই কী হ্যারি পটার পুরাণ নয়? প্রাচীন পৌরাণিক কাহিনীর গুলোর লেখককে জানা যায় না। অজ্ঞাত। ঐ কাহিনীগুলো তো সেসময়কার মানুষ বিশ্বাস করতো। মানতো। কিন্তু হ্যারি পটার? ওগুলোকে তো শিশুরা বিশ্বাস করে। তাই না? তাহলে পৌরাণিক কাহিনীর রং-ঢং সব থাকা সত্ত্বেও ওগুলো পুরান নয় কেন? আজকাল সব কেমন যেন নিরস, কাটখোট্টা হয়ে গেছে, তাই না? আপনি কী বলেন? সব মেকী, যান্ত্রিক হয়ে গেছে। মজা পাওয়া যায় না। তাই না?

একটা মজার শব্দ বলি। প্রেমের দেবী আফ্রোদিতির নাম থেকেই Aphrodisiac শব্দটি এসেছে। যার অর্থ ঐসমস্ত বস্তু বা খাবার - যেগুলো শরীর মনে যৌনানুভূতি আনে বা তীব্র করে। যাকে বলা যায় Libido Increasing Food or Object.

এলোমেলো কথা পাড়লাম। Pls Don't Mind.

থ্যাংক ইয়্যু।

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১:২৯

ইনকগনিটো বলেছেন: আপনার এলোমেলো কথাগুলো বেশ উপভোগ্য।

আসলে পৌরাণিক কাহিনীগুলোর ও তো রচয়িতা কেউ না কেউ নিশ্চয়ই আছে। কালের আবর্তে সেই নাম হারিয়ে গেছে, রয়ে গেছে কাহিনী গুলো। হয়তো ৫০০০ বছর পরে মানুষ হ্যারি পটার , পিনোকিও , স্নো হোয়াইট কেও অনেক উপভোগ করবে যেভাবে আমরা এখন অতীতের গল্পগুলোকে উপভোগ করি।

আর আফ্রোডিসিয়াক শব্দটা জানতাম , তবে আফ্রোদিতি এর সাথে শব্দটার আসলে যে মিল আছে, সেটা একদমই ভুলো মনটা ধরতে পারেনি, অনেক ধন্যবাদ তথ্যটার জন্য।


বেশ সুন্দর মন্তব্য। খুব ভালো লাগলো। আমার ব্লগে স্বাগতম এবং শুভকামনা।

২৩| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১:৩৭

বাংলার আগন্তুক বলেছেন: আহা বেশ! বেশ!! বেশ!!!

১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১:৪১

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ, আগন্তুক। :)

২৪| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ২:১৬

সরলতা বলেছেন: অ্যাডোনিস কোথা থেকে এসেছে,সেটা জানতাম না। কিন্তু বাকিটুকু জানতাম।

তারপর ও ভাল লেগেছে। চমৎকার উপস্থাপনা ভাইয়া। :)

১২ ই জুন, ২০১১ সকাল ১১:১০

ইনকগনিটো বলেছেন: তোমার উপর অনেক রাগ করে থাকা উচিৎ , কিন্তু পারছিনা।




ধন্যবাদ তোমাকে,সরলতা।

২৫| ১২ ই জুন, ২০১১ রাত ২:৩৭

শুভ্র নামের ছেলে বলেছেন: বড়ই অদ্ভুত, সদ্য হওয়া বাচ্চাকে দেখে কারো কাম জাগ্রত (গ্রীক ভাষায় প্রেম মানেই ছিল কাম) হতে পারে ভবিষ্যতের আশায়, সে আমলের মানুষই বলতে পারবে!

আফ্রোদিতির চেয়ে পার্সিফোন অনেক সুন্দর, অ্যাডেনিস একটা গবেট।

আর চেয়েও জিউসের চরিত্র সন্দেহজনক। অ্যাডেনিসকে দুই ভাগ করে যখন দিবেই, তাহলে আফ্রোদিতি আর পার্সিফোনের মাঝে ৬ মাস ৬ মাস করে দিক। তা না, নিযে ৪ মাস নিছে!

১২ ই জুন, ২০১১ দুপুর ১:২১

ইনকগনিটো বলেছেন: আপনে বাংলা মিথ লেখা শুরু করেন। :P :P =p~

২৬| ১২ ই জুন, ২০১১ ভোর ৪:০২

কামরুল হাসান শািহ বলেছেন: ভাল লেগেছে

১২ ই জুন, ২০১১ দুপুর ১:২৭

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৭| ১২ ই জুন, ২০১১ ভোর ৪:২৭

স্বাধীকার বলেছেন: সদ্যজাত এ্যাডোনিস এবং আফ্রোদিতির প্রেমকে আমার কাছে বাঙলা সাহিত্যের রহিম-রূপবানের মতোই মনে হয়। বারো দিনের রহিম ১২ বছরের রূপবান। হয়ত গ্রীক পূরানেরই অংশ এটি।

লেখা খুবই ভালো হয়েছে, গতিশীল এবং সাবলীল। এজন্য প্লাস+++।

এই আফ্রোদিতির কারণেও কিন্তু প্যারিসের জীবনে নেমে আসলো অভিশাপ, এবং ট্রয় ধবংস, হেক্টরের মতো দেশপ্রেমিকের জীবন বিসর্জন।

ইনকগনিটোর-গ্রীকমিথে মনে হচ্ছে হোমারকে আবারও খুজে পাইলাম।

১২ ই জুন, ২০১১ দুপুর ১:৩৩

ইনকগনিটো বলেছেন: রুপবান এর কাহিনী আগে জানতাম না, তবে আপনার মন্তব্য পড়ে আগ্রহ সৃষ্টি হল।


আপনার সুন্দর এবং তথ্যবহুল মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। শুভকামনা।

২৮| ১২ ই জুন, ২০১১ দুপুর ১:১৩

স্মৃতির নদীগুলো এলোমেলো... বলেছেন: কালকেই পড়ে গিয়েছিলাম। কমেন্ট করতে পারিনি। অসাধারন পোস্ট।

১২ ই জুন, ২০১১ দুপুর ১:৩৪

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ এলোমেলো । :)

২৯| ১২ ই জুন, ২০১১ দুপুর ১:৩৬

জিসান শা ইকরাম বলেছেন:
পার্সিফোনঃ শিল্পীর চোখে, অ্যাডোনিস , আফ্রোদিতিঃ শিল্পীর চোখে এই ৩টি ছবির ওখানে অ্যাডোনিস এর ছবিটা আসেনি। ওখানে আফ্রোদিতির ছবি ২ বার এসেছে।

পোষ্ট টি প্রিয়তে নিলাম।

১২ ই জুন, ২০১১ দুপুর ১:৪৯

ইনকগনিটো বলেছেন: ভাইয়া, আমি তো ওখানে অ্যাডোনিসকে দেখতে পাচ্ছি। সামুতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে নাকি? :|


ধন্যবাদ আপনাকে, আবারো। :)

৩০| ১৩ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:১১

শিশিরের বিন্দু বলেছেন: বাহ! অনেক সুন্দর লিখেন তো আপনি!! তার উপর গ্রিক পুরান খুবই ভালো লাগে আমার।

হুম আরও বেশি বেশি গ্রিক পুরান দিয়ে ফেলেন। আপনার তো মনে হয় আরও কিছু গ্রিক পুরানের উপর পোস্ট আছে। সেগুলোও পড়বো সময় করে। ভালো থাকবেন।

১৩ ই জুন, ২০১১ দুপুর ১২:৪৭

ইনকগনিটো বলেছেন: লেখা ভালো লেগেছে শুনে আমারও ভালো লাগছে। সুন্দর মন্তব্য টির জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। :)

৩১| ১৩ ই জুন, ২০১১ দুপুর ১২:৫৮

ফারা তন্বী বলেছেন: উফফফ! অসাধারন! আপনাকে এত্তগুলো থ্যাঙকস। প্রিয়তে।

১৩ ই জুন, ২০১১ দুপুর ১:১৩

ইনকগনিটো বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। :)

৩২| ১৩ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৩:২২

পুবের পাহাড় বলেছেন: এইরকম পোস্টে বলার কিছু থাকে না..সোজা প্রিয়তে :)

১৩ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৩:৩২

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

৩৩| ১৩ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৩:৪৮

বহুলুল পাগল বলেছেন: পার্সিফোনরে বেশী সুন্দরী মুনে হইলো । :P :P গ্রীক মিথোলজি পড়তে সবসময়ই চরম লাগে । আপ্নেরে ধইন্যা :)

১৩ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৩:৫৮

ইনকগনিটো বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। :P

৩৪| ১৩ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৪:১০

অচিন রুপকথা বলেছেন: প্রতিটা লাইনের সাথে ছবিগুলো যেন মিশে রয়েছে। কাহিনীটা পড়তে পড়তে মনে হল ক্যনাভাসে দেখতে পাচ্ছি।
চমৎকারভাবে উপস্থাপন করেছেন ভাইয়া। অনেক ভালো লাগলো।

১৩ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৫:২০

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ , রুপকথা। :)

৩৫| ১৩ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৫:৪০

মাইনাস এইটিন_পন্ডিত বলেছেন: অসাধারণ লাগল।

১৩ ই জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৩৬

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৬| ১৪ ই জুন, ২০১১ রাত ১:৪১

অভ্রমালা বলেছেন: ভীষণ ভালো লাগলো পড়তে। আপনি অনেক ভালো লেখেন।

১৬ ই জুন, ২০১১ সকাল ১০:৫৩

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ, অভ্রমালা।

৩৭| ১৪ ই জুন, ২০১১ সকাল ১০:৩৮

রেজোওয়ানা বলেছেন: যথারিতী চমৎকার লাগলো বর্ননা :)

১৬ ই জুন, ২০১১ সকাল ১০:৫৯

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ,আপু।

৩৮| ১৬ ই জুন, ২০১১ সকাল ১১:২৯

বল্টু মিয়া বলেছেন: ভালো লিখেছেন :)

১৬ ই জুন, ২০১১ দুপুর ২:০৬

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৯| ১৬ ই জুন, ২০১১ সকাল ১১:৪১

খুশবু বলেছেন: ++

১৬ ই জুন, ২০১১ দুপুর ২:১৫

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪০| ১৬ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৩:২৩

জীবনকেসি বলেছেন: মাস্টার না হইয়া যদি সিনেমার পরিচালক হইতাম তবে এই কাহিনী দিয়ে জম্পেশ ছবি বানাইতাম। আপনাদেরকে প্রযোজক ............।
ধন্যবাদ।


১৬ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৩:৩২

ইনকগনিটো বলেছেন: হা হা, ধন্যবাদ। =p~ =p~

প্রযোজক হতে মন চায়। B-)

৪১| ২৩ শে জুন, ২০১১ দুপুর ১:০৯

মেঘ_মেঘা বলেছেন: ছোটবেলা থেকে বই পড়ার অভ্যাস অনেক আমাদের দুই বোনের। আব্বু অনেক বই কিনে দিতো। তখন রাসান রুপকথা, গ্রীক রুপকথা, চিনা রুপকথা এমন অনেক বই কিনে আনতো। পড়তে পারতাম না তাই আম্মু পড়ে শুনাত। তখন আম্মু আমাদের কেন জানি গ্রীক রুপকথার বই পড়তে দিতো না (সবজান্তা মুখভঙ্গী)। একটু বড় হয়ে হারকিউলিস কার্টুন দেখাতো জি টিভিতে আর হারকিউলিস সিরিজ দেখাতো বিটিভিতে। সিরিজ ভালো লাগত না তবে কার্টুনটা অসাম লাগতো। এখনো সুযোগ পেলে দেখি (ভালো মানুষী হাসি)। আমি তখন বোধ হয় নাইনে পড়ি তখন প্রথম প্রেমের বইগুলো পড়তে শুরু করেছি (লজ্জা লজ্জা হাসি)। তখন ইমদাদুল হক মিলনের একটা বই পড়েছিলাম নাম মনে নাই। ওখানে গ্রীক পুরানের এই গল্পটা ছিলো আর হারকিউলিসের সাথে তার মায়ের ঘটনাটা ছিলো। সেই প্রথম জানা হলো আমার কেন আম্মু পড়তে দিতো না। তারপর থেকে মিথের উপরে আমার ভীষণ ঝোক। যেখানে যা পেয়েছি পড়েছি। আজ আপনার লেখাটা নতুন করে আবার পড়লাম বরাবরের মত ভালো লেগেছে খুব। আপনি দেখলাম অনেকগুলো পোষ্ট দিয়েছেন গ্রীক মিথ নিয়ে (খুশীর হাসি)। সব গুলো পড়তেই হবে তাই আপনাকে অনুসরন দিয়ে রাখলাম।

ভাইয়া ছবিগুলো অদ্ভুত সুন্দর। ঘটনার সাথে মিল আছে ছবিগুলোর তাই তাদের নগ্নতা দেখতে খারাপ লাগে না (ফাজিল মার্কা হাসি)।

ভালো থাকবেন ভাইয়া। আপনার জন্য শুভকামনা।

২৫ শে জুন, ২০১১ রাত ১০:৪৪

ইনকগনিটো বলেছেন: রুপকথা আমারও ভালো লাগে। এতো বড় হয়েছি, তবু বইমেলায় গেলে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের বই এর দিকেই চোখ যায়, বিভিন্ন দেশের রুপকথার বইগুলো প্রতিবছর ই কিনি। তবে গ্রীক মিথ গুলি অন্য যেকোনো দেশের রুপকথা থেকে ভিন্ন। আসলে প্রতিটা জাতির ই কিছু নিজস্ব ধারা আছে। একটার সাথে আরেকটার তুলনা আসলে হয়না।

আপনি ঠিক ই বলেছেন, ছবিগুলো সুন্দর। এইসব ছবির নগ্নতাটাও আসলে ছবির একটা সৌন্দর্য ,তবে পোস্ট লেখার সময় ছবি নির্বাচনে আমাকে বড় বিপাকে পড়তে হয় (আপনার মতো আমিও একটা লজ্জা লজ্জা হাসি দিলাম)।

অনেক ধন্যবাদ মেঘ মেঘা। খুব খুব ভালো লাগলো আপনার কথাগুলো। আপনার মন্তব্য আমার পোস্ট টাকে আরও উজ্জ্বল করলো।

আপনার জন্য শুভকামনা।

৪২| ২৩ শে জুন, ২০১১ দুপুর ১:২০

মাহী ফ্লোরা বলেছেন: sundor kore likhechen!:)

২৫ শে জুন, ২০১১ রাত ১০:৪৯

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ , ফ্লোরা।

৪৩| ২৩ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৩:১০

রিমঝিম বর্ষা বলেছেন: ভীষন ভালো লাগলো। বিচ্ছেদ কেন প্রেম-কে খাঁটি করে বুঝিনা। /:)

২৫ শে জুন, ২০১১ রাত ১০:৫২

ইনকগনিটো বলেছেন: আসলে "না" পাওয়াটা মনের মাঝে দাগ কাটে খুব বেশি। হয়তোবা তাই।


ধন্যবাদ বর্ষা।

৪৪| ২৭ শে জুন, ২০১১ রাত ৯:০৭

বনা বলেছেন: অসাধারণ।বিশ্বাস রইল অতি দ্রুত পরবতী মীথটি পড়তে পারব।

২৮ শে জুন, ২০১১ রাত ১০:২৮

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৫| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:৫৯

লেজকাটা বান্দর বলেছেন: অসাধারণ।

১৪ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ১২:০২

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৬| ১৪ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ১২:২২

মামুণ বলেছেন: khub Intrresting, keep it up

১৪ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৮:০৮

ইনকগনিটো বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৭| ১৪ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ১২:৩১

জেনারেশন সুপারস্টার বলেছেন: সময় নিয়ে পড়ব।ছোটবেলায় শুনেছি আফ্রোদিতির কাহিনী

১৪ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৮:০৮

ইনকগনিটো বলেছেন: আচ্ছা।

৪৮| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৮:৪৫

মহামহোপাধ্যায় বলেছেন: অনেক চমৎকার লিখেছেন। অবশ্য আপনি বরাবরই চমৎকার লিখেন। খুব ভালো লাগলো।

আচ্ছা, পার্সিফোন দিমিতির এর মেয়ে না ??

আজ একটা স্পেশাল প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি, আপনার ব্লগের সবগুলো মিথ পোস্ট আজ পড়ে ফেলব

:) :) :) :) :) :) :) :) :) :)

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৫০

ইনকগনিটো বলেছেন: হ্যা, দিমিতির এর মেয়ে :)



ধন্যবাদ।

৪৯| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:০৩

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: চমৎকার একটা পোস্ট :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.