| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষেরা নীচু শ্রেনীর জাতি বলতে দ্বিধা হয়না। কিছু কবি/মানুষেরা ঠিকি বুঝছিলেন----- এই জন্যেই জৈনক এক কবি দেশাত্ববোধক গান লিখেছেন "সকল দেশের রানী সেজে আমার জন্মভূমি"। আগেরকার দিনে রাজারা যখন রাজ্য আক্রমন করতো তখন রাজাকে মাইরা রানীকে দাসী বানাই রাখতো। আর কি কি করতো বলতে গেলে মুখে আটকায়। ভারতীয় উপমহাদেশকে নানান সময়ে নানান জাতি এসে দাসী বানাই রাখছে(পর্তুগীজ,ডাচ, ইংলেন্ড)। এই উপমহাদেশের মানুষ পূর্বকাল থেকেই চাকর-বাকর।
এক ব্যাক্তি দেশান্তরী হইয়া অন্য এক দেশে গিয়া ব্যাবসা শুরু করলো। অইদেশের লোকজনকে খাটাইয়া বিপুল অর্থের মালিক হইলো। অই মালিকের অধীনে আবার এক চাকর কাজ করতো। অই চাকর আবার অই বাড়ির মালিকের একমাত্র ছেলেকে দেখাশুনা করতো। হটাত মালিক মারা গেলো, ছেলেকে পাঠাই দিলো তার আত্মীয়-স্বজন্দের কাছে। সৌভাগ্যক্রমে অই চাকর হইয়া গেলো মালিক। এখন এত সম্পদের মালিক, আর ক্ষমতা হইয়া চাকর কি করবে বুইঝা পায়না। মালিকের কর্মচারীদের উপর তার ক্ষমতা দেখানো শুরু করলো। আবার এইদিকে কর্মচারীরা তাদের পেটের দায়ে এইসব যন্ত্রনা মুখ বুঝে সহ্য করতে লাগলো। সহ্য করতে করতে কর্মচারীদের সহ্যক্ষমতা এমন অবস্থায় পৌঁছালো যে নতুন মালিক ডেইলি দু-তিনজনকে হত্যা করলেও অন্যেরা চুপ করে থাকতো। আর অন্যের আঘাতে আবেগতাড়িত হইতো কারণ এইটা ছাড়া তাদের করার মতন কিছুই ছিলোনা। আবেগ শেষে আবার মালিক মালিকই করতো।
সুতরাং----
পরিশেষে বলা যায় যে--- এই উপমহাদেশের ক্ষমতাবানরা ক্ষমতা দেখাবে আর সাধারন মানুষ আবেগতাড়িত হয়ে মুখ বুঝে সহ্য করবে। এইটা আমাদের জ্বিনগত বৈশিষ্ট।
©somewhere in net ltd.