| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলাদেশের বাস্তবতায় রাষ্ট্রক্ষমতা কোনো ট্রায়াল এন্ড এরর স্যান্ডবক্স না। এটা কোনো দোকানে গিয়ে টি-শার্ট পরে দেখা নয়—পছন্দ না হলে খুলে রেখে আসা যাবে। রাষ্ট্রক্ষমতা একবার কারও হাতে গেলে, তার স্পিলওভার ইমপ্যাক্ট পড়ে পুরো সমাজ, অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর।
এখানে "সুযোগ দিয়ে দেখি" টাইপের আবেগী সিদ্ধান্ত মানে হচ্ছে হাই রিস্ক ন্যাশানাল এক্সপিরম্যান্ট যার ব্যর্থতার খরচ সাধারণ মানুষকেই বহন করতে হয়।
ডেমোক্রেসিতে নির্বাচন আছে ঠিকই, কিন্তু ডেমোক্রেসি মানেই অন্ধ ট্রায়াল না। ডেমোক্রেসি হলো ইনস্টিটিউশন-ড্রিভেন একাউন্টীবিলিটি , ক্লিয়ার পলিসি রোড ম্যাপ এবং টেস্টেড গভারনেন্স ক্ল্যাপাসিটি । যাদের রাজনৈতিক দর্শন এখনো ধর্মীয় আবেগ আর প্রতীকী স্লোগানের ওপর দাঁড়িয়ে, কিন্তু আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনার পলিসি ক্লিয়ারিটী , ইকোনোমিক ব্লপ্রিন্ট মাইনোরিটী এসুরেন্স গ্লোবাল ডিপ্লমেসি ফ্রেমওয়ার্ক এসব বিষয়ে অস্পষ্টতা আছে, তাদের হাতে রাষ্ট্র তুলে দেওয়া মানে হলো পুরো সিস্টেমকে অস্থিরতার দিকে ঠেলে দেওয়া।
সাধারণ মানুষকে বুঝতে হবে রাজনীতি শুধু মঞ্চের বক্তৃতা না, এটা ড্রেন আর ময়লার রাজনীতি। কোথায় কোন চিপা দিয়ে কী বয়ে যাচ্ছে, সেটা না বুঝলে বাইরে সব পরিষ্কার লাগলেও ভেতরে পচন ধরবে। এই পচন একসময় শাপলার কলির মতোই অঙ্কুরে বিনষ্ট করে দেয় সম্ভাবনাকে ...উপর থেকে সুন্দর, ভেতরে ফাঁপা।
ধর্ম আর রাজনীতির মিশ্রণ এখানে সবচেয়ে বড় অপারেশানাল রিস্ক । ধর্ম হলো মানুষের ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও আত্মিক অনুশীলনের ক্ষেত্র, আর রাষ্ট্রনীতি হলো ক্ষমতা, নীতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বাস্তব জগত। এই দুই ভিন্ন ক্ষেত্রকে একত্রিত করলে রাজনীতি একটি শূন্য-ফলাফলের খেলায় পরিণত হয়, যেখানে ভিন্নমতকে শত্রুতা হিসেবে দেখা হয় এবং প্রশ্ন করাকেই বিশ্বাসঘাতকতা বলে গণ্য করা হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর মতো দলগুলোকে আবেগ দিয়ে নয়, কার্যকারিতা ও সক্ষমতার মানদণ্ডে বিচার করতে হবে। তারা রাষ্ট্র চালাতে চায় এটা স্বাভাবিক। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়: সংবিধানের সঙ্গে তাদের অবস্থান কতটা স্পষ্ট, নারী–সংখ্যালঘু–ভিন্নমতের অধিকার কতটা প্রশ্নাতীত, আর আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও কূটনীতিতে তারা বাস্তববাদী নাকি আদর্শনির্ভর এই বিষয়গুলো পরিষ্কার না হলে রাষ্ট্রক্ষমতা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া দায়িত্বশীল হতে পারে না।
রাষ্ট্র কোনো হাড়ি-পাতিলের খেলা না খেলালাম, মজা করলাম, শেষে ফেলে দিলাম। এখানে ভুলের luxury নেই। তাই সাবধান হওয়াই দেশপ্রেম, আর প্রশ্ন করাই নাগরিক দায়িত্ব।
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:০০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: রাষ্ট্র কোনো হাড়ি-পাতিলের খেলা না খেলালাম,
..............................................................................
আমাদের অধিকাংশ জনগন ভোট সর্ম্পকে সচেতন নয়,
অর্থ বা পারিবারিক সিদ্ধান্ত মোতাবেক চলে ।
সবচেয় আশ্চর্য জনক এই যে, রাজধানীতে কিছু মহিলা বোরকা পড়ে
জামাতের পক্ষে কাজ করছে, অথচ তারা জানেই না, তাদের দল
মহিলাদের কোন সম্মান দেয়না ।