| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জেমসবন্ড
।জ্ঞানের প্রতি বিপুল আগ্রহ । সংগ্রাম মুখর আমার জীবন ।
বৌদ্ধধর্মে ঋষিকে 'বুদ্ধ' বলা হয় । গৌতম বুদ্ধ মৃত্যুর সময় তাহার প্রিয় শিষ্য নন্দাকে 'অন্তিম বুদ্ধ' সম্পর্কে এক ভবিষ্যদ্বাণী শ্রবণ করান - 'নন্দা' এই পৃথিবীতে আমি প্রথম বুদ্ধ নই এবং অন্তিম (সর্বশেষ) বুদ্ধও নই । এই পৃথিবীতে সত্য এবং পরোপকার শিক্ষা দান করার জন্য সময় মত এক 'বুদ্ধ' আর্বিভূত হইবেন । তিনি পূতঃ-পবিত্র অন্তঃকরণের অধিকারী হইবেন । তাহার হৃদয় পরিশুদ্ধ হইবে; তিনি জ্ঞান ও প্রজ্ঞাবান হইবেন । তিনি সকল লোকের নায়ক ও পথ প্রদর্শক হইবেন । যদ্রূপ আমি পৃথিবীতে সত্যের শিক্ষা দিয়াছি , তিনিও তদ্রূপ পৃথিবীতে সত্যের শিক্ষা প্রদান করিবেন । তিনি পৃথিবীতে এমন এক জীবন-দর্শন প্রদর্শন করিবেন, যাহা একাধারে পবিত্র ও পূর্ণাঙ্গ হইবে । নন্দ, তাহার নাম "মৈত্রেয়" হইবে ।
[Gospel of Buddha - by carus, P-217]
'বুদ্ধ' শব্দের অর্থ "বুদ্ধি দ্বারা যুক্ত" । বুদ্ধ মানুষ-ই হন, কোন দেবতা নয় ।
বুদ্ধের বৈশিষ্টঃ
বুদ্ধ ঐশ্বর্য্যবান এবং ধনবান হন ।
বুদ্ধ সন্তানাদির পিতা হন ।
বুদ্ধ স্ত্রী সংসার এবং শাসন যুক্ত ব্যাক্তি হন ।
বুদ্ধ স্বীয় পূর্ণ আয়ু পর্যন্ত জীবিত থাকেন ।
বুদ্ধ স্বীয় কর্মাদি স্বয়ং সম্পাদন করেন ।
বুদ্ধ কেবল ধর্ম প্রচারক হন ।
বুদ্ধকে 'তথাগত'ও বলা হয় ।
বুদ্ধ যখন একাকী ও নিরালয়ে অবস্হান করেন, তখন অনেক সময় ঈশ্বর তাহার নিকট দেবতা(ফেরেশ্তা) ও রাক্ষসগণকে (জ্বিন) প্রেরণ করেন ।
[Saddharma-Pundrika. S.B.E Vol.xxi, P-225]
প্রত্যেক বুদ্ধ তাহার পূর্ববর্তী বুদ্ধকে স্বরণ করাইয়া দেন এবং স্বীয় অনুগামীদেরকে 'মার' সম্পর্কে সতর্ক করিয়া থাকেন । 'মার' অর্থ পাপ ও বিনাশ প্রসারকারী । উর্দূতে উহাকে শয়তান এবং ইংরেজীতে ডেভিল বলা হয় । বুদ্ধের অনুগামী, পরিপক্ক অনুগামী হন, তাহাকে কেহ পথভ্রষ্ট করতে পারে না । পৃথিবীতে এক সময় একটি বুদ্ধ থাকেন ।
বুদ্ধ হওয়ার একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য এই যে, পৃথিবীতে তাহার কেহ গুরু থাকিবেনা ।
মৈত্রেয় বুদ্ধের বৈশিষ্ট্যঃ
মৈত্রেয় এর অর্থ দয়াবান ।
বুদ্ধ হওয়ার ফলে "অন্তিম বুদ্ধ মৈত্রেয় - ও" বুদ্ধের পূর্ব বর্ণিত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হইবেন ।
'মৈত্রেয়' বোধিবৃক্ষের নিয়ে সভার আয়োজন করিবেন ।
বোধিবৃক্ষ দুই প্রকার হয়-
১. পার্থিব বৃক্ষ
২. স্বর্গীয় বৃক্ষ
সাধারণ মানুষ অপেক্ষা বুদ্ধের ঘাড়ের হার অত্যাধিক দৃঢ় হয় । সেইজন্য ঘাড় ঘুরাইবার সময় তাহাকে সমস্ত শরীল ঘুরাইতে হয় ।
অতএব 'মৈত্রেয়' বুদ্ধের মধ্যে উক্ত লক্ষণ বিদ্যমান থাকা স্বাভাবিক । এক্ষণে আমি পর্যালোচনা করিব যে, কাহার মধ্যে বুদ্ধগণের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান এবং কে ভবিষ্যদ্বাণীর "মৈত্রেয় বুদ্ধের" সকল গুণাবলী অধিকারী ?
পবিত্র কোরআনে মোহাম্মদ (সাঃ) সম্পর্কে এই ঘোষণা করা হয় যে, "আপনি পূর্বে নির্ধন ছিলেন, অতঃপর আমি আপনাকে ঐশ্চর্যবান ও ধনবান করিয়াছি ।" মোহাম্মদ (সাঃ) ঋষি বা নবূয়ত প্রাপ্তি বহু পূর্বেই অনেক ধন লাভ করেন । তাহার নিকট অনেক ঘোড়া ছিল । তাহার আরোহণ করিবার জন্য প্রসিদ্ধ উষ্ট্রের নাম ছিল "আল কাসওয়া" । উক্ত উষ্ট্রের উপর আরোহণ করিয়া তিনি মক্কা হতে মদীনা গমণ করেন । এতদ্ব্যতীত তাহার কুড়িটি উষ্ট্রিণী ছিল ।
মোহাম্মদ (সাঃ) এর দ্বাদশ পত্নী , চার কন্যা এবং তিন পুত্র ছিল ।
মোহাম্মদ (সাঃ) শাসকও ছিলেন । তিনি শত সহস্র বিরুদ্ধ পক্ষকে পরাজিত করে সমগ্র আরব দেশের উপর স্বীয় কর্তত্ব প্রতিষ্ঠা করেন । তিনি সম্রাট হওয়া সত্ত্বেও তাহার খাদ্য পূর্ববত অতি সাধারণ ছিল ।
মোহাম্মদ (সাঃ) স্বীয় পূর্ণ আয়ুস্কাল পর্যন্ত জীবিত ছিলেন । তাহার অকাল মৃত্যু হয় নাই বা কাহারো দ্বারা নিহত হন নাই ।
মোহাম্মদ (সাঃ) নিজ কার্য সমূহ স্বয়ং নিজে সম্পাদন করিতেন । তিনি সারাজীবনব্যাপী ধর্মপ্রচার করিয়াছেন ।
তিন যখন একাকী ও নিরালয়ে থাকিতেন তখন কখনো কখনো তাহার নিকট ফেরেশ্তা ও জ্বিন আগমণ করিত ।
তিনি তাহার পূর্ববর্তী ঋষিগণের বা নবীদের কাজকে সমর্থন করেন । তিনি তাহাদের মধ্যে কোন পার্থক্য করিতেন না ।
তিনি তাহার অনুগামীদের শয়তান সম্পর্কে বার বার সতর্ক করিয়াছেন । কোরআনেও এ ব্যাপারে অনেকবার বলা হইয়াছে এবং সতর্ক করা হইয়াছে ।
তাহার অনুগমীগণ কখনও তাহার প্রদর্শিত পথ হইতে বিচ্যুত হন নাই । শত সহস্র দুঃখ কষ্ট ও কন্টকপূর্ণ জীবন যাপন করা সত্ত্বেও তাহার সাহাবীগণ তাহার সঙ্গ ত্যাগ করেন নাই ।
মোহাম্মদ (সাঃ) যখন বুদ্ধ বা নবী রূপে আর্বিভাব হন , তখন পৃথিবীতে অন্য কোন বুদ্ধ ছিলনা । উনার নবুয়ত প্রাপ্তির সময় পৃথিবীতে সামাজিক ও ধর্মীয় পরিস্হিতি অত্যন্ত কলূষিত ছিল । তার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় সমগ্র আরব এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় সমস্ত কুসংস্কার দূর হয়ে সত্যিকারের দ্বীনের আলো বিদ্যুতের মত ছড়িয়ে পড়ে ।
মোহাম্মদ (সাঃ) সাহেবের পৃথিবীতে কোন গুরু বা শিক্ষক ছিলো না । তিনি কোন প্রকার লেখাপড়া জানতেন না । এই জন্য তাহাকে 'উম্মি' বা 'নিরক্ষর' বলা হইয়াছে । তাহার অন্তঃকরণে ঈশ্বর কর্তৃক অবর্তীণ বাণীসমূহের সংহিতাই পবিত্র কোরআন । কোনরূপ প্রাতিষ্ঠিানিক শিক্ষা ব্যাতীত কারো কাছ থেকে এরূপ গ্রন্হ যা পরিপূর্ণ মানব-জীবন বিধান তা বুদ্ধ বা নবী ব্যতীত অন্য কারো কাছ থেকে প্রকাশ পাওয়া সম্ভব নয় ।
"মৈত্রেয়" অর্থ দয়াবান । ১৬ ই অক্টোঃ ১৯৩০ সনে লীডার পত্রিকার পৃষ্ঠা ৭ কলম ৩ এ এক বোদ্ধ মৈত্রয় শব্দের অর্থ দয়া লিখেন । মোহাম্মদ (সাঃ) ও ছিলেন দয়াবান । এ কারণে তাহাকে "রাহমাতুল্লিল আলামিন" (সমগ্র বিশ্বের জন্য দয়া ও করুণা) উপাধি প্রদান করা হইয়াছে ।
মৈত্রেয় বুদ্ধের বিষয়ে ইহা উল্লেখ আছে যে, তিনি সমস্ত শরীর না ঘুরাইয়া ঘাঢ় ঘুরাইতে পারিবেন না । এই লক্ষণ মোহাম্মদ (সাঃ) এর ও ছিল । কোন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলা সময় তিনি সম্পূর্ণ শরীর ঘুরাইয়া লইতেন ।
অতএব ইহা স্বতঃসিদ্ধ ভাবে প্রমাণ হইল যে, বৌদ্ধ গ্রন্হসমূহে যে মৈত্রেয় বুদ্ধ বা অন্তিম বুদ্ধ সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করা হইয়াছে তিনিই সেই অন্তিম বুদ্ধ বা ঋষি মোহাম্মদ (সাঃ)
সূত্রঃ বেদ-পূরাণে আল্লাহ ও হযরত মোহাম্মদ , ধর্মাচার্য অধ্যাপক ড. বেদপ্রকাশ উপধ্যায় প্রণীত ।
---------------------------------------------------------------
Buddhism is older than Christianity. It originated in
India but is prevalent in entire South Asia and far
East. Gautama Buddha, its founder is supposed to be an
agnostic but this is disputed. The word Buddha
means enlightened. Scriptures of Buddhism are
available in Sanskrit, Pali, Sinhalese, Burmese,
Chinese,
Tibetan and Japanese languages. We could get the
following information collectively from them;
At his death bed his grief-stricken disciples asked
him who will provide them guidance after him. The
Buddha consoled them by saying; “Do not think I am the
only Buddha. There had been many before me and
will be many after me. At appropriate time a
great Buddha will come.”
(Compare this with the Qur’anic Verse 26:9 “say (O Muhammad): I am no new thing among Messengers (of Allah....).
তাহার বৈশিষ্ট্যসমূহঃ
* He will be born in a country to west ( and not in
India) Refer Fig.1
* He will migrate from his homeland.
* He will look at the Universe face to face. (Compare
this with Mi’raj).
* His countrymen cannot be reformed until his advent.
In Si-Yu-Ki, Vol I, p.229, it is written that
*"... no words can describe the personal beauty of Maitreya".
* He will preach the same religion as mine but its
perfection and success will reach peak stage only in
his time (Compare this with the Qur’anic Verse 5:3
“..... I have perfected your religion for you.. . and
have
chosen Al Islam for you as religion... “).
* While my disciples are in hundreds, his will be in
thousands.
The Chief disciple Ananda asked him how to identify
the great Buddha when he eventually comes. Gautama
told them,
* “His name will be Maitreya.”
The word maitreya means love, kindness, compassion,
mercy, and so on. The Arabic for mercy is rahmat.
Rahmat is title given to the Sayyidul Mursaleen e
Leader of Prophets, by Allah in Qur’an ! He refers to
him as;
Rahmatan lil Alameen Mercy unto the worlds (21:07)
Rahshatun lilladeena amanu minkum Mercy unto the
believers (9:61)
Rahmatan min Rabbika Mercy from thy Lord (28:46)
আরও জানতে দেখুনঃ
Click This Link
Click This Link
২|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৫৯
রজব আলি বলেছেন: তাই নাকি!! চলেন বৌদ্ধ হয়ে যাই। এত সুন্দর prediction একটি সত্য ধর্মের পুরুষই করতে পারে।
যত্তসব!! ইসলামের সত্যতা প্রমাণের জন্য এসব আবলামির কি কোন দরকার আছে????
৩|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:০৩
বাফড়া বলেছেন: রজব আলীর কথায় পয়েন্ট আছে.. কিন্তু এত উত্তেজিত হওয়ার কিচু নাই রজব ভাইটি... সেইক্ষেত্রে ক্রণলজিক্যালি বিবেচনা করলে শেষ পর্যন্ত ইসলামই গ্রহন করার কথা...
এনিওয়ে আপনার স্যাটায়ার বহোয়াটেভারটা জোস হইছে!!!
৪|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:০৬
মোঃ খায়রুল ইসলাম বলেছেন:
৫|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:০৭
মোঃ খায়রুল ইসলাম বলেছেন: বেস ভালো লাগল ।
৬|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১২
রিয়াজুল ইসলাম বলেছেন: ভালো লেগেছে। আরো লিখুন। জাকির নায়েক ও এরকম অনেক ব্যাখ্যা দিচ্ছে। ++++++..................।
৭|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১৭
লালন অনিক বলেছেন: আরো খোঁজেন....
###বুশের ডায়েরীতে মুহাম্মদ বন্দনা...
বুঝিনা এসবের মর্ম, এসব কি শুধুই ছাগলিস কর্ম?
৮|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১৯
নাজিম উদদীন বলেছেন: ব্যাখ্যায় করিতে পারি ওলট-পালট
সমস্বরে বলে সবে হিংটিংছট। ![]()
মাইনাস
৯|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:২২
সুফিয়ান ডট কম বলেছেন: নতুন জুক্স
১০|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬
আমিই রূপক বলেছেন: বেশ ভালো লাগলো। লিখতে থাকুন। বৌদ্ধ ধর্ম সম্পর্কে জানতে হলে কি করা যায় জানালে উপকৃত হবো।
যেহেতু আল্লাহই সকল মানুষের স্রষ্টা এবং সকলেরই নিকট প্রত্যাবর্তন, সুতরাং কোন কিছুই ফেলনা নয়। ধন্যবাদ।
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪১
জেমসবন্ড বলেছেন:
.......ওদের বই পড়েন, ওয়েব সাইট ঘেটে দেখতে পারেন , দুঃখিত এই মূহুর্তে এর বেশি বলতে পারছি না ।
১১|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৪১
আট আনা বলেছেন: একবার কোথায় জানি পড়ছিলাম, গৌতম বুদ্ধ নাকি কোন একটা নবী।
১২|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫০
বাফড়া বলেছেন: বুদ্ব কপিলাবস্তুতে জন্মাইছিলেন... কোরানে প্রায় ঐরকম কাছাকাছি সাউন্ডের একজন নবী/পয়গম্বরের কথা বলা হইছে... সেডই হিসেবে বিভিন্ন হিসাব নিকাশ কইরা / চিন্তা ভাবনা (সরি ঠিক শব্দ না পায়া হিসাব নিকাশ কইরা / চিন্তা ভাবনা শব্দ সমগ্র ব্যাভার করলাম) কইরা বুদ্বরে অনেকে ইসলামের একজন নবী বিবেচনা করেন - @ সাবস্টু
বিদ্র- জেমসবন্ড কিংবা উনি যাদের লেখার প্রেক্ষিতে এই পোস্ট লিখেছেন তাদের সবার অনুভূতির প্রতি আমার পূর্ণ সম্মান আচে... আমি শুধু এই পয়ন্ট টাই মেক করতে চেয়েছিলাম যে ধর্ম হিসেবে ইসলামের (কিংবা অন্য কোন ধর্মের) অন্য কোন ধর্মের দারা সার্টিফায়েড হওয়ার দরকার নাই... ঠিক হইলে যেকোন ধর্মই ইটসেল্ফ ইনাফ... এইটা বিশেষ কইরা লিখলাম কারন অন্যদের ভিউ পয়েন্টের সাথে আমার টা মিক্স হয়া যাওয়ার সম্ভাবনা আছে!!!
১৩|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩
দি ওয়ান বলেছেন: বোঝাই যায় আপনার "জ্ঞানের প্রতি বিপুল আগ্রহ"।![]()
১৪|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:১০
মরি-নাই বলেছেন: আবাল-ই রইয়া গেলি!
মানুষ হইয়া একটা পোস্ট দিতে দিতে আমার নাতি ব্লগানো শুরু করব।
মাইনাস দিলাম।
১৫|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:১৪
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: বুদ্ধরা যে নাস্তিক, আপনি সেইটা জানেন ? একজন নাস্তিক ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা কিভাবে একজন আস্তিক ধর্মের কথা বলেন বুঝলাম না। বুদ্ধ ধর্মে তো কোন ঈশ্বরের বালাই নাই। একটা আস্তিক ধর্ম ও নাস্তিক ধর্মের মধ্যে কোন সম্পর্ক না থাকাই স্বাভাবিক।
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭
জেমসবন্ড বলেছেন:
...আমার এ বিষয়টা নিয়ে দ্বিমত আছে যে বুদ্ধ ধর্ম নাস্তিকদের ধর্ম । কারণ বুদ্ধের বাণী গুলো খেয়াল করুন, সেখানে পরলোকের কথা আছে, আর পরলোক মানেই কিন্তু ঈশ্বর , তা নয় কি, উনার বাণী সম্বলিত আমার পোষ্টটা দয়া করে পড়ে দেখবেন । নিম্নে কিছু বাণী দিলাম ---
১. মিথ্যাবাদী, ধর্মলংঘনকারী ও পরলোকে অবিশ্বাসী ব্যাক্তি যে কোন পাপ কাজ করতে পারে । [লোকবগগোঃ ১৭৬]
২. ১১. আলস্যকে প্রশ্রয় দিওনা । ধর্মকে অনুসরণ কর । ইহলোক ও পরলোক - দুই লোকেই সূখে থাকবে । [লোকবগগোঃ ১৬৮]
৩.পাপী ইহলোক ও পরলোক - উভয়লোকে মনস্তাপে দগ্ধ হয় । অপরদিকে পূণ্যবান উভয়লোকেই পরমমানন্দ লাভ করেন । [যমকবগগোঃ ১৭-১৮]
৪.মূর্খরা 'আমার পুত্র, আমার অর্থ, আমার ধন' এই চিন্তা করে যন্ত্রণা ভোগ করে । যখন সে নিজেই নিজের না তখন পৃত্র বা ধন তার হয় কিভাবে ? [বালবগগোঃ ৬২]
১৬|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০
অ রণ্য বলেছেন: কনফিউজডডডডডডডডডডডডডডডডডডডডডডডডডডডডডডড
তাহলে শেষ পর্যন্ত ইসলাম ধর্ম্ই সত্য ধর্ম
তাহলে বাকি যেসব ধর্ম এই যে নির্বিশেষে ইসলামের সমর্থন করল, তাদেরকেই বা নেগলেক্ট করি কিভাবে ?
শালার এইজাতীয় রেফারেন্সগুলো আমার স্বাভাবিক বুদ্ধি নষ্ট করে দেয়ার চেষ্টা করে। বিরক্ত...............
১৭|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৫
হোলসেল বলেছেন: রিয়াজুল ইসলাম বলেছেন: ভালো লেগেছে। আরো লিখুন। জাকির নায়েক ও এরকম অনেক ব্যাখ্যা দিচ্ছে। ++++++..................।
১৮|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:০৯
দুরের পাখি বলেছেন:
আদিম কালের চাদিম হিম
তোড়ায় বাঁধা ঘোড়ার ডিম
১৯|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: বৌদ্ধ ধর্মে যদি এতটাই গভীর বিশ্বাস থাকে, এবং বৌদ্ধ ধর্মে যদি ভবিষ্যৎ সঠিকভাবে বলে দেওয়া হয়, তাহলে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করলেই পারেন, না?
২০|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: বৌদ্ধ ধর্মে যদি এতটাই গভীর বিশ্বাস থাকে, এবং বৌদ্ধ ধর্মে যদি ভবিষ্যৎ সঠিকভাবে বলে দেওয়া হয়, তাহলে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করলেই পারেন, না?
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪০
জেমসবন্ড বলেছেন:
.........কেন বুদ্ধ কি তাই করতে বলছেন ? না অন্তিম বুদ্ধের অনুসরণ করতে বলছেন ?
২১|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৪০
জইন বলেছেন: দু:খিত ভাই কিভাবে যেন লেখার মাঝখানে একটা ইমেজ এসে পড়েছে... প্লিজ মন্তব্যটা মুছে দিন....
আমি আল্লাহ সর্বশক্তিমান,হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ ) তাঁর বান্দা ও রাসূল কোনো রূপ যুক্তি তর্ক প্রমাণ ব্যাতিরেকেই গ্রহণ করেছি.........
আপনার অনেক পড়াশুনা কিন্তু মনে হল গভীর ভাবে চিন্তার অভাব আছে
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯
জেমসবন্ড বলেছেন:
........মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ । আমার উদ্দেশ্যটা কি বুঝতে পারেননি ।
একটু চিন্তা করেন আর আমার অন্যান্য পোষ্টগুলো পড়েন আশা করি বুঝতে পারেন ।
২২|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৪১
কলুর বলদ বলেছেন: লালন অনিক বলেছেন: আরো খোঁজেন....
###বুশের ডায়েরীতে মুহাম্মদ বন্দনা..
বস আমি খোয়াবে দেখলাম আপনে বিভিন্ন ধর্মে হযরতের সন্ধান দিয়ে অলরেডি বেহেস্তের টিকেট পাইয়া গেছেন। আপানার এই গবেষণার জন্য আল্লাহ আপনারে বেহেস্তে কদবেল(নোবেল পুরস্কারের বেহেস্ত ভার্সন) পুরস্কার দিতাছে।
বস এই খোয়াবের ব্যাখ্যা কি??
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪২
জেমসবন্ড বলেছেন:
......কিন্তু আমি তো একা যাইতে চাইনা, আপনারেও নিয়া যাইতে চাই ।
২৩|
১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:০৭
জইন বলেছেন: আপনার জ্ঞানের পরিধি এবং পড়াশুনায় আমি অবাক...... অনেক কিছু জানতে পারছি.... আপনার অন্যান্য পোস্টগুলোও পড়ছি।
১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:১৫
জেমসবন্ড বলেছেন:
পড়ার জন্য ধন্যবাদ । আমার কথা হল- বিজ্ঞাপনের ভাষায়
...'বাচলে হলে জানতে হবে ' ।
২৪|
১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৪৬
কলুর বলদ বলেছেন: আমারে নিয়া আপনের কোন টেনশনই লইতে হইবো না বস। আমি বাতেনি লেভেলে চইলা গেছি। আপনার বেহেশতের দরজায় ফেরেশতা না চিনলে আমারে কল দিয়েন। আপনার লাইগা আল্লাপাকের দরবারে শাফাআত করমু ইনশাল্লাহ।
আর আমার বেহেশতে যাওনের ইচ্ছা নাই। দুযখে যাইতে চাই। স্রষ্টার পক্ষপাতমূলক লীলাখেলা আমার কাছে স্রষ্টাসুলভ মনে হয় না। আমার কাছে মনে হয় স্রষ্টা একটু বেশি শিশুশুলভ........
২৫|
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:২৫
নুভান বলেছেন: বাফড়া ,
সমসাময়িক রাসুলের সাথে নবী আসতেই পারেন। যেমন, মুসা (আঃ) এর সাথে ইউশা (আঃ), তার ভাই হারুন (আঃ) বা অ্যা্রন, শশুড় শোয়েব (আঃ) বা যেথরো ছিলেন সমসাময়িক নবী, কিন্তু রাসুল এসেছিলেন একক সময়ে এক জন-ই।
২৬|
২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:০৭
মোহাম্মদ রাসেল বলেছেন: জা জা কাল্লাহ খাইর,লিখা চালিয়ে যান ভাই। চমতকার হয়েছে।
২৭|
০৩ রা মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৪
তীব্র রঙিন বলেছেন: হাঁটুতে মগজ নাইরে.....
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৫৮
বাফড়া বলেছেন: গৌতম বুদ্বরে মাফ কইরা দেওন যায়না ভাইটি? হেরে অন্তত টানাটানি থিকা বাদ দেন... ইসলামে বিশ্বাস করতে চাইলে বুদ্ব বা বৌদ্ব ধর্মের সার্টিফিকেট লাগবো না!!!!
হিসাব করলে ওয়ারেন বাফেটরেও মৈত্রেয় কয়া চালায়া দেওন যাইব... মাইন্ড কইরেন না... বিরক্ত হয়া কইলাম... শালার ধর্ম টাও পাবলিক শান্তিমত পালন করতে দিবনা... এই খানেও হাজার রেফারেন্স আর সার্টিফিকেশানের প্যাচাল...
প্লাস মাইনাস কিছুই দিলাম না..।