নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দিন প্রতিদিন

জানা

জানা › বিস্তারিত পোস্টঃ

সম্মিলিত বিলাপ মাত্র

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩

একটা জলজ্যান্ত মানুষকে আরেকদল 'মানুষ' নির্বিকারভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা পিটিয়ে হত্যা করলো! এর চেয়ে বড় বেদনার, ভীতিকর, উৎকন্ঠার এবং লজ্জার আর কী আছে আজকের 'আধুনিক' এবং বিজ্ঞানের জয়জয়কারের 'সভ্য' দুনিয়ায়! ২১ বছরের আবরারকে ওরই সমবয়সী, সহপাঠি, ওর মতই দেখতে, ডজন খানেক আবরার কী নিশ্চিন্তে, নির্ভয়ে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিল! এই দুঃসহ ঘটনার পূনরাবৃত্তি হয়েই চলেছে।

বরাবরের মতই খুনীদের গ্রেপ্তার চাই, বিচার চাই, সর্বোচ্চ শাস্তি চাই, সংশ্লিষ্ট 'এর'-'ওর' পদত্যাগ চাই, বিষয়ভিত্তিক ব্যানার, ফেস্টুন, মিছিল, সভা, মানববন্ধন, দাবী, বর্জন, আন্দোলন, জাগরণ- ক'টা দিন এইতো! এরপর? যে যার পথে....। সদ্য নিহত আবরার এখন আমাদের নানাবিধ 'গবেষণা', বক্তব্য-মন্তব্যের বিষয় মাত্র। আমাদের বিদ্যে-বুদ্ধি, জ্ঞাণ-গম্মি প্রকাশে আত্নতুষ্টির সুযোগ মাত্র। আবরার এর স্বভাব, চেহারা, থুতনির নীচের নির্দোষ একটুখানি দাড়ি, সংস্কৃতি-ধর্মচর্চা, সামাজিক মাধ্যমে আর দশটা বোধ সম্পন্ন সুস্থ মানুষের মত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা চর্চা ইত্যাদি নিয়ে আমাদের এইবাদী সেইবাদী বিশিষ্ট কারো কারোর আলোকরশ্মির গতিতে গবেষণার ফলাফল প্রকাশ এবং ব্যক্তিগত 'রায়' ঘোষনার 'পবিত্র দায়িত্ব' পালনের 'অধিকার'টা চর্চিত হচ্ছেই। তাই, কেউ কেউ বুকের পাটা চওড়া করে, কেউ মিনমিন করে আবার কেউ ঘেউ ঘেউ করে হলেও তাদের গবেষণা কেতাবে আবরারকে 'উগ্র'দের দলে ফেলে তাকে হত্যার কারণ নিশ্চিত করে চায়ের পেয়ালা হাতে প্রেমের কবিতায় মন দিয়ে রিল্যাক্সড হন। হায়, এমন নির্লজ্ঝ, হতদরিদ্র সোশ্যালমিডিয়াবাজ সেলেব্রিটি 'মানব'জীবন! আবরারদের মা-বাবা এবং প্রিয়জনদের অসহায় চেহারা, পরিবারের আহাজারী, বিলাপ নিয়ে মিডিয়াওয়ালাদের যুৎসই 'মনোযোগ কামাই'ও একটা সময় থামে। কিন্ত হারিয়ে যাওয়া আবরারদের মা-বাবার হৃদয়ের রক্তক্ষরণ চলতে থাকে আমৃত্যু। আর র'য়ে যাওয়া বাকী আবরারদের মা-বাবারা, প্রিয়জনেরা উৎকন্ঠায়, আশংকায় কুঁকড়ে থাকে, চোখ-কান-মুখ বন্ধ করে মেরুদন্ডহীন নির্বিষ সরিসৃপের জীবন-যাপনে অভ্যস্ত হতে থাকে। স্বাধীন মাতৃভূমিতে সন্তানের বেঁচে থাকা নিশ্চিত করতে এর চেয়ে ভাল পথ বুঝি আর এখন নেই। আমাদের সন্তানেরা 'দুধে-ভাতে' চাইনা; চাই শুধুই মানবিক হয়ে বেড়ে উঠুক, সত্যিকারের মানুষ হয়ে বেঁচে থাকুক। হয়তো কোন একদিন একটা সত্যিকারের সভ্য পৃথিবী ওরা গড়ে তোলার সুযোগ পাবে।

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৩

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: সহজ সরল সুন্দর লিখা।
আহ! প্রতিটি মানুষ যদি এভাবেই ভাবতো কতই না ভালো হতো।

২| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


মানুষের প্রতিবাদ খুব একটা কাজ করছে না; কারণ, তারা শুধু নিজেদের বেলায় প্রতিবাদ করে আসছে, সবার বেলায়, সার্বজনীনভাবে প্রতিবাদ করে না।

৩| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




জানা আপা, পরিস্থিতি অনুকুলে নেই। ছাত্র আন্দোলন আর ছাত্র রাজনীতি করে করে ছাত্রছাত্রীদের এতোটাই বখাটে করা হয়েছে যে তাদের দ্বারা হত্যা হওয়াটা এখন খুবই স্বাভাবিক পর্যায়ে পড়ে। আমাদের দেশ ছাত্রছাত্রী তৈরি করেনি, তৈরি করেছে একঝাক খুনী।

উদাহরণ:-
আপনার বাসা ১৩ নম্বর রোডে, আর ১৩ নম্বর রোডের শেষ সীমানায় মদন মিয়া ভাড়া থাকেন আর তার ছেলেমেয়ে ঢাবি/ইডেনের রাজনৈতিক সান্ডা পান্ডা !!! - আপনি যদি ৫০ বছরের পুরোনো বাড়ীওয়ালাও হোন এমনকি দাদা পরদাদার বাড়ীও হয় তারপরও প্রতিদিন মনে হবে ১৩ নম্বর একটি মহা বিপদজনক নম্বর।


৪| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৪

রাজীব নুর বলেছেন: মানুষ হয়ে পড়েছে স্বার্থপর, অমানবিক। এর মাত্রা দিন দিন বাড়ছেই।

৫| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৮

করুণাধারা বলেছেন: অল্প কথায় ভাবনার চমৎকার প্রকাশ!

কিন্ত হারিয়ে যাওয়া আবরারদের মা-বাবার হৃদয়ের রক্তক্ষরণ চলতে থাকে আমৃত্যু। আর র'য়ে যাওয়া বাকী আবরারদের মা-বাবারা, প্রিয়জনেরা উৎকন্ঠায়, আশংকায় কুঁকড়ে থাকে, চোখ-কান-মুখ বন্ধ করে মেরুদন্ডহীন নির্বিষ সরিষ্রিপের জীবন-যাপনে অভ্যস্ত হতে থাকে।

মা-বাবার হৃদয়ের রক্তক্ষরণ বন্ধ হবে কি করে! প্রতি মুহূর্তে তারা সেই যন্ত্রণা অনুভব করবেন, যে যন্ত্রনা নিয়ে তাদের আত্মজ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে। সে ৮ বার বমি করেছিল, বারবার পানি খেতে চেয়েছিল, তার বয়সী ছেলেগুলোর এক বিন্দু দয়া হয়নি!!! মারতে মারতে ক্লান্ত হয়ে তারা বাইরে খেতে গেছে। শেষে বার্সেলোনার খেলা দেখতে বসেছে... বড় জানতে ইচ্ছে করে এই ছেলেগুলো কি রক্ত মাংস দিয়ে তৈরি!!!

৬| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪০

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: এ যেনো নষ্ট সমাজের সবকিছু নষ্ট হয়ে যাওয়ার উপক্রম। কিছুই আর বেঁচে নেই যেখান থেকে দেশের সম্পদ উৎপাদন হবে তাই আজ বিকল করার প্রচেষ্টা এমন হতে থাকলে একদিন সবি শেষ হয়ে যাবে। এমন গঠনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করণ দাবী হউক সকল জনতার।

৭| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫০

মুক্তা নীল বলেছেন:
কিছু অমানুষ খুনি ছাত্ররা কিভাবে পারলো তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেকটা ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করতে? পুঁথিগত বিদ্যা অর্জন করলেই ছাত্র হওয়া যায় না, এরা ছাত্র নামের অমানুষ ।

৮| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:০৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অসাধারন বি্শ্লেষন।

বাস্তবতার নির্যাসটুকু উঠৈ এসেছে।

বিলাপ থেকে ক্রোধ, ক্রোধ থেকে দাবানাল জ্বলে উঠছে না। উঠতে দিচ্ছে না।
আন্দোলনের অভিবাবক সংকট আমজনতার ক্রোধকে নিভিয়ে দিচ্ছে!
পাশে কেউ নেই।

দূরাচার মিডিয়ায় নগ্ন অন্ধ দলান্ধতায় দেশ, স্বাধীনতা সার্বভোমত্ব হুমকির মূখে।

ঘূরিয়ে পেচিয়ে যা বলা হচ্ছে তা সত্যের কানের নীচ দিয়ে চলে যাচ্ছে...
ভাসুরের নাম কেউ মূখে নিচ্ছে না।
দৃঢ় কন্ঠে কেউ বলছে না- অনির্বািচত স্বৈরাচারি সরকারই সকল সমস্যার মূল।
দেশকে বাঁচাতে হলে গণতন্ত্র্‌ পুন:রুদ্ধার ছাড়া উপায় নেই।
একানয়কতান্ত্রিকতাই সমস্যার মূলে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা দমাতে বিরোধী দল দমনে যেভাবে গুম, খুন করা হয়েছে
ছাত্রলীগকে যেভাবে অতীতে ব্যবহার করা হয়েছে, তাতে তারা এতেই অভ্যস্ত।
আইনের ফাঁক গলে যখন ফাঁসির আসামীর বেরিয়ে যাবার নিশ্চয়তা থাকে তখন কে আর আইনেক ভয় পায়?
তাইতো তারা এক যুগের স্বৈরাচািরতায় আজ দানবে পরিণত।

ভারতীয় আধীপত্যবাদের প্রতি সরকারী ছাত্র সংগঠনের এমন নির্লজ্জ্ব সহায়তা অশনি সংকেত।
শুধূ একজন আবরারের মৃত্যু নয়, এ স্বাধীনতার চেতনা, সার্বভৌমত্বের অহমে, মত প্রকাশের মোলিক স্বাধীনতায় প্রচন্ড আঘাত।
যাকে শুধু ব্যাথা নাশক দিয়ে থামালে হবে না।
চাই কঠিন প্রতিরোধ। নইলে সামনে ভীষন বিপদ। ঘোর অন্ধকার।



৯| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:১৩

ইসিয়াক বলেছেন: মানুষের মানবিকতা ,বিবেকবোধ। সামাজিক দায়বদ্ধতা ,মূল্যবোধ ক্রমশ লোপ পাচ্ছে ।

১০| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:৩৭

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:


রাষ্ট্রের বর্ণমালাগুলোকে রাষ্ট্রেরই অবৈধ সন্তানগুলো হত্যা করে চলেছে! পেছনে আমরা তার আফসোসকারী এক অকর্মা জাতি সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে থাকি ! ! অন্তত আমরা নিজেদের কর্ম সম্পর্কে সচেতন হলে এটাকেই আমরা সর্বশেষ হত্যা হিসেবে চিহ্নিত করতে পারবো। আর না হয় ঘরে বসে থাকলে, আন্দোলনকে ঘুমন্ত করে আবারো গুনতে হবে হত্যার রক্ত.......

১১| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:০৩

বলেছেন: সবকিছু অসভ্যদের দখলে!!!

১২| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৫০

মা.হাসান বলেছেন: আওয়ামীলীগের অতীত ইতিহাস জানার পরেও যারা বিভিন্ন ভাবে এই দলটিকে ক্ষমতায় যেতে সাহায্য করেছে, এই হত্যার দায় তারা এড়াতে পারে না।

১৩| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:১৭

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: বিলাপে শামিল হইলাম


[না লিখে লিখে লেখার স্টাইলটা কেমন হয়ে গিয়েছে। পড়া/বোঝা দুটোতেই সমস্যা হলো]

১৪| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৪৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: দায়িত্ববানরা দায়িত্ব পালন করছেন না। দায়িত্বশীলরা দায়িত্বে অবহেলা করছেন। যাদের কাজ তারা করছেন না। হলে দেশের সবকিছু যেন স্থবির হয়ে গেছে।

১৫| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৫০

কাজী ফররুখ আহমেদ বলেছেন: আমরা নিরব দর্শক ছিলাম, আমরা নিরব দর্শক আছি।।

১৬| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:৫৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
চাঁদগাজী সঠিক বলেছেন:

মানুষ - তারা শুধু নিজেদের বেলায় প্রতিবাদ করে আসছে,
সবার বেলায়, সার্বজনীনভাবে প্রতিবাদ করে না।

যে কোন মৃত্যুই নিন্দনিয়।
কাউকে পেটানোও নিন্দনিয়। শাস্তিযোগ্য।

তবে আলোচিত হত্যাটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড নয়। শাস্তির নামে বুলিং/চড়থাপ্পোর/পিটুনিতে একপর্যায়ে মারা গেছে।
পরিকল্পিত হত্যা হলে হাত-পা বেধে রগ কেটে ক্যাম্পাসের অনেক বাইরে জঙ্গলে বা বুড়ীগঙ্গায় ফেলে দেয়া হত। যেমনটা শিবির করে।
ছাত্রদল বা ছাত্রলীগ হত্যার রাজনীতি করেনা। ছাত্রদল বা ছাত্রলীগে যা হত্যা হয়েছে, সেটা নিজেদের ভেতরই। নীচু স্তরে ঢুকে পরা ক্রিমিনালদের দখল আধিপত্ত চাঁদাবাজি ইত্যাদি নিজেদের কোন্দলেই সব মারা গেছে।

শিবিরের কথা আলাদা।
শিবির পরিকল্পিত ভাবে হত্যাকান্ড করে। মাফিয়া স্টাইলে রাজনীতির অংশ হিসেবে করে।
এ জুগের জেনারেশন শিবির দেখেনি। শিবিরের নৃসংসতা দেখেনি। শিবির এখন ছদ্মবেশে মিশে আছে। এই ব্লগেও পাবেন।
৮২ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত একশোর বেশি ছাত্র নিহত হয়েছিল, ব্রাস্ট ফায়ারও হয়েছিল, শুধু শিবিরের হাতেই মারা গেছিল ছাত্র-শিক্ষক মিলে ৬০ জনেরও বেশি। টর্চারের কি দেখেছেন? শিবিরের হলে টর্চার করতে করতে রগ কেটে কানে গজাল ঢুকিয়েও হত্যা হয়েছিল। লাশ জঙ্গলে ফেলে দেয়া হয়েছিল। সুপরিকল্পিত ভাবে হত্যার শিকার হয়েছিল শিক্ষক সাংবাদিকও।

আবরা হত্যাকারিরা অবস্যই খুনি, সবাই ধরা পরেছে, নিশ্চিত কঠিন শাস্তি হবে।
তবে হত্যার দায় আমাদেরও আছে, আমাদের সমাজব্যাবস্থাও এজন্য দায়ী।
আমরা রাস্তায় আহত কাউকে হাসপাতালে নিতে চাই না, পুলিশি ঝামেলা, আদালতে শাক্ষী ইত্যাদি কারনে কেউই ইচ্ছা থাকলেও হাসপাতালে নিতে চায় না।
আহত অবস্থায় ঘন্টার পর ঘন্টা পরে থাকার পরও আবরারকে কেউ হাসপাতালে নিতে সাহস করেনি।
এটাও আমাদেরই সামগ্রিক ব্যার্থতা।

১৭| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:১১

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: হয়তোবা তাই... শুধুই হাহাকার !

১৮| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:৫১

রাফা বলেছেন: কেচোর মত মাটির নিচে লুকিয়ে আত্মরক্ষার মন মানসিকতা নিয়ে জিবন জাপনে অভ্যস্থ সমাজে এটাই‘তো হওয়ার কথা।আরো অনেক বড় বিপর্যয়ের অপেক্ষা করছি আমি।মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাড়াতে পারবোনা যতদিন ততদিন এটা চলতেই থাকবে।
প্রতিবাদের ,প্রতিরোধের শক্তি হারানো জাতির পরিণতি এর চাইতে করুন হবে।আশা জাগানিয়া কিছুই দেখছিনা আমি।

ধন্যবাদ,জানা আপা।

১৯| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১০:০২

মৃন্ময়ী শবনম বলেছেন: ছাত্র রাজনীতি বন্ধ হবে না। আর এমন নৃশংস হত্যাযজ্ঞও বন্ধ হবে না।
চলতে থাকবে চলতেই থাকবে।

২০| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১০:১৪

সোহানাজোহা বলেছেন: আইনীভাবে ছাত্র রাজনীতি রাজনতি বন্ধ করা উচিত, তবে সর্বাগ্রে অভিশপ্ত ফেসবুক বাংলাদেশে অবস্যই অবস্যই ব্যান করা উচিত।

২১| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৪৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: জানা,




আসলেই এসব সম্মিলিত বিলাপ মাত্র । আমরা এক একবার বিলাপ শেষ করে পরবর্তী বিলাপের অপেক্ষায় থাকি।

২২| ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৯:৩৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: যথার্থ বক্তব্য, হৃদয়-মথিত উপলব্ধির প্রকাশ। ধন্যবাদ, সংক্ষিপ্ত অবয়বে বিশাল জনগোষ্ঠির অন্তরের উপলব্ধিটুকু প্রকাশ করার জন্য।
"হারিয়ে যাওয়া আবরারদের মা-বাবার হৃদয়ের রক্তক্ষরণ চলতে থাকে আমৃত্যু" - একটি নিদারুণ সত্য কথা বলেছেন, যা বুঝতে কষ্ট হবার কথা নয়, তবে সবাই হৃদয়ঙ্গম করতে পারবে না।
প্রতিবাদের ,প্রতিরোধের শক্তি হারানো জাতির পরিণতি এর চাইতে করুন হবে।আশা জাগানিয়া কিছুই দেখছিনা আমি - রাফা এর এ মন্তব্যটি'র (১৮ নং) সাথে একমত না হতে পারলে স্বস্তি পেতাম, কিন্তু সে উপায় নেই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.